Sariba's Gallery

Sariba's  Gallery

Share

Assalamu Allaikum.

Welcome to SARIBA'S GALLERY. ♥️
Here you’ll get all kinds of 💯 authentic Beauty Products.They make you look more beautiful. 🥰 Come check out our awesome authentic products!♥️

31/08/2026
30/08/2026

“আমার রাতে ঘুম হয় না… একদমই হয় না।” 🌙
সেহেরিশ ঘুমালেও এমন অনেক রাত যায় আমি একদম ঘুমায় না।

কেউ হয়তো ভাববে, ঘুম না আসার কারণ কী?
কিন্তু কিছু রাতের কোনো কারণ থাকে না—
থাকে শুধু কিছু অপ্রকাশিত কষ্ট,
কিছু না বলা কথা,
কিছু মানুষের দেওয়া আঘাত
আর নিজের সঙ্গে নিজের হাজারটা প্রশ্ন।

দিনের বেলায় আমরা সবাই ভালো থাকার অভিনয় করতে পারি।
হাসতে পারি, কথা বলতে পারি,
সবাইকে বলতে পারি— “আমি ভালো আছি।”

কিন্তু রাত হলে?
রাত যেন আমাদের মুখোশটা খুলে দেয়।

তখন মনে হয়—
কাকে হারালাম, কে বদলে গেল,
কোথায় ভুল করলাম,
কেন এতটা সহ্য করলাম…
সব প্রশ্ন একসঙ্গে মাথায় আসে।

জীবনের সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা হলো—
সবাইকে ধরে রাখা যায় না,
সব সম্পর্ক বাঁচানো যায় না,
আর সব মানুষকে নিজের মতো করে ভালোবাসাও যায় না।

কিছু মানুষকে ছেড়ে দিতে হয়,
কিছু স্মৃতিকে মেনে নিতে হয়,
আর কিছু কষ্টকে বুকের ভেতর রেখেই
সামনে এগিয়ে যেতে হয়।

হয়তো আজ আমার রাতে ঘুম হয় না।
কিন্তু আমি বিশ্বাস করি—
একদিন এই অস্থির রাতগুলোও শেষ হবে।

কারণ জীবন যত কঠিনই হোক,
কোনো রাতই চিরস্থায়ী নয়।
লিখা : ইয়াসমিন
📷 from old gallery
ভোর একদিন আসবেই।

30/08/2026

যারা চশমা পরে তারা জানে এইটা ছাড়া চলা অসম্ভব।

29/08/2026

আমি বানাবো আমার জামাই এর কিডনি দিয়ে। পারমিশন পাচ্ছিনা গাইস 🤣

29/08/2026

✨ Remember:
“Sometimes losing people is actually gaining peace.

29/08/2026

নাম বলতে চাই না। খুব পরিচিত একজন মানুষ। নাম বললে বাংলাদেশের অনেকেই চিনে ফেলবেন।

একদিন তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল। কথার একপর্যায়ে তিনি বললেন, তিনি কমপক্ষে একশো বছর বাঁচবেন। কথাটা তিনি শুধু বিশ্বাস করেন না, সেই বিশ্বাস অনুযায়ী জীবনও চালান। নিয়ম মেনে চলেন, শরীরের যত্ন নেন, নিজের জীবনকে দীর্ঘ করার জন্য সচেতনভাবে চেষ্টা করেন।

আমি তার দিকে কিছুক্ষণ মায়ার দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম।

কারণ মানুষ আসলে কত বছর বাঁচবে, সেটা কি মানুষ নিজে ঠিক করতে পারে?

আরেকজনের কথা বলি।

তিনি এক ওয়াক্ত নামাজও মিস করেন না, মাশাআল্লাহ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তাহাজ্জুদও বাদ যায় না। ইসলামের নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করেন। তবে মজার বিষয় হলো, ইসলামের কোনটা নিয়ম আর কোনটা তার নিজের তৈরি নিয়ম, সেই সীমারেখাটা তার কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি যেটাকে সঠিক মনে করেন, সেটাই তার কাছে নিয়ম।

ইসলামের সেই নিয়ম নীতি পালন করেন যেটা তিনি পালন করতে পারেন। যেটা পালন করতে পারেন না বা পালন করতে চান না, সেটাকে নিয়মই বলে মনে করেন না।

তার দৃঢ় বিশ্বাস, তার জান্নাত নিশ্চিত।

আমি এসবের বিচার করার মানুষ নই। কে কতটা ভালো মুসলমান, কে কতটা ধার্মিক, কে জান্নাতে যাবেন আর কে যাবেন না, সেই ফয়সালা আমার কাজও নয়।

আমি তো অতি তুচ্ছ, নগণ্য, পাপী একজন মানুষ।

মায়ের কবরের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করি। অন্তত শুক্রবার। সেখানে কিছুক্ষণ বসি, পাশের মসজিদে নামাজ পড়ি, মায়ের জন্য দোয়া করি।

আজ নামাজ শেষে ফিরছিলাম। হঠাৎ একটি কবরের সামনে দাঁড়িয়ে গেলাম।

কবরটি সম্ভবত ৪০ থেকে ৪২ বছরের পুরোনো।

কবরটি কেনা কবর। একসময় নিশ্চয়ই কেউ খুব যত্ন করে এই জায়গাটি কিনেছিলেন। হয়তো নিজের জন্য। হয়তো বাবা-মায়ের জন্য। হয়তো সন্তানদের জন্য। কত পরিকল্পনা, কত টাকা, কত আয়োজন ছিল সেই সময়।

কিন্তু আজ?

কেউ আসে না।

কেউ খোঁজ নেয় না।

কবরটির চারপাশে ও ভিতরে এখন ময়লার ভাগাড়।

একসময় এই কবরের মানুষটির হয়তো টাকা ছিল, সম্পদ ছিল, পরিচিতি ছিল, সম্মান ছিল। হয়তো তার কথায় অনেক মানুষ উঠত-বসত। হয়তো তার ঘর ছিল, গাড়ি ছিল, ব্যবসা ছিল, ব্যাংকে টাকা ছিল।

আজ তার কিছুই নেই।

যে সম্পদ তিনি রেখে গেছেন, তার মালিক এখন অন্য কেউ। অন্য কেউ সেই সম্পদ ভোগ করছে। সেই অর্থ সম্পদ কোথায় ব্যয় হচ্ছে ভালো কাজে না মন্দ কাজে, সে খবর রাখার ক্ষমতা এখন আর তার নেই। যে সম্মান নিয়ে তিনি হয়তো সারাজীবন ব্যস্ত ছিলেন, সেটাও সময়ের সঙ্গে মুছে গেছে।

এমনকি তাকে স্মরণ করার মতো একজন মানুষও হয়তো আর নেই।

শেষ পর্যন্ত পড়ে আছে শুধু এই কয়েক হাত মাটি।

আমরা জীবিত থাকতে কত কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকি।

আরও টাকা চাই। আরও সম্পদ চাই। আরও ক্ষমতা চাই। আরও পরিচিতি চাই। মানুষ আমাকে চিনুক, আমার নাম থাকুক, আমার বাড়ি থাকুক, আমার ব্যবসা থাকুক, আমার সন্তানরা বড় হোক, আমার ভবিষ্যৎ নিরাপদ হোক।

কিন্তু একদিন হঠাৎ সব হিসাব বন্ধ হয়ে যায়।

ব্যাংকের হিসাব নয়, জীবনের হিসাব।
সেদিন সঙ্গে যায় না বাড়ি, গাড়ি, টাকা, পদ, ক্ষমতা, পরিচিতি কিংবা অহংকার।

সঙ্গে যায় শুধু আমাদের কাজ।

হয়তো সেই কারণেই কবরের সামনে দাঁড়ালে আমার নিজের জীবনটাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় লাগে। আবার তীব্র শান্তিও পাই। এখন কেন যেন কবরকে খুব একটা ভয় লাগে না।

যে মানুষটি একশো বছর বাঁচতে চান, তিনি হয়তো সত্যিই একশো বছর বাঁচবেন। আল্লাহ তাকে দীর্ঘ জীবন দিন।

যে মানুষটি নিজের জান্নাত নিশ্চিত মনে করেন, আল্লাহ তার ঈমান ও আমল কবুল করুন।

কিন্তু আমার প্রশ্নটা নিজের কাছেই।

আমি যদি কাল এই কবরের বাসিন্দা হয়ে যাই, আমার রেখে যাওয়া জিনিসগুলোর কী হবে?

আমার নাম কে মনে রাখবে?

আমার সম্পদ কে ভোগ করবে?

আমার অহংকার কোথায় থাকবে?

আর আমার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে কেউ কি একদিন বলবে,

“লোকটা ভালো ছিল। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।”

শেষ পর্যন্ত সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য এটাই:

আমরা যত বড়ই হই, একদিন কয়েক হাত মাটির কাছে সবাই সমান হয়ে যাই।

তাই বেঁচে থাকতেই একটু কম অহংকার করি। একটু কম জমাই। একটু বেশি ভালোবাসি। কাউকে কষ্ট দিলে ক্ষমা চাই। কাউকে পারলে ক্ষমা করি। আর নিজের জন্য নয়, মৃত্যুর পরও যার মূল্য থাকবে, এমন কিছু রেখে যাওয়ার চেষ্টা করি।

কারণ মানুষ কত বছর বাঁচল, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো,

সে চলে যাওয়ার পর পৃথিবীতে তার ভালো থাকার কতটুকু স্মৃতি বেঁচে রইল।

এই ধরনের পোস্ট কারো ভালো লাগে না আমি জানি। তারপরও অনেক সময় মন থেকে অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করে। তাই বলে ফেললাম 🙏🏻🙏🏻

28/08/2026

আল্লাহ হেদায়েত করুক আমাদের।

28/08/2026

২ দিন ধরে আয়াতুল কুরসি মুখস্ত করার চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
মাশাল্লাহ বলবেন সফল হব ইনশাআল্লাহ। বড়টাকে ৩ থেকে সাড়ে দিন বছরে ১৪ টা শিখাইতে পেরেছিলাম।

27/08/2026

“কথা” খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে!
এই কথার মাধ্যমেই আপনি মানুষের মনের ভেতর জায়গা করে নিতে পারেন, আবার এই কথার কারণেই তৈরি হতে পারে বিশাল দূরত্ব!
তাই কথা বলার আগে একটু ভাবুন, কারণ কিছু কথা হৃদয়ে থেকে যায়, আর কিছু কথা মানুষকে চিরতরে দূরে সরিয়ে দেয়!

27/08/2026

🥰

Website

Address


Bonsree
Dhaka