Derma Care Ltd.
Derma Care Ltd is a Largest Classifieds online market place in Bangladesh. Everyone known as a wide
নতুন বছর উজ্জ্বল হয়ে উঠুক নতুন আলোয়,নতুন আশায়,নতুন সম্ভাবনায়। আপনাকে ও আপনার পরিবারকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লায়ন এস. আলম, সিডি
31/10/2020
মোবাইলে ভর্তি নিবন্ধন চলছে!! আপনার সন্তান/আপনার ছোট ভাই বোন /আপনার আত্মীয় স্বজন অথবা আপনার পরিচিত কেউ স্বল্প খরচে লেখা পড়া করতে চাইলে আমাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে ছাত্র -ছাত্রীর নাম নিবন্ধন করুন। আমাদের আসন সীমিত। শিক্ষা কোনো ব্যাবসা নয় শিক্ষা মৌলিক অধিকার। আমরা শিক্ষাদানকে পবিত্র ইবাদত মনে করি। আমরা শিক্ষাদান করাকে সামাজিক দায়িত্ব মনে করি। গভীর ভাবে চিন্তা করুন - আপনার ছোট্ট সোনামণির বর্তমান লেখাপড়ার খরচ কি আসলেই যৌক্তিক???
22/09/2020
22/09/2020
গরমে সুস্থ থাকার খাবার তালিকাঃ
হঠাৎ করেই গরম পড়ছে। যতই দিন যাচ্ছে গরমের পরিমাণও বাড়ছে। আর এই গরম ঠান্ডা সময়টাতে মানুষের শরীর খারাপ বেশি হয়ে থাকে। গরমে শক্তি সঞ্চয় করার জন্য, নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ও হাইড্রেড থাকার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার দিকে নজর দিতে হবে। বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খেতে হবে। যেগুলো গরমের সময় শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিন-
প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার খাওয়া যাবেনাঃ
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য খাওয়া যাবেনা। কারণ এসব খাবারে থাকে ফুট্রোজ বা সিরা। এছাড়াও স্বাদ বৃদ্ধির জন্য নানা রকম ক্ষতিকারক উপকরণ থাকে। সেইসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। তাই গরমের সময় প্রক্রিয়াজাত খাবার না খাওয়াই ভালো। আর খেলেও কম পরিমাণে খেতে হবে।
রাস্তায় বানানো জুস খাওয়া যাবেনাঃ
বিশেষ করে, রাস্তা ঘাটে জুস বা নানা রকম পানীয় খেয়ে থাকি। এসব খাবার খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া তাজা শাক সবজি বা ফল বেশি পরিমাণে খেতে হবে। আর প্রতিদিনের খাবার তালিকায় বাদাম জাতীয় খাবার রাখা আবশ্যক।
সাদা রঙের খাবার থেকে বিরত থাকতে হবেঃ
সাদা ভাত, সাদা রুটি ও সাদা চিনি এ ধরণের খাবার খাওয়া যাবেনা। কারণ এসব খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়ে থাকে। সাধারণত সাদা আটা থেকে সাদা রুটি তৈরি করা হয়ে থাকে। আর প্রক্রিয়াজাত হওয়ার সময় আটা পুষ্টিমান হারিয়ে ফেলে। তাই এসব সাদা আটার রুটিও শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। সব থেকে ভালো উপায় হলো, গম ভাঙিয়ে রুটি খাওয়া বা অর্গানিক চাল দিয়ে রুটি বানিয়ে খাওয়া।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি জাতীয় খাবার খেতে হবে: গরমের সময় সারাদিন ঘোড়াঘুড়ির জন্য ডিহাইড্রেশন হয় ও শরীরে পানির ঘাটতি হয়। তাই এমন সব খাবার খেতে যেগুলো শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে। তরমুজ, ফল ও স্যুপ জাতীয় খাবার শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে। সেইসঙ্গে মাংসে ব্যবহৃত লবণাক্ত মসলা তৃষ্ণা বাড়াতে সাহায্য করে। নাস্তা হিসেবে খেঁজুর, ফলের রস বা জুস খেতে পারেন। এসব খাবার খেলে শরীরের পানির ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে আর সেই সঙ্গে ডিহাইড্রেশনের পরিমাণও কমে যাবে। আর চা বা কফি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। যদি দিনে দু’বার চা বা কফি খাওয়া হত তবে সেখানে দিনে একবার চা বা কফি খেতে হবে। আর চা বা কফি না খেলে শরীরের জন্য আরো ভালো। কারণ চা বা কফি ডিহাড্রেশনের অন্যতম কারণ।
ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবেঃ
গরমের সময় ভাজা ভাজি খেলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। সেকারণে যতটা সম্ভব না ভেজে বেক করে যেসব খাবার খাওয়া যায় তা খেতে হবে। অনেকেই রাতে খাবার পরে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। মিষ্টি জাতীয় খাবার বা চিনি না খেয়ে মধু খেতে পারেন। তবে গরমে আর কোনো সমস্যা হবেনা। আর গরমে অবশ্যই কার্বো হাউড্রেড জাতীয় খাবার কমিয়ে খেতে হবে। কারণ কার্বো হাইড্রেড শরীরে গিয়ে শর্করায় রুপান্তরিত হয়ে থাকে। আর কার্বো হাইড্রেড একান্ত খেতেই হলে এর সঙ্গে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারও রাখতে হবে। যেমন: মটরশুটি, ডিম ইত্যদি।
31/07/2020
ঈদের শুভেচ্ছা - তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
ডিপ্রেশন কী?
উত্তরঃ আপনি এবং আপনার স্রষ্টার মধ্যকার দুরত্বের নামই হল ডিপ্রেশন।
খাদিজা(রা:) খুব ধনী ঘরের মেয়ে ছিলেন। বিলাসিতার মধ্যেই বড় হওয়াটাই স্বাভাবিক। নবিজী(স:) ত্রর ইসলাম প্রচারের কারণে অন্যান্য গোত্র যখন কুরাইশদের অবরোধ দিল তখন নবিজী আর খাদিজা (রা:)এর গোত্রের শিশুদের আড়াইবছর তীব্র কষ্টে থাকতে হয়েছিলো।
এমনকী ক্ষুধার তাড়নায় গাছের পাতা পর্যন্ত খেয়েছিলেন।
হযরত বিলাল (রা) ছিলেন হাবশী ক্রীতদাস। ইসলাম কবুলের অপরাধে তাকে মরুভূমির রোদে ফেলে রাখা হতো, তার গায়ের চর্বি গলে যেতো।তারপরও তার মুখে লেগে থাকতো প্রশান্তি, রোদের তেজ তাঁর কালিমার তেজের কাছে পরাজিত হতো।
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা তাঁর জীবনে আট বছর জেল খেটেছেন। জেলেই মরেছেন। অথচ তিনি কী বলেছিলেন, জানেন?
বলেছিলেন, দুনিয়াতেও একটা জান্নাত আছে, আমি আমার হৃদয়ে সে জান্নাতের খোঁজ পেয়েছি।
গান শোনা, মুভি দেখা, মোটিভেশনাল বই পড়া বা মানুষের সাথে আড্ডা দিয়েই যদি ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি মিলত তবে গায়ক লিনকিন পার্ক আত্মহত্যা করলেন কেন? কিংবা অভিনেতা সুশান্ত শিং সুইসাইড করলেন কেন?মোটিভেশন গুরু ডেল কার্নেগি আত্মহত্যা করেছিলেন কেন?
আল্লাহ্ তাআলা, ইসলাম, ইমান আর ডিপ্রেশন এক অন্তরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। যদি আপনার মনে বিন্দুমাত্র ডিপ্রেশন থাকে, তার মানে আপনার হৃদয়ে আল্লাহ্ নাই, বরং ওখানে শয়তান বাসা বেঁধেছে।
যারা ডিপ্রেশনে পড়ে বা আত্মহত্যা করে, মোটা দাগে দেখবেন, এরা অজ্ঞেয়বাদী নাহয় অবিশ্বাসী। কোনো মুসলিম যদি ডিপ্রেশনের স্বীকার হন, তাহলে আপনার ঈমান নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে।
এবার অনেকেই তেড়ে এসে বলবেন, আমার পরিস্থিতি আপনি বুঝবেন না, আমার ফ্যামিলি প্রবলেম, মানি প্রবলেম, স্বামী প্রবলেম.....আরে ভাই থামেন তো!!
কোন পরিস্থিতির গল্প শোনান আপনি? বউ ভালো না? হযরত লূত (আ) এর স্ত্রীও ভালো ছিলো না। হযরত আছিয়া (আ) এর স্বামী ছিলেন কে জানেন? ফেরাউন।
ফেরাউনকে ঈশ্বর না মানার অপরাধে তাঁকে টুকরো করে কেটে গরম তেলের মধ্যে ডোবানো হয়েছিল৷
আরও শুনবেন? চেষ্টা করেও কিছু হচ্ছে না তাই ডিপ্রেশন?
হযরত নুহ (আ) প্রায় হাজার বছর দাওয়াত দিয়ে আশি জনকে দাওয়াত কবুল করাতে পেরেছিলেন।
আপনজন কষ্ট দিয়েছে? অপবাদ দিয়েছে?
ইউসুফ (আ) এর ভাইয়েরা তাকে কুয়ার মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে গেলো। ব্যবসায়ীর বৌ জুলেখার সাথে ব্যভিচার না করায় উল্টো অপবাদ দিয়ে সাত বছরের জেল দেওয়া হলো!!
এরপরও আপনি আমাকে কোন পরিস্থিতির গল্প শোনাবেন?
চলুন দেখি কুরআন কী বলছে-
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যখন বার্ধক্যে উপনীত, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একদল ফেরেশতা এসে তখন তাঁকে এক জ্ঞানী পুত্রের সুসংবাদ শোনাল। বিস্ময়ভরা কণ্ঠে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করলেন- আমাকে তো বার্ধক্য পেয়ে বসেছে, এরপরও তোমরা আমাকে এ সুসংবাদ দিচ্ছ?! কীসের ভিত্তিতে তোমরা এ সুসংবাদ দিচ্ছ? ফেরেশতারা বলল, আমরা তো সত্য কথাই বলছি। আপনাকে সত্য সুসংবাদই দিচ্ছি। বার্ধক্য আপনাকে স্পর্শ করেছে করুক, এ বৃদ্ধ বয়সেই আপনার সন্তান হবে। আপনি নিরাশদের দলে যাবেন না। হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তাদের কথার জবাবে বললেন, পথভ্রষ্টরা ছাড়া আর কে আপন প্রতিপালকের রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে? (সূরা হিজর, ৫৩-৫৬ নং আয়াত দ্রষ্টব্য)
যারা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় তাদেরকে বলা হলো পথভ্রষ্ট!! এরপরও আপনি আমাকে ডিপ্রেশনের গল্প শোনাবেন?
আরেকটা গল্প শুনে যান-
হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামের সর্বাধিক প্রিয় সন্তান ছিলেন হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম। কিন্তু তাঁর ভাইয়েরা বাবার এই আদরকে সহজে মেনে নিতে পারেনি তাই কৌশলে তাঁকে একদিন বাবার কাছ থেকে নিয়ে গিয়ে কূপে ফেলে দিল।
আল্লাহর অসীম কুদরতে কূপ থেকে উঠে এসে একদিন তিনি মিশরের ধনভাণ্ডারের দায়িত্বশীল হলেন। আর যে ভাইয়েরা তাঁকে নিয়ে চক্রান্ত করেছিল, দুর্ভিক্ষের শিকার হয়ে তারা খাবার আনতে হাজির হলো তাঁর কাছে। এরপর এক কৌশলে তিনি তাঁর সহোদর বিনইয়ামীনকে নিজের সঙ্গে রেখে দিলেন।
দুই ছেলে হারিয়ে বাবা হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম অন্য ছেলেদের বললেন, (তরজমা) ‘হে আমার ছেলেরা! তোমরা যাও, ইউসুফ ও তার ভাইয়ের সন্ধান করো। তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চিত জেনো, আল্লাহর রহমত থেকে তো কাফের ছাড়া অন্য কেউ নিরাশ হতে পারে না।’ {সূরা ইউসুফ (১২) : ৮৭}
শেষ লাইনটা আবার পড়েন তো!!
শুধু তাই না আল্লাহর রহমত থেকে ডিপ্রেসড হয়ে যাওয়া কবিরা গুনাহ।
এই নিন হাদিস-
বিখ্যাত সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, ‘হাবরু হাযিহিল উম্মাহ’-এই উম্মতের বিদ্বান ব্যক্তি। তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কবিরা গোনাহ হচ্ছে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে র্শিক করা, আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিশ্চিন্ত হয়ে যাওয়া আর আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ে পড়া'৷
(মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ১৯৭০১)
গান বাজনা বা মুভি, বই আপনাকে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দিতে পারবে না। ডিপ্রেশনের একমাত্র চিকিৎসা হলো আল্লাহর দিকে ফেরত আসা। আপনার শয়তান যখন আপনাকে বলছে তোর অনেক কষ্ট, তোর চেয়ে কষ্টে কেউ নাই, তখন আল্লাহ্ তাআলা বলছেন-
"কষ্টের সঙ্গেই তো স্বস্তি আছে। অবশ্যই কষ্টের সঙ্গেই স্বস্তি আছে৷"
[সূরা আলাম নাশরাহ (৯৪) : ৫-৬]
শেষকথা:
প্রিয় অভিনেতা সুশান্ত শিং রাজপুত সুইসাইড করেছেন অথচ উনার ছিচোড়ে মুভিটা ছিলো মোটিভেশনাল, সুইসাইড বিরোধী একটা মুভি। মুভি তাঁকে ডিপ্রেশন থেকে ফেরাতে পারলো না।লাস্ট ছয়মাস উনি চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন, লাভ হলো না। শরীরের রোগের চিকিৎসা আছে, মনের রোগের ভ্যাকসিন চিকিৎসা বিজ্ঞানে নাই।
এখন পর্যন্ত যার মোটিভেশনাল বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করা হয়, সেই ডেল কার্নেগি শেষ জীবনে আত্মহত্যা করেছেন। মোটিভেশনের ফেরিওয়ালা নিজের বেঁচে থাকার এতটুকু মোটিভেশন জোগাড় করতে পারলেন না!!
লিনকিন পার্ক। যে ব্যান্ড এর গান শুনে আমাদের রাত্রি ভোর হয়, প্রবল উৎসাহ পাই, অনেকে যার গানে বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজেন, সেই ব্যান্ড এর নামকরা শিল্পী নিজের গানে নিজের বাঁচার উপাদান খুঁজে পেলেন না। শেষপর্যন্ত আত্মহত্যা করলেন।
চার্লি চ্যাপলিন ।
সর্বকালের সেরা কমেডিয়ান। পৃথিবীর নানান প্রান্তের মানুষকে হাসানো মানুষটির বোকা হাসির আড়ালে কী ব্যথা লুকিয়ে ছিলো, কেউ জানলো না। নিজেকে শেষ করে দিলেন।
তাহলে সমাধান কী?
জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই অন্তরের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়।
[১৩:২৮]
আল্লাহ্ তাআলার দিকে ফিরে আসুন।
কুরআনের দিকে ফিরে আসুন।
যে অন্তরে রাহমানুর রাহীমের ভালোবাসা থাকে, যে হৃদয়ে আল্লাহ্ থাকেন, সে হৃদয়ে ডিপ্রেশন থাকতে পারে না। কোনভাবেই না।
(কপি এবং পেষ্ট)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1219