FOOD for Fit
It is a page on food, nutrition and agriculture. It makes videos through its own reporter and gives various information.
- FOOD for Fit
25/08/2026
কফি এনেমা (Coffee E***a) হলো মলদ্বার বা পায়ুপথ দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি এবং পানির মিশ্রণ প্রবেশ করানোর একটি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি. সাধারণ এনিমা যেখানে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ব্যবহার করা হয়, সেখানে কফি এনেমা মূলত শরীরকে ‘ডিটক্সিফাই’ বা বিষমুক্ত করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে. বিশ শতকের শুরুতে ম্যাক্স গারসন নামক একজন জার্মান-আমেরিকান ডাক্তার ক্যান্সারের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে এটি জনপ্রিয় করে তোলেন, যা 'গারসন থেরাপি' নামে পরিচিত.
কীভাবে এটি কাজ করে (দাবি বনাম বিজ্ঞান)
প্রবক্তাদের দাবি: কফিতে থাকা ক্যাফেইন এবং অন্যান্য উপাদান কোলনের মাধ্যমে শোষিত হয়ে সরাসরি লিভারে পৌঁছায়. এটি পিত্তথলিকে উদ্দীপিত করে এবং লিভারের ‘গ্লুটাথিয়ন’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বাড়িয়ে শরীর থেকে দ্রুত টক্সিন বের করে দেয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতামত: কফি এনেমার মাধ্যমে লিভার পরিষ্কার বা ক্যান্সার নিরাময়ের কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই. মূলধারার চিকিৎসকেরা এই পদ্ধতিকে সমর্থন করেন না।
সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সতর্কতা
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরে বসে কফি এনেমা প্রয়োগ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে. এর সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং জটিলতা হলো:
অভ্যন্তরীণ পুড়ে যাওয়া: কফির মিশ্রণটি পুরোপুরি ঠান্ডা না করে শরীরে প্রবেশ করালে মলদ্বার বা অন্ত্রের ভেতরের অংশ পুড়ে যেতে পারে।
ইনফেকশন ও সংক্রমণ: ব্যবহৃত সরঞ্জাম বা পানি শতভাগ জীবাণুমুক্ত না হলে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত ইনফেকশন হতে পারে।
অন্ত্রে ছিদ্র হওয়া: এনেমা কিটের পাইপ বা নজল অসাবধানতাবশত জোরে প্রবেশ করালে অন্ত্রের দেয়াল ফেটে বা ছিদ্র হয়ে যেতে পারে।
ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: বারবার এনেমা করার ফলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানি ও খনিজ লবণ (যেমন পটাশিয়াম) বের হয়ে যায়, যা ডিহাইড্রেশন বা হার্টের সমস্যার কারণ হতে পারে।
উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস: এটি অন্ত্রের স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার (Gut Microbiome) ভারসাম্য নষ্ট করে হজমপ্রক্রিয়া ব্যাহত করে।
আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য বা লিভারের কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তবে এই ধরনের বিকল্প পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
10/08/2026
খাদ্য কেনার আগে লেবেল, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা এবং মোড়কের অক্ষত অবস্থা যাচাই করুন। নিরাপদ খাদ্য ক্রয়ে সচেতন হোন-বিএফএসএ
21/07/2026
রান্নায় তেল ব্যবহার অপরিহার্য। মাছ ভাজি গরম ভাত না হলে বাঙালির রসনা তৃপ্তি হয় না। ভাজাভাজির জন্যে চাই স্বাস্থ্যকর তেল। প্রয়োজন মতো তেল খাওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্যও দরকারি। অস্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহারে নানা রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তেলের হাত ধরে হাজারও রোগ বাসা বাঁধে আমাদের শরীরে৷ তাই কোন তেল খেলে আপনার জন্য নিরাপদ হতে পারে ও স্বাস্থ্যকর তেল কোনটি? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা সবাই খুঁজি। রান্নার জন্য বাজারজাত অনেক রকমের তেল রয়েছে, যা পরিশোধিত এবং অপরিশোধিত উভয় ভাবেই পাওয়া যায়। আর সেই গুলির সুবিধা এবং অসুবিধাও রয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে সানফ্লাওয়ার তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাট খুব কম আছে আবার রাইস ব্র্যান অয়েলও খুবই উপকারী৷ এতে গামা ওরাইজেনোল নামে যে রাসায়নিক আছে তা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে৷ আবার অলিভ অয়েলে ক্সট্রা ভার্জিন ভ্যারাইটি রয়েছে যা খাওয়া খুবই ভালো৷
তেল খাওয়ার অসুবিধে এড়াতে যদি তেল ছাড়া খাবার খান তাহলে ভুল করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ওমেগা ৩ ফ্যাটগুলো মস্তিষ্কের বিকাশ, হরমোন উত্পাদন, সেলুলার স্বাস্থ্য এবং ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার এমন তেল খাওয়া উচিত যাতে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।
তবে তেলের চর্বি মানব দেহের জন্য বেশি ভালো না। মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল-এর মাত্রা বৃদ্ধি করে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। অনেক সময় তেল ব্যবহারে ক্ষেত্রে স্মোক পয়েন্ট না জানার কারণেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। সুস্থ হৃদ্যন্ত্রের জন্য সঠিক তেল নির্বাচন করা জরুরি। স্বাস্থ্যকর রান্নার তেলে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড এবং মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। মূলত এই উপাদানগুলোর উপস্থিতি–অনুপস্থিতির হারের ওপরই নির্ভর করে তেল কতটা স্বাস্থ্যকর। একই সঙ্গে কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় রান্না করা হচ্ছে, তার ওপরও তেলের পুষ্টিগুণ অটুট থাকা না–থাকা নির্ভর করে।
20/07/2026
আমাদের দৈনন্দিন খাবারে মূলত দুই ধরনের চর্বি বা ফ্যাট পাওয়া যায়: ভালো ফ্যাট (Unsaturated Fat) যা হার্ট ভালো রাখে এবং খারাপ ফ্যাট (Saturated & Trans Fat) যা অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।
নিচে কোন কোন খাবারে এই ফ্যাটগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে, তার একটি তালিকা দেওয়া হলো:
১. ভালো ফ্যাট (Healthy/Good Fats) যুক্ত খাবার
এই ফ্যাটগুলো সাধারণত উদ্ভিজ্জ উৎস এবং সামুদ্রিক মাছ থেকে আসে। এগুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম (Almonds), কাজুবাদাম, আখরোট, চিয়া সিড এবং তিসির বীজ (Flaxseeds)।
উদ্ভিজ্জ তেল: অলিভ অয়েল (সবচেয়ে সেরা উৎস), রাইস ব্র্যান অয়েল এবং সরিষার তেল (পরিমিত পরিমাণে)।
সামুদ্রিক মাছ: ইলিশ, রুই, টুনা বা স্যামন মাছ (এগুলোতে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে)।
অ্যাভোকাডো: এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।
২. খারাপ ফ্যাট (Unhealthy/Bad Fats) যুক্ত খাবার
খারাপ ফ্যাটের মধ্যে দুটি রূপ আছে—স্যাচুরেটেড ফ্যাট (যা পরিমিত খাওয়া উচিত) এবং ট্রান্স ফ্যাট (যা পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত)।
স্যাচুরেটেড ফ্যাট (পরিমিত খাওয়া ভালো):
উচ্চ চর্বিযুক্ত লাল মাংস: খাসি বা গরুর চর্বিযুক্ত মাংস।
ডেইরি প্রোডাক্ট: মাখন (Butter), ঘি, ফুল-ক্রিম দুধ এবং পনির (Cheese)।
নারকেল তেল ও পাম তেল: এগুলোতে উদ্ভিজ্জ উৎস হওয়া সত্ত্বেও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে।
ট্রান্স ফ্যাট (সবচেয়ে ক্ষতিকর/এড়িয়ে চলা উচিত):
ভাজা পোড়া ও ফাস্ট ফুড: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন, সিঙ্গারা, সমোসা।
বেকড ফুড: ডালডা বা বনস্পতি ঘি দিয়ে তৈরি বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি এবং ডোনাট।
প্যাকেটজাত স্নাক্স: পটেটো চিপস এবং কুড়কুড়ে জাতীয় খাবার।
একটি জরুরি টিপস:
শরীরে ফ্যাটের ভারসাম্য বজায় রাখতে রান্নায় ডালডা বা অতিরিক্ত মাখনের পরিবর্তে অলিভ অয়েল বা সাধারণ উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করুন এবং সপ্তাহে অন্তত ১-২ দিন মাছ ও বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন।
16/07/2026
সতর্কতামূলক পোস্ট
28/06/2026
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting) হলো খাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় মেনে চলার পদ্ধতি। এটি কোনো নির্দিষ্ট ডায়েট নয়, বরং খাবার খাওয়ার এবং উপবাস বা না খেয়ে থাকার মধ্যে চক্রাকারে পরিবর্তন আনার একটি সময়সূচি।মূল অর্থ: এটি বাংলায় "বিরতিহীন উপবাস" হিসেবে পরিচিত।
পদ্ধতি: এতে দিনের বা সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পছন্দের খাবার খাওয়া যায় এবং বাকি দীর্ঘ সময় উপোস থাকতে হয়।
নিয়ম: সবচেয়ে জনপ্রিয় ১৬/৮ (16/8) পদ্ধতিতে প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা উপবাস করে বাকি ৮ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খাওয়া যায়।ওজন কমানো ও বিপাকক্রিয়া
(Metabolism) সক্রিয় করতে এটি অত্যন্ত কার্যকর বলে বিবেচিত হয়।কার্যকারিতা ও ধরন:১৬/৮ পদ্ধতি: দিনের ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা (যেমন: রাত ৮টা থেকে পরের দিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত) এবং বাকি ৮ ঘণ্টার মধ্যে (দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা) খাওয়া।
পদ্ধতি: সপ্তাহে ৫ দিন সাধারণ খাবার খেয়ে এবং বাকি ২ দিন খুব কম ক্যালোরি (প্রায় ৫০০-৬০০ ক্যালোরি) গ্রহণ করা।
সতর্কতা:যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগে ভুগছেন (যেমন- ডায়াবেটিস বা রক্তচাপ),তাঁদের ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
27/06/2026
ওজন কমাতে চাইলে হাই জিআই (High GI) খাবার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বা সীমিত করা সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। হাই জিআই খাবার বন্ধ করলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, ফলে শরীর চর্বি জমা করার বদলে জমাকৃত চর্বি গলিয়ে শক্তি তৈরি করতে শুরু করে।ওজন কমাতে আপনার ডায়েট ও লাইফস্টাইল যেভাবে সাজাবেন:১. লো জিআই (Low GI) খাবার বেছে নিনযেসব খাবারের জিআই সূচক ৫৫ বা তার কম, সেগুলো ওজন কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। এগুলো ধীরে ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে।সেরা সবজি: বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রোকলি, পালং শাক, শসা, লাউ, টমেটো, করলা এবং ক্যাপসিকাম।সেরা ফল: পেয়ারা, আপেল, নাশপাতি, জাম্বুরা, কমলা, মাল্টা এবং লেবু।শস্যদানা: সাদা ভাতের বদলে লাল চালের ভাত, ময়দার বদলে লাল আটার রুটি এবং ওটস।২. হাই জিআই খাবার এড়িয়ে চলুন বা খাওয়ার নিয়ম জানুনওজন কমানোর জার্নিতে নিচের খাবারগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো:বর্জন করুন: চিনি, মিষ্টি, কোমল পানীয় (Soft drinks), ময়দা, সাদা পাউরুটি, চিপস এবং ফাস্টফুড।নিয়ন্ত্রণ করুন: আলু, পাকা কলা, তরমুজ, খেজুর এবং মিষ্টি আম।খাওয়ার টেকনিক: যদি কখনো হাই জিআই খাবার (যেমন ভাত বা আলু) খেতেই হয়, তবে তার সাথে প্রচুর পরিমাণে লো জিআই সবজি, ডাল বা প্রোটিন (মাছ/মাংস/ডিম) মিশিয়ে খাবেন। এতে খাবারের সামগ্রিক জিআই কমে যায় এবং সুগার একবারে বাড়ে না।৩. প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বাড়ানখাবার তালিকায় ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, ডাল এবং পনিরের মতো প্রোটিন রাখুন। প্রোটিন মেটাবলিজম বাড়ায়।অল্প পরিমাণে কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া সিড এবং রান্নায় অলিভ অয়েল বা খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করুন।৪. পরিমিত ঘুম ও পানি পানপ্রতিদিন অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি পান করুন। অনেক সময় তৃষ্ণাকে আমাদের মস্তিষ্ক ক্ষুধা মনে করে ভুল করে।দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম ওজন কমানোর হরমোনগুলোকে সচল রাখে।
-খাদ্য ও পুষ্টি
রাজু আহমেদ,
27/06/2026
লটকন খাওয়ার উপকারিতা : টক-মিষ্টি ও রসালো দেশীয় ফল লটকন পুষ্টিগুণে ভরপুর এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান (যেমন- ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম) রয়েছে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে, বমি ভাব দূর করে এবং ত্বকের রুক্ষতা ও বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে লটকন ফলের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ভিটামিন সি এর চমৎকার উৎস: লটকনে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা নিয়মিত খেলে স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ হয় এবং শরীরের ক্ষয়পূরণ ও ঘা শুকাতে সাহায্য করে হজমশক্তি ও রুচি বাড়ায়: টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি মুখে রুচি আনে এবং বদহজম ও বমি বমি ভাব দূর করতে দারুণ কাজ করে ত্বক ও চুল ভালো রাখে: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে এবং বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ত্বকের সংক্রমণ ও চর্মরোগ দূরে রাখতে সাহায্য করে । পানিশূন্যতা দূর করে: রসালো হওয়ায় লটকন শরীরের পানির সমতা বজায় রাখে এবং গরমে তৃষ্ণা মেটায় । হাড় ও দাঁত মজবুত করে: এতে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকায় তা হাড়ের ক্ষয়রোধ ও দাঁত সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
31/05/2026
আজ ৩১ মে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’। দিবসটির প্রতিপাদ্য: “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি”। -জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
28/05/2026
ঈদ মোবারক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka