Md Abusayed Akndo
ইসলামী আলোচনা।
16/10/2021
জান্নাতে প্রবেশ করার পর আর কেউ দুনিয়াতে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে না, যদিও দুনিয়ার সকল সম্পদ তাকে দেয়া হয়।
সূত্র: সহীহ বুখারীঃ ২৮১৭
02/09/2021
উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে! সকল শহীদের লাশ এনে এক জায়গায় রাখা হচ্ছে। নবীজি গুনে দেখেলেন ৬৮ টা লাশ। ২ টা নাই ... একজন তাঁর চাচা হামজা (রাঃ) আরেকজন হানজালা (রাঃ)। অস্থির হয়ে পড়েছেন নবীজি। সব সাহাবাদের পাঠাইলেন লাশ খোঁজার জন্য। ...হঠাৎ বোরকা পরা এক মহিলা এসে দাঁড়ালেন নবীজির কাছে। নবীজি তাঁকে চিনলেন না। -মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ আজকে আপনি একটা বিয়ে পড়িয়েছিলেন মনে আছে? নবীজি বললেন; হ্যাঁ আমি তো হানজালার বিয়ে পড়িয়েছি। যার বিয়ের খুশিতে আমি খুরমা খেজুর ছিটিয়ে ছিলাম। মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ! আমার হাতটা দেখেন। হাতের মেহেদী এখনও শুকায়নি। কাল বিকেলে বিয়ে হয়েছিল আর রাত ২ টা বাজে উহুদের যুদ্ধের জন্য বের হয়ে গেছে হাঞ্জেলা। বাসর রাতে উনার সাথে আমার ভালোভাবে পরিচয়ই হয়নি। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেছেন "যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হবে দুনিয়ায়, আর যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে দেখা হবে জান্নাতে"। মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ যাওয়ার আগে আমার কপালে একটা চুম্বন করে গেছেন। লজ্জায় বলতেও পারি নাই আপনার জন্য গোসল ফরজ। নবীজি কাঁদছিলেন। মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ, শহীদদের তো আপনি গোসল দেন না, আমার স্বামীকে আপনি একটু গোসল করিয়ে দেবেন? নবীজি সম্মতি প্রকাশ করার পর একজন সাহাবি দৌড়ে এসে বলল ইয়া রাসুল্লাহ হানজালা কে পাওয়া গেছে। --- সবাই গেলেন। গিয়ে দেখলেন সাদা কাফনের ভিতর লাশের মাথায় পানি। নবীজি মাথা হাতিয়ে দিলেন। জিবরাঈল আসলেন! ...এসে বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ হানজালার কোরবানিতে আল্লাহ্ পাক এতটাই খুশি হয়েছে যে আমার বাহিনীকে আদেশ করলেন তাকে নিয়ে আসতে। ...ইয়া রাসুল্লাহ আমরা ফেরেশতারা তাকে তৃতীয় আসমানে এনে জমজমের পানি দিয়ে গোসল করিয়েছি এবং তার শরীরে থেকে যে সুগন্ধ পাচ্ছেন, এটা আল্লাহ্ পাকের বিশেষ খুসবু মিশক আম্বর আতরের ঘ্রাণ । আমরাই উনাকে কাফনের কাপড়ে আচ্ছাদিত করেছি ।......
সুবহানআল্লাহ !!! আল্লাহ্ তাঁর প্রিয় মানুষকে কি পরিমাণ ভালবাসেন, কি পরিমাণ সম্মানিত করেন তা আমাদের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়।
পরিশেষে বলতে চাই, "হে আল্লাহ্ _ আপনি সকল মুসলমান ভাইদের এই পথের পথিক হওয়ার তওফিক দান করুন, আমিন"🤲🤲
Md Abusayed Akndo ইসলামী আলোচনা।
15/08/2021
কারো কাছ থেকে কিছু পেতে হলে যেমন
তার সাথে সম্পর্ক ভাল রাখতে হয়।
ঠিক তেমন আল্লাহর কাছ থেকে কিছু পেতে হলে,
আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ভাল রাখতে হবে।
Md Abusayed Akndo ইসলামী আলোচনা।
▌যেভাবে বুঝবেন আপনি অহংকারী..!
:
জীবন ধ্বংসকারী একটি মারাত্মক স্বভাব হলো অহংকার। এই স্বভাবের লোকেরা তাদের উন্নতি ও সফলতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারে না। আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষদের ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে তারা। তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠান, সমাজ, সংগঠন, রাষ্ট্র এমনকি নিজ পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
রাসুল (সা.) তিনটি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে মানুষকে সাবধান করেছেন। সেগুলো হলো, প্রবৃত্তি পূজারি হওয়া, লোভের দাস হওয়া এবং অহংকারী হওয়া। তিনি বলেন, এটিই হলো সবচেয়ে মারাত্মক। (মিশকাত, হাদিস : ৫১২২)
এখানে অহংকারের কিছু নিদর্শন বর্ণনা করা হলো—
:
❏ শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করা
সবার কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ করে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা, অন্যকে তুচ্ছ ভাবা ধ্বংসের কারণ। ইবলিস সর্বপ্রথম নিজেকে বড় মনে করেছিল। যার কারণে মহান আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিয়েছেন। আদম (আ.)-কে সিজদা দেওয়ার নির্দেশের বিরোধিতায় সে আল্লাহকে যুক্তি দেখিয়েছিল, ‘আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১২)। অতএব, ‘আমি কি তাকে সিজদা করব, যাকে আপনি মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?’ (সুরা : ইসরা, আয়াত : ৬১)
এই অহংকারের শাস্তিস্বরূপ আল্লাহ তাকে বলেন, ‘বের হয়ে যাও এখান থেকে। কেননা তুমি অভিশপ্ত।’ (সুরা : সোয়াদ, আয়াত : ৭৬)
:
❏ সত্য প্রত্যাখ্যান করা
মানুষ কখনো কখনো নিজেকে শ্রেষ্ঠ করে চিত্রিত করার জন্য সত্যকে চাপা দেয়। অন্যের অবদানগুলো নিজের বলে চালিয়ে দেয়। অন্যকে দাবিয়ে রাখতে বিভিন্ন জায়গায় তাকে তুচ্ছ করে চিত্রিত করে। এটাও মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ওই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অন্তরে কণা পরিমাণ অহংকার রয়েছে। জনৈক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, লোকেরা চায় যে তার পোশাক সুন্দর হোক, তার জুতা জোড়া সুন্দর হোক। জবাবে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ সুন্দর। তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। অহংকার হলো সত্যকে দম্ভের সঙ্গে পরিত্যাগ করা এবং মানুষকে তুচ্ছ জ্ঞান করা।’ (মুসলিম, হাদিস : ৯১)
:
❏ নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবা
দুনিয়ার প্রত্যেক মানুষ আল্লাহর দয়ায় চলে। কাউকেই আল্লাহ স্বয়ংসম্পূর্ণ করেননি। তাই যারা নিজেদের স্বয়ংসম্পূর্ণ ভেবে অন্যকে অবজ্ঞা করে তাদের ব্যাপারে রয়েছে কঠোর হুঁশিয়ারি। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘মানুষ অবশ্যই সীমা লঙ্ঘন করে। কারণ সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।’ (সুরা : আলাক, আয়াত : ৬-৭)
:
❏ হাঁটাচলায় বড়ত্ব প্রকাশ করা
একবার উবাই ইবনু কাব (রা.)-এর পেছন পেছন একদল লোককে চলতে দেখে খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) তাঁকে চাবুক দিয়ে আঘাত করলেন। এতে চমকে উঠে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপার কী হে আমিরুল মুমিনিন! জবাবে খলিফা বলেন, ‘এটা অনুসরণকারীর জন্য লাঞ্ছনাকর এবং অনুসৃত ব্যক্তিকে ফিতনায় (অহংকারে) নিক্ষেপকারী।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৩১২৪৪)
:
❏ কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা
অর্থ-সম্পদ, সৌন্দর্যের কারণে অন্যের প্রতি অন্তরে কোনো তুচ্ছভাব উদ্রেক হওয়াটা অহংকারের লক্ষণ। একদিন সাহাবি আবু জর গিফারি (রা.) হাবশি বেলাল (রা.)-কে তাঁর কালো মায়ের দিকে ইঙ্গিত করে তাচ্ছিল্য করলে রাসুল (সা.) তাঁকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘হে আবু জর! তুমি তাকে তার মায়ের নামে তাচ্ছিল্য করলে? তোমার মধ্যে জাহেলিয়াত রয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস : ৩০) একইভাবে অধীনদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করাও মারাত্মক গুনাহ।
:
❏ প্রভাব খাটিয়ে অন্যের হক নষ্ট করা
এটি অহংকারের একটি বড় নিদর্শন। এর শাস্তি অত্যন্ত লাঞ্ছনাকর। অন্যায়ভাবে কারো সম্মানহানি করলে কিয়ামতের দিন অহংকারী ব্যক্তিকে পিঁপড়াসদৃশ করে লাঞ্ছনাকর অবস্থায় হাঁটানো হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৯২)
:
❏ অহেতুক জেদ করা
অনেকেই আছে নিজের ভুল কখনো স্বীকার করে না। নিজের ভুলগুলো অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়। আবদুর রহমান বিন মাহদি (রহ.) বলেন, আমরা এক জানাজায় ছিলাম। সেখানে ওবায়দুল্লাহ বিন হাসান উপস্থিত ছিলেন, যিনি তখন রাজধানী বাগদাদের বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন। আমি তাঁকে একটি মাসআলা জিজ্ঞেস করলে তিনি ভুল জবাব দেন। তখন আমি বললাম, ‘আল্লাহ আপনাকে সংশোধন হওয়ার তাওফিক দিন! এ মাসআলার সঠিক জবাব হলো এই, এই। তখন তিনি কিছুক্ষণ দৃষ্টি অবনত রাখেন। অতঃপর মাথা উঁচু করে দুইবার বলেন, ‘এখন আমি প্রত্যাবর্তন করলাম এবং আমি লজ্জিত।’ অতঃপর বলেন, ‘ভুল স্বীকার করে হকের লেজ হওয়া আমার কাছে অধিক প্রিয় বাতিলের মাথা হওয়ার চেয়ে।’ (তারিখু বাগদাদ : ১০/৩০৮)
আমাদের উচিত আল্লাহর জন্য এগুলো ত্যাগ করা। আল্লাহ আমাদের অহংকার থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন।
29/06/2021
পড়তে হয়তো ৫ মিনিট ও লাগবে না
হয়তো এই ৫ মিনিটে সারাজীবন এর জন্য আপনার চিন্তা ভাবনা পালটে যাবে ইনশাআল্লাহ
❝ক্ষমা❞ ঃ
★কেউ আপনাকে অপমান করেছে?
★কেউ আপনার সাথে জুলুম করছে বা কষ্ট দিছে?
★ কেউ জুলুম বা কষ্ট দিয়ে, নিজে দোষ করে আবার দোষ টাও আপনার উপর চাপাইয়া দিছে নিজেকে ফরহেজগার করতেছে লোকসামনে ?
★ কেউ আপনার সাথে বেইমানি করছে?
★ কেউ আপনার অর্থ সম্পদ মেরে দিছে??
★ কেউ আপনার পিছনে আপনার বদনাম করতেছে গীবত করতেছে?
আরো এমন কত কি
ভাই-বোন ভুইলা যান সব
ক্ষমা যে কতো বড় মহৎ গুন তা ইসলামে অনেক দৃষ্টান্ত দেখলে বুঝা যায়
আয়িশা (রা.) বলেন, ‘নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো মন্দের জবাব মন্দ দিয়ে দিতেন না, বরং ক্ষমা করে দিতেন। পরবর্তীতে তা কখনো আলোচনাও করতেন না।’ [আহমাদ: ২৫৪৫৬, সহিহ ইবনু হিব্বান: ৬৪৪৩]
এই হাদিসে কাউকে ক্ষমা করার কয়েকটি ধাপ বর্ণিত হয়েছে।
১. মন্দ আচরণের জবাবে মন্দ আচরণ না করা।
২. খারাপ কথার জবাবে খারাপ কিছু না বলা।
৩. মন্দ আচরণটির জবাব উত্তম কোনো উপায়ে দেওয়া।
৪. তাকে ক্ষমা করে দেওয়া।
৫. ক্ষমার কথাটি কখনো আলোচনাও না করা।
আমরা কী করি? প্রথমে একবার ঝগড়া করি। এরপর হয় বিরক্ত হয়ে, না হয় বাধ্য হয়ে তাকে ক্ষমা করি—তাও ভেতরে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে রেখে। আবার, তাকে ক্ষমা করার বিষয়টি মাথায় নিয়ে ভাবি—তার প্রতি বিরাট এহসান (অনুগ্রহ) করেছি। কারণে-অকারণে এই ব্যাপারটি নিয়ে কথাও বলি। অথচ নবীজির আচরণ ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের হজমশক্তি কম। আমরা সামান্য ভালো কিছু করলেও সেটিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করতে ভালবাসি—ইচ্ছায় হোক বা আনমনে। তবে, এটি ভালো কোনো স্বভাব নয়। ক্ষমাকারীদের ব্যাপারে কুরআন হাদিসে অসাধারণ মর্যাদার কথা এসেছে। সুতরাং আমরা কাউকে ক্ষমা করলে যেন নেকি পাওয়ার উদ্দেশ্যেই করি, এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই যেন আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়। আর সেটি দিয়ে ভবিষ্যতে তাকে যেন ছোট না করি, খোঁটা না দেই। কারণ খোঁটা দেওয়া মুমিনের সিফাত (গুণ) নয়।
কিছু হাদীস জানলে আপনি হয়ত বুঝবেন ক্ষমা করার মন মানসিকতার লেভেল টা আপনার কোথায় আছে→→
★ঘটনা:১
রাসূলুল্লাহ (সা.) বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ করলেন, তখনও তিনি মক্কার শত্রুদের ক্ষমা করে দিলেন। যারা রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে বছরের পর বছর; সাহাবাদের নির্যাতন করেছে, অনেককে হত্যা করেছে। তিনি সবাইকে মাফ করে দিলেন
★ঘটনা:২
এমনকি হিন্দাকেও। যে তার পিতৃব্য হজরত হামজা (রা.)-এর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। তাকে হত্যার পর এই মহিলা তার দেহকে ক্ষতবিক্ষত করেছিল, আর চিবিয়েছিল হামজা (রা.)-এর কলিজা। যখন সে ইসলাম গ্রহণ করে, রাসূল (সা.) তাকেও ক্ষমা করে দিলেন।
★★ঘটনা:৩
একবার উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)-এর বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া হয়েছিল। অপবাদ রটনায় যারা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল তাদের একজন ছিল হজরত আবু বকর (রা.)-এর নিকটাত্মীয় মেসতাহ (রা.)। হজরত মেসতাহ (রা.) ছিলেন খুবই দরিদ্র। দৈনন্দিন জীবন যাত্রার সংস্থানও তার ছিল না। হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) প্রতিমাসে তাকে খরচের জন্য নির্দিষ্ট হারে অনুদান দিতেন। নবী পত্মী এবং নিজের ঔরসজাত কন্যা হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)-এর বিরূদ্ধে অপবাদ রটনায় তার ভূমিকার কথা জানতে পেরে হজরত আবু বকর (রা.) মেসতাহকে ভবিষ্যতে অনুদান না দেওয়ার শপথ করেন এবং তা বন্ধ করে দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তখন আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনের আয়াত নাজিল করেন,
‘তোমাদের মধ্যে যারা দ্বীনি মর্যাদা ও পার্থিব প্রাচুর্য্যের অধিকারী- তারা যেন এ মর্মে শপথ না করে যে, তারা তাদের গরীব আত্মীয়-স্বজন, অভাবগ্রস্ত এবং যারা আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করেছে তাদেরকে কোনো প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করবে না। বরং তাদের উচিত তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেয় এবং তাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করে; তোমরা কি চাও না যে আল্লাহতায়ালা তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিন; আল্লাহ তো ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। -(সূরা আন নূর--২২)
★★★ঘটনা:৪
এক ইহুদী মহিলা নবী করিম (সাঃ) এর জন্য বকরী ভুনা গোশত আনে এবং তাতে বিষ মেশানো থাকে, খাবার মূখে দেওয়ার পর বুঝতে পারলেন এবং সাহাবী দের খাবার বন্ধ করতে বোললেন এবং মহিলাকে ডেকে পাঠালেন, জিজ্ঞাসা করলেন মহিলাকে তুমি কি খাবারে বিষ মিশিয়েছো, মহিলা বলে উঠলো আপনি কিভাবে বুঝলেন বিষ মিশিয়েছি, এবং বিষ মিশানোর কথা শিকার করলো ,,(আবু দাঊদ-৪৫০৮) প্রিয়নবী ক্ষমা করে দিলেন
★★★ঘটনা:৫
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, এক লোক এসে রাসূলুল্লাহকে (সা.) বললো আমাদের গোলাম কর্মচারীরা তো ভুলত্রুটি করে থাকে; তাদেরকে আমরা কতবার ক্ষমা করবো? উত্তরে রাসূল (সা.) কী না বলে চুপ রইলেন। লোকটি আমার প্রশ্ন করলো। এবারও রাসূল (সা.) চুপ রইলেন। লোকটি যখন তৃতীয়বার প্রশ্ন করলো। তখন রাসূল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
প্রতিদিন তাকে সত্তর বার মাফ করে দিবে’ (আহমদ : ৫৬৩৫)।
★ঘটনা ৬ ঃ আমাদের নবী করিম সাঃ এক ব্যাক্তিকে জান্নাতি বোলছেন
আর এক সাহাবীর কৌতহল জাগলো কেনো তাকে এভাবে বোললো কি এমন আমল করে?
সাহাবী ৩ দিন দেখলেন বাট কোন অসাধারন কিছু দেখলেন না,
তার পর সাহাবী ঐ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলো এমন এমন বোলছে নবী করিম (সাঃ) কি এমন করিন আপনি?
তখন উনি বোললো আমি যখন ঘুমাতে যাই কারো ব্যাপারে মনে কিছু রাখি না সবার সব ক্ষমা করে দেই
এবং পরদিন নতুন ভাবে শুরু করি সবকিছু,,
নবী করিম (সাঃ) এর সুন্নত গুলোর মধ্যে ক্ষমা ছিলো অন্যতম
আর আমরা এটা পালন থেকে হাজার মাইল দূরে
উলটা এটাও বলি "
★❝যে যেরকম তার সাথে ঔ রকম করা উচিত❞
★ ১৯ থেকে ২০ না হতেই বোলে দেই তাকে আমি জীবনেও ক্ষমা করবো না,,
আর দেখেন প্রিয় নবীর ক্ষমার দৃষ্টান্ত
কিসে উত্তম আমাদের বুঝা উচিত
★★সূরাঃ হামিম সাজদাহ/ফুসিলাত [41:34]
সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট। তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শুত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।
'★★'যারা ক্রোধ দমন করে এবং ক্ষমা করে দেয় বস্তুত আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন,, (সূরা আল ইমরান --১৩৪)
★★আল্লাহ এর ৯৯ এর নামের মধ্যে ২ টা নামই
আল -গাফফার
আল- গফুর
(আল্লাহ ক্ষমাশীল)
★★প্রকৃত ক্ষমাকারীর একটা ক্যাটাগরী এটাও বলা যায়
আপনার প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আপনি তা নিলেন্না
আমরা যদি এভাবে ক্ষমা করে দেই সবাইকে
ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাআলাও আমাদের ক্ষমা করে দিবেন
আল্লাহ তাআলা আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুক
#আমিন
#আস্তাগফিরুল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dinajpur