Dula's World
Honesty Is The Best POLICY
05/09/2025
সাজানো গোছানো নারী সব পুরুষই চায়
কিন্তু,
নারীকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে কেউ চায় না ....!
এখন একা হয়ে যেতে ইচ্ছে করে
একা থাকতে ইচ্ছে করে
একটু মন খারাপ করে
নিরবে বসে থাকতে ইচ্ছে করে
কোলাহল মুক্ত, আপন নামক
মানুষহীন থাকতে ইচ্ছে করে
কারো কাছে কোনো আশা-প্রত্যাশাহীন
মুক্ত পাখির মতো জীবন কাটাতে ইচ্ছে করে 🙂
Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
🌼🌼
আজকে একটা মাছ ও বিলে রাখুম নাহ 😁
22/09/2024
প্রত্যেক বিবাহিত নারীর এই লেখাটা পড়া উচিত।
একদিন মেয়ের বাবা রাতের ১১টায় বাসায় ফিরলেন হাতে করে দুটো বার্গার নিয়ে।
এসেই হাসিমুখে জানান দিলেন রাতে ভাত খাবেন না। তিনি রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েই এসেছেন। আসার সময় বাচ্চাদের জন্য বার্গার নিয়ে এলেন।
আমি কোনো মতামত বা আনন্দ উচ্ছাস কিছুই ব্যক্ত না করে নির্বিকার ভঙ্গিতে প্যাকেট খুলে একটা বার্গার নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম। যদিও বার্গার খাবারটা আমার বাচ্চাদের যতটা পছন্দ আমার ততটা নয়।
তারপরও আমি খাচ্ছিলাম। কারণ আমি চাইনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক।
খুব ছোটবেলায় দেখতাম আমার আব্বা কোনো খাবার কোনো উপহার বা যে কোনো জিনিস আমাদের চার ভাই বোনদের জন্য কিনতেন। আমার মায়ের জন্য কিনতেন না।
যেমন তিনি দোকান থেকে চারটা আইসক্রিম, চার প্যাকেট চিপস আমাদের চার ভাই -বোনের জন্য কিনতেন। অথচ বাসায় আমরা পাঁচজন মানুষ থাকতাম।
আমার মা হাসি মুখে চিপসের প্যাকেট খুলে আমাদের হাতে দিতেন। আইসক্রিম হাত থেকে পড়ে নস্ট হয়ে যাবার ভয়ে আমাদের গাইড করতেন পিছন থেকে খাও, সামনে থেকে খাও!
জানি না আমার মায়ের খেতে ইচ্ছে করত কি-না! না করার তো কথা নয়। তিনি গৃহবধূ। সারাক্ষণ আমাদের সাথে ঘরেই থাকতেন। নিজের হাতে বানানো খাবারই খেতেন। কখনো তো একা একা বাইরে যাননি বা নিজের ইচ্ছের প্রতিফলন করেননি।
আপনি যখন চারটা কিনতে পেরেছেন, তখন পাঁচটাও কিনতে পারতেন। তার মানে স্বদিচ্ছার অভাব ছিল।
পুরুষ জাতি ধরেই নিয়েছে, মেয়েদের খেতে হয় না।
আমার সংসারে কিন্তু আমি এটা হতে দেইনি। মেয়ের বাবা দুইটা ওয়েফার আনলে তার সামনে একটা খুলে আমি খাওয়া শুরু করতাম। যদিও খেতাম না।
তাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছি। বাসায় আমরা তিনজন থাকি যে কোনো খাবার তিনটাই আনবা। ঐ জিনিস আমি না খেলে বিকল্প আরেকটা আনবা যেটা আমি খাই।
কারণ আমিও মানুষ। আমারও পছন্দ আছে, ইচ্ছে আছে, অনুভুতি আছে। বছরের পর বছর তোমার সংসারে গাছের গুঁড়ি হয়ে পড়ে থাকব?
তুমি যদি আমাকে না বুঝ তাহলে তো কেউই বুঝবে না।
একটা মেয়ের বিয়ের আগের সকল আবদার থাকে বাবা মার কাছে। বিয়ের পরে থাকে স্বামীর কাছে। বাবা- মার কাছে যতটা প্রাণ খুলে আবেগ প্রকাশ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বামীর কাছে যায় না। স্বামী নামক প্রিয়জনকেই সেটা বুঝে নিতে হয়।
আমার আব্বা কারো বাড়ি গিয়ে এককাপ চাও খেতেন না আমাদেরকে ছাড়া। তিনি ভীষণভাবে চাইতেন তিনি যেখানেই দাওয়াত খেতে যান যেন আমরা চার ভাই-বোনও সেখানে যেতে পারি। কোনো কারণে আমাদেরকে ছাড়া যেতে হলে, তিনি বাড়ি ফিরেই আমাদেরকে নিয়ে হোটেলে চলে যেতেন। সেইম খাবার আমাদের খাইয়ে আনতেন। অথচ আমার মাকে নিয়ে তাঁর তেমন কোনো ভাবনা ছিল না।
আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। আব্বা শাড়ি কিনলে পাঁচটা কিনতেন। তিন ফুফুর জন্য তিনটা, মায়ের জন্য একটা, দাদীর জন্য একটা। দাদীকে দেয়ার জন্য তাঁর আরও সন্তান ছিলেন। ফুফিদের স্বামী ছিলেন। কিন্তু আমার মায়ের স্বামী ছাড়া আর কেউ ছিল না।
দিন শেষে আমার মাই ঠকত।
অথচ আমিও যৌথ পরিবারে থাকি। কন্যার বাবাও সেইম কাজ করেন। একদিন ড্রেস আনার পর আমি পাঁচটাই রেখে দিয়েছি। তাকে বললাম ' ভাবীদেরকে কাল এনে দিও। আমার পাঁচটাই পছন্দ হয়েছে।' সে চোখ বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।
আমি মনেমনে বলছি, ইচ্ছে হলে চোখ বের করে ফেল। আমি তোমার স্ত্রী। তোমার উচিত কিছু পোষাক সবাইকে গিফট করা ছাড়াও আমার জন্য কেনা।
তুমি যখন সেটা বুঝতে পারনি। আমিই চোখ গেলে বুঝিয়ে দিলাম।
বাচ্চার বাবা কখনো ওদেরকে নিয়ে কোথাও যায় না। কখনো যাবেও না। প্রতি সপ্তাহে দুটো- চারটা দাওয়াত থাকে। দুপুরবেলা বেশির ভাগ সময় বাইরেই খান।
একদিন এত মেজাজ খারাপ হলো। যখন শুনলাম একটা দাওয়াতে সবার পরিবার ছিল। শুধু তিনি একা ছিলেন। ঐ দিনই আমি কারো অনুমতি না নিয়েই রেডি হয়েই বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাইর থেকে ঘুরে এলাম। বাচ্চাদেরকে রেস্টুরেন্ট থেকে খাইয়ে আনলাম।
নারীদের জীবন কখনো মসৃন হয় না। এ জীবনের পরতে পরতে বন্ধুরতা। কেউ আপনার ইচ্ছে, অনিচ্ছের মূল্য দিবে না। আপনার জায়গা আপনাকেই করে নিতে হবে। হয় বুদ্ধি দিয়ে না হয় বিচক্ষণতা দিয়ে।
কারণ অধিকাংশ পুরুষ তো নারীদের মানুষই মনে করে না।
©
11/07/2024
নিজের স্ত্রীর সাথে অন্যায় করছেন না তো?
বর্তমানে কিছু স্বামী আছে যারা শিক্ষিত হয়ে ও নিজের স্ত্রীর মানসিক অশান্তির কারন অথবা ইন্টারনাল হ্যাপিনেস সম্পর্কে জানে না এমনকি বোঝার চেষ্টা ও করে না।
সত্যি বলতে এমন অনেক স্বামী আছেন তাদের যদি তার স্ত্রী বলে যে আমি তোমার সাথে মানসিকভাবে ভালো নেই তারা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।তখন স্বামীরা চিন্তা করে এবং স্ত্রীকে এটা ও বলে যে,তোমার ভরন পোষন সব কিছুর দায়িত্ব আমি নিচ্ছি তাহলে কেনো তুমি ভালো নেই? তারা এই কথা গুলো কেয়ার ও করে না।
কিন্তু কোন মেয়ে শুধু খাওয়া আর পোষাকের জন্য স্বামীর সংসারে আসে না।একটা মেয়ে বাবার বাড়িতে ও খাওয়া এবং প্রয়োজন ছাড়া থাকে না এমনকি যে কোন মানুষই যেখানে থাকুকনা কেন আল্লাহ তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দেয়।তাই সব কিছুর পরে দিনশেষে অন্তত একবার নিজের স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন সে ভাল আছে কিনা? সে আপনার থেকে আসলে কি চায়।আপনার সাথে সে খুশি আছে কিনা।
স্ত্রী আপনার নিজের তার সাথে দূরত্ব সৃস্টি করা মানে নিজের ক্ষতি নিজে করা।আপনি আপনার স্ত্রীর মানষিক অবস্থা বুঝার চেষ্টা করুন।নিজের স্ত্রীকে প্রেমিকা মনে করেন।প্রেম করার সময় ছেলে মানুষ একটা মেয়ের পছন্দ অপছন্দ যেভাবে খুটিয়ে বের করে যদি সেভাবে স্ত্রীকে সময় দিত এইভাবে এত সম্পর্কের পতন হতো না।
দুনিয়াতে এমন ও অনেক মেয়ে আছে যারা স্বামীর প্রতি লয়াল,তাদের যদি স্বামী খারাপ ও হয়,সময় ও না দেয় তারা কোনদিন অন্য ছেলেদের সাথে টাইম পাস ও করবে না।আপনাকে বুঝানোর চেষ্টা করবে,যদি আপনি ও না বুঝেন তাহলে নিরবে কান্না করবে,অথবা সংসার ত্যাগ…..!! অথচ স্বামীরা এতই ব্যর্থ যে তারা তখনো বুঝার চেষ্টা ও করেনা কেন এমন হচ্ছে।
তাই আপনার ভুলের জন্য একটা মেয়েকে মানষিক কষ্ট একা দিনের পর দিন সহ্য করতে দেয়া ও অন্যায়।তাই নিজে স্ত্রীকে ভাল রাখুন।স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক তো আল্লাহর দেয়া নেয়ামত আর আল্লাহর কোন বান্দাকে কষ্ট দিলে আল্লাহ কষ্ট পান।
এখনই সময় নিজের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন তার ভিতরের কষ্ট বের করে আনুন।নিজের মাকে কষ্ট দিলে মা যদি মন থেকে কষ্ট পেয়ে যায় মনে রাখবেন আপনার স্ত্রী ও আপনার বাচ্চার মা এবং আপনার শেষ জীবনের সঙ্গী।
27/06/2024
বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ, কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ, ভালো কোথাও বছরে একবার ঘুরতে যাওয়া,মাসে অথবা সপ্তাহে রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া
অনেক সময় টাকা পয়সা অপচয় মনে হতে পারে,জীবনে বেঁচে থাকলে রিজিকের ব্যাবস্থা হবেই..
কিন্তু একটা সময় আসে বৃদ্ধ বয়সে আপনার টাকাই থাকবে হয়তো কিন্তু আপনি চাইলেই কিছু খেতে পারবেন না,শারিরীক অসুস্থতায়, ঘুরতে মন চাইলেও তখন পারবেন না,দামী জামা কাপড় চাইলেও পড়তে মন চাইবে না৷ ।
সন্তানের লেখা পড়া অথবা বিভিন্ন রেসপন্সিবিলিটি আসবে, তার মধ্যেও সময় বের করা যায়... সব, সম্পদ, টাকা সন্তানের জন্য সঞ্চয় করবেন কিন্তু অল্প কিছু নিজেদের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিৎ...
দিন শেষে আপনার বাচ্চার ও আলাদা লাইফ হবে,সে তার লাইফ এনজয় করবে,তখন খারাপ লাগবে.....
তখন মেয়ে মেয়ের জামাই, ছেলে ছেলের বউ ঘুরতে গেলে, রেস্টুরেন্টে গেলে, আফসোস হবে না, তাদের এনজয়মেন্ট তখন ভালো লাগবে... তারাও সম্মান করবে..
টেনশন , টাকা পয়সার টানাটানি , ব্যবসায় প্রবলেম , হাজার হাজার মানসিক কস্ট।কিন্তু এইগুলো যেনো সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে।
জীবনের এই ছোট ছোট এনজয়মেন্ট এর জন্য আপনার মন মানসিকতা উদার হবে, সবাই কে নিয়ে ভালো থাকতে পারবেন,
একটা সময় লাইফ পার্টনার থাকবে না পাশে কিন্তু আপনাদের অসংখ্য স্মৃতি বাঁচতে শিখাবে বাকি জীবন.…
পুরো গানটায় এই লিরিক্স টাই ভাল্লাগে
সাথে ছেলেটা🫣
18/06/2024
"একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দুরত্ব বেড়ে যায়।
তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে পায়।
-"স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো জল,
আপনি দুটোকে একসাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন।
-"আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেনা, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুচকা খান।
-"আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ী কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।
-"পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে,
যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, তাঁর কাজে একটু হাত বাড়ান এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।
-"ভালোবাসা তো শুধু দামী জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেনা,
-"মাঝে মধ্যে ভালবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ৩০ টাকা দামের কাচের চুড়ির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে,
-" কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, হবে স্বর্গ.....
তাই নিজের স্ত্রীকে উত্তম ভালবাসাটা দিন. !
゚
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur
1700