Sir. Muzammel Haque
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sir. Muzammel Haque, Health/Beauty, Habiganj.
25/06/2025
ডায়াবেটিস (Diabetes) এক ধরনের রোগ, যা শরীরে ইনসুলিন হরমোনের অভাবে বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ না করার কারণে হয়ে থাকে। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।
ডায়াবেটিস মূলত দুই ধরনের:
টাইপ ১ ডায়াবেটিস:
এই ক্ষেত্রে, শরীর একেবারেই ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না। সাধারণত, এটি ছোটবেলা বা অল্প বয়সে হয়ে থাকে।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস:
এখানে, শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। এটি সাধারণত ৪০ বা তার বেশি বয়সে বেশি দেখা যায়।
ডায়াবেটিস হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল:
অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদন কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেললে।
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, যেমন চিনি ও ফাস্ট ফুড বেশি খাওয়া।
ডায়াবেটিসের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে।
বয়স বৃদ্ধি।
কিছু রোগের কারণেও ডায়াবেটিস হতে পারে, যেমন পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (Polycystic o***y syndrome)।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, চোখের সমস্যা, স্নায়ুর সমস্যা সহ আরও অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
20/06/2025
আসসালামু আলাইকুম/আদাব ☘️
স্বাস্থ্যসেবার একটা গুরুত্বপূর্ণ কোর্স ও ডিগ্রি হচ্ছে কমিউনিটি প্যারামেডিক, বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফেরি কাউন্সিল (BNMC) থেকে প্যারামেডিক ডিগ্রিধারীদের কে রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করা হয়। ২ বছর মেয়াদি এই স্বল্প কোর্সে অনেকে ভর্তি হয়ে নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনে বাস্তবায়ন হয়েছেন, তবে এমন অনেক প্যারামেডিক শিক্ষার্থী আছেন, যারা কোর্স চলাকালীন সময়ে হাসপাতালে ঠিকমত রোগী ম্যানেজ করতে পারেননি, বা ইনর্টানশিপের সময় ঠিক সেভাবে চিকিৎসাবিদ্যা সম্পর্কে তেমন ধারণা অর্জন করতে পারেননি বা ডিউটি করতে পারেননি, তারা সাময়িকভাবে দুর্বলতা বা স্বল্পজ্ঞান নিয়ে কাজ করে গেছেন, প্যারামেডিক ইন্সটিটিউটে পড়াশুনা করেছেন কিন্তু বিভিন্ন বিষয়ে শেখার গ্যাপ রয়েছে, কোর্স চলাকালীন সময়ে হাসপাতালে প্রতিটি সেক্টরে কাজ করেছেন কিন্তু তা সত্ত্বে ও নিজেকে দুর্বল ভাবছেন! এমন শিক্ষার্থী এবং প্যারামেডিক হোল্ডারদের জন্য আমরা শুরু করতে যাচ্ছি একটা অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক প্লাটফর্ম, যেখানে তাদেরকে হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া হবে, এবং তাদের যে বিষয়ে দুর্বলতা রয়েছে, সে বিষয়ে ক্লাস করানো হবে।
আমাদের প্যারামেডিক শিক্ষা কোর্সে ভর্তির যোগ্যতাঃ 🚸
✅ প্রার্থীকে অবশ্যই প্যারামেডিক ডিগ্রিধারী হতে হবে, BNMC রেজিষ্ট্রেশন থাকতে হবে। যদি না থাকে তবে প্যারামেডিক ইন্সটিটিউটের রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের প্রমানাদি দেখাতে হবে।
☑️ সদর হাসপাতালে ইতিমধ্যে ইনর্টানশিপ করছেন বা শেষ করেছেন, এমন প্যারামেডিক চাইলেই আমাদের কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন তবে সেক্ষেত্রে তিনি যে হাসপাতালে ডিউটি করছেন বা করেছেন সেটার ডিউটি রোস্টার এর কাগজ দেখাতে হবে।
✅ কমিউনিটি প্যারামেডিক ইন্সটিটিউটে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী চাইলেই কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন, তবে শর্ত সাপেক্ষে। তাদের প্যারামেডিক রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের কাগজ দেখাতে হবে, শুধুমাত্র তাদের জন্যে এনাটমি, ফিজিওলজি, মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, কমিউনিটি মেডিসিন, প্যাথোলজি, ফার্মাকোলজী বিষয়ভিত্তিক ক্লাস করানো হবে।
⚠️যারা ভর্তি হতে পারবেন নাঃ LMAF, DMS, DMA, Diploma Nurse, Diploma Midwife, পল্লি চিকিৎসক বা নন-মেডিকেল পারসন।
🔰 প্যারামেডিকদের সুবিধার জন্য আমরা আমাদের কোর্সটিকে ২টা ভাগে ভাগ করেছিঃ-
1️⃣প্যারামেডিক ডিগ্রিধারী রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, যারা শুধু Treatment Guideline ক্লাস করবে।
2️⃣প্যারামেডিক শিক্ষার্থী, যারা ইতিমধ্যে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত বা ইনর্টানশিপ সম্পন্ন করেছে এমন ছাত্র-ছাত্রী।
📛 ক্লাস কিভাবে সম্পন্ন করা হবে?
1️⃣ প্রতিটি ব্যাচ এর শিক্ষার্থীদের জন্য ফেসবুক, মেসেঞ্জার, এবং টেলিগ্রামে অনলাইন ক্লাস শুরু করা হবে। তাদের আলাদা গ্রুপ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে ৪ দিন ক্লাস চলবে।
2️⃣ প্যারামেডিক ইন্সটিটিউটে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, যারা অনলাইন কোর্সে ভর্তি হবে, তারা শুধুমাত্র বিষয়ভিত্তিক ক্লাস করবে। যেমনঃ এনাটমি, ফিজিওলজি ইত্যাদি। প্রতিটি ক্লাস এর নির্ধারিত সময় নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।
3️⃣ ইনর্টানশীপ সম্পন্ন হয়েছে বা চলছে এই রকম প্যারামেডিক শিক্ষার্থী চাইলে কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন তবে শর্ত সাপেক্ষে, যা ভর্তির সময় জানানো হবে।
🪙 অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নাম কি?
🔰 Sir.Ontu Online Medical Class (SOOMC)
🔰 Fabiha Community Paramedical Online Class (FCPOC) .
☢️ভর্তি কবে থেকে শুরু হবে?
১৯ জুন - ১৯ জুলাই পর্যন্ত। (বিঃদ্রঃ) এই সময়ের পরে আর ভর্তি নেওয়া হবে না। ❌
🉑চাকরিজীবী বা পার্ট টাইম জব করা প্যারামেডিকরা কি কোর্সে ভর্তি হতে পারবে?
★ জি, অবশ্যই পারবেন। তবে ক্লাসের নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে উপস্থিত থাকতে হবে, ক্লাস ফাকি দেওয়া যাবে না। অন্যথায় বিতাড়িত করা হবে।
✴️ অফলাইনে কিভাবে ক্লাস নেওয়া হবে?
★ প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে যেকোনো ১ দিন (শুক্রবার, শনিবার) নির্ধারিত স্থানে ক্লাস নেওয়া হবে, নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধা অসুবিধার কথা বলতে পারবেন।
📶 ভর্তির জন্যে যোগাযোগ করবেন কিভাবে?
সরাসরি আমাদের ইনবক্সে মেসেজ করবেন অথবা 🧾Whatsapp: 01854264401 এই নাম্বারে মেসেজ দিয়ে যোগাযোগ করবেন।
👔 ভর্তি ফি কত হবে? কোর্স ফি কত? কোর্স কত মাস মেয়াদি? সবকিছু ইনবক্সে জানতে পারবেন।
বিস্তারিত ☎️ Whatsapp ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে জানতে হবে।
বিঃদ্রঃ 🔔 কোর্স শেষে পরিক্ষা নেওয়া হবে, উর্ত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে পুরস্কৃত করা হবে এবং প্রশংসাপত্র সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
14/06/2024
❝ আপনার জন্য একটি রিমাইন্ডার ❞
✅পবিত্র কুরবানির ঈদ কে কেন্দ্র করে,বহু যাদুকর তাদের যাদু রিনিউ (নবায়ন) করে থাকে। যাদু রিনিউ করার একাধিক পদ্ধতি আছে। তার মাঝে অন্যতম পদ্ধতি হয়েছে : কোনো প্রানী কে জিন শয়তানের নামে উৎসর্গ করে দেওয়া। কিংবা প্রাণীর দেহের কোন অংশ বিশেষ জিন শয়তানের জন্য নির্ধারিত করে উৎসর্গ করার মাধ্যমে নতুন করে যাদু করা হয়।প্রতিটি যাদুকর তার পালিত জিন শয়তান কে এই উৎসর্গের মাধ্যমে। যাদু কে রিনিউ করা বা নতুন করে যাদু পরিচর্চা করা হয়ে থাকে। অনেক যাদুকর সেদিন তাদের পশু কে যবা"ই করে থাকে শয়তান কে খুশি করার জন্য।
নাউজুবিল্লাহ..........
✅জিনের উদ্দেশ্যে যবা"ই করা। যা পূর্ব ও পরবর্তী সকল ইমামের ঐক্যমতে হারাম; বরং তা হলো শিরক। কেননা আল্লাহ ব্যতীত কারো নামে য"বাই করা কোন মুসলমানের জন্য খাওয়া জায়েয নয়। আর য"বাই করা তো বহুদূরের ব্যাপার তা সত্বেও কোন কোন অজ্ঞরা প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক স্থানে এ ধরণের জঘন্য কাজ করে থাকে।
✅এক্ষেত্রে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ ওয়াহাব আমাকে বলেনঃ কোন এক খলিফা একটি ঝর্ণা কাটায়। যখন সে তা প্রবাহিত করাতে চায়। সে জিনের জন্য সেখানে য"বাই করে, যাতে তারা তার পানি ভূ-গর্ভে না নামিয়ে দেয়। অতঃপর তা লোকদেরকে খাওয়ায় । এ খবর ইবনে শিহাব আয যুহরীকে পৌছিলে তিনি বলেনঃ সে তা য'বাই করেছে তার উদ্দেশ্যে, যার উদেশ্য য'বাই করা হালাল নয়; আবার তা লোকদেরকে আহার করিয়েছে যা তাদের জন্য হালাল নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিষেধ করেছেন ঐ জিনিস খেতে যা জিনের উদ্দেশ্যে য'বাই করা হয় ইত্যাদি। (আহকামুল মারজানঃ ৭৮)
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আলী বিন আবু তালেব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার বর্ণনায় বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে য"বাই করল আল্লাহ তার প্রতি লা'নত করুন।”
✅আসন্ন কুরবানির ঈদের আমাদের য"বা"ই"কৃত প্রানীর যে অংশ বিশেষ গুলো। যাদুকরদের প্রয়োজন হয় থাকে। তার বিশেষ কিছু হলো :
মাথার খুলি,বুকের হাড়ের (সিনার) হাড্ডি, তাজা রক্ত, কিংবা চামড়াতে ক্ষুদায় করে ইত্যাদির দ্বারা।যাদুকে পরির্চচা করে থাকে।
✅ যে যাদু গুলো করা হয় (সম্ভাব্য) তার মাঝে বিশেষ কিছু হলো :
সিহরুল ক'ত'ল - হ"ত্যার যাদু
সিহরুল মারাদ - অসুস্থতার যাদু
সিহরুত তাফরিক - বিচ্ছেদের যাদু
সিহরুল জুনুন - পাগল করার যাদুসহ আরো বিভিন্ন প্রকারের যাদু পরিচর্চা করা হয়ে থাকে।
✅ বিশেষ করে মাথার খুলি দিয়ে ইবলিস (ডেবিট) শয়তান ও দা" জ্জা " ল পূজারীদের পূজা করা হয়।কেননা কুরবানির য"বাইকৃত পশুর মাথার খুলিতে দুটি সিং থাকে। এবং এই দুটি সিং ইবলিসের সিং এর সাথে পূজারীরা তারা রূপকভাবে ব্যবহার করে থাকে।কোথাও কোথাও সরাসরি শয়তানের সামনে যাদুকর এই খুলির সিং কে সামনে উপস্থিতের মাধ্যমে পূজা করে থাকে।
✅একটি দৃষ্টান্ত স্বরূপ বলা হচ্ছে :
যাদুকর একটি অন্ধকার ঘরে প্রবেশ করে আগুন জ্বালায় । আগুনে তার উদ্দেশ্য মত এক ধরণের ধূপ দেয়। ধূপের মাঝে সে প্রানীর দেহের হাড্ডি বা অংশ বা মাথার খুলি থাকতে পারে। কিংবা যাহার উপর যাদু প্রয়োগ করা হবে। সে পেশেন্টের ব্যবহৃত বস্তু থাকতে পারে। উক্ত বস্তু গুলোর উপর জিন শয়তান কে নিজের উপর রাজি খুশি হওয়ার জন্য। সকল বস্তুর উপর টানা তন্ত্র মন্ত্র পাঠ করতে থাকে তারপর যাদুকর নির্ধারিত শিরকী মন্ত্র পাঠ করার দ্বারা শয়তান রাজি খুশি হয় । যাদুকর জ্বিনদের সরদারের দোহায় বা শপথ দেয়, তার মহত্বের দোহায় দিয়ে চায়; এমন কি তার মন্ত্রে আরো বিভিন্ন ধরণের শিরক অন্তর্ভুক্ত থাকে যেমনঃ বড় জিনের সম্মান ও বড়ত্বের বর্ণনা, তার নিকট ফরিয়াদ ও সাহায্য প্রার্থনা ইত্যাদি। শর্ত হলো এমতাবস্থায় যাদুকরকে নাপাক থাকতে হবে। বা নাপাক কাপড় পরে থাকতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তার কুফু্রি মন্ত্র পাঠ শেষ হওয়া মাত্রই কুকুর বা অজগর বা অন্য কোন আকৃতিতে শয়তান জিনের আবির্ভাব ঘটে। অতঃপর যাদুকর যা তার ইচ্ছা তাকে নির্দেশ করে। আবার কখনও তার সামনে কোন কিছুই প্রকাশ পায় না। তবে সে তার একটি শব্দ শুনে। আবার কখনও কোন কিছুই শুনে না, তবে টার্গেট ব্যক্তির কোন চিহ্নতে যাদুর গিরা লাগায়। যেমনঃ তার চুলে বা তার কাপড়ের টুকরাই যাতে তার গায়ের গন্ধ থাকে ইত্যাদি। এরপর সে যা ইচ্ছা সে অনুযায়ী জিনকে হুকুম করে । কিংবা সে যাদুকর নিজে জিনের হুকুম পালন করে থাকে। এই ভাবেই যাদুকর ও শয়তান জিনের মাধ্যমে যাদু পরিচর্চার সকল কার্যক্রমের চুক্তি সম্পাদন করা হয়। আর চুক্তি সম্পাদন করার উপযুক্ত সময় বা বস্তু হলো কুরবানির ঈদের দিন বা কুরবানির পশুর অংশের মাধ্যমে। যা স্পষ্ট ভাবে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।
✅ প্রতিটি কুরবানীদাতা ব্যক্তিদের উচিত : কুরবানির পশুর মাথার খুলি বা দেহের কোনো এমন অংশ বিশেষ। যেখানে সেখানে না ফেলে দেওয়া। বরং এগুলো কে টুকরো টুকরো করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলা।কুরবানীর প্রানীর র"ক্ত সাথে সাথে মাটির নিচে গর্ত কুঁড়ে গর্তের গভীরে ফেলে দেওয়া। যেনো কেহ পরবর্তী সময়ে এ র"ক্তকে ব্যবহার না করতে পারে। গ্রামগঞ্জে অনেক যাদুকর মহিলা আছে।যারা নাকি কুরবানির প্রানীর র"ক্ত সাথে সাথে সংরক্ষণ করে নিয়ে যায় বিভিন্ন অজুহাতের কথা বলে। মনে রাখুন কুরবানির প্রাণীর দেহের কোনো অংশ বিশেষ যে কাউকে দিবেন না। বিশেষ করে উপরে যে অংশগুলোর কথা বলা হয়েছে। যদি একান্তে দিতেই হয় তাহলে বিকৃতি ও খন্ডিত ছিদ্র করে করে দিবেন। যেনো সে এই অংশগুলো নিয়ে তার উদ্দেশ্য প্রণীত কোন কাজ সাধন না করতে পারে। সাবধান এই ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করবেন। নিজের পরিবার সন্তানদের নিরাপত্তা বিষয়ে নিজেদের মাঝে সচেতনতা তৈরি করুন।
✅ একটি মাসআলা জেনে রাখুন :
যে কোন হালাল পশুর য"বেহকালীন প্রবাহিত র"ক্ত নাপাক (আন‘আম ৬/১৪৫)। তা দেহে বা পোষাকে লাগলে ধুয়ে ছালাত আদায় করতে হবে। আর মাংসে লেগে থাকা র'ক্তের ছিটাফোটা শরীরে বা কাপড়ে লাগলে নাপাক হবে না। উক্ত পোষাক পরিধান করে ছালাত আদায়ে কোন দোষ নেই (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৭/২৯৯; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৭/০২)। পক্ষান্তরে হারাম প"শুর রক্ত সর্বদাই অপবিত্র (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৫৬৮; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৫২)।
✅ কুরবানীর ঈদের দিনে জিন যাদুগ্রস্ত পেশেন্টদের
কি কি করণীয় ও বর্জনীয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত সাজেশন পাবেন আমার টাইমলাইনে ইনশাআল্লাহ..💐
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।
শুকরান জাযাকুমুল্লাহ 💐
🎤 Raqi Amir Hamza
Senior Consultant & Raqi :
Nabawi life &
AS Sunnah Hijama & Ruqyah center
☎️01636-613047
☎️01798-645570
MD Amir Hamza Nabawi Life (নববী লাইফ)
30/05/2024
"আমার বাচ্চা লেগপিস ছাড়া খায়না" কথাটা শুনলেই মন চায় ঠাডাইয়া কানের উপ্রে একটা লাগাই।
বাচ্চা কি মায়ের পেট থেকেই লেগপিস চিনে আসে? তাকে চেনায় আহ্লাদী টাইপের মা গুলা। একটা মুরগির লেগপিস কয়টা থাকে? বাসায় মুরুব্বি কেউ নাই? বাচ্চাকেই কেন লেগপিস দিতে হবে? বুদ্ধি হবার পর থেকে দেখে আসছি মুরগির লেগপিস, মাছের মাথা এগুলো আব্বার পাতে দিত আম্মা কারণ আব্বা সংসারের কর্তা, বাসার মুরুব্বি, সম্মানিত ব্যক্তি। আমরা ছোট থেকেই জেনে আসছি মুরগির রানটা, মাছের মাথাটা খাবে পরিবারের কর্তা।
তারমানে এই না যে আব্বা আমাদের বঞ্চিত করে একাই খেত। সবাইকে নিয়েই ভাগাভাগি করে খাওয়া হত কিন্তু উঠত আব্বার পাতে, এটা পরিবারের কর্তার সম্মান। আমার বাসায় মুরগী বা হাঁস রান্না হলে আমরা দুজন দুইটা রান নেই, ছেলে নেয় বুকের সলিড মাংস বা অন্য কোন পিস।
ছেলের বাবা মাছের মাথা খায়না, কিন্তু বড় টুকরো টা তার পাতেই দেই আর ছেলের সামনে উচ্চারণ করে বলি বাবা পরিবারের কর্তা এজন্য উনার সম্মান আলাদা। ও বুঝতে শিখুক পরিবারের কর্তার সম্মান কি?
এরপর বাবা যখন মাছের মাথাটা বা রানের মাংস সন্তানদের পাতে তুলে দেয়, তখন সন্তানদের অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে৷ ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। ব্যাপারটা দারুণ না?
শুরুতেই লেগপিস আপনার ছেলে মেয়েদের পাতে দিলে এই ব্যাপারটা ঘটার সুযোগই থাকবে না।
কর্তার পাতে বড় দেই তার মানে এই না যে গিন্নী কিছুই খায়না, খেতে হয় কারণ না খেলে শরীর টিকবেনা। কিন্তু তাই বলে বাচ্চার জন্য সব উজাড় করে দিয়ে নিজে নি:স্ব হয়ে থাকার মানে হয়না।
বাচ্চাকে ছোট থেকেই বুঝাতে হবে পরিবারে সবচেয়ে সম্মানের জায়গা বাবার, তারপর মায়ের, তারপর তার অর্থাৎ সন্তানের জায়গা। ছোট থেকেই না বুঝালে বড় হয়ে আর বুঝবে না।
আজকালকার বাচ্চারা গড়ে উঠতেছে চূড়ান্ত বেয়াদব হয়ে। আমার মতে তার পিছনে দায়ী বাচ্চা লেগপিস ছাড়া খায়না টাইপের মায়েরা.
সংগৃহীত:মেনশন দিতে পারলাম না বলে খারাপ লাগছে।
23/04/2024
"পবিত্র কুরআনে বর্ণীত যাদু ধ্বংসের আয়াত গুলো "
যারা দীর্ঘদিন যাবত জিন যাদুগ্রস্ত হয়ে আছেন। শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে যাদুর প্রভাবে ভঙ্গুর হয়ে আছেন। আপনার শরীরে প্রবেশকৃত যাদুর খাদিম জিন শয়তান বন্দী হয়ে আছে যাদুর জন্য। সে শয়তানের ও যাদুকরের চক্রান্ত গুলো ধ্বংস করার জন্য। শারীরিক ও মানসিক ভাবে যাদুর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য। নিচের সাজেশন টি আপনি ফলো করতে পারেন ইনশাআল্লাহ 💐
🟡প্রথমে আপনি কিছু সাপ্লিমেন্ট প্রস্তুত করবেন :
১- ৫/১০ লিটারের একটি পানির বোতল।
২- Extra Virgin অথেনটিক অলিভ অয়েল -১ লিটার।
৩- অথেন্টিক মধু ৫০০ /১০০০ মিলি।
৪- কালোজিরা, কিসিমিস - ১০০/৫০০ গ্রাম।
🟡 উপরোক্ত সাপ্লিমেন্ট গুলো প্রস্তুত হয়ে গেলে। নিচে উল্লেখিত আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে করে ফুঁক দিবেন সাপ্লিমেন্ট গুলোর মাঝে।
🟡আপনি প্রথমে ওযু করে নিবেন।
অতপর দুই রাকাআত সালাতুল হাজাত নামাজ পড়ে নিবেন।তারপর উপরোক্ত সাপ্লিমেন্ট গুলো সামনে নিয়ে বসে আপনি তিলাওয়াত করা শুরু করবেন।
প্রথমে একাধিকবার দুরুদ পাঠ করবেন। অতপর সূরা ফাতিহা টানা ৭ বার তিলাওয়াত করবেন। তারপর নিচের আয়াত গুলো পাঠ করবেন।
📌সূরা বাকারা,১০২ নং আয়াতঃ
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
📌সূরা মায়িদা,১১০ নং আয়াতঃ
إِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ٱذْكُرْ نِعْمَتِى عَلَيْكَ وَعَلَىٰ وَٰلِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ ٱلْقُدُسِ تُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِى ٱلْمَهْدِ وَكَهْلًاۖ وَإِذْ عَلَّمْتُكَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَۖ وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ ٱلطِّينِ كَهَيْـَٔةِ ٱلطَّيْرِ بِإِذْنِى فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًۢا بِإِذْنِىۖ وَتُبْرِئُ ٱلْأَكْمَهَ وَٱلْأَبْرَصَ بِإِذْنِىۖ وَإِذْ تُخْرِجُ ٱلْمَوْتَىٰ بِإِذْنِىۖ وَإِذْ كَفَفْتُ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ عَنكَ إِذْ جِئْتَهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْهُمْ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ
📌সূরা আনআম,৭ নং আয়াতঃ
وَلَوْ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ كِتَٰبًا فِى قِرْطَاسٍ فَلَمَسُوهُ بِأَيْدِيهِمْ لَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ
📌সূরা আরাফ,১১৩ নং আয়াতঃ
وَجَآءَ ٱلسَّحَرَةُ فِرْعَوْنَ قَالُوٓا۟ إِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ ٱلْغَٰلِبِينَ
📌সূরা আরাফ,১১৬ নং আয়াতঃ
قَالَ أَلْقُوا۟ۖ فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ سَحَرُوٓا۟ أَعْيُنَ ٱلنَّاسِ وَٱسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَآءُو بِسِحْرٍ عَظِيمٍ
📌সূরা আরাফ,১২০ নং আয়াতঃ
وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ
📌সূরা আরাফ,১৩২ নং আয়াতঃ
وَقَالُوا۟ مَهْمَا تَأْتِنَا بِهِۦ مِنْ ءَايَةٍ لِّتَسْحَرَنَا بِهَا فَمَا نَحْنُ لَكَ بِمُؤْمِنِينَ
📌সূরা ইউনুস,৭৬ নং আয়াতঃ
فَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ مِنْ عِندِنَا قَالُوٓا۟ إِنَّ هَٰذَا لَسِحْرٌ مُّبِينٌ
📌সূরা ইউনুস,৭৭ নং আয়াতঃ
قَالَ مُوسَىٰٓ أَتَقُولُونَ لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَكُمْۖ أَسِحْرٌ هَٰذَا وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّٰحِرُونَ
📌সূরা ইউনুস,৮০ নং আয়াতঃ
فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلْقُوا۟ مَآ أَنتُم مُّلْقُونَ
📌সূরা ইউনুস,৮১ নং আয়াতঃ
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ
📌সূরা হুদ,৭ নং আয়াতঃ
وَهُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ فِى سِتَّةِ أَيَّامٍ وَكَانَ عَرْشُهُۥ عَلَى ٱلْمَآءِ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًاۗ وَلَئِن قُلْتَ إِنَّكُم مَّبْعُوثُونَ مِنۢ بَعْدِ ٱلْمَوْتِ لَيَقُولَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ
📌সূরা ত্ব-হা,৫৭ নং আয়াতঃ
قَالَ أَجِئْتَنَا لِتُخْرِجَنَا مِنْ أَرْضِنَا بِسِحْرِكَ يَٰمُوسَىٰ
📌সূরা ত্ব-হা,৫৮ নং আয়াতঃ
فَلَنَأْتِيَنَّكَ بِسِحْرٍ مِّثْلِهِۦ فَٱجْعَلْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ مَوْعِدًا لَّا نُخْلِفُهُۥ نَحْنُ وَلَآ أَنتَ مَكَانًا سُوًى
📌সূরা ত্ব-হা,৬৩ নং আয়াতঃ
قَالُوٓا۟ إِنْ هَٰذَٰنِ لَسَٰحِرَٰنِ يُرِيدَانِ أَن يُخْرِجَاكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِمَا وَيَذْهَبَا بِطَرِيقَتِكُمُ ٱلْمُثْلَىٰ
📌সূরা ত্ব-হা,৬৬ নং আয়াতঃ
قَالَ بَلْ أَلْقُوا۟ۖ فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ
📌সূরা ত্ব-হা,৭০ নং আয়াতঃ
فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سُجَّدًا قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ هَٰرُونَ وَمُوسَىٰ
📌সূরা ত্ব-হা,৭১ নং আয়াতঃ
قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَۖ فَلَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ فِى جُذُوعِ ٱلنَّخْلِ وَلَتَعْلَمُنَّ أَيُّنَآ أَشَدُّ عَذَابًا وَأَبْقَىٰ
📌সূরা ত্ব-হা,৭৩ নং আয়াতঃ
إِنَّآ ءَامَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَٰيَٰنَا وَمَآ أَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ ٱلسِّحْرِۗ وَٱللَّهُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰٓ
📌সূরা আম্বিয়া,৩ নং আয়াতঃ
لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْۗ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ هَلْ هَٰذَآ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْۖ أَفَتَأْتُونَ ٱلسِّحْرَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ
📌সূরা মু'মিনুন,৮৯ নং আয়াতঃ
سَيَقُولُونَ لِلَّهِۚ قُلْ فَأَنَّىٰ تُسْحَرُونَ
📌সূরা শু'আরা,২৮ নং আয়াতঃ
فَجُمِعَ ٱلسَّحَرَةُ لِمِيقَٰتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ
📌সূরা শু'আরা,৩৫ নং আয়াতঃ
يُرِيدُ أَن يُخْرِجَكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِۦ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ
📌সূরা শু'আরা,৪০ নং আয়াতঃ
لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ ٱلسَّحَرَةَ إِن كَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَٰلِبِينَ
📌সূরা শু'আরা,৪১ নং আয়াতঃ
فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالُوا۟ لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ ٱلْغَٰلِبِينَ
📌সূরা শু'আরা,৪৬ নং আয়াতঃ
فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ
📌সূরা শু'আরা,৪৯ নং আয়াতঃ
قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَۚ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ
📌সূরা শু'আরা,১৫৩ নং আয়াতঃ
قَالُوٓا۟ إِنَّمَآ أَنتَ مِنَ ٱلْمُسَحَّرِينَ
📌সূরা শু'আরা,১৮৫ নং আয়াতঃ
قَالُوٓا۟ إِنَّمَآ أَنتَ مِنَ ٱلْمُسَحَّرِينَ
📌সূরা আন্-নামাল,১৩ নং আয়াতঃ
فَلَمَّا جَآءَتْهُمْ ءَايَٰتُنَا مُبْصِرَةً قَالُوا۟ هَٰذَا سِحْرٌ مُّبِينٌ
📌সূরা আল-কাসস,৩৬ নং আয়াতঃ
فَلَمَّا جَآءَهُم مُّوسَىٰ بِـَٔايَ
🟡অতপর সূরা বাকরাহর শেষের পৃষ্ঠা, ও আয়াতুল কুরসি এবং সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক,সূরা নাস। এবং দুরুদ শরিফ পাঠ করে আবারো ফুঁক দিবেন সাপ্লিমেন্ট গুলোর মাঝে।
________________________________________
🟡বিঃদ্রঃ - যদি কেহ এই আয়াত গুলো তিলাওয়াত করলে শরিরে বিভিন্ন রিয়্যাকশন তৈরি হয়। তাহলে আরো বেশি করে তিলাওয়াত করবেন। এবং যতদিন না পর্যন্ত যাদুর প্রভাব ধ্বংস না হচ্ছে! কিংবা যাদুর খাদিম জিন শয়তান যাদু থেকে মুক্তি না পাচ্ছে। ততদিন পর্যন্ত টানা তিলাওয়াত করতে থাকবেন ইনশাআল্লাহ।
🟡 সাপ্লিমেন্ট গুলো ব্যবহার করার নিয়ম হলো :
১- পড়া পানি গুলো খালি পেটে বেশি করে পান করা।গোসলের পানির সাথে পড়া পানি মিশ্রিত করে যাদু ধ্বংসের নিয়তে গোসল করা। এবং বাস্থানে উক্ত পানি সকাল সন্ধা স্প্রে করা।
২- গোসল করার পর পুরো শরিরে মাঝে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করা। যাদু ধ্বংসের নিয়তে বিশেষ করে শরীরে কোথাও যাদুর গিট থাকলে।সেখানে বেশি করে ম্যাসাজ করা।
৩-মধু সকালে বা সন্ধার সময়ে খাওয়া করা। বিশেষ করে পেটে বা ব্রেইনে বা শরীরে যে কোনো অঙ্গের যাদু ধ্বংসের নিয়তে।
৪-কালোজিরা পেটের যাদু বা মাথার যাদুর ধ্বংসের নিয়তে খাওয়া। কিসমিস রাতে পড়া পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে। সকালে খালি পেটে পড়া পানি খেয়ে কিসিমিস গুলো খাওয়া যাদু ধ্বংসের নিয়তে।
🟡 উপরোক্ত সাপ্লিমেন্ট গুলোর শেষ হওয়ার আগে আপনি নতুন করে সাপ্লিমেন্ট মিক্স করতে পারবেন।
🟡নিশ্চয় যারা বিশ্বাস ও সবর শক্তি নিয়ে উপরোক্ত সাজেশন ফলো করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ আপনি হইতো এতোটা উপকৃত হতে পারেন। যেটার আশা আপনি ছেড়ে দিয়েছেন কিংবা হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸
পরিশেষে নবী মুহাম্মাদ সাঃ এর একটি হাদিস বর্ণনা করছি। আবু হুরাইরা রা: থেকে বর্ণিত। নবী করিম সা: বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার কোনো ওষুধ সৃষ্টি করেননি।’ (বুখারি-৫২৭০)
🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে
জিন যাদু বদ নজর হাসাদের প্রভাব থেকে হিফাজত করুক। আমিন
লেখাটি ভালো লাগলে সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন।
শুকরান জাযাকুমুল্লাহ 💐
Raqi Amir Hamza
23/04/2024
পশ্চিম যখন ‘ওয়ার অন টেরর’ নাম দিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের সূচনা করলো, গোটা দুনিয়ার বিলিয়ন বিলিয়ন মুসলিমকে তখন সাথে সাথে ‘ডি-হিউম্যানাইজ’ করে ফেলা হলো। খেয়াল করুন—দুনিয়ার বিলিয়ন বিলিয়ন মুসলিম সাথে সাথে ‘মজলুম’ হয়ে গেছে শুধুমাত্র একটা চিন্তার কারণে, আর সেই চিন্তাটা হলো—ওয়ার অন টেরর।
সেই ওয়ার অন টেররের জামানায় একজন দাঁড়িওয়ালা মুসলিম মানেই সাক্ষাৎ সন্ত্রাসী। নিউইয়র্ক এয়ারপোর্টে দাঁড়িওয়ালা, কাঁধে ঝোলানো একটা ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মুসলিমকে চারপাশের সকলে সন্দেহের চোখে তাকায়৷ যেন তার ব্যাগের মধ্যে টাইম বোম্ব, আর মাথার মধ্যে ঘুরছে বোম্বিংয়ের আইডিয়া।
কী বিশাল একটা জনগোষ্ঠী, অথচ সামান্য একটা চিন্তার কাছে তারা হয়ে যায় মাজলুম তথা দূর্বল।
অন্যদিকে, যদি আপনি ইভোলিউশন থিওরির কথা চিন্তা করেন, দুনিয়াতে কতো পার্সেন্ট লোক এই থিওরিতে বিশ্বাস করে? দুনিয়ার বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষের এই থিওরির প্রতি সন্দেহ আর অবিশ্বাস বিদ্যমান। হোক সেটা তার ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গা থেকে অথবা র্যাশনাল চিন্তার জায়গা থেকে।
কিন্তু, যদি কোনো সাইন্টিস্ট এই ইভোলিউশন থিওরির বিরুদ্ধে কথা বলে, সাইন্স একাডেমিয়া থেকে তাকে ফায়ার করতে কয়েক মুহূর্ত সময় লাগবে শুধু৷ সে যতোবড়ো ডাকাবুকো আর তালেবর বিজ্ঞানীই হোক—একাডেমিয়াতে তার আর খাওয়া নেই।
এই থিওরিতে বিশ্বাসী লোকের সংখ্যা অনেক কম, কিন্তু তারা ডোমিনেট করে সংখ্যাধিক্য লোকের চিন্তা আর বিশ্বাসের ওপর।
সুতরাং, সবল আর দূর্বলের বিষয়টা সংখ্যা দিয়ে ভাবলে আমরা সঠিক উপসংহারে পৌঁছাতে পারবো না। ক্ষমতা কাঠামো কার পেছনে আছে—সেটাই ঠিক করে দেয় দুনিয়াতে কে সবল আর কে দূর্বল। ক্ষমতা কাঠামো যদি একজনের পেছনে থাকে, তাহলে সেই একজন কখনোই মাজলুম নয়, বরং একশো কোটি মানুষের বিপরীতে সে-ই জালিম।
ক্ষমতা কাঠামো সাবস্ক্রাইব করে চিন্তাকে। ওয়ার অন টেরর যেমন একটা চিন্তা ছিলো, তেমনি রূপান্তরবাদও একটা বৈশ্বিক চিন্তার শাখা। এই চিন্তাকে অনেকে জেনে আবার অনেকে না জেনে সাবস্ক্রাইব করবে এটা খুব সত্য। যারা না জেনে, অজ্ঞতা থেকে সাবস্ক্রাইব করবে তারা যদি অনুতপ্ত হয়, ভুলটা থেকে বেরিয়ে আসে, তাহলে আমরা তাদের দূরে ঠেলে দিবো না। তবে, যারা এই চিন্তা পদ্ধতির এবং এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল জেনেই এর অংশ হবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আওয়াজ বলবৎ থাকবে।
শিরক করার পর কেউ মন থেকে তাওবা করলে আল্লাহ মাফ করে দেন। কিন্তু তাই বলে ‘শিরক’ এর বিরুদ্ধে সংগ্রামকে বন্ধ করে দেওয়া হয় না।
Arif azad
21/04/2024
লেখাটা ভয়ঙ্কর সুন্দর!💜
"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির একটা ছেলের মারা যাওয়ার খবর দেখে হুট করেই মনে হলো, মৃত্যু ছাড়া আমাদের আসলে নিজের বলতে আছেটা কী?
এই ছেলেটা গ্র্যাজুয়েশন করেছে। বিয়ে করেছে। দুইটা বাচ্চা আছে। বৌ আছে। ৪১ তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েছে। ৪৩ তমর ভাইবাও দিয়ে ফেলেছে।
এই এতো এতো স্ট্রাগল, এতো এতো পরিশ্রম এক মুহূর্তে শূণ্য হয়ে গেল, ছেলেটার তাহলে নিজের বলে থাকলো কী?
ভালো ক্যারিয়ার, অসম্ভব পরিশ্রম করে তিলে তিলে গড়ে তোলা ক্যারিয়ার, এই ক্যারিয়ারটাও কি আসলে আমার নিজের? না তো। এই ক্যারিয়ারে মায়ের ভাগ আছে, বাপের ভাগ আছে, ভাইয়ের লেখাপড়া আছে, বোনের বিয়ে আছে, বৌ এর শখ আছে, বাচ্চার দুধ আর খেলনাও আছে।
এবং এই একটা ক্যারিয়ার বানানোর জন্য মানুষরে সবকিছুই ছাড়তে হয়। লিটারালি সবকিছুই। টাকার ব্যাপারটা তো আছেই, সময়ের ব্যাপারটাও খুব ভাইটাল। চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে বহু ছেলেমেয়ে ট্যুর দেওয়া ছেড়ে দেয়, বই পড়া ছেড়ে দেয়, প্রেম করা ছেড়ে দেয়, রেস্টুরেন্টে খাওয়া ছেড়ে দেয়, এমনকি অনেকে তো ইবাদত পর্যন্ত করতে পারে না।
একবার এক ভাইরে রাতের বেলা অনেক নামাজ পড়ার কারণ জিজ্ঞেস করে জানছিলাম, সারাদিন ল্যাবে কাজের ঠেলায় নামাজটা পর্যন্ত পড়তে পারেন নাই। খাওয়া তো দূরের কথা। মলিন হাসি মুখে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ধনী হইতে চাই না ভাই, শুধু এতোটুকু অবসর চাই, যতটুকু অবসর পাইলে আমি একটু শান্তিমতো নামাজটা পড়তে পারি।
কেউ সরারাত ফোন নিয়ে রাতে দাঁড়াইয়া থাকে, বাপ অসুস্থ, বাপের কাছে যাইতে পারে না। শুধুমাত্র একটা ক্যারিয়ারের জন্য। একটা ব্রাইট ফিউচারের জন্য।
সমস্যা হলো, ফিউচার প্ল্যানে আমরা সবকিছুই ইনক্লুড করি, শুধু মৃত্যুটা ছাড়া। আমাদের প্ল্যানে পরিবার থাকে, প্রেমিকা থাকে, গাড়ি থাকে, বাড়ি থাকে, বাট মৃত্যুটা থাকে না।
অথচ মৃত্যুটাকে প্ল্যানে রাখতে পারলেই কিন্তু আমার আপনার অনেক প্রায়োরিটি লিস্ট চেঞ্জ হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিন ট্যুরটা দিয়ে ফেলা যাবে, ওয়্যার এন্ড পিসটা পড়ে ফেলার সময় হবে, তাহাজ্জুদ পড়ার সময়টাও বের করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন, মৃত্যু ওয়েট করতেসে। আপনার হাতে খুব বেশি সময় নাই।
না, আমি নিজে বোহেমিয়ান টাইপ মানুষ না, আপনাকেও বাউন্ডুলে হতে বলতেসি না।
20/04/2024
একবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে খুবই প্রফুল্ল দেখে আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহা বললেন, 'ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি তো খুবই খোশ-মেজাজে আছেন, আমার জন্য এখন একটু দুআ করুন না!'
আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহার এহেন আবদারে মুচকি হাসলেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হেসে তিনি আল্লাহকে বলতে লাগলেন, 'ইয়া আল্লাহ, আয়িশা পূর্বে করেছে এমন সকল গুনাহ আপনি ক্ষমা করে দিন। আয়িশা পরে করবে এমন সকল গুনাহও আপনি ক্ষমা করে দিন। আয়িশা প্রকাশ্যে করেছে
এমন গুনাহ আপনি ক্ষমা করে দিন। আয়িশা গোপনে করেছে এমন গুনাহও আপনি ক্ষমা করে দিন। সে বুঝে করেছে এমন গুনাহ আপনি ক্ষমা করে দিন, না-বুঝে করেছে এমন গুনাহও আপনি ক্ষমা করে দিন।'
আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দা, প্রিয় হাবিব যখন কারো জন্য ঠিক এভাবে দুআ করেন, বলুন তো সেই মানুষটার খুশিতে আত্মহারা না হয়ে উপায় আছে? নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুখে নিজের জন্য এত চমৎকার দুআ শুনে খুশিতে আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহাও পাগলপারা। আম্মাজান আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহাকে খুশি হতে দেখে প্রীত হলেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও। তবু তিনি জিগ্যেশ করলেন, 'আয়িশা, আমার দুআয় তুমি খুশি হয়েছো?'
খুশিয়াল গলায় আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহা বললেন, 'আমি খুবই খুশি হয়েছি ইয়া রাসুলাল্লাহ।'
তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, 'জানো আয়িশা, তোমার জন্য যে দুআ করলাম, ঠিক একই দুআ প্রতি সালাতের পর আমি আমার প্রতিটা উম্মতের জন্যই করি।'
এই হাদিসটা যেদিন প্রথম শুনি, আক্ষরিক অর্থেই সেদিন আমার চোখ বেয়ে টপ টপ করে পানি ঝরেছিলো। আমার নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই চৌদ্দশ বছর আগে বসেই আমার গুনাহের জন্য কেঁদে গেছেন, আমার ক্ষমালাভের জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে গেছেন জেনে কী যে এক ভালোলাগা আর ভালোবাসার অনুভূতি পেয়েছিলাম আমি, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়!
আমি, আপনি, আমরা-আমরা সবাই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মাহ। আমাদের গুনাহের মাফ চেয়ে তিনি আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে কেঁদে গেছেন, আল্লাহর কাছে আর্জি জানিয়ে গেছেন, আকুল ফরিয়াদ করে গেছেন, যাতে আমাদের পূর্বের-পরের, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, বুঝে এবং না-বুঝে করা যাবতীয় গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দেন। একজীবনে এরচেয়ে বড় পাওনা আমাদের জন্য আর কিছু হতে পারে কী!
হাদিসটা যদি এখনো আপনার মনে দাগ না কাটতে পারে, যদি সেটা এখনো আপনার হৃদয়কোণে ভালোবাসার স্ফুরণ না ঘটায়, যদি এখনো আপনি বুঝতে না পারেন আপনার জন্য নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রেমময় প্রার্থনা, তাহলে যে দুআটা নবিজি আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহার নাম ধরে করেছেন, সেখানে আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহার নামের জায়গায় কেবল আপনার নামটা বসিয়ে নেন এবং অনুধাবন করুন, কতখানি ভালো তিনি আপনাকে বাসতেন!
(Arif Azad)
19/04/2024
☘️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Website
Address
Habiganj
3301