Motivation, Health and Wealth
Motivational training,Health Wealth and beauty
19/02/2025
সুখের অনুভুতি গুলো একটু ব্যাতিক্রম
19/02/2025
With Abdur Rahim Khan – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉
02/06/2024
ওকে সবাই 'পাগলী' বলতো, আর বলতো 'বাঁদরী'৷ ছোটবেলায় তো গ্রামের সকলে ওর মা বাবাকে বলেছিলো, এমন অদ্ভুত জীব ওরা আগে দেখেনি৷ কি না কি অমঙ্গল হবে, ওকে কোনো অনাথ আশ্রমে দিয়ে আসতে৷ মেয়েটা খুব কম কথা বলতো, একা একা থাকতো বাধ্য হ'ত৷ আর গ্রামের বাচ্চা আর তাদের মা বাবাদের কটু কথা শুনে মাঝে মাঝে নিভৃতে বসে কাঁদতো৷ ওর মা, ধনলক্ষ্মী তখন ওকে কোলে টেনে নিতো, বাসি ভাত দিয়ে ওর পছন্দের মিঠি ভাত আর মুরগির মাংস রান্না করে খাওয়াতো৷ বন্ধুহীন একা, শান্তশিষ্ট মেয়েটার চোখের জল শুকাতো, কান্নার হিক্কা কমতো কিছু সময়ের জন্য৷ কিন্তু ফের আবার শুনতে হ'তো, খেপি, পাগলি, বাঁদরি, জানোয়ার, অমঙ্গল...
মস্তিষ্কের গঠন ঠিক হয়নি বলে জন্ম থেকেই মেয়েটি অন্যদের থেকে আলাদা৷ কথা বলার ধরন, মত আদান প্রদানের ধরন, মেশার ধরন সব আলাদা৷ জন্মের সময় মাথাটি খুব ছোট্ট ছিলো, কান আর ঠোঁটের গড়নও কিয়ারা, জাহ্নবী, সারা বা দিশার মতো বা আপনার সুস্থসবল বাচ্চাটির মতো হয় নি৷ কিন্তু তার মনটা যে এক্কেবারে বালিকাদের মতো, এখনো। সে মিশতে চায়, পারে না৷ বলতে চায় পারে না৷ বন্ধু হতে চায় পারে না৷ যাদেরকে আপন করতে চায়, তাদের থেকেই নোংরা কথাগুলো শোনে, বিদ্রুপ শোনে। অসহায় হয়ে কাঁদে। কিন্তু সে যা পারে, তা আর কেউ পারে না৷ আর তার সেই গুণটাই 2010 সালে প্রথম আবিষ্কার করেন রুরাল ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন বা RDF এর PT কোচ, বিয়ানি ভেঙ্কটেশ্বরালু। দৌড়ে কি অনায়াসে হারিয়ে দিচ্ছে সুস্থ সবল বাচ্চাদের! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেয়েটি তো আঘাত পেতে পেতে নিরব হয়ে গেছে! সে তো কথাই বলতে চায় না কারো সাথে! ধীরে ধীরে বিয়ানি মেয়েটির কাছে আসার চেষ্টা করলেন৷ তাকে ট্র্যাকে দৌড়ানোর ব্যাপারে বোঝানোর চেষ্টা করলেন৷ তাও মেয়েটা ভুল করলো৷ ১০০ মিটারের স্টেট লেভেল জিতলেও পদক পেলো না, লেন জাম্প, মানে নিজের নির্দিষ্ট পথ থেকে বেরিয়ে অন্য প্রতিযোগীর পথে ঢুকে পড়ার জন্য ডিসকোয়ালিফায়েড হয়ে গেলো৷ কিন্তু হাল ছাড়লেন না বিয়ানি৷ অন্যান্য বাচ্চাদের সাথে ওকে যতটা সম্ভব ট্রেনিং দিতে থাকলেন৷
হীরে মাণিককে কেউ চিনতে না পারলেও তার দ্যুতি সঠিক জহুরির নজর টানেই৷ 2019 সালে খাম্মামের স্টেট মিটে মেয়েটি নজরে পড়লো sports authority of India র কোচ N. Ramesh এর৷ তিনি মেয়েটির বাড়িতে এলেন৷ বাবা যোধাগিরি ও মা ধনলক্ষ্মীকে রাজি করালেন মেয়েকে হায়দ্রাবাদের SAI সেন্টারে পাঠাতে, ট্রেনিং এর জন্য৷ লড়াইটা সহজ ছিলো না৷ শুরু হ'লো এক্কেবারে প্রথম থেকে৷ হায়দ্রাবাদে যাওয়ার বাস ভাড়াই যে নেই গরীব কৃষক পরিবারটির কাছে! সে না হয় যোগাড় হ'লো, কিন্তু মেয়েটি যে সবার মতো নয়! ওকে দৌড়ের বিভিন্ন ট্যাকটিক্স, প্রতিযোগীদের দিকে নজর রাখা, ফোকাস রাখা ইত্যাদি বহু ব্যাপার বোঝানো ছিলো বড় কঠিন কাজ! ওর কোচেরা, ওর সহপাঠীরা ওর পাশে দাঁড়ালো৷ ধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হ'লো, তারপর শিখতে থাকলো৷ মন মাথা শরীর নিংড়ে শিখতে থাকলো, জড়িয়ে জাপ্টে নিতে থাকলো তার ভালোলাগার... বাঁচার... পেট ভরার এবং কি জানি হয়তো প্রতিশোধের অবলম্বনটা... দৌড়।
কিন্তু পায়ে যে এখনো শিকল পরানো! দারিদ্রের৷ একদিন স্টেডিয়ামে নিজের মনে প্র্যাকটিস করছিলো মেয়েটি৷ দূর থেকে তাকে দেখছিলেন পুলেল্লা গোপিনাথন, ভারতের ব্যাডমিন্টন কোচ৷ মুগ্ধ বিস্ময়ে বেশ কিছুক্ষণ মেয়েটিকে দেখে উনি ডাকলেন কোচ রমেশ কে৷ জানলেন, মেয়েটি নাকি কখনো ক্লান্তির কথা বলে না, খিদের কথা বলে না, ব্যথা বা বিশ্রামের কথাও বলে না৷ সে শুধু তার অপরিনত মস্তিষ্ককে যতটা সম্ভব কাজে লাগিয়ে কোচের কথা শুনতে চায়, বুঝতে চায়, ট্র্যাকে সেগুলো কাজে লাগাতে চায়৷ সে শুধু দৌড়ে যায়। তারপর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে Gopichand Mytrah Foundation মেয়েটিকে স্পনসর করা শুরু করলো৷
তারপর? মেয়েটা দৌড়ালো না উড়লো৷ জাস্ট উড়ে গেলো ঐ 'বাঁদরি', 'পাগলি', 'জন্তু' ইত্যাদি শব্দগুলোকে অনেক নিচে ফেলে উড়লো। সব কান্না, সব অসহায়তাকে অনেক পিছনে ফেলে রেখে উড়লো৷ তার জিদ আর তার সরলসিধা, সোনার মতো দামী বালিকা মনটাতে ভর করে উড়লো সে, তার মা, বাবা, বোন, তার কোচেদের, তার সহখেলোয়াড়দের সাথে নিয়ে উড়লো সেই মেয়ে৷ সোনার মেয়ে৷ সে আরো উড়বে, মাটিতে পা রেখেই উড়বে৷ সে যে উড়তে পারে! সে যা পারে, আর তো কেউ পারে না!
শুধু তার কোচকে প্রতি ল্যাপে, প্রতি একশ মিটারের পরে হুইসেল বাজিয়ে মনে করাতে হয়, 'দীপ্তি, আরো এক পাক, আরো জোরে, আরও...'
দীপ্তি উড়তে থাকে, আলো ছড়াতে থাকে৷ সোনালী স্বপ্নের আলো৷ ..........
দীপ্তিকে অনেক অনেক অভিনন্দন আর আগামীর শুভকামনা জানাই। তার সাথে সাথে শ্রদ্ধা জানায় তার সব শিক্ষকদের যাদের ছাড়া এই উড়ান সম্ভব হতো না।
তথ্যসূত্র - Indianexpress .com
22/10/2023
আজ তওবা করেছি কি?
নবীজি সা. প্রত্যহ ৭০ বারের বেশি তওবা করতেন
আমরা প্রতিদিনই কম-বেশি জেনে বুঝে বা না জেনে অসংখ্য পাপ করে থাকি। যেমন আমরা হয়ত রাস্তায় চলার সময় চোখকে সংযত রাখতে পারি না। আবার হয়ত কারো সাথে মিথ্যা বলে থাকি। কারো মনে কষ্ট দিয়ে ফেলি। অথবা রাস্তায় অন্য মানুষের কষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করি, যেমন রাস্তায় ময়লা ফেলা বা এমন ভাবে চলাচল করা যাতে অন্য পথচারী বা যানবাহন আরোহীরা কষ্টে পড়েন। আবার অনেক ভাইয়েরাই হয়ত কাপড় পরেন টাখনুর নিচে বা দাড়ি কেটে ছোট করেন, বা ধুমপান করেন। যা কঠিনতম গুনাহ।
আমরা কি এসব গুনাহ থেকে কখনো আল্লাহর কাছে মাফ চাই? কখনো কি আমরা ঘুমানোর আগে চিন্তা করি আজ সারা দিন কী কী পাপ করেছি? আমরা কি আমাদের পাপগুলোকে আদৌ পাপ মনে করি?
আল্লাহ তায়ালার কাছে গুনাহের জন্য মাফ চাইলে তিনি অত্যন্ত খুশি হন। আমরা আল্লাহর কাছে নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা করে আর পরবর্তীতে পাপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আল্লাহর প্রিয় বান্দায় পরিণত হতে পারি। নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। যে পাপগুলো মানুষকের অধিকারের সাথে সম্পৃক্ত। সেগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির থেকে মাফ চেয়ে নিতে হবে। যেমন কাউকে কোনো কথা বা আচরনের দ্বারা কষ্ট দেয়া। প্রতিবেশীদেরকে বিভিন্ন ভাবে কষ্ট দেয়া। ওজনে কম দেয়া, পণ্যে ভেজাল মিশানো ইত্যাদি। এগুলোর জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়ার পাশাপাশি ঐ ব্যক্তির থেকেও মাফ নিতে হবে।
যখনই হাতে সময় পাওয়া যায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে পড়তে থাকা উচিত "আসতাগফিরুল্লাহ"। ফরজ নামাজের পরে, তাহাজ্জুদের সময়ে সহ দিনে রাতের যে কোনো সময়েই আমরা মনে মনে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারি। তওবা করার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে, নির্দিষ্ট দুআ পড়া জরুরি নয়। তওবা করার জন্য কোনো হুজুর বা পীর সাহেবের কাছে যাওয়া জরুরি নয়। নিজের পাপের কথা স্বীকার করে, ঐ পাপ না করার ওয়াদার কথা মনে মনে একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহকে বলাই যথেষ্ট! নিয়মিত ক্ষমাপ্রার্থনা ও দুআ করার মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহর ওলী হয়ে যেতে পারি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তার ওলী ও মুত্তাকী বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আমীন।
নিচে তওবা করা সম্পর্কে কিছু হাদীস তুলে ধরা হলো। যেগুলো আমাদেরকে নিয়মিত তওবা করতে আরো উৎসাহ যোগাবে ইনশাআল্লাহ।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে,
‘‘আল্লাহর শপথ! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার [ক্ষমাপ্রার্থনা] ও তাওবাহ করে থাকি।’’
(সহীহুল বুখারী ৬৩০৭, তিরমিযী ৩২৫৯, ইবনু মাজাহ ৩৮৬১, আহমাদ ৭৭৩৪, ৮২৮৮, ৯৫১৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
বান্দা যখন আল্লাহর কাছে তাওবাহ করে তখন আল্লাহ ঐ লোকের চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে মরুভূমিতে নিজ সওয়ারীর উপর আরোহিত ছিল। তারপর সাওয়ারীটি তার হতে হারিয়ে যায়। আর তার উপর ছিল তার খাদ্য ও পানীয়। এরপর নিরাশ হয়ে সে একটি গাছের ছায়ায় এসে আরাম করে এবং তার উটটি সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় হঠাৎ উটটি তার কাছে এসে দাঁড়ায়। অমনিই সে তার লাগাম ধরে ফেলে। এরপর সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে উঠে, হে আল্লাহ! তুমি আমার বান্দা, আমি তোমার রব। আনন্দে আত্মহারা হয়ে সে ভুল করে ফেলেছে। (ই.ফা. ৬৭০৮, ই.সে. ৬৭৬৩)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
‘‘সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন আছে! যদি তোমরা পাপ না কর, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে [তোমাদের পরিবর্তে] এমন এক জাতি আনয়ন করবেন, যারা পাপ করবে এবং আল্লাহ তা'আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবে। আর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন।’’
(মুসলিম ২৭৪৯, তিরমিযী ২৫২৬, আহমাদ ৭৯৮৩, ৮০২১)
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
‘‘যে ব্যক্তি এ দো‘আ পড়বে,
أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِي لاَ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ الحَيُّ القَيُومُ وَأتُوبُ إِلَيهِ
অর্থাৎ, আমি সেই আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি যিনি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব, অবিনশ্বর। এবং আমি তাঁর কাছে তওবা করছি।
সে ব্যক্তির পাপরাশি মার্জনা করা হবে; যদিও সে রণক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে [যাওয়ার পাপ করে] থাকে।’’
[আবূ দাঊদ, তিরমিযী, হাকেম; ইনি বলেন, হাদিসটি বুখারী-মুসলিমের শর্তাধীনে বিশুদ্ধ] (আবূ দাউদ ১৫১৭, তিরমিযী ৩৫৭৭)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যুর আগে এই দুআটি অধিকমাত্রায় পড়তেন,
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ أَسْـتَـغْـفِـرُ اللهَ وَ أَ تُـوبُ إِ لَـْيهِ
অর্থাৎ, আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর নিকট তওবাহ করছি।
(মুসলিম)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
‘‘হে আদম সন্তান! যখন তুমি আমাকে ডাকবে ও আমার ক্ষমার আশা রাখবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করব, তোমার অবস্থা যাই হোক না কেন; আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাও, তবুও আমি তোমাকে ক্ষমা করব; আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ পাপ নিয়ে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর; কিন্তু আমার সঙ্গে কাউকে শরীক না করে থাক, তাহলে পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে আমি তোমার নিকট উপস্থিত হব।’’ (তিরমিযী হাসান সূত্রে)
(তিরমিযী ৩৫৪০)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
রাতে আল্লাহ তা‘আলা তার নিজ দয়ার হাত প্রসারিত করেন যেন দিবসের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ করে এমনিভাবে দিনে তিনি তার নিজ হাত প্রশস্ত করেন যেন রাতের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ করে। এমনিভাবে দৈনন্দিন চলতে থাকবে পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত। (ই.ফা. ৬৭৩৪, ই.সে. ৬৭৯০)
This content is copied from Muslims Day
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
কেউ যদি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে তার মুসলিম ভাইয়ের মাল আত্মসাৎ করে, তবে আল্লাহ তা’আলার সাথে তার এরূপ অবস্থায় সাক্ষাৎ হবে যে, তিনি তার প্রতি ক্রোধান্বিত থাকবেন।
রেফারেন্সঃ
জামে আত-তিরমিজি ৩০১২
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
আসুন আমরা সবাই প্রতিদিন রাত্রে এক খতম কোরআন তেলাওয়াত করার সওয়াব অর্জন করি।।
আর তা হল তিন বার সুরা ইখলাস পড়া ।
26/09/2023
কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত; যার নিম্নদেশে নদীমালা প্রবাহিত, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এ হল আল্লাহর পক্ষ হতে আতিথ্য। আর আল্লাহর নিকট যা আছে তা পুণ্যবানদের জন্য উত্তম।
20/09/2023
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard!
Omar Faruque, Tandra Saha, Mostofa Kamal
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khal Dhar Road
Jessore