Sheba Herb

Sheba Herb

Share

Natural Food Supplement

16/08/2024

যারা দেশের ভেতরে থেকেই দেশের সাথে বেঈমানি বা বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাদের ব্যাপারে সচেতন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, এবং জনগণের কল্যাণের জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:

১. **জনসচেতনতা বৃদ্ধি:**
- জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে, যাতে তারা বেঈমানির বিভিন্ন ধরণের চিহ্ন ও লক্ষণ সম্পর্কে অবগত থাকতে পারে।
- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশপ্রেম ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- গণমাধ্যমের মাধ্যমে বেঈমানি ও বিশ্বাসঘাতকতার কুফল সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা।

২. **আইন প্রয়োগ ও কঠোর শাস্তি:**
- বেঈমানি বা বিশ্বাসঘাতকতার জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন এবং তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
- বেঈমানির প্রমাণ পাওয়া গেলে অপরাধীদের দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. **গোপন তথ্যের সুরক্ষা:**
- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
- তথ্য ফাঁস বা বেঈমানির ঘটনা এড়াতে উচ্চ প্রযুক্তির সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে।

৪. **নাগরিক অংশগ্রহণ:**
- সাধারণ নাগরিকদের দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
- সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানানোর জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা।

5. **বেঈমানি ঠেকানোর কৌশল:**
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কর্মরত ব্যক্তিদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক এবং নিয়মিত মূল্যায়ন করা।
- সঠিক তদারকি এবং নজরদারি ব্যবস্থা চালু রাখা, বিশেষত সেইসব স্থানে যেখান থেকে বেঈমানি বা বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনা ঘটতে পারে।

৬. **রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্য:**
- রাজনৈতিক দলগুলো এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে বেঈমানির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
- রাজনীতি বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে কোনো ব্যক্তিকে বেঈমানির সুযোগ দিতে দেওয়া উচিত নয়।

৭. **প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ:**
- প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরকে বেঈমানি বা বিশ্বাসঘাতকতা চিহ্নিত করতে এবং তা প্রতিরোধ করতে প্রশিক্ষিত করতে হবে।

৮. **নাগরিক মূল্যবোধ উন্নয়ন:**
- দেশের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম বাড়ানোর জন্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

এভাবে সচেতন এবং সক্রিয় থাকার মাধ্যমে আমরা দেশের ভেতরে বেঈমানির মতো ক্ষতিকারক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে পারি। দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে একত্রে কাজ করলে, এই ধরনের বিশ্বাসঘাতকতামূলক কার্যক্রম সফল হতে পারবে না।

03/03/2024

Good food

24/12/2023

هُوَ الَّذِي خَلَقَكُمْ فَمِنكُمْ كَافِرٌ وَمِنكُم مُّؤْمِنٌ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ কাফের এবং কেউ মুমিন। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।

19/09/2023
31/05/2023

খাবারে ভেজাল, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ও ধূমপানসহ নানা কারণে গ্যাস্ট্রিক প্রায় ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে নিয়ম মেনে চললে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে সব ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ক্ষতিকর একটি ফল হচ্ছে লিচু। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তাদের লিচু না খাওয়া ভালো।

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি কি?

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হল পাকস্থলীতে এসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং অবশেষে ক্ষতের সৃষ্টি করা। সাধারণত অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারে এটি বেশি হতে পারে। কারণ এসব খাবারকে হজম করতে অতিরিক্ত এসিডের দরকার হয়; ফলে অনেক হাইড্রোজেন ক্ষরিত হয়ে ক্লোরিনের সঙ্গে মিলে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তৈরি করে।

বেসরকারি সংস্থার হিসাবেও দেশে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। যার অধিকাংশই বিক্রি হয় কোনো ধরনের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন ডেকে আনছে মারাত্মক ক্ষতি।

গ্যাস্ট্রিক হলে সাধারণত নাভির ওপরে পেটে ব্যথা হবে। খালি পেটে কিংবা ভোররাতের দিকে ব্যথা তীব্র হয়। গলা-বুক-পেট জ্বলে, টক ঢেঁকুর ওঠে। ঝাল-তেল-মসলাজাতীয় খাবারে ঝামেলা বেশি করে।

এ বিষয়ে বারডেম হাসপাতালের সাবেক পুষ্টি কর্মকর্তা ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার আলো যুগান্তরকে বলেন, খালিপেটে বা ভরা পেটে অতিরিক্ত লিচু খাওয়া ক্ষতিকর। অতিরিক্ত লিচু খেলে হজমে ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। তাই কোনোভাবেই অতিরিক্ত লিচু খাওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, ৪ বছর পর্যন্ত শিশুদের লিচু খাওয়ানো উচিত নয়। ৪ বছর পরে একটি লিচু খাওয়ানো যেতে পারে। আর বড়দের একসঙ্গে ৫টির বেশি লিচু না খাওয়াই ভালো।

আসুন জেনে নেই গ্যাস্ট্রিক থেকে বাঁচাতে কী করবেন?

১. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুপুর ও রাতের খাবার খাবেন।

২. একবারে বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প করে বারবার খান।

৩. ধূমপান ও মদপানকে এড়িয়ে চলুন।

৪. ঘুমানোর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন

৫. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেট খারাপ বা বমির ওষুধ কিনে খাবেন না।

৬. অতিরিক্ত তেল ও মসলা দেয়া খাবার খাবেন না। বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির তৈরি খাবার খান। তাজা খাবার খান, স্টোর করা বা ফ্রোজেন ফুড কম খাবেন।

৭. শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমান। নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

৮. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা অনেক সময় এসব সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই মানসিক চাপ নেবেন না।

৯. তৈলাক্ত খাবার বাদ দিতে চেষ্টা করুন। মাংস, ডিম, বিরিয়ানি, মোগলাই, চায়নিজ খাবার যা-ই খান না কেন, তা দুপুরের মেন্যুতে অন্তর্ভুক্ত করুন। রাতের খাবারটি যেন হালকা হয়। শাকসবজি, ছোট মাছ এসব দিয়ে রাতের মেন্যু সাজান।

১০. খাওয়ার পরপরই অনেক বেশি পানি পান করার প্রবণতা বাদ দিন। ভাত খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।

১১. দিনে কিংবা রাতে খাওয়ার পরপরই অনেকে শুয়ে পড়তে পছন্দ করেন। এটা না করে কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে হাঁটাচলা করতে পারেন অথবা বসে থাকতে পারেন সোজা হয়ে। অন্তত ৩০ মিনিট পর ঘুমাতে যান।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Ashkona, Dealar Bari
Jessore
1200