Health & Fitness Tips Pro

Health & Fitness Tips Pro

Share

Daily articles about nutrition, health and weight loss in Follow these quick and easy health tips to

Daily articles about nutrition, health and weight loss in Follow these quick and easy health tips to stay active and healthy all through your life.

25/04/2026

আগামীকাল যদি আমার #ক্যান্সার ধরা পড়ে, তবে আমি ঠিক কী কী করব তা আপনাকে বলছি। এর মধ্যে কিছু বিষয় আপনাকে অবাক করে দিতে পারে।

ক্যান্সার দুর্ভাগ্য থেকে হয় না; এটি আসলে একটি মেটাবলিক বা বিপাকীয় রোগ, যার অর্থ হলো আপনার শরীরের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়ার শক্তির সাথে এর সবকিছু জড়িত। ক্যান্সার আপনাকে ফাঁকি দিয়ে টিকে থাকার জন্য সব ধরণের কৌশল অবলম্বন করে। এটি আসলে আপনার শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশকে কবজা করে ফেলে, ঠিক যেভাবে একটি পরজীবী বা প্যারাসাইট করে থাকে। প্যারাসাইট এবং ক্যান্সারের বেঁচে থাকার পদ্ধতির মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। আমি এখানে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ফাঁকি দেওয়া এবং আপনার বেঁচে থাকার রসদ ও জ্বালানি চুরি করে বেঁচে থাকার কথা বলছি।

ক্যান্সারের ব্যাপারে আপনার আরেকটি বিষয় জানা দরকার তা হলো এটি অত্যন্ত অসুস্থ এবং কোনোমতে টিকে থাকে। একই সাথে, এটি নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে খুব দক্ষ। আর এই কারণেই ক্যান্সার দূর করতে আমি কেবল একটি জিনিসের ওপর নির্ভর না করে একসাথে অনেকগুলো পথ অবলম্বন করতাম, কারণ ক্যান্সার খুব সহজেই অন্য কোনো বিকল্প পথ খুঁজে বের করে ফেলে।

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আপনি সবচাইতে শক্তিশালী যে অস্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন এবং আমি নিজেও যা করতাম, তা হলো দীর্ঘায়িত উপবাস বা ফাস্টিং! কেন? কারণ আমি আগেই বলেছি যে ক্যান্সার খুব নাজুক অবস্থায় টিকে থাকে। আপনি যখন কোনো কিছু না খেয়ে কেবল পানি এবং পুষ্টি গ্রহণ করে শরীরের সমস্ত রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দেবেন, তখন আপনি ক্যান্সারকে এক চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে ফেলে দেবেন, কারণ সে তখন জ্বালানি সংগ্রহ করতে হিমশিম খাবে। আপনার সুস্থ কোষগুলো সহজেই ফাস্টিংয়ের সাথে মানিয়ে নিতে পারে, কিন্তু ক্যান্সার কোষগুলো তা পারে না।

আমি কতদিন এই দীর্ঘায়িত ফাস্টিং করতাম তা নির্ভর করত আমার ক্যান্সারের ধরণের ওপর। যদি আমার ক্যান্সার খুব অ্যাডভান্সড পর্যায়ের হতো, তবে আমি স্টেজ-টু ক্যান্সারের তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে ফাস্টিং করতাম। আমি তিন দিন থেকে শুরু করে এমনকি দুই সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ফাস্টিং করতাম যদি পরিস্থিতি স্টেজ-ফোর পর্যায়ে থাকত। আমি যে খাবারগুলো খেতাম সেগুলোকেও ক্যান্সার-বিরোধী হতে হবে।

যেমন:
- ক্রুসিফেরাস সবজি (শালগম, মুলা, সর্ষে শাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি ইত্যাদি)
- ফারমেন্টেড খাবার যাতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল থাকে (কম্বুচা, কিমচি, সাওয়ারক্রাউট ইত্যাদি)
- সালফোরাফেন, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করার জন্য পরিচিত, অথবা কুয়ারসেটিন, রেসভেরাট্রল এবং বারবেরিন

তবে এখন আমি এমন একটি কথা বলব যা মানুষ সম্ভবত আমার কাছ থেকে আশা করবে না। আমি দুটি ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধ গ্রহণ করার কথা বিবেচনা করতাম! এগুলো সাধারণ কেমোথেরাপির ওষুধ নয়, কিংবা রেডিয়েশন থেরাপিও নয়। আর বলে রাখি, আমি আপনাকে কী করতে হবে তা বলছি না, আমি কেবল বলছি আমি নিজে কী করতাম। আমি যে দুটি ওষুধের কথা বলব সেগুলো হলো সস্তা এবং চমৎকার সেফটি প্রোফাইল সম্পন্ন অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধ - আইভারমেকটিন (Ivermectin) এবং ফেনবেনডাজল (Fenbendazole)।

কেন আমি এই ওষুধগুলো বেছে নিতাম?
মনে আছে? আমি বলেছিলাম যে ক্যান্সার এবং পরজীবীদের টিকে থাকার কৌশল একই রকম? এই ওষুধগুলো ঠিক সেই কাজটাই করে। এরা পরজীবীর বেঁচে থাকার পথগুলো রুদ্ধ করে দেয়। আর দেখা যায় যে, ক্যান্সারও ঠিক একই পথ অবলম্বন করে বেঁচে থাকে এবং আপনি সেই পথগুলোই বন্ধ করে দিচ্ছেন।
এই দুটি অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধ 'গ্লাইকোলাইসিস' নামক প্রক্রিয়াটি বন্ধ করে দেয়, যা ক্যান্সারের জ্বালানি পাওয়ার প্রধান বিপাকীয় পথ। যা পরজীবীকে মেরে ফেলে, তা টিউমারের বৃদ্ধিকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে ফেনবেনডাজল সেই মাইক্রোটিউবিউলগুলোকে ধ্বংস করে যা একটি টিউমারের মূল কাঠামো তৈরি করে।

আমি জানি অনেকে প্রশ্ন করবেন, "তবে আধুনিক চিকিৎসায় এগুলোর রেকমেন্ড কেন করা হয় না?"
আসলে এই ওষুধগুলোর কোনো পেটেন্ট নেওয়া সম্ভব নয়, আর তাই এগুলোতে মুনাফার পরিমাণ খুব কম। অন্যদিকে কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশনে প্রচুর মুনাফা রয়েছে।

সবমিলিয়ে, আমি এখানে কোনো কিছু দাবি করছি না, আমার ক্যান্সার হলে আমি নিজে যা করতাম তাই শুধু জানালাম।

িক_বার্গ

23/04/2026

এখানে একটি সহজ দৈনিক রুটিন চার্ট দেওয়া হলো যা দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। এতে কেগেল ব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাস, ফোরপ্লে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ধাপগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে। নিয়মিত অনুশীলন করলে ধীরে ধীরে উন্নতি হবে।

---

🗓 দৈনিক রুটিন চার্ট

🌅 সকাল
- ১০ মিনিট হালকা ব্যায়াম (স্ট্রেচিং, যোগ বা হাঁটা)
- কেগেল ব্যায়াম: ৩ সেট, প্রতিটি ১০–১৫ বার (প্রস্রাব মাঝপথে থামানোর পেশি ব্যবহার করে)

☀️ দুপুর
- ৫ মিনিট গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস (ধীরে ধীরে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন)
- মানসিক ফোকাস অনুশীলন: মনোযোগ অন্যদিকে নেওয়া (কাজ, পড়াশোনা বা অন্য কোনো চিন্তা)

🌆 সন্ধ্যা
- ১৫ মিনিট হাঁটা বা হালকা জগিং
- ফোরপ্লে অনুশীলন: সঙ্গীর সাথে ধীরে ধীরে উত্তেজনা বাড়ানো, সরাসরি চাপ কমানো

🌙 রাত
- কেগেল ব্যায়াম: ২ সেট
- ৫ মিনিট মেডিটেশন ঘুমানোর আগে (মন শান্ত রাখতে)

---

🎯 সাপ্তাহিক লক্ষ্য
- ধূমপান/মাদক পরিহার
- পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)
- স্ট্রেস কমানো (ধ্যান, বই পড়া, হালকা ব্যায়াম)

---

📌 অতিরিক্ত টিপস
- স্টপ-স্টার্ট টেকনিক: উত্তেজনা বেশি হলে থেমে আবার শুরু করুন।
- স্কুইজ টেকনিক: লিঙ্গের মাথার নিচে হালকা চাপ দিন ৫–১০ সেকেন্ড।
- ধীরে ধীরে উত্তেজনা বাড়ানো: তাড়াহুড়া না করে ধীরে এগোনো।

---

11/03/2026

টমেটোর গুনাগুন ...
#সবজি_কথা_বলে, , ,

29/11/2025

🌴 প্রতিদিন ৩ টা খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
1. 🩸 রক্তশূন্যতা দূর করে – খেজুরে প্রচুর আয়রন থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।

2. 💪 শরীরে শক্তি যোগায় – প্রাকৃতিক গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ দ্রুত শক্তি দেয়।

3. ❤️ হার্ট ভালো রাখে – পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

4. 🧠 মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় – ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ুর কার্যকারিতা উন্নত করে।

5. 💩 কব্জ দূর করে – ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় ও পেট পরিষ্কার রাখে।

6. 😴 ঘুম ভালো হয় – ট্রিপটোফ্যান ঘুম আনতে সাহায্য করে।

7. 👁️ চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে – ভিটামিন এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দৃষ্টি রক্ষা করে।

8. 💓 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে – সোডিয়াম কম ও পটাশিয়াম বেশি থাকায় রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।

9. 🍃 ত্বক সুন্দর করে – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতি কমিয়ে ত্বক উজ্জ্বল রাখে।

10. 🧘 মানসিক চাপ কমায় – প্রাকৃতিক শর্করা ও খনিজ মানসিক ক্লান্তি দূর করে।

11. 🦴 হাড় মজবুত করে – ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের গঠন শক্ত করে।

12. 💞 যৌনক্ষমতা বাড়ায় – প্রাকৃতিক শক্তি ও রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

13. 💧 ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে – শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

14. 🦠 রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভাইরাস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

15. 🍀 দেহে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় – খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভার পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

---

👉 খাওয়ার নিয়ম:

সকালে খালি পেটে বা বিকেলে ২টা খেজুর খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

চাইলে কুসুম গরম দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে খেতে পারেন — এতে শক্তি দ্বিগুণ হবে।

---

চাইলে আমি বলতে পারি, “খালি পেটে ২টা খেজুর খেলে বিশেষ কী উপকার হয়”।

হোমিওপ্যাথি সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞান

30/10/2025

#গ্যাস_নিরাময়

১/প্রতিদিন সকালে ইসুববুলের ভুসি দিয়ে এক গ্লাস পানি।
২/একটা কলা খাবেন।
৩/খাবারের মাঝখানে ও শেষে পানি খাবেন না। এক ঘন্টা পর খাবেন।
৪/খাবার খেয়ে শুয়ে পরবেন না।মিনিমাম এক ঘন্টা পর।
৫/ রাতের খাবারের একঘন্টা পর দই খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
দেখবেন ঔষধ খাওয়া লাগবে না।

আমি এভাবেই চলি।

মনে রাখবেন গ্যাস বা এসিডিটি কোনো স্থায়ী রোগ নয়। এটা মানুষ তৈরি করে।

সুতরাং মানষ চাইলেই এটা থেকে আবার বাঁচতে পারে।

Photos from Health & Fitness Tips Pro's post 17/08/2025

হাতিসুর গাছের শিকড় দাঁত ব্যথার জন্য অনেক উপকারি যাদের দাঁত ব্যথা তারা হাতিশুড় গাছের শিকড় বেটে ৩/৪ ফোঁটা রস দাঁতের গোড়ায় দিলে সকল ব্যথা দূর হবে।

Photos from Health & Fitness Tips Pro's post 28/07/2025

বিছানায় ৬ বাচ্চার মাকেও ৭ বার কান্না করাতে পারবেন, যদি এই হাতিসুর গাছের শিকড় যদি রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে মুধু দিয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

24/05/2025

বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন-
১)ঘুমের মধ্যে ওষুধ খাওয়াবেন না।
২)বেশি পরিমাণ ওষুধ এক সাথে মুখে দিবেন না।
৩)অনেকগুলো ওষুধ এক সাথে পর পর দিবেন না।
৪)কাশি দেওয়া অবস্থায় ওষুধ খাওয়াবেন না।
৫)অতিরিক্ত কান্নাকাটির সময় ওষুধ দিবেন না।

Send a message to learn more

02/05/2025

#যৌন_সমস্যার_প্রাকৃতিক_সমাধান
-2

👉প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে টেস্টোসটেরন হরমোন বাড়াতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়।

নিম্নোক্ত খাবার খেয়ে দেখতে পারেন।

👉১.তরমুজ
👉২.ডালিম
👉৩.খেজুর
👉৪.কিসমিস/ আঙুর
👉৫.ডুমুর।
👉 ৬.কলা
👉৭.বাদাম/বীজ জাতীয় খাবার
👉৮.কালিজিরা
👉৯. মধু
👉১০.দুধ
👉 ১১.ডিম
👉১২.বিফ/মাটন
👉১৩. ঝিনুক,
👉১৪.ডার্ক চকোলেট
👉১৫.সীয়া সীড
👉১৬. বাসিল সীড/ তোকমা দানা।
👉১৭. রসুন
👉১৮. পেয়াজ।

👉শিমূল এর মূল, অর্শগন্ধা, তাল মাখনা খেতে হলে কোন অভিজ্ঞ ব্যাক্তি বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। এটা হচ্ছে চিকিৎসা পদ্ধতি সাধারনত রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

পায়ের ব্যায়াম ও ক্লেগাল এক্সারসাইজ টেস্টোসরেন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

নিয়মিত সাইকেল চালনো (অন রোড বা জিম), কেগেল এক্রারসাইজ (পায়ের কুচকি), ওয়েট সহ স্কোয়াট বেশ উপকারী।

পর্যাপ্ত ঘুম (রাতের বেলায় ১০- ৫/৬টা) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টেস্টোসটেরন বৃদ্ধির জন্য।

খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম চালিয়ে যেতে হবে।

এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

#যৌন

Send a message to learn more

31/03/2025
11/11/2024

#যৌন_সমস্যার_প্রাকৃতিক_সমাধান
- 1
যাদের যৌন ক্ষমতা একে বারেই শেষ হয়ে গিয়েছে বা ধ্বজভঙ্গ হয়ে গিয়েছে তাদের কে সমুদ্রিক ঝিনুক যে কোন ভাবে সাত দিন সেবন করলে অনেক উপকার হয়।

#যৌন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Jhenida?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Jhenida
7300