Azmira’s Fashion Gallery
Entertainment
10/01/2026
এমন বউ থাকলে ,,,বিশ্বাস নাই 🤣🤣
হ্যা এমন টাই ,,বললেন তানিশা ,,,আপনি জানলে অবাক না হয়ে পারবেন না,,,যে ফুল দিয়ে তানিশা কে ,,,প্রপোস করেছে তার বর,,,,সেই ফুল টা দিয়েই কাঁচা হলুদের ,,,ব্লাউজ ডিজাইন ,,,করছে তানিশা 🥰মানে,,একটা মেয়ে কোন লেভেলের,,, ট্যালেন্টেড হলে এই কাজ করতে ,,,পারে বলেন 😍
এই নিয়ে তানিশার ,,,বর খুব টেনশনে আছে ,,যে কবে না ঘুম থেকে ,,উঠে দেখে তার পরনের লুঙ্গি টা দিয়ে ,,,তানিশা ড্রেস তৈরী করে ,,,পরিধান করে আছে 🤣
তাই তানিশা এমন মজার,,, ক্যাপশন দিয়েছে এমন বউ থাকলে ,,,,বিশ্বাস নাই 🤭🤭
যায় হোক তানিশারি কাঁচা,,, হলুদের ড্রেস টা ,,কিন্তু মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর ,,,হয়েছে সিম্পল এর মধ্যে 😍
゚
10/01/2026
সিয়ামের বিয়ের ,,রিসেপশনের লুক🥰 সিয়ামের বউকে কিন্তু ,, অনেক কিউট লাগছে,,,,❤️ ゚
09/01/2026
ওর জায়গায় ,,কোন পুরুষ মানুষ হলে ,,সেই কবেই বিয়ে করে ফেলতো ,,,বউ মরার এক ,,সপ্তাহ পরেই।
আর মেয়ে টা ,,একটু নিজেকে গুছিয়ে,, নেয়ার চেস্টা করলেই দোষ,,,। 🙂🤣🤣
একটু সাজুগুজু করছে ,,মানুষের এতো সমস্যা,,,কিন্তু সাজলে মন ,,,ভালো থাকে! 🙂
মেয়েটার বয়স ,,,অনেক কম ,,,এই বয়সে সে ,,মুভঅন করবে না ,,জীবন কারো জন্য ,,,থেমে থাকে না- ,,,সন্তানের জন্য মা বাবার,, না, মা বাবার জন্য সন্তানের না, ,,,,বউ এর জন্য স্বামীর,,, না আবার স্বামীর ;,,,,জন্য বউয়ের না ,,,,,
09/01/2026
আলহামদুলিল্লাহ
09/01/2026
ভাইরাল তানিশা আক্তারের বিয়ের পর যেন পুরো ফেসবুক নিউজফিডই তার দখলে। ১০টা পোস্ট স্ক্রল করলে অন্তত ৭টাই তানিশাকে নিয়ে- ভালোবাসা, আলোচনা, প্রশংসা আর কৌতূহল।
অনেকেই ভেবেছিল, বিয়ের পর হয়তো তানিশাকে দেখা যাবে “কাপল ব্লগার” হিসেবে। কিন্তু ঠিক এখানেই সবাইকে চুপ করিয়ে দিল তানিশার একদম পরিষ্কার, সাহসী আর মার্জিত অবস্থান।
তানিশা স্পষ্ট করে বলেছে,
তার কন্টেন্টের সাথে তার পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। পরিবার তার ব্যক্তিগত সুখ, আর ব্যক্তিগত সুখ সে সবার সামনে মেলে ধরতে চায় না। কারণ সে বিশ্বাস করে, সুখ দেখাতে নেই, নজর লাগে। বিয়ের কিছু সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করেছে, এই পর্যন্তই। এর বেশি না। তার কন্টেন্ট যেমন ছিল, তেমনই থাকবে। আর তার জীবনসঙ্গী থাকবে তার নিজের প্রফেশনে, নিজের সম্মান নিয়ে।
এটাই পার্থক্য।
এই সময়ে, যখন ভিউ আর ফেসবুক ইনকামের লোভে “কাপল ব্লগ” এর নামে অনেকেই ব্যক্তিগত জীবনকে রীতিমতো প্রদর্শনী বানিয়ে ফেলছে, সেখানে Tanisa's creation এর এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে একটি ম্যাচিউর, রুচিশীল এবং ভদ্র মানুষের সিদ্ধান্ত।
সবাই ভাইরাল হতে পারে। কিন্তু সবাই সম্মান ধরে রেখে ভাইরাল থাকতে পারে না, Tanisa Akter পারছে। আর এখানেই সে আলাদা।🙏
আপনারা কি মনে করেন?
✍️Ajminur Oarish✨
09/01/2026
ও মা গো
ইহা দেহি ট্রুলাভ
09/01/2026
বাপ্পির এই কথা গুলি ,,শুনে বাপ্পির fan হয়ে গেলাম। ,,কি সুন্দর করে বুঝিয়ে ,,,দিলো স্মৃতির গুরুত্ব টা বাপ্পির ,,কাছে কতটুকু। কিছু মেয়ে মনে করে শর্ট ড্রেস আর ,,ইংলিশে একটু কথা বলতে পারলেই সে মডার্ন।,,একজন ডিভোর্সি মেয়ে,, হয়ে আরেকজন ডিভোর্সি মেয়েকে,,, সম্মান দিতে জানে না।,,আলহামদুলিল্লাহ এতটা ,,শিক্ষিত আর মর্ডান মেয়ে আমার ,,,লাইফে দরকার নাই,,🙂।ডিভোর্সি মেয়ে নিয়ে আপনাদের ,,,অনেক সমস্যা হতে পারে but আমি যেই ,,,মানুষটাকে ভালোবাশি ,,আমি তাকে নিয়ে ,,স্যাটিসফাইড ❤️।আর আমি হ্যাপি যে আমার লাইফ ,,,পার্টনার একজন ডিভোর্সি ,,মেয়েকে বানাতে পারছি।,,,কি সুন্দর করে সম্মান টা দিলো ❤️ ,,,এমন করে কয়জন বলতে পারে 🙂,,,
08/01/2026
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Rajeev Pisipati, Reza Karim, YeaSin RieAd ToHa, Shaila Osin, নবাব খান সম্রাট, Wasif Islam, Ayub Ali Ali, Md Mahim, Vorer Alo, Nilufa Yesmin, Imrul Hasan, Mukta Parveen, Fatema's Daily Dairy, অচেনা পথিক, Kabir Shikder
08/01/2026
রাত ৩:০০ টায় রোগীটা মারা গেল। বয়স প্রায় ৮০, সাথে শুধু স্ত্রী।
জিজ্ঞেস করলাম, বাড়িতে খবর দিয়েছেন? রোগী তো সন্ধ্যা থেকেই খারাপ ছিলো। কেউ আসেনি?
এরপর এক নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম যার জন্য আমার কোন মানসিক প্রস্তুতি ছিল না--
রোগীর দুই ছেলে, বড় জন সৌদি আরব, ছোট ছেলে বাড়িতে। বড় ছেলের জোরাজুরিতেই হাসপাতালে আসা। ছোট ছেলের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কেন হাসপাতালে আনা হলো, এই অপরাধে বৃদ্ধ বাবাকে একবারও দেখতে আসেনি সে। উল্টো তাকে বাবার খারাপ অবস্থা জানানো হলে তার ভাষ্য ছিলো-
" আমি তো হাসপাতালে নিতে বলিনাই, সৌদি থিকা আইসা বাপেরে দেইখা যাইতে কও"!
জিজ্ঞেস করলাম, আত্মীয় স্বজন?
জানালো কেউ আসবে না, যখন তাদের প্রয়োজন ছিল তখন এসেছে। এখন লাশ নিতে আসলে যদি দুই পয়সা খরচ করতে হয়!
রাত ৩:০০ টায় ষাটোর্ধ্ব নারী তার সদ্য প্রয়াত স্বামীকে নিয়ে একটি উপজেলা হাসপাতালের ওয়ার্ডে, সাথে নেই কোন চেনা মুখ! কল্পনা করতেও বোধহয় কষ্ট হয়!
আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কয়টা বাজে? আজান দিতে আর কতক্ষণ?
আমি বললাম বেশিক্ষণ না, দুই-আড়াই ঘণ্টা!
ভদ্রমহিলা আমার হাত ধরে ফেললেন-
"আমারে হাসপাতাল থেকে বাইর করে দিয়েন না, সকাল হইলেই ভ্যান নিয়া চইলা যামু"!
শোকার্ত নারীটি যেন ঠিকমতো শোক প্রকাশ করারও সুযোগ পাচ্ছে না। একবার লাশের কাপড় ঠিক করছে, কিছুক্ষণ দোয়া পড়ছে, কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে কান্না করছে, আবার একা একা এই লাশ বাড়ি পর্যন্ত কিভাবে নিয়ে যাবে সেটাও বোধহয় আনমনে ভাবছে।
আমি শুধু তার মাথায় হাত রেখে আস্তে করে বলতে পারলাম, "থাকেন। কোন সমস্যা নাই"।
ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে ৮০ বছরের বৃদ্ধের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম জীবন ঠিক কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। শেষ পরিণতি হিসেবে মৃত্যুর পর লাশটা নেওয়ার মানুষটাও নেই।
আহারে জীবন!
এই জীবন নিয়ে আবার কত বড়াই!
অথচ ঠিকমতো দাফন-কাফন পাবো কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই!
~ড. তপন
কপি পোস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Khulna