Secret Tips

Secret Tips

Share

যাবতীয় গোপন সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা ?

Photos 22/06/2016

সতেজ থাকুন শরবতে

সারাদিন রোজা রাখার পর পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারিতে যদি শরবত থাকে, তাহলে পানিশূন্যতা দূর হতে পারে। কয়েকটি শরবত তৈরির পদ্ধতি জেনে নিই :

লেবুর শরবত
উপকরণ :
কাগজিলেবু মাঝারি আকারের ১টি
চিনি পরিমাণমতো
বিট লবণ সামান্য
পানি দেড় কাপ
বরফকুচি ৪ টুকরো

প্রস্তুত প্রণালি :
লেবুর রস, চিনি, বিট লবণ পানির সঙ্গে ভালোভাবে গুলে নিতে হবে। এবার শরবতটি ফ্রিজে রেখে ঠা-া করে নিতে পারেন। সময় কম থাকলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। ইফতারে লেবুর শরবত আপনাকে প্রানবন্ত করে তুলবে।

শসার শরবত
উপকরণ :
শসা ২৫০ গ্রাম
ধনেপাতা কুচি আধা টেবিল চামচ
বিট লবণ সামান্য
চিনি সামান্য
কাঁচামরিচ ১ টি
পানি সামান্য

প্রস্তুত প্রণালি :
শসার খোসা ছাড়িয়ে এবং বিচি ফেলে কুচি করে নিন। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

পাকা আমের শরবত

উপকরণ :
পাকা আম কুচি ১ কাপ
চিনি স্বাদমতো
পানি আধা কাপ
লবণ ১ চিমটি
বরফ কুচি পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালি :
বরফ কুচি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

19/06/2016

খুশকি তাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

বর্ষাকাল প্রায় এসেই গেল। বর্ষা আসলেই মাথায় হাত পড়ে যায় অনেকেরই। কারণ, এই বর্ষাকালেই দেখা দেয় খুশকির সমস্যা। অনেক ভালো ভালো পোশাক পরার পরেও খুশকির কারণে পরিচিতদের সামনে বিব্রত হতে হয়। তাই বর্ষার শুরু থেকেই জেনে নিন কীভাবে খুশকির সঙ্গে মোকাবিলা করবেন।

খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়-

অ্যালোভেরা জেল
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ফাংগাল উপাদান হিসেবে অ্যালোভেরা খুবই উপকারী। খুশকি দূর করতেও অ্যালোভেরা খুবই কার্যকরী। সহজে খুশকি দূর করতে অ্যালোভেরা জেল ৩০ মিনিট আপনার স্কাল্পে লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন এভাবেই স্কাল্পে অ্যালোভেরা জেল লাগালে খুব তাড়াতাড়ি খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

নিম পাতা
নিম পাতা সবসময়ই শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। শরীরের যে কোনও সমস্যায় নিম পাতা খুবই কাজে দেয়। খুশকি দূর করতে কয়েকটি নিম পাতা নিয়ে ভালো করে ৩০ মিনিট ধরে গরম পানিতে ফোটান। এবার সেই নিমপাতাগুলি থেকে একটি পেস্ট তৈরি করুন। সেই পেস্ট এবার স্কাল্পে ভালো করে লাগান। ঘণ্টাখানেক পরে পেস্টটি ভালো করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলে আগের থেকে পার্থক্য লক্ষ করবেন।

ভিনেগার
ভিনেগার শুধুমাত্র খাবারের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয় না। খুশকি কমাতে ভিনেগার খুবই উপকারী একটি উপাদান। খুশকি হওয়ার ফাংগাস এবং ব্যাকটেরিয়াগুলিকে ধ্বংস করে ভিনেগার। এছাড়াও শুষ্ক ত্বক এবং খুশকির ফলে ত্বকে চুলকানি হলে তাও সেরে যায় ভিনিগার থেকে। প্রথমে পানির সঙ্গে সাদা ভিনিগার মেশান। তারপর সেটি ভালো করে স্কাল্পে লাগান। আধঘণ্টা পরে ঠান্ডা পানিতে মাথা ধুয়ে ফেলুন। পার্থক্য নিজেই লক্ষ করতে পারবেন

08/01/2016

ফুলশয্যাতেই যদি পান চরম আদুরে
শরীর,তারপরও কি উচিত হবে তখনই
সেক্স করা ?

সামনে
বিয়ে।
হবু
স্ত্রীর
সঙ্গে
ফোন-
ফেসবুকে কথা হলেও কখনও মুখোমুখি হননি। যৌনতা
নিয়ে আলোচনা তো দূর অস্ত্। বিয়ের রাতেই কি
শরীরী সম্পর্কে যাওয়া উচিত হবে? উত্তর খুঁজলেন
যুবক।
জীবনের নানা জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজতে
টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকার [email protected]
ঠিকানায় চিঠি লেখেন পাঠকরা। উত্তর দিয়ে
সাহায্য করেন বিশেষজ্ঞরা। এবারের চিঠিতে
এমনই দুরূহ প্রশ্ন তুলে ধরেছেন এক যুবক।
প্রশ্ন: কিছু দিনের মধ্যেই বিয়ে করতে চলেছি। গত
মার্চ মাস থেকে হবু স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় হলেও তা
সোশ্যাল মিডিয়া আর ফোনেই সীমাবদ্ধ। আমরা
কখনও মুখোমুখি হইনি, যৌনতা নিয়ে আমাদের
কোনও আলোচনাও হয়নি। কী ভাবে এই বিষয়ে
আলাপচারিতা শুরু করব? বিয়ের রাতে যদি যৌন
মিলনে প্রবৃত্ত হই, তা কি ঠিক হবে? দয়া করে
সাহায্য করুন।
উত্তর দিয়েছেন মনোবিদ অঞ্চল ভাটনগর: প্রথমেই
ধন্যবাদ জানাই এমন এক সমস্যা তুলে ধরার জন্য যা
আমাদের অনেককেই ভাবায়। বিয়ের রাত বা
ফুলশয্যার রাত যে নামেই ডাকুন না কেন, এই
মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য একদিকে যেমন অধীর অপেক্ষা
জাগে তেমনই হবু দম্পতির মনে তৈরি হয় নানা
অজানা ভীতি এবং উদ্বেগ। আপনার এই বিভ্রান্তি
হওয়া স্বাভাবিক কারণ হবু স্ত্রীর প্রতি আপনি
যথেষ্ট যত্নবান। জেনে ভালো লাগল যে ওঁর ইচ্ছা-
অনিচ্ছা সম্পর্কে আপনি সহানুভূতিশীল, তাই জোর
করে কিছু চাপিয়ে দিতে চাইছেন না।
আপনার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে এর মধ্যেই বাগদত্তার
সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা প্রশংসনীয়।
আপনাদের মধ্যে যেহেতু পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও
বিশ্বাস তৈরি হয়েছে, তাই কথার মাঝে
আলগোছে যৌনতার প্রসঙ্গ শুরু করতে পারেন। আমার
ধারণা, আপনার সঙ্গীর মনেও এই বিষয়ে চিন্তা
রয়েছে কিন্তু তিনি তা প্রকাশ করতে দ্বিধাবোধ
করছেন। হয়তো আপনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে
আরম্ভ করলে তিনিও স্বচ্ছন্দে নিজস্ব মতামত
জানাতে সক্ষম হবেন। মনে রাখবেন, স্পর্শকাতর
বিষয় নিয়ে নিজের ইচ্ছা ও উদ্বেগ খোলাখুলি
প্রকাশ করা স্বাস্থ্যকর। অন্যথায় আপনার মনের
ভিতরের কথা কোনও ভাবেই হবু স্ত্রীর পক্ষে বুঝে
ওঠা সম্ভব নয়।
মানছি, ভাবী জীবনসঙ্গীর সামনে যৌনতার প্রসঙ্গ
তোলা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু একই সঙ্গে তা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের বিয়ের আর বিশেষ দেরি নেই।
এখন থেকে এই বিষয়ে স্বাভাবিক আলোচনা শুরু
করলে বিয়ের রাতে কোনও জড়তা অনুভব করবেন না।
ধরুন, বিয়ের অনুষ্ঠান কেমন হবে এবং সেই সূত্রে
ফুলশয্যার রাতের ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি কী চান–
এই ভাবেই কথা শুরু করতে পারেন। মোদ্দা কথা,
যৌনতার প্রসঙ্গ উত্থাপনের জন্য কথার ফাঁক খুঁজে
বের করা।
এবার আসি আপনার প্রশ্নের অন্য দিকটিতে। বিয়ের
রাতে যৌন মিলন উচিত কি না, প্রশ্নের জবাবে
আমি শুধু এইটুকুই বলতে পারি যে এর কোনও ভালো-
মন্দ হয় না। বিয়ের রাতের স্মৃতি আমাদের মনে
চিরস্থায়ী ছাপ রেখে যায়। শুধু যৌনতার উপরই তা
নির্ভর করে না। আমার মনে হয়, বিয়ের রাত ঘিরে
আমাদের সাংস্কৃতিক আড়ম্বর যৌনতার প্রবেশ
অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে। তবে সবচেয়ে খাঁটি
কথা হল, বিয়ের রাতটি তেমনই হবে যেমন আপনি
চান। সেই রাতে যৌনতা প্রধান উপাদান হতে
পারে, আবার অনেক রাত পর্যন্ত মনের মানুষটির
সঙ্গে খুনসুটিতেও মেতে উঠতে পারেন অথবা এই
প্রথম দু’জন পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে নিশ্চিন্ত ঘুমে ডুব
দিতে পারেন। কিংবা এই সব কিছু নিয়েই মনের
খেরোখাতায় গভীর রেখাপাত করে যেতে
পারে বিয়ের রাতের অভিজ্ঞতা।
মোট কথা, যা যা আপনার উচিত ও ভালো মনে হবে,
বিয়ের রাতে তা-ই করা ঠিক হবে।

08/01/2016

গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা ফর্সা
হবে ?

বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর
সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে
না, এটা নির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে
যে জিন পেয়েছে তার উপর। তবে প্রচলিত ধারণা
অনুযায়ী গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে
বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে।
আসুন জেনে নেই সেই খাবার গুলির নাম –
১। জাফরান দুধ
অনেক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান দেয়া দুধ
পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গর্ভের
শিশুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।
২। নারিকেল
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস
গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায়
অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্য সম্মত
নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।
৩। দুধ
গর্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ
শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত
ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা করতে সহায়ক।
৪। ডিম
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যদি
ফর্সা বাচ্চা চান তাহলে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয়
তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।তবে
সত্য এই যে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গোটা ডিম
খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমের অধিকাংশ
পুষ্টি গুণ এর কসুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া
বাদ দেয়া চলবে না।
৫। চেরি ও বেরি জাতীয় ফল
চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি
অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে
এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক
বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দর ত্বকের
জন্য।
৬। টমেটো
টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর
আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের
আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
বিশ্বাস করা হয় যে, গর্ভাবস্থায় টমেটো খেলে
বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়।
৭। কমলা
কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই শিশুর শরীর গঠনের
জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক
ভালো হবে।
শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত
আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। তাই গর্ভবতী
মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্য, মেধাবী ও
স্বাভাবিক শিশুর জন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য
পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজের
জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা
উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে
প্রি ম্যাচিউর বেবির জন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর
উপর প্রভাব ফেলে।
নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার
ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সহায়তা করে।
বিজ্ঞানীদের মতে গর্ভের শিশু শুনতে পায় এবং
সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়। গর্ভের শিশুর সাথে
কথাবলুন, গান করুন এবং ধর্মীয় বই ও বিখ্যাত
মনীষীদের জীবনী পড়ুন।কিছু গবেষণায় পাওয়া
গেছে যে, গর্ভে থাকতে শিশু যে কণ্ঠস্বর শুনেছে
জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শিশু শান্ত হয়।

08/01/2016

বীর্যহীন পুরুষ তেল বিহীন
প্রদীপের
ন্যায়'''' ।
আসুন জেনে নেই
কিভাবে বীর্যের ঘনত্ব
বাড়ে >>>>>>>>
=====================
১. ধূমপান বন্ধ করুন।ধূমপায়ীদের
শুক্রাণু
সংখ্যা অধূমপায়ীদের চেয়ে ২২%
কম
হয় ।
২. টাইট আণ্ডারওয়্যার বা প্যান্ট
ব্যবহার করবেন
না । ঢিলা জিনিস ব্যবহার করুন ।
৩. হস্তমৈথুনের চেয়ে সেক্স
বেশি করার
চেষ্টা করুন। পারলে হস্তমৈথুন
একেবারে বাদ দিন।
৪. এলকোহল খাওয়া বাদ দিন
একেবারে ।
এলকোহল বা মদ
খেলে শরীরে Estrogen
(নারী হরমোন) লেভেল
বেড়ে যায় ।
৫. প্রচুর পানি পান করুন।
দিনে ২লিটারের বেশি।
৬. টুনা মাছ, মুরগি, লাল মাংস,
কচি ছাগল বা ভেড়ার মাংস
খান।
এতে প্রচুর এমিনোএসিড
থাকে যা testosterone(পুরুষ
হরমোন)
লেভেল বাড়িয়ে দেয়।
৭. প্রতিদিন বাদাম খান।
বাদামে জিঙ্ক
এবং এমিনো এসিড প্রচুর
পরিমানে থাকে।
৮. গমের আটা এবং বার্লি জিঙ্ক
সরবরাহ করে।
জিঙ্ক বীর্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ
ভুমিকা রাখে।
৯. প্রচুর ঢেঁড়স খান। খুব
কাজে দেয়।
১০. টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, লাল
মরিচ
এবং বাতাবি লেবু(জাম্বুরা)
প্রচুর
পরিমানে খান।
এতে লাইকোপিননামের এনজাইম
থাকে যা বীর্যের
পরিমান এবং ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।
ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার
মাস্ট —
[ বিঃ দ্রঃ ফেসবুকের নিয়ম
অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ
নিয়মিত
লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর
দেখতে পাবেন না।। তাই পোস্ট
ভাল
লাগলে লাইক
দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন।

08/01/2016

আন্ডারওয়্যার এর কারনে যেসব রোগের সৃষ্টি হয়, জেনে নিন

এমন কোনো পুরুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর যে বর্তমান যুগে আন্ডারওয়্যার ব্যবহার করেন না । তবে বেশিরভাগ পুরুষই জানেন না, এই আন্ডারওয়্যারও হতে পারে ভগ্নস্বাস্থ্যের কারণ। সম্প্রতি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।

লন্ডনের হুইটিংটন হসপিটাল এবং দ্য হার্লে স্ট্রিট ডার্মাটোলজি ক্লিনিকের ডার্মাটোলজিস্ট কনসালটেন্ট অ্যাডাম ফ্রেইডম্যান বলেছেন, কুঁচকি থেকে শুরু করে শুক্রাশয়ের অ্যালার্জি এবং ব্যাথার কারণ হতে পারে আন্ডারওয়্যার। কুঁচকির অ্যালার্জিকে সাধারণত ‘জক ইচ’ নামে পরিচিত।‘জক ইচ’ সাধারণত ফাংগাল ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে। গ্রীষ্মেই এর প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দেয়।

কারণ তখন একদিকে ঘাম হয়, অপরদিকে কাজের সুবাদে দীর্ঘক্ষণ পুরুষকে প্যান্ট পরে থাকতে হয়।
অ্যাডাম বলেন, এধরণের সমস্যা থেকে বাঁচতে আন্ডারওয়্যারের মতো আঁটসাঁট পোশাক পরিহার করে এমন প্যান্ট এবং আন্ডার-প্যান্ট ব্যবহার করা উচিত, যা ঘাম শোষন করে। এ তালিকায় অবশ্যই সিল্ক, নাইলন এবং লাইক্রা জাতীয় কাপড় পরিহার করা উচিত সবার।

গিলফোর্ডের রয়্যাল সার্যে কাউন্টি হাসপাতালের ক্রিস্টোফার ইডেন বলেন, কম শোষক কাপড়, যেমন- সিল্ক, নাইলন এবং লাইক্রা সমস্যা আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব আঁটসাঁট কাপড় অন্ডকোষ শরীরের কাছে ধরে রাখে। অন্ডকোষ সাধারণত গরম এবং ঘর্মাক্ত থাকে। এসব কারণে ফাংগাস জন্মাতে পারে।

তিনি বলেন, শরীরের এই অংশে যতোটা সম্ভব বাতাসের প্রবাহ থাকা জরুরি। কিন্তু আন্ডারওয়্যার এই প্রবাহে বাধা দেয়। ফলে সমস্যার সৃষ্টি হয়।তিনি বলেন, অনেক সময়ই পুরুষ অন্ডকোষের ব্যাথায় ভোগে। কিন্তু সে জানে না, কেন এই সমস্যা হচ্ছে। সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছরের মাঝের পুরুষদের এই সমস্যা বেশি হয়।

বার্মিংহামের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালের উইরোলজিস্ট যাকি আলমাল্লাহ বলেন, কিছু পুরুষ নিয়মিত এই সমস্যার মুখোমুখি হয়। উদাহরণস্বরূপ, তারা যখন বসে থাকে বা গাড়ি চালায়। আন্ডারওয়্যার এই সমস্যার অন্যতম কারণ। পুরুষরা যদি আন্ডারওয়্যার পরিহার করে বা ঢিলেঢালা আন্ডার-প্যান্ট ব্যবহার করে, তাহলে এই সমস্যা থেকে অনেকাংশেই রেহাই পেতে পারে

08/01/2016

স্বামী স্ত্রী সহবাস
করার সময় কিছু নিয়ম
কানুন মেনে চলতে হয়
১। রাত্রি দ্বি-প্রহরের
আগে সহবাস করবে না।
২। ফলবান গাছের
নিচে স্ত্রী সহবাস
করবে না।
৩। সহবাসের
প্রথমে দোয়া পড়বেন।
স্ত্রী সহবাসের দোয়া,
তারপর
স্ত্রীকে আলিঙ্গন
করবেন।
স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয়
তখন
তাকে ভালো বাসা দিবে এবং আদর
সোহাগ দিবে, চুম্বন
দিবে। তখন উভয়ের
মনের পূর্ণ
আশা হবে সহবাস, তখন
বিসমিল্লাহ বলে শুরু
করবেন।
৪। স্ত্রী সহবাস করার
সময় নিজের স্ত্রীর রূপ
দর্শন শরীর স্পর্শন ও
সহবাসের সুফলের
প্রতি মনো নিবেশ
করা ছাড়া অন্য
কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের
বা অন্য
সুন্দরী বালিকার রুপের
কল্পনা করিবে না।
তাহার সাহিত মিলন
সুখের চিন্তা করবেন
না। স্ত্রীর ও তাই
করা উচিৎ।
৫। রবিবারে সহবাস
করবেন না।
৬। স্ত্রীর হায়েজ-
নেফাসের সময় উভয়ের
অসুখের সময় সহবাস
করবেন না।
৭। বুধবারের
রাত্রে স্ত্রীর সহবাস
করবেন না।
৮। চন্দ্র মাসের প্রথম
এবং পনের তারিখ
রাতে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
৯। স্ত্রীর জরায়ু
দিকে চেয়ে সহবাস
করবেন না।
ইহাতে চোখের
জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
১০। বিদেশ যাওয়ার
আগের
রাতে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
১১। সহবাসের সময়
স্ত্রীর সহিত
বেশি কথা বলবেন না।
১২।নাপাক
শরীরে স্ত্রী সহবাস
কবেন না।
১৩। উলঙ্গ হয়ে কাপড়
ছাড়া অবস্থায়
স্ত্রী সহবাস করবেন
না।
১৪। জোহরের নামাজের
পরে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
১৫।
ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
১৬।
উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
১৭। স্বপ্নদোষের পর
গোসল
না করে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।
১৮।পূর্ব-
পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস
করবেন না।.
ভালো লাগল পোষ্টটা শেয়ার করুন

08/01/2016

সেক্স এর সময় বাড়ানোর উপায়
একটি ছেলের যদি সেক্স বা যৌন মিলন করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিটও স্বাভাবিক বলা হয় ।দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান জেনে নিন। আপনি তখনি আপনার এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-২ মিনিটে বীর্য বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বীর্য বের হয়ে যাচ্ছে । চিন্তার কোন কারণ নেই দৈহিক মিলনের সময় বাড়ানোর কৌশল মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক । অনেক মানুষই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যাপার । এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই । তবে আপনি যদি এটা মাত্রাতিরিক্ত করেন তাইলে অনেক সমস্যা হতে পারে । এই কথাটি বলার কারণ খুবই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে । বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যদি ২০মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে, না হলেও আপনার অবচেতন মনই আপনাকে তাড়া দেবে ।
এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে বীর্য দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে, ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় । এখন, যাদের আসলেই দ্রুত বীর্য বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই, আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল, আর আপনার বীর্য বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই, অথবা ধরলো আপনার পেনিস, সাথে সাথে বীর্য বের হয়ে গেল, অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে, তখনি বীর্য বের হয়ে গেল । এগুলো হল সেক্স সমস্যা । আরেকটি কথা, ধরুন আপনি অনেক দিন সেক্স বা যৌন মিলন করেন না, আপনার পার্টনারের সাথে অনেক দিন পর সেক্স বা যৌন মিলন করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বীর্য বেরহয়ে আসলো । এটি স্বাভাবিক, এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় ।
এবার আসুন দেখি সেক্সটাইম বাড়ানোর নিয়ম ।
১। হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা সেক্স বা যৌন মিলন ন করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিসে দিয়ে থাকে, এতে দ্রুত বীর্য বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
২। এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
৩। একটি অন্যরকম পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার বীর্য পার্টনারকে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স বা যৌন মিলন এর আগেই বের করুন একবার । সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিসটা ভালমত পানি দিয়ে ধুয়ে নিন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার যোনীতে ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
৪। ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে বের করে তাকে আদর করুন । স্বাভাবিক হলে আবার শুরু করেন ।
৫। একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিসকে উত্তেজিত করে বীর্য বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান, এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।
৬। সর্ব শেষে ভাল ভাল খাবার খান এবং ডিম ও দুধ বেশি বেশি খান ।
আশা করি এসকল ব্যাপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে দারুন।

08/01/2016

কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা বাড়াবেন?

যখন কয়েকমাস যাবৎ কোন যুগল সন্তান ধারন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন – তার মানে স্বামী অথবা স্ত্রী দুয়ের একজনে অথবা উভয়ের মাঝে কোন সমস্যা আছে। যেকোন মানুষ সহজেই অনুমান করতে পারেন যদি তাদের বান্ধত্ব্য জাতীয় কোন সমস্যা থাকে। পুরুষও এর উর্দ্ধে নয়।

যদি কোন পুরুষ মনে করেন যে তার বীর্যে শুক্রানু প্রয়োজনীয় পরিমানে সর্বোচ্চ নয়, তাহলে তিনি কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি একবছরের বেশি সময় ধরে এ চেষ্টা না করে থাকেন তাহলে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার মত কোন কিছু নেই। আর যদি আপনি একবছরের চেয়ে বেশি সময় ধরে সন্তান নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন, তাহলেই শুধু ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা নিয়ে পুরুষের কিছু ভুল ধারনাঃ

শুক্রানু সংখ্যা বৃদ্ধির উপায় বলার আগে চলুন এ বিষয়ে কিছু ভুল ধারনা সম্পর্কে যানা যাক। কিছু মানুষ মনে করেন তার বীর্যের পরিমান এবং রঙের দিকে তাকিয়ে নিঃস্বরিত বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা অনুমান করা সম্ভব! বীর্যের পরিমান দিয়ে কোন পুরুষের বন্ধত্ব কিংবা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা নির্ধারন করা যায়না। বীর্যের বেশিরভাগ অংশ বীর্য-তরল, তাই খালি চোখে আমরা যা দেখি তা দিয়ে দৃশ্যমান বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিরূপন করা করা অসম্ভব। বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা জানতে তা মাইক্রোস্কপে পরীক্ষা করা অবশ্যক।

কিছু মানুষ মনে করে খৎনা না করা লিঙ্গ পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতাকে ক্ষতিসাধন করতে পারে। খৎনা এবং শুক্রানুর সংখ্যার সাথে কোন পারস্পরিক সম্পর্ক নেই। খৎনা হলো শুধুমাত্র লিঙ্গের অগ্রভাগ থেকে কিছুটা চামড়া কেটে ফেলা মাত্র। খৎনা নিয়ে জাতি এবং ধর্মবেধে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু লিঙ্গের অগ্রভাগে চামড়া থাকা এবং না থাকার সাথে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যায় কো ন পার্থক্য হয়না।

অন্য একটি ভুল ধারনা হলো, যৌন পুরুষোচিত তেজ এর ভিত্তিতে একজন পুরুষ বলতে পারে তার বীর্য কতটা উর্বর। উন্নত যৌনক্ষমতা থাকা হয়তো আনন্দের, কিন্তু তা পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতা এবং বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা পরিমানের সাথে কোন প্রকার সম্পর্কযুক্ত নয়। শুক্রানুর সংখ্যার সাথে অনেকগুলো কারন জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু ভাল যৌনমিলন ক্ষমতা এর সাথে সম্পর্কিত নয়।

বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায় সমূহঃ

অল্প কিছু বিষয় পুরুষের বীর্যে শুক্রানু সংখ্যার উপর প্রভাব ফেলে। নিন্মে তার কিছু বর্ননা করা হলো:

ধুমপান করবেন নাঃ

এখনাকার সময় সবাই যানে ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে ধুমপান শুধুমাত্র মোটের উপর স্বস্থ্যের জন্য ঝুকিপুর্ন নয়, এটি আপনার সন্তান জন্মদান ক্ষমতাও ধ্বংস করতে পারে। এক স্টাডিতে দেখা গেছে, যেসকল পুরুষ ধুমপান করেন তাদের বীর্যে শুক্রানুর পরিমান যারা ধুমপান করেননা তাদের তুলনায় ১৭% কম।

মদ কিংবা অন্য মাদক পরিহার করুনঃ

অতিরিক্ত মদ্যপান অথবা মাদকের ব্যবহার উর্বরতা নষ্ট করতে পারে। যেসকল পুরুষ দিনে ৪ গ্লাসের বেশি মদ্যপান করে থাকেন তাদের শুধুমাত্র সন্তান জন্মদান ক্ষমতা নয় – মোটের উপর যৌনক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। পাশাপাশি অধিক মাদক গ্রহন পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা ধরে রাখা ব্যহত করে যা স্থায়ী যৌন অক্ষমতায় রূপ নিতে পারে।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুনঃ

পর্যপ্ত পুষ্টিযুক্ত খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং শরীরের সঠিক ওজন ধরে রাখার মাধ্যমে উর্বরতা (fertility) উন্নয়ন করা যায়। শাকসব্জি এবং ফলমুল খাদ্য তালিকায় থাকলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে যা উর্বরতায় (fertility) ভুমিকা রাখে। গবেষনায় দেখা গেছে শাকাসব্জি ও ফলমুলে বিদ্যমান এন্টিঅক্সিডেন্ট উর্বরতা (fertility) এর জন্য অনেক বেশি উপকারী। পাশাপাশি সঠিক শাররীক ওজনও একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। অতিরিক্ত মেদযুক্ত পুরুষের শুক্রানুর সংখ্যা এবং শুক্রানুর গুনগত মান উভয়ই খারাপ হয়ে থাকে।

যৌনমিলন করুনঃ

আপনি হয়তো মনে করছেন যৌনমিলন করা সন্তান প্রত্যশি যুগলের জন্য ভাল জিনিস, কিন্তু অনেক যগলের ভুল ধারনা আছে যে মাত্রতিরিক্ত শাররীক মিলন করলে বীর্যে শুক্রানুর পরিমান কমে যায়। তথ্যটি একসময় সত্য ছিল – কিন্তু বর্তমানে সুঠাম স্বাস্থ্যবান (মোটা নয়) পুরুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল ধারনা বলে প্রমানিত হয়েছে। একসময় ডাক্তার এমন পরামর্শ দিতেন যে, যেসকল পুরুষের শুক্রানু সংখ্যা কম তারা কিছুদিন শাররীক মিলনে বিরতি দিয়ে শুক্রানু জমা করে শাররীক মিলন করতে পারেন। যদিও অনিয়মিত যৌনমিলন হয়তো সংখ্যায় কোনক্রমে উন্নত হয়, একই সাথে শুক্রানুর গুনগত মানে এর নেগেটিভ ইফেক্ট আছে। যখন একজন পুরুষ নিয়মিত যৌনমিলন করে তখন প্রতিবার বীর্যস্থলনের সময় সে তার ক্রুটিপুর্ন শুক্রানুর একটা অংশ নিষ্কৃত করে।

এভাবে ক্রুটিপুর্ন শুক্রানু নির্গত করে সে স্বাস্থ্যবান শুক্রানু উৎপাদনের জন্য যায়গা খালি করে। সকালবেলা যৌনমিলন করলেও লাভবান হবার সম্ভাবনা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে সকালবেলা প্রাকৃতিক ভাবেই বীর্যে শুক্রানু সংখ্যা সর্বোচ্চ পরিমানে থাকে।

08/01/2016

°•► স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায়-->
১।গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।
২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে
ঘর্ষণ করা। .
৩। সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর
কামাদ্রিআলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।
৪। ভগাঙ্কুর মর্দন। ৫। মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।
৬। সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব
সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে
স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ ক’রে থাকে। তবে কর্পূর
যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি ও পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ’তে পারে।
•|• পেজে লাইক না দিলে আপনি আর আমাদের
পোস্ট দেখতে পাবেননা। তাই
প্রতিদিন নিয়মিত পোস্ট দেখতে লাইক দিয়ে
পেজে একটিভ থাকুন •|

08/01/2016

#প্রশ্নঃ আমার বয়স ১৫ বছর।
আমি দিনে ২ বার হস্তমৈথুন
করি। আমার যখন বয়স
হবে তখন আমার সন্তানেরা
কি মানসিক প্রতিবন্ধি বা
বিকলাঙ্গ হতে পারে? .

#উত্তরঃ মানসিক প্রতিবন্ধি বা
বিকলাঙ্গ নয়। আপনার
সন্তানই না হতে পারে।
কারন অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে
মানুষের শুক্রাণু উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে

10/08/2015

আসসালামু আলাইকুম।
★আপনি কি চান আপনার টাকায় একজনের জীবন বাচুক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় একজন ছেলে
পড়ালেখা করুক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় মসজিদ নির্মান হোক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় অসুস্থ রোগী সেবা নিক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় কারো বিয়ে হোক?
আপনি কি চান আপনার টাকায় রাস্তার শিশুটি বাদাম বিক্রি করুক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় একজন বৃদ্ধ মা শেষ বয়সে দুবেলা দু মুঠো ভাত খেতে পারুক?
★আপনি কি চান আপনার টাকায় বন্যা ও দূর্যোগে ত্রান পাক?
★আপনি কি চান মানুষের সেবা করতে?

ভাবছেন কি করে একা এতো কিছু করবো?
সম্ভব না,,আমি বলছি সম্ভব: "দশে মিলে
করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ"। আপনার সাথে
আছে # আশার_আলো_বন্ধু_সভা এখানে সারা দেশের বিভিন্ন এলাকার ছেলে মেয়রা ইতি মদ্ধে সদস্য হতে শুরু করছে,, আপনিও হতে পারেন গর্বিত সদস্যের একজন-

(আমি নিজে হয়েছি তাই আপনাকে বলছি)
★আমাদের কাজ: নির্শ্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা
দান উপরোক্ত ভাবে,আপনার এলাকায় আপনার মাধ্যমে সেবা পৌছানো হবে।
★সদস্য হলে লাভ কি?
লাভ লোকসানের হিসাব জানি না ভাই,তবে
মানুষের পাশে দাড়াতে পারলে ভালো লাগে
বাকিটা আল্লাহর সন্তুষ্টি।
★কিভাবে কি করতে হবে সদস্য হবার নিয়ম কি?
২০০টাকা দিয়ে সদস্য হতে হবে,এছাড়াও সর্ব নিম্ন
প্রতি মাসে বন্ধু সভার একাউন্টে ১০২ টাকা জমা করতে
হবে(একাউন্ট সদস্যদের সবার জন্য উন্মোক্ত) সদস্য হতে
হলে ছবি সহ পূর্নজীবন বৃত্বান্ত পাঠাতে হবে বন্ধু সভার
মেইলে।
আমাদের মেইল: [email protected]
আপনি যদি নিজে হন তো আলহামদুলিল্লাহ্, যদি না
পারেন তবে শেয়ার করুন যেন,অন্য কেউ ব্যপারটি
জানতে পারে। জানেন তো ভালো কাজের
পরামর্শে আপনিও হতে পারেন অশেষ নেকির
অংশীদার,কে জানে কখন কোন আমল আল্লাহর দরবারে কুবুল হয়ে যায়? আপনি পারেন, হ্যা চাইলেই পারবেন মাত্র তো ১০২ টাকা। হয়ত আপনার বাজে খরচটা একটু কমবে কিন্তু কারো মুখে হাসি ফুটতে পারে আপনার টাকায়। হতে পারে এটাই আপনার জীবনের শেষ ভালো কাজের নিয়ত।।
আরো জানতে মেইল করুন অথবা কল করুন: 01781666858 (Milon Vai).
সৃষ্টিকর্তা আপনার মঙ্গল করুন--(আমীন)

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Khulna