Avi Biswas

Avi Biswas

Share

Avi Biswas

25/12/2024

ওড়া কান্দি ধাম

28/10/2022

আমাদের বাড়ি অনুষ্ঠানে

12/07/2022

এই বছর ১ মার্চ, মঙ্গলবার পড়েছে মহাশিবরাত্রির তিথি। ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ২.২৩ মিনিট থেকে ১ মার্চ রাত ১২.৩৯ মিনিট পর্যন্ত থাকবে শিব চতুর্দশীর তিথি।

শিবরাত্রি বা মহাশিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। এই মহাশিবরাত্রি ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। মহাশিবরাত্রি হল হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ আরাধ্য দেবাদিদেব মহাদেব ‘শিবের মহা রাত্রি’। অন্ধকার আর অজ্ঞতা দূর করার জন্য এই ব্রত পালিত হয়। অগণিত ভক্ত এইদিন শিবকে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা, ফুল দিয়ে পূজা করে থাকে। এদিন ভক্তি মনে ভোলেনাথের পুজো করলে ভক্তদের মনবাঞ্ছা পূরণ হয়।

26/06/2022
18/06/2022

🔰 দূর্লভ দর্শন || শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পিতামহী শ্রীমতি শোভা দেবী সেবিত শ্রীগৌরাঙ্গ বিগ্রহ 🙏

পূর্বে এই শ্রীবিগ্রহ ঢাকা দক্ষিণে শ্রীহট্টে ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে (১৯৭১ এর পূর্বে) ইনি অসম রাজ্যের শিলচর এর শ্রীকোনা তে বিরাজমান হন। এই বিগ্রহ ভ্রাম্যমাণ, বহু সময়ে বহু ভক্তের কাছে যান। বর্তমানে এই বিগ্রহ কলকাতার দমদম নাগেরবাজারে গুপ্ত মঞ্জিল গোঁসাইবাড়িতে এসেছেন। ৩দিন অবস্থান করে অন্যত্র যাবেন।১৯ মার্চ এই শ্রীবিগ্রহ এর "সন্ন্যাসী বেশ" অনুষ্ঠিত হয় ।

18/06/2022

🔰 ভক্তগণ কি এক জন্মেই ভগবানকে লাভ করেন❓

🌱উত্তরঃ জগদ্গুরু শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী ঠাকুর মহাশয় শ্রীমদ্ভাগবত ( ৬/২/৯-১০ ) শ্লোকের টীকায় বলিয়াছেন—
"নিরপরাধানামপি কেষাঞ্চিৎ প্রেমবিশেষ-সিষাধয়িষূণাং ভগবৎপ্রাপ্তৌ কিঞ্চিদ্বিলম্বোহপি,—যথৈবাদিভরতস্য জন্মত্রয়মভূৎ।
অর্থাৎ, নিরপরাধ বৈষ্ণবগণ কেহ এক জন্মে, কেহ দুই জন্মে, কেহ বা তিন জন্মে ভগবানকে লাভ করেন। প্রেম বৃদ্ধির জন্য কাঁহারও কাঁহারও কিঞ্চিৎ বিলম্বও দৃষ্ট হয় অর্থাৎ তিন জন্ম লাগে। যেমন আদি ভরতের তিন জন্মে ভগবৎপ্রাপ্তি হইয়াছিল।"

কিন্তু অপরাধ থাকিলে বহুজন্মেও কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয় না।
শাস্ত্রে বলা হয়েছে—
"বহু জন্ম করে যদি শ্রবণ, কীর্ত্তন।
তবু ত' না পায় কৃষ্ণপদে প্রেমধন॥"
( শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদিলীলা, ৮/১৬ )

যা'রা প্রেমদাতা শ্রীগৌর-নিত্যানন্দকে মানে না, সেই অপরাধীগণের কোন-কালেই কৃষ্ণপ্রাপ্তি হইবে না। শাস্ত্রে বলা হয়েছে বলেন—
এই সব* না মানে যেবা, করে কৃষ্ণভক্তি।
কৃষ্ণকৃপা নাহি তারে, নাহি তার গতি॥
পূর্ব্বে যেন জরাসন্ধ-আদি রাজাগণ।
বেদধৰ্ম্ম করি' করে বিষ্ণুর পূজন॥
কৃষ্ণ নাহি মানে, তাতে দৈত্য করি' মানি।
চৈতন্য না মানিলে তৈছে দৈত্য তারে জানি॥
মােরে না মানিলে সব লােক হবে নাশ।
ইথি লাগি কৃপার্দ্র প্রভু করিল সন্ন্যাস॥
সন্ন্যাসী-বুদ্ধ্যে মােরে করিবে নমস্কার।
তথাপি খণ্ডিবে দুঃখ, পাইবে নিস্তার॥
হেন কৃপাময় চৈতন্য না ভজে যেই জন।
সৰ্ব্বোত্তম হইলেও তারে অসুরে গণন॥
অতএব পুনঃ কহোঁ উৰ্দ্ধ বাহু হঞা।
চৈতন্য-নিত্যানন্দ ভজ কুতর্ক ছাড়িয়া॥
যদি বা তার্কিক কহে,—তর্ক সে প্রমাণ।
তর্কশাস্ত্রে সিদ্ধ যেই, সেই সেব্যমান॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য—দয়া করহ বিচার।
বিচার করিলে চিত্তে পাবে চমৎকার॥
( শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, আদিলীলা, ৮/৭-১৫ )

গৌর নিত্যানন্দ বা শ্ৰীগুরু-গৌরাঙ্গের চরণাশ্রয় করিয়া তাঁ'দের আনুগত্যে কৃপাভিক্ষামুখে অনুক্ষণ হরিনাম করিতে করিতে অপরাধ নষ্ট হইলে নিরপরাধ জীব নিষ্কাম হইয়া ভজন করিতে করিতে শীঘ্র ভগবানকে পাইবেন। নিরপরাধ বিষ্ণুভক্তের ইষ্টলাভে তিন জন্মের বেশী দেরী হয় না। কাহারও এক জন্মেই ভগবৎ-দর্শন হইয়া থাকে। সুতরাং যাঁহারা সত্ত্বর সিদ্ধি লাভ করিতে ইচ্ছুক, তাঁহারা প্রাণপণে গৌরজন শ্রীগুরুদেবের সন্তোষ বিধান করিয়া গৌরকৃষ্ণের কৃপাভাজন হইবেন। তাহা হইলে সিদ্ধি অনায়াসে করতলগত হইবে। গুরুকৃপায় গৌরকৃপালাভ হয় এবং গৌর-কৃপায় শ্রীরাধা-কৃষ্ণের কৃপা লাভ হইয়া থাকে।

আমার গুরুদেব গৌরাঙ্গের নিজজন। গৌরাঙ্গদেব আমার প্রভুর প্রভু মহাপ্রভু। আমি যাঁহার শ্রীচরণাশ্রিত সেই গুরুদেব গৌরাঙ্গের পার্ষদ ভক্ত, শ্রীগৌরাঙ্গের অভিন্ন মূর্ত্তি, ইহাই আমার একমাত্র ভরসা।
"আমার প্রভুর প্রভু শ্রীগৌরসুন্দর।
এ বড় ভরসা চিত্তে ধরি নিরন্তর॥"**
( শ্রীচৈতন্যভাগবত, আদিখণ্ড, ১৭/১৫৩, মধ্যখণ্ড, ১০/৩০৪, ১৭/১১৭, ২৮/১৯১)
অপরাধ থাকিলে তিন জন্মেও হয় না। এজন্য অপরাধ হইতে সাবধান থাকিয়ে গুরুনিষ্ঠ হইয়া, গুরু-সেবাপরায়ণ হইয়া সতত হরিনাম করিতে হইবে। শ্রীনামসেবার সঙ্গে শ্রীগুরুগৌরাঙ্গের সেবাও করতে হইবে। গুরুতে ঈশ্বর বুদ্ধি না হইলে গুর্ব্বজ্ঞা-অপরাধের জন্যই জীবকে বহু জন্ম অপেক্ষা করিতে হইবে। গুরুতে মনুষ্য বুদ্ধিই সৰ্ব্বনাশের মূল—ভগবৎপ্রাপ্তির ভীষণ বাধা। গুরুর আজ্ঞা সতত শিরে ধারণ করিয়া তদনুসারে সেবাময় জীবন যাপন করিলে শ্রীগুরুগৌরাঙ্গের কৃপায় অপরাধ নির্ম্মুক্ত হইয়া জীব অনায়াসে সানন্দে ভগবানকে লাভ করিতে পারিবেন।

*অমৃতপ্রবাহ ভাষ্যঃ এই সব—এই পঞ্চতত্ত্ব না মানিয়া যাঁহারা কৃষ্ণভক্তি করেন, তাঁহাদের প্রতি কৃষ্ণকৃপা হয় না।
**গৌড়ীয়ভাষ্য—"নিত্যানন্দপ্রভু চৈতন্যপ্রকাশ হইয়াও মহাপ্রভুর দাস। নিত্যানন্দ-স্বরূপ আমার প্রভু এবং গৌরসুন্দর—আমার প্রভুর প্রভু মহাপ্রভু। আমার গুরুদেবের ভজনীয়-বস্তু স্বয়ং গৌরসুন্দর বলিয়া সর্বক্ষণ আমার চিত্তে এই দৃঢ় বিশ্বাস আছে যে, আমার শুদ্ধ নির্মল অস্মিতায় আমার প্রভু গুরুদেবের কৃপা-বলে কোন না কোন দিন মহাপ্রভুর শুদ্ধ-সেবায় সত্য অধিকার লাভ করিব অর্থাৎ মহাপ্রভু আমাকে স্বীয় দাস-দাসানুদাস বলিয়া মনে করিবেন।"

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Magura?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Shalikha
Magura