Mymensingh Hijama Care
Mymensingh hijama care 'হিজামা একটি হারিয়ে যাওয়া সুন
About
হিজামা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ bit.ly/whatishijama
Products
সুস্থ থাকতে হিজামা (Cupping) থেরাপি এ এসব দূষিত রক্ত বের করে দেয়ার পদ্ধতি শিখিয়েছেন আমাদের নবীজী (সা)। এটাকে আমরা চীনের কয়েক শ বছরের পুরনো চিকিৎসা পদ্ধতি মনে করি। অথচ পুরোপুরি বিজ্ঞানসম্মত এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি আমাদের প্রিয় রসূলের (সা) সুন্নাহ ।
কিন্তু সিয়াম অবস্থায় কি হিজামা করা যাবে? রক্ত বের হলে রোজা ভেঙে যাবে না?
এসব প্রশ্নের উত্তরঃ
রোজায় হিজামা
وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ – رضي الله عنه – قَالَ: أَوَّلُ مَا كُرِهَتِ الحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ; أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ، فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ – صلى الله عليه وسلم – فَقَالَ: «أَفْطَرَ هَذَانِ»، ثُمَّ رَخَّصَ النَّبِيُّ – صلى الله عليه وسلم – بَعْدُ فِي الحِجَامَةِ لِلصَّائِمِ، وَكَانَ أَنَسٌ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَوَّاهُ
আনাস বিন মালিক রদ্বিআল্লহু আনহু তিনি বলেন, প্রথম দিকে সিঙ্গা লাগান মাকরূহ হবার কারণ ছিল, জাফার বিন আবু তালিব সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন আর নাবী সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন-এরা দুজনেই সওম ভঙ্গ করে ফেলেছে। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগানোর ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। ফলে আনাস রদ্বিআল্লহু আনহু সায়িম অবস্থায় সিঙ্গা লাগাতেন।
দারাকুৎনী একে কাবি (মজবুত) সনদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৬৬৭ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن أفضل ما تداويتم به: الحجامة , والقسط البحري
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত "যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: " নিশ্চয়ই তোমরা রোগ থেকে মুক্তির জন্য যে সকল ঔষধ ব্যবহার কর তার মধ্যে সর্বোত্তম ঔষধ হলো হিজামা /সিঙ্গা লাগানো এবং কুস্তুল বাহারী ব্যাবহার করা।
আপনারও আপনাদের নিম্নে বর্ণিত সমস্যার জন্য হিজামা করাতে পারেন।
্রতি_রোগীর_জন্য_সম্পূর্ণ_নতুন_কাপ_ব্যবহার_করা_হয়।
➡️➡️ #মহিলাদের_জন্য_হিজামার_ব্যবস্থা ⬅⬅
মহিলাদের জন্য শরয়ী পর্দার ঠিক রেখে মহিলা হিজামা স্পেশালিষ্ট দ্বারা হিজামার চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
➡️➡️ #হিজামা_চিকিৎসার_পদ্ধতি ⬅⬅
হিজামা চিকিৎসা
হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)। হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
হিজামা বা Wet Cupping অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে আরব বিশ্বে জনপ্রিয়। এ হিজামা থেরাপী ৩০০০ বৎসরেরও পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে উৎপত্তি হ’লেও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু পূর্বে থেকেই এটি প্রচলিত ছিল। ১৮ শতক থেকে ইউরোপেও এর প্রচলন রয়েছে। হিজামা বা Cupping Therapy এখন বিশ্বের জনপ্রিয় চিকিতৎসা গুলোর মধ্যে একটি। এটিতে কোন ধরনের ঔষধের প্রয়োজন হয় না।
➡️➡️ #হাদীস_দ্বারা_প্রমাণিত ⬅⬅
হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” সুনানে তিরমিযী হাদীছ নম্বর: ২০৫৩
হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫
হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত, হুজুর (স) বলেছেন, জিবরাঈল (আ) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তন্মধ্যে হিজামা ই হলো সর্বোত্তম। (আল-হাকিম : ৭৪৭০)
➡️➡️ #হিজামার_প্রকারভেদ ⬅⬅ :
এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র স্বল্প মাত্রার বাতাসের নেগেটিভ সাকশানকে কাজে লাগিয়ে মুখের বা গলার স্কিন সারফেসে রক্ত প্রবাহকে বাড়ানো হয, ফলে স্কিনের রিংকেল বা ভাজ চলে গিয়ে স্কিনের টানটান ভাব ফিরে আসে।
:
এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র বাতাসের নেগেটিভ সাকশানকে কাজে লাগিয়ে স্কিন সারফেসে রক্ত প্রবাহকে বাড়ানো হয়।
:
এই পদ্ধতিতে নেগেটিভ সাকশানকে কাজে লাগিয়ে চামরার নিচের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে মেশিনের সাহায্যে রক্ত চুষে নেওয়া হয়।
:
এই পদ্ধতিতে উচ্চ মাত্রার নেগেটিভ সাকশান ব্যাবহার করে কাপিং এর স্থানের নিচের টিস্যুকে মাসাজ করা হয়।
➡️➡️আপনিও আপনার চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন। ⬅⬅
➡️➡️ #হিজামা (Cupping) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ ⬅⬅
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা (Migraine)
২। দূষিত রক্ত পরিষ্কারকরণ (Purify Blood)
৩। উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure)
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease)
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/গেটে বাত/বাতের ব্যথা (Arthritis/Rheumatism)
7। জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain)
8। পিঠে বা সারা শরীরের (Backache/scabies)
9। হাঁটু ব্যাথা (Knee Pain)
10। পায়ের তালুর ব্যথা(heel pain)
১১। সায়াটিক ব্যথা (Sciatica)
১২। মাথা ব্যথা (Head-ache)
১৩। ঘাড়ে ব্যাথা ও কাঁধে ব্যথা (Neck & Shoulder Pain)
১৪। কোমর ব্যাথা (Waist Pain)
১৫। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscles spasm)
১৬। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা (Adbominal Pain)
১৭। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা, ফ্র্যাকচার পেইন
১৮। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা (Thyroid Problem)
১৯। রক্তসংবহন তন্ত্রের ইনফেকশন(Blood circulation system)
২০। ত্বকের বর্জ্য নিষ্কাশন (remove toxin)
২১। বিভিন্নরকম চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
২২। সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)
২৩। এজমা/হাঁপানি (asthma)
২৪। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
২৫। টনসিলের সমস্যা (Tonsillitis )
২৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Low Immunity)
২৭। দাঁত,মুখ, গলা ব্যথা (Larynx, Gums and dental disease)
২৮। গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার, এসিডিটি, esophageal varices (Gastric/Ulcer)
২৯। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
৩০। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseases)
৩১। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ,
৩২। ডায়াবেটিস (Diabetes) ও ডায়াবেটিক ফুট,
৩৩। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান,
৩৪। চুল পড়া (Hair fall),
৩৫। মানসিক সমস্যা (Psychological disorder),
৩৬। পারকিনসন্স ডিজিজ
৩৭। কিডনির সমস্যা (Kidney Disease)
৩৮। স্পোর্টস ইঞ্জুরি (খেলোয়াড়, আর্মি, কনট্যাক্ট স্পোর্টস)
৩৯। কানের সমস্যা
৪০। ক্যান্সারের ব্যাথা নিয়ন্ত্রন,
৪১। লিভার ডিজিজ, পোর্টাল হাইপারটেনশান,
৪২। হরমোনাল সমস্যা,
৪৩। ব্রেইন ডিজিজ ও ডিজঅর্ডার,
৪৪। ক্রনিক কফ/ফুসফুসের রোগ (Chronic Chugh/Lung Disease)
৪৫। Erectile Dysfunction (ED)
৪৬। ব্রন,
৪৭। সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথেমেটোসাস (SLE),
৪৮। অনিয়মিত মাসিক, মেয়েদের অন্যান্য সমস্যা,
৪৯। এডিকশান/ ডিপেন্ডেন্সি (স্লিপিং পিল, ড্রাগস, কফ সিরাপ, জর্দা, সিগারেট, এলকোহল ও অন্যান্য নেশাদ্রব্য)
৫০। TMJ Dysfunction Syndrome
৫১। প্যারালাইসিস (স্ট্রোক, মেরুদন্ডে আঘাত, গিয়েন বারে সিন্ড্রোম, ফেসিয়াল প্যারালাইসিস বা বেল’স পলসি প্রভৃতি)
৫২। অস্টিওপোরোসিস (হাড়ের ক্ষয়)
৫৩। Post menopsusal hot flush
৫০। Vaginismus
৫১। vertigo (মাথা ঘোরা)
৫২। আইবিএস (কোলন ক্যানসার)
৫৪। অর্শ্বরোগ (Piles)
৫৫। ভগন্দর (Fistula, A**l Fissure)
৫৬। দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য (Chroic Constipation)
৫৭। বিষন্নতা ও স্নায়বিক চাপ (Depression & Nervous Stress)
৫৮। শ্বেত রোগ (ধবল, চামড়া সাদা হয়ে যাওয়া)
…..............................................এবং আরও অনেক রোগ।
➡️➡️মাথায় হিজামা লাগানোর দ্বারা বিশেষভাবে কিছু রোগের উপকার হয় সেটা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হল। ⬅⬅
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘ মেয়াদী মাথাব্যথা এবং সাধারন মাথাব্যথা।
২। উচ্চ রক্তচাপ।
৩। রক্তদূষন।
৪। ঘুমের ব্যঘাত।
৫। স্মৃতি ভ্রষ্টতা।
৬। ঘাড়ে ব্যথা।
৭। হরমোনাল সমস্যা ।
৮। সাইনুসাইটিস।
৯। মানসিক সমস্যা।
১০। চুল পড়া।
১১। পারকিনসন্স ডিজিজ।
১২। ব্রেইন ডিজিজ।
১৩। মাদকাসক্তি।
১৪। প্যরালাইসিস।
১৫। যাদু টোনার সমস্যা ইত্যাদি।
➡️➡️ # #হিজামার পুর্বে করনীয় বিষয়সমূহ # # ⬅⬅
১। হিজামার পুর্বে মিনিমাম তিন ঘন্টা পর্যন্ত খাবার থেকে বিরত থাকবেন।
২। গোসল করে থাকলে দুই ঘণ্টা পর হিজামা করা যাবে।
৩। পুরুষরা মাথা মুন্ডিয়ে আসলে ভাল(তবে আমাদের সেন্টারে চুল বাকি রেখেও হিজামার সুব্যাবস্থা আছে৷
যেহেতু মাথায় হিজামা করলে বিশেষ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়।
➡️➡️ # #হিজামার পরে করনীয় বিষয়সমূহ # # ⬅⬅
1 ৷এক দুই ঘন্টা আরাম করা উত্তম ৷
2 ৷ ১ ঘন্টা পর গোসল করা উত্তম।
3৷ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত কোন ব্যয়াম এবং স্ত্রী সহবাস করা যাবে না ৷
4৷ ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত কোন গরম সেক ইত্যাদি দেয়া যাবে না।
5৷ জখম বা কাটা দায়গা না শুকানো পর্যন্ত কোন ধরনের টক খাওয়া যাবে না ৷ (পুরুষের জন্য টক খুবই ক্ষতিকর)
6৷ হিজামার পর এক দুই ঘন্টা ঘুমানো জরুরী ৷
➡️➡️ #হিজামা_খরচ # ⬅⬅
প্রতি কাপ/প্রতি পয়েন্ট ১০০/- টাকা
যোগাযোগ করুন -* ময়মনসিংহ হিজামা / কাপিং থেরাপি কেয়ার *
☎️☎️ 01714-67 00 44 /
Log In or Sign Up to View See posts, photos and more on Facebook.
হিজামা প্রতিটি সুস্হ মানুষের জন্যেও নেওয়া প্রয়োজন কারণ ইহা শরীরের ইনেক্টিভ টিসু এক্টিভ করে আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ।
06/06/2020
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mymensingh