Dr. Amdadul Haque Mohon -PT
Physiotherapy knowledge
19/12/2024
স্ট্রোকের সাথে সাথে কি করবেন
অনেকের ধারনা স্ট্রোক হার্টে হয় , আসলে স্ট্রোক হয় ব্রেইনে। হার্টে হলে বলে হার্ট এটার্ক বলে |
ব্রেইনে কোন কারণে রক্ত সরবরাহ বিঘ্ন হলে রক্তের অভাবে কিছু ব্রেইন টিস্যূ মারা যায় , এটাই স্ট্রোক ।
স্ট্রোকের সাথে সাথে বুঝতে পারলে জীবন রক্ষা সম্ভব । অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা সেটা বুঝতে পারি না , ফলে হাসপাতালে নিতে দেরি হয়ে, যায় ফলে স্ট্রোকের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং স্ট্রোক পরবর্তী সমস্যাও আরো বেড়ে যায় ।
প্রথমত আপনাকে FAST শব্দটি দ্বারা স্ট্রোক হয়েছে কিনা নিশ্চিত হোন ।
F= Face (মুখ ), স্ট্রোকের সাথে সাথে মুখ বেঁকে যায় ।
A= Arm (হাত ) শরীরের যে কোন এক পাশের হাত পা প্যারালাইসিস হয়ে যায়
S= Speech ( কথা) কথা বলতে সমস্যা হয় ।
T= Time to call 999 for Ambulance ।
আপনি FAST শব্দটি দ্বারা বুঝতে পারলেন, আপনার নিকটজন স্ট্রোক করছ এবং অ্যাম্বুলেন্স কল দিয়েছেন । হাসপাতালে নিয়ে যাবেন ।
কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স আসা পর্যন্ত এখন আপনি কি করবেন ?
১। রোগীর যদি জ্ঞান থাকে তাহলে এক পাশ করে শুইয়ে দিন । প্যারালাইসিস অংশ উপরে থাকবে, সুস্থ্য অংশ বিছানার সাথে নিচে থাকবে । একটি উচু বালিশ বা দুটো বালিশ দিয়ে মাথা উপরের দিকে রাখবেন । অবশ্যই মাথা এবং প্যারালাইসিস হাতকে সাপোর্ট দিয়ে রাখবেন । লক্ষ্য রাখবেন, প্যারালাইসিস হাত যেন না ঝুলে থাকে ।
২। কোনভাবেই প্যারালাইসিস হাতকে নিয়ে টানাটানি করবেন না । এতে করে পরবর্তীতে সোল্ডার সাবলাক্সেশন হয়ে যেতে পারে । বেশির ভাগক্ষেত্রেই এই ঘটনা হয়ে থাকে । ফলে ওই রোগী পরবর্তীতে ভাল করা কঠিন হয়ে যায় । বিশেষ করে হাতের ফাংশন বাধাগ্রস্ত হয় ।
৩। স্ট্রোক করা রোগীকে কোন কিছু খেতে দিবেন না, এমন কি পান করতেও দিবেন না ।
৪। শরীরে কোন টাইট কাপড় পরা থাকলে খুলে দিবেন, যাতে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে রোগীর কোন অসুবিধা না হয় ।
৫। রোগী যদি অজ্ঞান থাকে, তাহলে ভাল পাশে রোগীর শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস চেক করুন । শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস ওকে থাকলে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করুন ।
৬। আরও যদি শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস পাওয়া না যায় সিপিআর (CPR- Cardiopulmonary Resuscitation ) শুরু করতে পারেন । যদি আপনার জানা থাকে । আর জানা না থাকলে আপনার নিকটবর্তী হেলথ কেয়ার প্রফেশনালের সহযোগিতা নিতে পারেন ।
ধন্যবাদ
ডাঃ এমদাদুল হক (মোহন), পিটি
গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।।
রায়পুরা ফিজিওথেরাপি সেন্টার
রায়পুরা, নরসিংদী
08/05/2023
পারকিনসন এমন একটি রোগ যা মানুষকে ধীরে ধীরে অচল করে দেয়। ব্রেইনের ডোপামিন নামক একপ্রকার রাসায়নিক পদার্থের অভাবে মূলত পারকিনসন রোগটি হয়ে থাকে। এই রোগের প্রধান লক্ষণগুলো হচ্ছে চলাফেরার গতি কমতে থাকা, হাত এবং পায়ে কাঁপুনি, শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, কথা বলতে অসুবিধা, বিষণ্ণতা । সাধারণত পারকিনসন রোগটি পুরুষদের মধ্যে দেখা যায় বেশী যাদের বয়স ৫০ এর উর্ধ্বে । পারকিনসন রোগীদের জন্য ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপী একটি আবশ্যিক চিকিৎসা। কিন্তু অনেকেরই ফিজিওথেরাপী চিকিৎসা নিতে অনীহা থাকে কিংবা চিকিৎসকরা পরামর্শ দিতে বিলম্ব করে। পারকিনসন রোগ নির্ণয় হওয়া মাত্রই ফিজিওথেরাপী চিকিৎসা শুরু করতে হয় নতুবা রোগী দ্রুত চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পরে। দীর্ঘ দিন ফিজিওথেরাপী চিকিৎসা না নেওয়ার ফলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট জমে যায় এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পরে। এই জন্য পারকিনসন রোগীদের পড়ে গিয়ে হাঁড় ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অনেকক্ষেত্রে প্রচলিত ফিজিওথেরাপী পারকিনসন রোগীকে সুস্থ রাখার জন্য যথেষ্ট হয় না। একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে ভালো মানের ফিজিওথেরাপী চিকিৎসার মাধ্যমে পারকিনসন রোগীকে স্বাভাবিক জীবনযাপনে অব্যাহত রাখা যায়।
ফিজিওথেরাপী বিশেষজ্ঞ
ডাঃ এমদাদুল হক মোহন (পিটি)
বিপিটি
গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।।
#পারকিনসন # Neurology
08/10/2022
স্ট্রোকের সাথে সাথে কি করবেন
অনেকের ধারনা স্ট্রোক হার্টে হয় , আসলে স্ট্রোক হয় ব্রেইনে। হার্টে হলে বলে হার্ট এটার্ক বলে |
ব্রেইনে কোন কারণে রক্ত সরবরাহ বিঘ্ন হলে রক্তের অভাবে কিছু ব্রেইন টিস্যূ মারা যায় , এটাই স্ট্রোক ।
স্ট্রোকের সাথে সাথে বুঝতে পারলে জীবন রক্ষা সম্ভব । অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা সেটা বুঝতে পারি না , ফলে হাসপাতালে নিতে দেরি হয়ে, যায় ফলে স্ট্রোকের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং স্ট্রোক পরবর্তী সমস্যাও আরো বেড়ে যায় ।
প্রথমত আপনাকে FAST শব্দটি দ্বারা স্ট্রোক হয়েছে কিনা নিশ্চিত হোন ।
F= Face (মুখ ), স্ট্রোকের সাথে সাথে মুখ বেঁকে যায় ।
A= Arm (হাত ) শরীরের যে কোন এক পাশের হাত পা প্যারালাইসিস হয়ে যায়
S= Speech ( কথা) কথা বলতে সমস্যা হয় ।
T= Time to call 999 for Ambulance ।
আপনি FAST শব্দটি দ্বারা বুঝতে পারলেন, আপনার নিকটজন স্ট্রোক করছ এবং অ্যাম্বুলেন্স কল দিয়েছেন । হাসপাতালে নিয়ে যাবেন ।
কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স আসা পর্যন্ত এখন আপনি কি করবেন ?
১। রোগীর যদি জ্ঞান থাকে তাহলে এক পাশ করে শুইয়ে দিন । প্যারালাইসিস অংশ উপরে থাকবে, সুস্থ্য অংশ বিছানার সাথে নিচে থাকবে । একটি উচু বালিশ বা দুটো বালিশ দিয়ে মাথা উপরের দিকে রাখবেন । অবশ্যই মাথা এবং প্যারালাইসিস হাতকে সাপোর্ট দিয়ে রাখবেন । লক্ষ্য রাখবেন, প্যারালাইসিস হাত যেন না ঝুলে থাকে ।
২। কোনভাবেই প্যারালাইসিস হাতকে নিয়ে টানাটানি করবেন না । এতে করে পরবর্তীতে সোল্ডার সাবলাক্সেশন হয়ে যেতে পারে । বেশির ভাগক্ষেত্রেই এই ঘটনা হয়ে থাকে । ফলে ওই রোগী পরবর্তীতে ভাল করা কঠিন হয়ে যায় । বিশেষ করে হাতের ফাংশন বাধাগ্রস্ত হয় ।
৩। স্ট্রোক করা রোগীকে কোন কিছু খেতে দিবেন না, এমন কি পান করতেও দিবেন না ।
৪। শরীরে কোন টাইট কাপড় পরা থাকলে খুলে দিবেন, যাতে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে রোগীর কোন অসুবিধা না হয় ।
৫। রোগী যদি অজ্ঞান থাকে, তাহলে ভাল পাশে রোগীর শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস চেক করুন । শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস ওকে থাকলে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করুন ।
৬। আরও যদি শ্বাস প্রশ্বাস এবং পালস পাওয়া না যায় সিপিআর (CPR- Cardiopulmonary Resuscitation ) শুরু করতে পারেন । যদি আপনার জানা থাকে । আর জানা না থাকলে আপনার নিকটবর্তী হেলথ কেয়ার প্রফেশনালের সহযোগিতা নিতে পারেন ।
ধন্যবাদ
ডাঃ এমদাদুল হক (মোহন), পিটি
গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।।
08/09/2022
আজ ৮ সেপ্টেম্বর,২০২২ ‘বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস’। বিশ্বের ১২৫টি দেশে একযোগে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
১৯৫১ সালের ৮ সেপ্টেম্বরে ‘ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিকাল থেরাপি’ বর্তমান "ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি" তাদের যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৬ সালে ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপি ৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবছর এ দিবসটি পালন করে আসেছে।
চিকিৎসাব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব, ফিজিওথেরাপিস্টদের ভূমিকা ও অবদান চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ও সাধারণ মানুষের মাঝে পৌঁছানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালিত হয়।
ফিজিওথেরাপি গবেষণালব্ধ ও স্বতন্ত্র চিকিৎসা পদ্ধতি, যা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা রোগে সব বয়সী মানুষের জন্য বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিৎসা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ফিজিওথেরাপিস্টরা পুনর্বাসন চিকিৎসায় মানবদেহের কার্যক্ষমতা, শারীরিক সঞ্চালন, চলনব্যাপ্তির নিয়ন্ত্রণ, সর্বোচ্চ শারীরিক ক্ষমতার উন্নতি, ব্যথাজনিত উপসর্গ নিরাময় এবং শারীরিক ব্যাধি, অক্ষমতা এবং প্রতিবন্ধিতার চিকিৎসা ও প্রতিরোধ করে থাকেন। ফিজিওথেরাপিস্টরা মাস্কুলোস্কেলেটাল এন্ড অর্থোপেডিক, নিউরোলজিক্যাল, পেডিয়েট্রিক এবং নিউরোডেভলপমেন্টাল, স্পোর্টস, জেরিয়াট্রিক, গাইনিকোলজিক্যাল, কার্ডিওপালমোনারি রোগীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস -২০২২ সফল হোক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Raipura
Narsingdi
1630