Tanju super shop
আমাদের পেজ পাবেন সমস্ত খাঁটি পণ্য ইনসা আল্লাহ
03/11/2024
12/10/2024
ভাবে খাটি খেজুরের গুড় চিনবেন তা আজকে আলোচনা করছি। আমার আলোচনার প্রতিটি লাইন সত্য ও প্রমানিত।
প্রথম কথা হলো অরজিনাল খেজুরের গুড়ে খুব সুন্দর ঘ্রাণ থাকবে এবং একেবারে চকচকা ফকফকা হবে না। মনে রাখবেন চকচক করলেই সোনা হয়না। খেজুরের গুড় খয়েরি কালচে বর্ণের হবে। অতিরিক্ত লাল বা একটু সাদাটে গুড় কখনোই নির্ভেজাল খেজুরের গুড় নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় হাইড্রস বা রং ইউজ করে এই কালার আনা হয়। সো বি কেয়ারফুল। রং আপনার লিভার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। আর অতিরিক্ত হাইড্রস শরীরে পাচন ক্রিয়ায় মারাত্মক প্রবলেম দেখা দিতে পারে।
গুড় ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন। জিভে নোনতা স্বাদ লাগলে বুঝবেন এই গুড় খাঁটি নয়।পাটারী গুড় দুই আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। যদি নরম লাগে, বুঝবেন গুড়টি বেশ ভালো মানের। তবে শক্ত হলেও যে ভেজাল তা কিন্তু নয়। জাল বেশি হলে শক্ত হতে পারে তবে একেবারে দাত দিয়ে ভাজ্ঞা যায় না ওইটা বিপদজনক ওখানে মারাত্মক চিনি ইউজ করা আছে।
গুড় হালকা তিতা স্বাদের হওয়া মানেই ভেজাল নয়। যদি গুড় একটু হালকা তিতা স্বাদের হয়, তবে বুঝতে হবে গুড়ে জাল একটু বেশি পড়েছে। তাই একটু তিতকুটে স্বাদ নিয়েছে। স্বাদের দিক থেকে এমন গুড় খুব একটা সুখকর হবে না। তাই এমন গুড় না কিনাই ব্যাটার। তবে অনেকেই আবার এমন কড়া জালের গুড় খেতেই বেশি লাইক করে। সেটা ভিন্ন আলোচনা।
খেজুরের গুড় একেবারে নরম হলেও বর্তমানে সমস্যা। কারণ বর্তমানে অসাধু চক্র এত বেশি পরিমাণে চিনি দেয় এবং সেটা ঢাকতে আবার ময়দাও দেয়। ময়না দেওয়ার কারণ হলো গুড় যেন অতিরিক্ত শক্ত না হয়। কত বাটপার হলে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। ১৫০ কেজি রস। এর মধ্যে ১০০ কেজির উপরে চিনি। পাশাপাশি ময়দা কাপড়ের রং দিয়ে তার এলাকায় গুড় প্রস্তুত করা হয়। কতটা ভয়াবহ চিন্তা করেছেন একবার?? আর ওই গুড় বিক্রি করে ১২০-১৩০ টাকায়। ওইটা তো গুড় নয় ওইটা বিষ।
এবার চলুন কিছু কনফিউশান ক্লিয়ার করি। দানা বা মরিচা গুড়ে দানা থাকা মানেই কি চিনি?? এই ধারণাটি ভূল। মরিচা গুড় জালের উপর ডিপেন্ট করে শক্ত দানা, মোটা বা চিকন দানা পুরোটাই জালের উপর নির্ভরশীল । সুতরাং মরিচা গুড়ে দানা থাকবেই। ঝোলা বা রাব বা লালী বা মধু গুড়েও যদি জাল বেশি পড়ে যায় তাহলে কয়েকদিন পরে যে পাত্রে রাখবেন সেখানে হালকা দানা পড়তে পারে। তারমানেই সেটি ভেজাল নয়। তবে জাল কম দিলে ও সঠিক তাকে রেখে দিলে এই সমস্যা হয়না। এবং পাটারী গুড় যখন ভাংবেন ভেতরে খুদি খুদি মিহি দানা থাকবে। এটাও সাভাবিক ব্যাপার। বীচ ও হাজারি গুরের কালার অন্যরকম হবে কারণ ওইটা প্রসেসই ভিন্ন। বাকি সব গুড়ের খয়েরি কালচে বাদামী টাইপ হবে। আবারো বলছি গেলাম চকচক করিলেও সোনা হয়না।
এবারের গুড়ের সিজনে আপনার জন্য বেস্ট অপশন আমার খেজুরের গুড় ইনশাআল্লাহ। শতভাগ নিরাপদ নির্ভেজাল, শতভাগ খাটির গেরান্টি দিচ্ছি। অগ্রিম কোনো টাকা দিতে হবে না৷ গুড় নেওয়ার সময় দিতে পারবেন! মিনিমাম ১ কেজিও অর্ডার করতে পারবেন। আর হ্যা আমার দেওয়া কথা ও কাজে মিল না পেলে আমার পণ্য ব্যাক নিয়ে আপনার টাকা বুঝিয়ে দেব আপনাকে।
আবারো বলতেছি আমার দেওয়া কথা ও কাজে মিল না পেলে আমার পণ্য ব্যাক নিয়ে আপনার টাকা বুঝিয়ে দেব আপনাকে।ধন্যবাদ সবাইকে।
10/10/2024
খেজুরের গুড় কেন খাবেন?
শীতকালে পিঠাপুলি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় নলেন গুড় বা খেজুরের গুড়। শুধু স্বাদের জন্যই না, গুড়ের রয়েছে নানা স্বাস্থ্যকর গুণ। দীর্ঘ সময় ধরে আয়ুর্বেদশাস্ত্রে বিভিন্ন চিকিৎসায় গুড় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রস থেকে তৈরি এই গুড়ে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকায় এটি দেহের জন্য দারুণ উপকারী। ১০০ গ্রাম খেজুরের গুড়ে থাকে ১.৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.৩ গ্রাম ফ্যাট, ৮৫.৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ২.৫ গ্রাম আঁশ। এ ছাড়া এই গুড় থেকে সামান্য পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, জিংক, কপার ও ক্লোরাইড পাওয়া যায়।
গুড়ের উপকারিতাগুলো হলো—
১. গুড়ে পর্যাপ্ত আয়রন আছে। এটি রক্তস্বল্পতা রোধে সাহায্য করে।
২. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে গুড় খেতে পারেন। নিয়মিত গুড় খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৩. শরীরের ভেতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে গুড়।
৪. হজমপ্রক্রিয়া উন্নতি করতে গুড় সাহায্য করে।
৫. লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৭. দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৮. গুড়ের আছে রক্ত পরিশোধনক্ষমতা। রক্ত পরিষ্কার থাকলে কমে অনেক রোগের ঝুঁকি।
৯. অ্যান্টিটক্সিক বা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
১০. মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে গুড় উপকারী। এটি নিয়মিত সেবনে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে।
১১. এর আছে অ্যান্টিকার্সিনোজেনিক বৈশিষ্ট্য, যা ক্যানসারবিরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে।
১২. গুড় খেলে চোখের দুর্বলতা দূর হয়
খেজুরের গুড় পেতে চাইলে আমাদের পেজের সাথেই থাকুন।
09/10/2024
খাঁটি খেজুরের গুড় চেনার সহজ ৫টি উপায়ঃ
গুড়ে কোনো ভেজাল আছে কি না তা সহজেই বোঝা যায় কিছু কৌশল মেনে চললেই। কেনার সময় সতর্ক থাকুন এ সব উপায়ে-
১) কেনার সময় একটু গুড় ভেঙে নিয়ে চেখে দেখুন। জিভে নোনতা স্বাদ ঠেকলে বুঝবেন এই গুড় খাঁটি নয়। এতে কিছু ভেজাল মেশানো রয়েছে।
২) গুড় কেনার সময় গুড়ের ধারটা দুই আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। যদি নরম লাগে, বুঝবেন গুড়টি বেশ ভালো মানের। ধার কঠিন হলে সেওই গুড় না কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।
৩) যদি গুড় একটু তেতো স্বাদের হয়, তবে বুঝতে হবে গুড়টি বহু ক্ষণ ধরে জ্বাল দেওয়া হয়েছে। তাই একটু তিতকুটে স্বাদ নিয়েছে। স্বাদের দিক থেকে এমন গুড় খুব একটা সুখকর হবে না।
৪) গুড় যদি স্ফটিকের মতো সাদাটে দেখতে হয় তবে বুঝবেন, গুড়টি যে খেজুর রস দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল তার স্বাদ খুব একটা মিষ্টি ছিল না। তাই গুড়টিকে মিষ্টি করে তুলতে এতে প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম চিনি মেশানো হয়েছে। অনেক সময় গুড় খেতে গিয়েও চিনির সেই স্বাদ জিভে ঠেকে।
৫) সাধারণত গুড়ের রং গাঢ় বাদামি হয়। হলদেটে রঙের গুড় দেখলেই বুঝতে হবে তাতে অতিরিক্ত রাসায়নিক মেশানো হয়েছে।
10/08/2024
পাবনার ঐতিহ্যবাহী খাঁটি গাওয়া ঘি পাওয়া যাবে।স্বাদে ও মানে অতুলনীয়।।নিজেরা খাচ্ছি এবং বাচ্চাকে দিচ্ছি।আলহামদুলিল্লাহ সবাই আসল ঘি এর স্বাদ পাচ্ছি । পরিচিতদের অনেকেই আগে আমার থেকে এই ঘি নিয়েছেন।তাদের অনুরোধে এবং প্রাপ্তির সহজলভ্যতার জন্যই এই গ্রুপটি খোলা হয়েছে। কেউ পাবনার খাঁটি ঘি নিতে আগ্রহী হলে জানাবেন I
#ঘি_প্রতি_কেজি_১৪০০টাকা #ঘি_প্রতি_আধা_কেজি_৭৫০টাকা
**অল্প করে নিয়ে কেউ যদি স্বাদ পরখ
করতে চান।সেক্ষেত্রে...
#ঘি_প্রতি_২৫০গ্রাম_৪০০টাকা
09/08/2024
**খাঁটি দেশি ঘি**
শত শত বছর ধরে দেশী ঘি রান্না ও স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু আজকাল দেশি ঘি ব্যবহার কমে গেছে, কারণ অধিকাংশ খাবারই রান্নার তেল ও বাজারের ঘি দিয়ে রান্না করা হয়।
দেশি ঘি সুপারফুডে বিবেচিত, কারণ এর আছে জাদুকরী উপকারিতা, এটি শুধুমাত্র সর্দি-ফ্লু উপসর্গই কমায় না বরং শুষ্ক কাশিও দূর করে।
খাটি দেশি ঘি যে কোন প্রাণীর দুধে তৈরি করা যায়, কিন্তু এই ঘি বেশীরভাগই গরু মহিষের দুধে তৈরি হয়। অন্য পশুর দুধের তুলনা গরু, মহিষের দুধের দেশি ঘি। খুব বেশি হয়।
দেশী ঘি দুধের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে বা রান্না করলে এর কার্যকারিতা কমে না, কারণ দেশি ঘি তে পাওয়া যায় অনেক পুষ্টি উপাদান। সাধারণত এক চামচ দেশি ঘিতে নয় ক্যালোরি, পঁচিশ গ্রাম কোলেস্টেরল, ছয় গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, অর্ধেক গ্রাম ট্রান্স ফ্যাট, দুই শতাংশ ভিটামিন এ পাওয়া যায়।
নিয়মিত দেশী ঘি সেবনে চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাবে।
দখল থেকে মুক্তি
বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য এর লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এসব উপসর্গ থেকে মুক্তি পেতে ঘি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য উপসর্গ নিয়ে ভুগলে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে নিয়মিত একটা করে দেশি দাগি খাবেন। অথবা এক গ্লাস আধা গরম দুধে দুই চা চামচ যোগ করুন এবং পান করুন। আধা গরম দুধে দেশি ঘি ব্যবহার করলে কোষ্ঠকাঠিন্য লক্ষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
ভিটামিন এ ভরা
প্রতিদিন দেশি ঘি ব্যবহার করলে ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করতে হবে না, কারণ এক চামচ ঘি তে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন ই থাকে। ভিটামিন এ ত্বক, হাড় এবং ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে। ভিটামিন ডি হাড়কে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়। এছাড়া ভিটামিন ই চোখের জন্য উপকারী এবং রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য এই সকল ভিটামিন অপরিহার্য। হয়ে গেছে, যা দেশি ঘি তে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
টাইট থেকে পরিত্রাণ পাওয়া
পেটের চর্বি বা স্থূলতা বৃদ্ধি করলে দৃঢ়তা বৃদ্ধি হতে পারে, যা কখনও কখনও বিব্রতবোধও হতে পারে।
দেশি ঘি তে অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় যা চর্বি ও চর্বি কোষ সংকুচিত করে। আপনার যদি মনে হয় আপনার পেট দ্রুত চর্বি বাড়ছে, তাহলে দেশি ঘি ব্যবহার করতে পারে কাজে। এ ছাড়া দেশি ঘিতেও এক ধরনের ওমেগা-সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক। এর সঙ্গে দেশি ঘিয়েও আছে ওমেগা-থ্রী ফ্যাটি অ্যাসিড, যা চর্বি পোড়াতে উপকারী বলে মনে করা হয়।
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি
দেশী ঘি শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে চমৎকার উৎস। এর মধ্যে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড শারীরিক শক্তি ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যার ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পাদন করতে কোন অসুবিধা হয় না।
পাচনতন্ত্রের উন্নতি
স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য একটা সুস্থ পাকস্থলী থাকা খুবই জরুরী, কারণ আমাদের পেটসহ পুরো পাকস্থলী যদি ঠিকমত কাজ না করে, তাহলে আমরা যে খাবার খাই তা ঠিকমত হজম হবে না, যার ফলে শরীর সুস্থ থাকবে। আপনিও শক্তি পাবেন না। তাই স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সঠিক পরিপাক ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরী।
**
দেশি ঘি তে ফ্যাটি অ্যাসিড
* প্রাচুর্যের মধ্যে পাওয়া যায়*
,* যা খাবার ভালভাবে হজম করতে সাহায্য করে, যা খাবার থেকে শরীর সহজেই শক্তি পায়।
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষতিকর উপাদান থেকে মুক্তি পান।
বেশি তাপমাত্রায় দেশী ঘিয়ে খাবার রান্না করলে এর ক্ষতিকর প্রভাব এমনিতেই অদৃশ্য হয়ে যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। উল্টে তেলে রান্না করলে খাবারের ক্ষতিকর উপাদান দূর হবে। এগুলো অটোমেটিকভাবে মরে না, যা স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করা
শুষ্ক ত্বক দূর করতে ব্যবহার করা হয় দেশি ঘি। এর সঙ্গে শুষ্ক মাথার ত্বক দূর করতেও ব্যবহার করা হয় দেশি ঘি, মাথায় মাখলে শুধু চুল চকচকেই হয় না, মজবুতও হয়। আমিও বৃদ্ধি পাই।
এছাড়া ত্বকের প্রদাহ বা পোড়ার প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে দেশি ঘি প্রয়োগ করা হয়, এতে ফোলা কমে যায়।
ক্যান্সার থেকে রক্ষা
দেশীয় ঘি তে কোজিগেটেড লেনোলিস নামক একটি পদার্থ পাওয়া যায় যা রক্তচাপ সহ বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যাইহোক, বিজ্ঞানীরা বলছেন যে এই ক্ষেত্রে এখনও আরো চিকিৎসা গবেষণা প্রয়োজন।
মৌসুমি রোগ থেকে রক্ষা।
দেশি ঘি তে কয়েকটি তুলসী পাতা দিলে সর্দি, কাশি, ফ্লুর মত অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। পাশাপাশি তুলসী ও দেশী ঘি এর মিশ্রণও ডায়াবেটিসে উপকারী হতে পারে।
জয়েন্ট ব্যাথায় উপকারী
দেশী ঘি দীর্ঘদিন নিয়মিত খেলে শরীরের ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণই কমে না বরং পেশীর শক্তিও বাড়ে। এর সঙ্গে হাড় ও জয়েন্ট ব্যাথার লক্ষণও কমে যায়।
ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করা
রোগ প্রতিরোধে আমাদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করা খুবই জরুরি, ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী না হলে অনেক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দেশি ঘি তে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।
গলার প্রদাহ হ্রাস
দেশী ঘি গলার প্রদাহ কমাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রদাহ থেকে মুক্তি পেতে এক চামচ মধু, এক চিমটি আদা, এক চিমটি কালো মরিচ ও লবণ দিয়ে এক চামচ দেশী ঘি দিয়ে এক গ্লাস পানি দিন। একটি মিশ্রণ তৈরি করুন এবং পান করুন।
পেট ভরা থাকার অনুভূতি
ঘিয়ের চর্বি দীর্ঘদিন পেট ভরে থাকে, যা ক্ষুধামন্দা কমায় এবং ক্ষতিকর খাবার থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখে।
10/07/2024
আমাদের শপে পাবেন,
সরিষা ফুলের মধু
লিছু ফুলের মধু
কালোজিরা ফুলের মধু
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধু
এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মধু খুচরা ও পাইকারি অর্ডার নেওয়া হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Puran Bogra