Dr. Ashik Bappy

Dr. Ashik Bappy

Share

Dr. Md. Ashik Rahman Bappy
MBBS,RpMC
Doctor |Teacher

This page is intended for experience sharing and educational purposes.

For medical advice, please consult a specialist doctor

05/08/2026

কারোর হয় শুরু,
কারোর হয় সমাপ্তি।
জীবন ঠিক এভাবেই এগিয়ে চলে—
এটাই দুনিয়ার নিয়ম।

RpMC 49 RpMC 50

05/08/2026

🦋 Butterfly Effect: ছোট একটি সিদ্ধান্ত, বদলে দিতে পারে পুরো জীবন!

আপনি যদি "The Butterfly Effect" সিনেমায় দেখে থাকেন, তাহলে জানেন—একটি ছোট ঘটনা বা ছোট একটি সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে কত বড় পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। প্রথমে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও, সময়ের সাথে সাথে তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধারণা প্রযোজ্য।

স্বাস্থ্যে অনেক বড় বিপর্যয়ের শুরু হয় খুব ছোট একটি অবহেলা থেকে।

🔹 একটি ছোট কাটা ক্ষত (বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে) → সংক্রমণ → গ্যাংগ্রিন → অঙ্গ কেটে ফেলতে হতে পারে।

🔹 আজ রক্তচাপ না মাপা → বছরের পর বছর অজানা উচ্চ রক্তচাপ → স্ট্রোক, কিডনি বিকল বা হার্ট ফেইলিউর।

🔹 বুকের ব্যথাকে গ্যাস ভেবে এক ঘণ্টা দেরি করা → বেশি হার্টের পেশি নষ্ট হওয়া → স্থায়ী হার্ট ফেইলিউর বা মৃত্যুঝুঁকি।

🔹 অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স অসম্পূর্ণ রাখা → জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা (Antimicrobial Resistance) তৈরি → ভবিষ্যতে সাধারণ সংক্রমণও কঠিন হয়ে পড়া।

🔹 একটি টিকা বাদ দেওয়া → শুধু একজন নয়, পুরো পরিবার বা সমাজে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি।

🔹 গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপ না করা → প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া বা অন্যান্য জটিলতা → মা ও শিশুর জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।

স্বাস্থ্যে Butterfly Effect আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—

"বড় রোগ হঠাৎ করে হয় না; অনেক সময় তার বীজ রোপিত হয় ছোট ছোট অবহেলার মাধ্যমে।"

তাই—
✔️ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
✔️ অস্বাভাবিক লক্ষণকে অবহেলা করবেন না।
✔️ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সম্পূর্ণ করুন।
✔️ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে গুরুত্ব দিন।

মনে রাখবেন, আজকের একটি ছোট সচেতনতা আগামী দিনের একটি বড় বিপদকে থামিয়ে দিতে পারে। কারণ স্বাস্থ্যে, ছোট সিদ্ধান্তই অনেক সময় সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।

04/08/2026

Intern Doctor❌
Original Dcotor❌
Internet Doctor ✅

04/08/2026

আজ থেকে প্রায় ৬ মাস আগে আমার এক পরিচিত আত্মীয়ের হার্টে গুরুতর ব্লক ধরা পড়ে। বয়স মাত্র ৪০-এর কাছাকাছি। দুটি ছোট ছোট সন্তান।
তাঁদের অনুরোধে আমি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্টের বাইপাস সার্জারির সব ব্যবস্থা করে দিই।

অপারেশনের তারিখ ঠিক হয়।সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়।আমি বারবার হাসপাতালে গিয়ে রোগীকে দেখি, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলি।কিন্তু অপারেশনের মাত্র ৪ দিন আগে তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।

ডাক্তারদের কাছে আমার মান-সম্মান নষ্ট হলো।খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।ভাবলাম, হয়তো কোনো বড় প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন করাবেন।
কিন্তু কয়েকদিন পর শুনলাম—অপারেশন নয়, তারা নাকি "শুয়ে শুয়ে হার্টের ব্লক ছাড়ানোর" চিকিৎসা শুরু করেছেন।

এরপর শুনলাম...
"আর কোনো ওষুধ লাগবে না।"
"হার্ট নাকি ২০ বছরের যুবকের মতো হয়ে গেছে।"
আমি চুপ ছিলাম।
কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞান গল্পে চলে না, প্রমাণে চলে।
মাত্র ৩ মাস পর খবর পেলাম... তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।

দুটি ছোট সন্তান আজ বাবাহীন।
এটা কি শুধু মৃত্যু?
নাকি ভুল তথ্য, মিথ্যা আশ্বাস আর প্রতারণার নির্মম পরিণতি?

আজ কয়েকদিন ধরে দেখছি FoodAppi নামে একজন ব্লগার হার্টের ব্লকের এই কথিত চিকিৎসার প্রচার করছেন। আগে থেকেই জানতাম, আপুর অনেক কিছু ব্রেইন নেই। আর আমাদের দেশে দুঃখজনকভাবে যাদের লজ্জা ও ব্রেইন নেই, কিন্তু ক্যামেরার সামনে নাটক করতে পারে, তাদেরই আবার লাখ লাখ ফলোয়ার।

ভিডিওর মার্কেটিংটা এমন—"শুয়ে শুয়ে আরামে, রিল্যাক্সে হার্টের ব্লক ছাড়ান!"
ভাবুন তো, কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হলে একজন মানুষ এমন কথা বলতে পারেন! একজন চিকিৎসক নন, তবুও কীভাবে এমন গুরুতর রোগের চিকিৎসা নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার সাহস পান?

এমনিতেই সারাদিন বার্গার, পিজ্জা, নানা রিচ ফুডের প্রচারণা করে মানুষের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা হয়। এখন আবার মানুষ যখন অসুস্থ, তখন সঠিক চিকিৎসার পথ থেকে সরিয়ে এমন একটি পদ্ধতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, যার বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।

শুনছি, পায়ে পাইপ দিয়ে বাতাস করার ফি আড়াই লাখ টাকারও বেশি! অথচ এই টাকায় বাংলাদেশের অনেক জায়গায় হার্টের বাইপাস অপারেশন পর্যন্ত করা সম্ভব। এত টাকা না নিলে বট বাহিনী চলবে কীভাবে? আর প্রচারণার জন্য মোটা অঙ্কের অর্থই বা আসবে কোথা থেকে?

একটা প্রশ্ন করি...
যদি সত্যিই শুয়ে থেকে পায়ে বাতাস লাগিয়ে হার্টের ব্লক খুলে যেত, তাহলে কাদের সাহেবের জন্য কেন প্রাইভেট জেটে করে ডা.দেবিশেটিকে আনা হল? কেন সিঙ্গাপুরে গিয়ে বাইপাস অপারেশন করাতে হলো? চাইলে তো তিনি ৮–১০টা এমন মেশিন কিনে দেশে বসেই চিকিৎসা নিতে পারতেন!

হার্টের ব্লক কোনো খেলনা নয়। ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য হতে পারে একটি পরিবার, দুটি এতিম সন্তান, কিংবা একটি অকাল মৃত্যু।

এসব প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল হয়তো আপনার বা আমার কোনো প্রিয় মানুষ এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারাবেন, এমনকি জীবনও দিতে পারেন।
সচেতন হোন। প্রতিবাদ করুন। সত্য তথ্য ছড়িয়ে দিন। একটি শেয়ার হয়তো কারও জীবন বাঁচাতে পারে।

©Dr.Aminul Islam

03/08/2026

ENGLISH GRAMMAR – FULL PREPARATION

For Medical, University & Nursing Admission Tests

A Complete Guide to Master English Grammar
✔ Complete Overview of Grammar Rules
✔ Easy-to-Understand Explanations with Examples
✔ Previous Years' Admission Questions
✔ Topic-wise Practice Exercises
✔ Exam-Oriented Shortcuts & Techniques
✔ Model Tests & Self-Assessment

Prepared by
Dr. Md. Ashik Rahman Bappy
MBBS, Rangpur Medical College
DU-A Unit (2018–19)
JU-D Unit (2018–19)

Strong Grammar. Strong Admission.

02/08/2026

5 মার্ক কেটে কিভাবে রংপুর মেডিকেলে চান্স!

Second Time to Rangpur Medical College ❤️

আসসালামু আলাইকুম।

ফার্স্ট টাইমে ব্যর্থ হওয়া মানেই গল্প শেষ হয়ে যাওয়া নয়,
বরং অনেক সময় এই ব্যর্থতাই আমাদের ভেতরের আসল শক্তিটা চিনিয়ে দেয়।

আজ আমি শেয়ার করবো আমার
Second Time Medical Admission Journey।

ফার্স্ট টাইমে আমি মেডিকেল প্রিপারেশন নিয়েছিলাম
Retina Full Batch-এ।
পাশাপাশি আমার নিজের ভাই—
যিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ, ৪৮ ব্যাচের—
তার কাছেও পড়তাম।

পুরো admission period জুড়ে
আমি একদম dedication-এর সাথে পড়াশোনা করেছি।
সব ক্লাস, সব এক্সাম—
সবকিছুই নিয়মিত করেছি।

মেডিকেল পরীক্ষার দিন
প্রশ্নগুলো আগের বছরের তুলনায় তুলনামূলক সহজই মনে হচ্ছিল।
এক্সাম হলের ভেতর তখন মনে হচ্ছিল—
হয়তো এইবার আমার চান্স হবে।

কিন্তু পরীক্ষার শেষের দিকে এসে
আমি সময়টা ঠিকভাবে মেইনটেইন করতে পারিনি।
শেষ দশ মিনিটে হঠাৎ panic করে ফেলি
এবং কিছু জানা প্রশ্নও ভুল করে ফেলি।

১৯ জানুয়ারি রেজাল্ট প্রকাশ হয়।
আমি পাই ৬৯—
এবং আমার চান্স হয় না।

সত্যি বলতে,
আমি জীবনে কখনো কোনো পরীক্ষায় unsuccessful হইনি।
এটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম failure।
প্রথমবার বুঝতে পারি
ব্যর্থতার অনুভূতিটা কতটা ভারী হয়।

চান্স না পাওয়ার পর
কিছুদিন আমি ভীষণ হতাশ ছিলাম।
মনে হতো—
হয়তো আমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা এখানেই শেষ।

এরপর আমি Dental admission-এর জন্য প্রিপারেশন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে পরীক্ষা ছিল।
নিজেকে বোঝাই—
হার মানা যাবে নয়,
এই জায়গা থেকেই আবার fight back করতে হবে।

নতুন করে পড়া শুরু করি,
পুরো সিলেবাস রিভিশন দেই,
নিজের যেসব জায়গায় ঘাটতি ছিল
সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করি।

আলহামদুলিল্লাহ,
Dental Admission Test-এ
সারা বাংলাদেশে ২০২তম হয়ে
Sir Salimullah Medical College (Dental Unit)-এ চান্স পাই।

নিজের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা
আবার ফিরে পেয়ে
আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম।
নিজের ভেতর আবার confidence ফিরে আসে—
হ্যাঁ, আমি পারবো।

সেই দিন থেকেই সিদ্ধান্ত নিই—
আমি আবারও
Second Time MBBS Admission Test দিবো।

এর মধ্যে BDS ক্লাস শুরু হয়ে যায়।
বাসার কাছাকাছি হওয়ায়
আমি Rangpur Medical College, Dental Unit-এ চলে আসি।
প্রায় ২০–২৫ দিন ক্লাসও করি।

ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল।
তাই সেই স্বপ্ন পূরণের আশাতেই
আমি BDS ক্লাস শুরু করেছিলাম।
কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই
একটা বিষয় পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারি—
আমার মন সেখানে বসছে না।

আমি বুঝতে পারি,
নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে
আমাকে আরেকবার পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে
MBBS preparation-এ ফিরতেই হবে।

এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া সহজ ছিল না ।
কারণ চান্স না পেলে
BDS-এ আমার year gap হয়ে যেত।

তবুও আমি নিজের মনের কথাই শুনি।
সবচেয়ে ভালো ব্যাপার ছিল—
আমার family member-রা
আমার এই সিদ্ধান্তে পুরোপুরি supportive ছিল।

২০ আগস্ট থেকে
আমি পুরোপুরি শুরু করি
আমার Second Admission Journey।

আমি নিজেই routine তৈরি করে পড়াশোনা করতাম।
আমার ভাই সেই routine অনুযায়ী
প্রতিটি subject-এর জন্য
question তৈরি করে দিত।

আমি আমার ভাইয়ের coaching-এর
সব exam নিয়মিত attend করতাম।
সে নিজেই আমার পড়াশোনা
খুব যত্ন করে monitor করতো।

এর পাশাপাশি
অক্টোবরের শেষ দিকে
আমি Retina Model Test Batch-এ ভর্তি হই।
সব tutorial attend করি।
Paper final, subject final—
সব নিজের মতো করে পড়তাম।

২০ আগস্ট থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত
আমি অসংখ্যবার revision দিয়েছি।
এই পুরো সময়টায়
আমার ভাই নিজে থেকেই
আমাকে নিয়মিত monitor করেছে।

Second timer-রা সাধারণত
আগেই জানে—
question pattern কেমন হয়,
কিভাবে পড়তে হয়।
শুধু নিজের lacking-গুলো ঠিকভাবে পূরণ করতে পারলেই
second time ভালো করা সম্ভব।

এই সময়টা mentally ভীষণ tough ছিল।
অনেক emotional মুহূর্ত গেছে।
কত দিন যে চোখের পানি ফেলেছি
তার কোনো হিসাব নেই—
তবুও পড়াশোনা থামাইনি।

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারলে
এবং চেষ্টা চালিয়ে গেলে
আমি সত্যিই বিশ্বাস করি—
সবকিছুই possible।

Second time আমি পাই ৮৪ marks।
Dental-এ ভর্তির কারণে ৫ marks কেটে
আমার final score দাঁড়ায় ৭৯—
এবং আলহামদুলিল্লাহ
আমি Rangpur Medical College-এ চান্স পাই।

সবশেষে একটাই কথা বলবো—
“The word Impossible itself says — I am possible ❤️”

Boni Bristy, RpMC 55 Batch

02/08/2026

🎯 মেডিকেল ভর্তি ২০২৬–২৭ | প্রাইভেট প্রোগ্রাম

EduBuddy Academy
Better Care, Better Future

স্বপ্নের মেডিকেল কলেজে ভর্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে আমাদের Medical Admission Private Programme 2026–27।

📚 প্রোগ্রামের বিশেষত্ব

✅ সম্পূর্ণ সিলেবাস দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন
✅ এক্সক্লুসিভ প্রাইভেট ব্যাচ
✅ চ্যাপ্টারভিত্তিক MCQ প্র্যাকটিস
✅ সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট
✅ সুপার মডেল টেস্ট সিরিজ
✅ GK ও English-এর বিশেষ ক্লাস
✅ প্রতিদিন সমস্যা সমাধান (Problem Solving Session)
✅ ফাইনাল রিভিশন প্রোগ্রাম

👨‍🏫 আমাদের মেন্টরবৃন্দ

🔹 Dr. Ashik Bappy
MBBS, RpMC
৭+ বছরের অভিজ্ঞতা

🔹 Dr. Marefuzzaman Mim
MBBS, RpMC
৭+ বছরের অভিজ্ঞতা

🔹 Boni Bristy
MBBS, 55th Batch, RpMC
Ex: SSMC

📞 যোগাযোগ:
01864132628
01750763978

📘 page: EduBuddy Academy

EduBuddy Academy
Better Care, Better Future

02/08/2026

এই ছবিটি দেখে খুবই মন খারাপ হয়েছে আমার। ছবির ভদ্র মহিলা উনার স্বামীকে কোলে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসছেন। পরীক্ষা-নীরিক্ষা করাতেও নিয়ে যান এভাবে কোলে করে। কারন উনার স্বামীর নিজের চলাচল করার ক্ষমতা নেই। সাহায্য করার মতো আত্নীয়-স্বজন পাশে নাই, অসহায়দের অবশ্য আত্নীয়-স্বজন থাকে না।

যাহোক, একটি হুইল চেয়ার হলে স্বামীকে এভাবে কোলে নেয়া লাগত না। কিন্তু সে সামর্থ্যও নেই। ভদ্র মহিলার স্বামী মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। সরকারী হাসপাতালে এভাবে স্বামীকে কোলে নিয়ে আসেন প্রতিবার কেমোথেরাপী দেয়ার জন্য।

ছবিটাতে আমি দেখছি- চরম অসহায় একজন মহিলা তার মৃত্যুপথযাত্রি স্বামীকে যে কোন মূল্যে বাঁচানোর আপ্রান চেষ্টা এবং একজন প্রেমিকা- সহধর্মিণীর তার প্রিয়জনের প্রতি পরম ভালোবাসা-দায়িত্ববোধ। আমি মন থেকে প্রার্থনা করি ঈশ্বর এই মানুষদুটিকে কোনভাবেই আলাদা করবেন না, এই যুগে এমন ভালোবাসা- দায়িত্ববোধ বিরল।

©Ratin Sir

01/08/2026

বণলতা এক্সপ্রেস সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দৃশ্যে দেখা যায়—ডা. আশহাব (শরিফুল রাজ) সফলভাবে আফিয়া (মম)-এর সন্তান প্রসব করান। কিন্তু শিশুর জন্মের কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, মা এখনো মারাত্মক ঝুঁকিতে আছেন। কারণ, প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) সম্পূর্ণ বের হয়নি—যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Retained Placenta বলা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া ছাড়া তখন আর কোনো নিরাপদ বিকল্প থাকে না।

বাস্তব জীবনেও আমাদের দেশে এখনো অনেক প্রসব বাড়িতেই হয়ে থাকে। আর সেই কারণেই Retained Placenta-এর মতো জটিলতা থেকে অপ্রয়োজনীয় মাতৃমৃত্যু ও গুরুতর অসুস্থতার ঘটনা আজও ঘটে।

Retained Placenta-এর সম্ভাব্য জটিলতাগুলো হলো:

- অতিরিক্ত প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণ (Postpartum Hemorrhage)
- শক (Hypovolemic Shock)
- জরায়ুতে সংক্রমণ (Postpartum Endometritis/Sepsis)
- জরায়ু ঠিকমতো সংকুচিত না হওয়া (Uterine Atony)
- রক্তস্বল্পতা (Severe Anemia)
- Disseminated Intravascular Coagulation (DIC)-এর মতো প্রাণঘাতী জটিলতা
- সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মাতৃমৃত্যু

সচেতন হোন, নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করুন।

গর্ভবতী মায়েদের বাড়িতে নয়, নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর তত্ত্বাবধানে প্রসব করানোর চেষ্টা করুন। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় এবং মা ও নবজাতক—উভয়ের জীবনই অনেক বেশি নিরাপদ থাকে।

একটি সঠিক সিদ্ধান্ত, বাঁচাতে পারে দুটি জীবন।

01/08/2026
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Rangpur
5400