Hair Regrowth

Hair Regrowth

Share

'Hair Regrowth' has been manufacturing and distributing hair care products both for men and women. We use natural ingredients for hair care.

Only 100% original products are promo
ted in this page.

26/09/2020

দ্রুত চুল বৃদ্ধির সিক্রেট | ৭টি টিপস জানলেই নিশ্চিত হেয়ার গ্রোথ:

ঘাড় পর্যন্ত এসে যেন কিছুতেই আর চুল বাড়ছে না! অনেকেরই এই সমস্যাটা হয় চুল খানিকটা লম্বা হওয়ার পর হঠাৎ করেই গ্রোথ কমে যায়। আজ দ্রুত চুল বৃদ্ধির সিক্রেট নিয়ে আপনাদের জানাব, যা অ্যাপ্লাই করে চুলের দ্রুত বৃদ্ধি সম্ভব।

দ্রুত চুল বৃদ্ধির সিক্রেট-

(১) নিয়মিত চুল কাটুন-
চুলের নিরবচ্ছিন্ন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নিয়ম করে চুলের আগা ট্রিম করুন। প্রতি দুই মাসে অন্তত একবার চুলের আগা ছাঁটলে চুলের আগা ফাঁটে না বা চুল ড্যামেজও হয় না। তাছাড়া চুলকে সুন্দর একটা শেপ দিতে হলে নিয়মিত চুল কাটতে হবে।

(২) নিয়মিত ব্রাশ করুন-
শুধুমাত্র চিরুনি দিয়ে চুল আচড়েলেই চলবে না! প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিট চুল ব্রাশ করুন। এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়।

(৩) প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান-
খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। ফল-মূল, শাক-সবজী, মাছ, মাংস দুধ ইত্যাদি খেলে প্রচুর পরিমানে কেরাটিন উৎপন্ন হয় যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

(৪) অ্যালোভেরা হেয়ার প্যাক-
তিনটি অ্যালোভেরা পাতার জেল-এর সাথে মধু মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আরেকটি প্যাক ট্রাই করতে পারেন। টমেটো ব্লেন্ড করে তার সাথে অ্যালোভেরার নির্যাস ও অলিভ ওয়েল মিশিয়ে একটু গরম করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। আপনি চাইলে যতক্ষণ ইচ্ছা রাখতে পারেন। দুটি হেয়ার প্যাকই চুল বৃদ্ধিতে ভালো কাজ করে।

(৫) বায়োটিন-
বায়োটিন পানিতে দ্রবণীয় এক প্রাকারের ভিটামিন বি। চুল বৃদ্ধিতে বায়োটিনেরও ভূমিকা আছে তাই এটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

(৬) নিয়মিত শ্যাম্পু করুন-
চুল পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শ্যম্পু করুন। প্রথমে বোতল থেকে হাতের তালুতে শ্যম্পু ঢেলে একটু পানি দিয়ে ঘষে তারপর চুলে লাগান। আঙ্গুল দিয়ে মাথায় বিলি কেটে শ্যাম্পু করুন। তবে খেয়াল রাখবেন কখনোই চুলের গোড়ায় বা মাথার স্কাল্পে যেন কন্ডিশনার না লাগে কারণ কন্ডিশনার ত্বকের জন্য খুব একটা ভালো না।

(৭) পরিমিত ঘুম-
স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘচুলের জন্য প্রয়োজন সুনিদ্রা। কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্জীবনের জন্য প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ভালো করে ঘুমোতে হবে।

20/09/2020

গরমে চুলের যত্ন-

এই সময়ে চুলের যত্নের উপকরণ হওয়া চাই সহজলভ্য, যা সহজেই ঘরে পাওয়া যাবে। যেহেতু এখন গরম ও বৃষ্টি দুইই দেখা যাচ্ছে তাই উপকরণগুলো বেছে নিতে হবে চুলের ধরন বুঝে। তৈলাক্ত, শুষ্ক ও স্বাভাবিক—তিন ধরনের চুলের জন্যই উপাদান ব্যবহারের আগে সঠিক পরিমাণ ও নিয়ম জেনে নেওয়া জরুরি। আবার এই সময়ে অনেক খাবারের খোসা বা অবশিষ্ট অংশ ফেলে না দিয়ে চুলের যত্নে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।

তৈলাক্ত চুলের যত্ন

ভিটামিন সি চুলের ও আমাদের শরীর দুইয়ের জন্যও বিশেষ দরকারি। লেবুর শরবত তৈরি করার পর তার খোসা ফেলে না দিয়ে সহজেই চুলের যত্নে ব্যবহার করা যায়। কয়েকটি লেবুর খোসা ও ৩ কোয়া রসুন ভালোমতো পেস্ট করে নিন। এবার এই পেস্টটি শুধু মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। রসুনের মধ্যে থাকা সালফার ও লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড মাথার কোষের ভেতরে প্রবেশ করবে এই সময়ে। পরে চুল শ্যাম্পু করুন। এই প্যাকটি চুল পড়া রোধে খুব ভালো কাজ করে।

শুষ্ক চুলের যত্ন

একটি পেঁয়াজের রসের সঙ্গে অর্ধেক পাকা কলা ও এক টেবিল চামচ মধু ভালোমতো ব্লেন্ড করে নিন। এরপর প্যাকটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পরে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুষ্ক চুলে মসৃণতা আনে এই প্যাকটি।

স্বাভাবিক চুলের জন্য

একটি পেঁয়াজের রস প্রথমে পরিষ্কার মাথার ত্বকে লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট পর এটি শুকিয়ে গেলে ঘরে থাকা নারিকেল বা জলপাইয়ের তেল গরম করে মালিশ করে নিন। এরপর শ্যাম্পু করুন। চুল খুব দ্রুত লম্বা হবে।

শ্যাম্পুর বিকল্প ও রং করা চুলের জন্য মসুর ডাল বেশ ভালো কাজ করে। দুই টেবিল চামচ শর্ষেবাটা ও দুই টেবিল চামচ মসুর ডাল সারা রাত ভিজিয়ে রেখে পাতলা পেস্ট করে নিন। এবার পরিষ্কার মাথার চুলের গোড়ায় এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। এ সময়ে বাসায় থেকে চুলে রং করার ফলে চুলের গোড়ায় থাকা গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ প্যাকটি মাথার ত্বক পরিষ্কার করে গ্রন্থির মুখ খুলে দেয়।

চুল ফাটা দূর করতে

চুল ফাটা দূর করতে আদারস মাথার ত্বকে ব্যবহারের পর শুকিয়ে গেলে হালকা গরম নারকেল বা জলপাইয়ের তেল মালিশ করে নিন। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। তবে ফাটা অংশ কাটতে চাইলে সহজ নিয়ম হলো ভেজা চুলের মাঝবরাবর সিঁথি করে দুই পাশে সমান করে নিচ থেকে কেটে ফেলা। এ ছাড়া মাথা নিচু করে ভেজা চুল পেছন থেকে সামনে এনে সমান করে আঁচড়ে নিয়ে কেটে নিতে পারেন। এতে চুলে ভলিউম লেয়ার আসবে।

কন্ডিশনারের বিকল্প চা–পাতা

বাড়িতে চা খাওয়ার পর চায়ের পাতা ফেলে না দিয়ে কন্ডিশনারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এই চা–পাতা পানিতে ভিজিয়ে শ্যাম্পুর পর চুলে দিয়ে স্বাভাবিক পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কিন্তু এর জন্য চা তৈরির সময়ে কোনো রকম চিনি ব্যবহার করা যাবে না। তাতে চুলে আঠালো ভাব চলে আসবে।

15/09/2020

চুল ঝড়ে পাতলা হয়ে যাচ্ছে, এই ৮ খাবার যা চুল পড়া কমাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে:

চুল পড়া আজকের দিনে এক অন্যতম প্রধান সমস্যা। এর জন্য বাজারে বিভিন্ন তেল রয়েছে, যা চুল পড়া কমাতে সহায়তা করে। তবে কোন তেল, কতটা নিরাপদ তা আমাদের কারও জানা নেই। প্রাকৃতিক প্রতিকার চুলের স্বাস্থ্যের জন্য সর্বদা ভাল। খারাপ ডায়েট, বদহজম এবং কম মাত্রায় চুলের যত্ন সহ বেশ কয়েকটি কারণের কারণে চুল ক্ষতি হতে পারে। চুল পড়া কমাতে ডায়েট বড় ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন এ, সি, ডি, ই, প্রোটিন, জিঙ্ক এবং আয়রনের মতো পুষ্টিকর চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর। এই পুষ্টিগুলি চুলকে শক্তিশালী, চকচকে করে এবং বিকাশের উন্নতি করে। পুষ্টিবিদরা তাই চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য আটটি খাবারের বিষয়ে জানিয়েছেন, যা চুল পড়া কমাতে সহায়তা করতে পারে ।

পালং: পালং শাকে আয়রন, ভিটামিন এ এবং সি জাতীয় পুষ্টি থাকে। পালং চুলকে আরও মজবুত করতে এবং চুল পড়া কমাতে খুব উপকারী। পালং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সহায়তা করে। এতে থাকা ভিটামিন এ রয়েছে কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং রঙ বাড়ায়।

ডিম: ডিম হ'ল প্রোটিনের সমৃদ্ধ উত্স যা চুলের বৃদ্ধির জন্য উন্নত উপাদান। প্রোটিন গ্রহণ চুলের ক্ষতি রোধ করে এবং চুল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

মাছ: মাছ চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা চুল পড়া রোধ করতে এবং চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়তা করে।

ফুলকপি: ফুলকপিতে ভিটামিন এ, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, দস্তা এবং আয়রন থাকে। এগুলি সবই চুল পড়া কমানোর সেরা উপায়।

অ্যাভোকাডো: চুল পড়া কমাতে অ্যাভোকাডো খুব উন্নত ভূমিকা পালন করে। অ্যাভোকাডো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। এটি চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং চুল পড়া রোধ করে।

ওটস: ওটস শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিন এক বাটি ওটস খাওয়া চুলের জন্য স্বাস্থ্যকর। এটি চুল ঘন এবং শক্তিশালী করে তোলে এবং চুল পড়া রোধ করে। এটিতে জিংক, ওমেগা -সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি চুলের বৃদ্ধিতে উত্সাহ দেয়।

আখরোট: আখরোটে অনেক রকম পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা চুলের পক্ষে ভাল এবং চুলের বৃদ্ধিতে প্রচার করে। এটি ভিটামিন, দস্তা এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা চুল বৃদ্ধির জন্য উপকারী।

গাজর: চুল পড়া কমাতে গাজর খুব ভাল উপাদান। বিটা ক্যারোটিন একটি পুষ্টি যা চুল পড়া রোধে সহায়তা করে। গাজর বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। গাজরে ভিটামিন কে, সি, বি 6, বি 1, বি 3, বি 2, ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ফসফরাস সমৃদ্ধ যা স্বাস্থ্যকর এবং শক্তিশালী চুলের জন্য প্রয়োজনীয়। প্রতিদিন গাজরের রস পান করা চুলের ক্ষতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারে।

Photos from Hair Regrowth's post 14/09/2020

এই ভেজালের ভিড়ে আমরা মানুষের চাহিদনুযায়ী এই তেল উৎপাদন করে থাকি।
👉 এখন মানুষের সবচেয়ে কমন চিন্তা হচ্ছে চুলপড়া, বিশেষ করে বাচ্চা, টিনেজার ছেলে মেয়ে কারোই চুল পড়া কমছেনা।
আমার নিজের ছেলে মেয়েরও একই সমস্যা। তাই অনেকদিন ধরে আমি নিজে এই প্রাকৃতিক হারবাল তেল তৈরি করে অনেক উপকার পেয়েছি।
এই তেল ব্যাবহারের এক সপ্তাহের মধ্যেই চুল পড়া কমে যায় এবং নুতন চুল গজাতে সাহায্য করে।এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার চুলের পরিবর্তন। চুল হবে সুস্থ সুন্দর খুশকি মুক্ত। এই ছাড়া চুলের গোড়া হবে মুজবুত, আর চুল হবে অনেক নরম ও মসৃণ।
আর এসব ধরনের চাহিদা পূরণ করেই আমি আমার পণ্য বিক্রি করি😇 এবং ইনশাআল্লাহ আগামীতেও এভাবে সততার সাথেই আমি আমার ব্যবসা চালিয়ে যাব।😇
আপনাদের সকলের কাছেই আমি দোয়া এবং সহযোগিতা কামনা করছি🤗 যাতে আমি আরও অনেক এগিয়ে যেতে পারি।☺️

14/09/2020

নতুন চুল গজানোর 8টি উপায় জানা আছে কি?:

চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দুটি কাজ করতে হবে। একটি হলো চুল ঝরে যাওয়া রোধ করা, অপরটি নতুন চুল গজানো। চুল ঝরে যাওয়া রোধ করা নিয়ে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন লেখালেখি দেখি। সেই তুলনায় নতুন চুল গজানোর উপায় নিয়ে জানার সুযোগটা কম। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে নতুন চুল গজানো সম্ভব।

মূলত, আমাদের বয়স বাড়ার কারণে অথবা বংশগত বা পরিবেশের প্রভাবে চুল পড়ে যেতে থাকে। এ কারণে আমাদের মন তো খারাপ হয়ই, আবার মনে হয় যদি কৈশোরের মতো চুল আবার হতো কোনো ভাবে। আমাদের মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে যদি আমরা উদ্দীপনা দিতে পারি, তাহলে মাথায় নতুন চুল গজানো সম্ভব। প্রতিটি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালনের ব্যবস্থা রয়েছে। এটাকে যদি বাড়ানো যায়, তাহলেও নতুন চুল গজানো সম্ভব।

মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়:
প্রথম উপায়:
প্রথম উপায় হলো ম্যাসাজ করা। নিয়মিত চুল ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং স্ক্যাল্প উদ্দীপিত হবে। এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে থাকুন। ভিটামিন ই চুলের জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিশন এর যোগান দেয়। ভিটামিন ই এর সাথে চা এর নির্যাস যোগ করতে পারেন। এই দুটো ভালো ভাবে মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙ্গুলের সাহায্যে পুরো মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ৫-৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। চুলগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সম্পূর্ণ চুল আঁচড়ে নিন।
কিছুক্ষণ পর সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুল গজানোর জন্য দিনে ৩ বার ম্যাসাজ করতে হবে এই নিয়মে। কিন্তু বারবার শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হবে।

দ্বিতীয় উপায়:
চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন চুল গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়।

এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন। যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন।

ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে।

তৃতীয় উপায়
এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে যেটা আপনার স্ক্যাল্পের মৃত কোষগুলো ঝরে যেতে সাহায্য করবে। এই মৃত কোষগুলো স্ক্যাল্পের ফলিকল ব্লক করে রাখে, যে কারণে নতুন চুল গজানোর পথে বাঁধা দেয়। কেননা তখন স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ়ের মত করে লাগিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

নতুন চুল গজানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
(১) প্রোটিন
পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন- আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন।

সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

(২) আয়রন আর জিঙ্ক
আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান।

(৩) ভিটামিন সি
পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।

৪) কালোজিরা
কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।

কিছু সাধারণ যত্ন
১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা এবং আঁচড়ানো। কিন্তু অতিরিক্ত আঁচড়ানো চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়।

২. পেঁয়াজ এর রস চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন | নিয়মিত ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাবে।

৩. মেহেদি পাতা কিছু দিন ঘন ঘন ব্যবহার করুন। পাতা বেটে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৪. শুকনা আমলকি পানিতে ভিজিয়ে লাগাতে পারেন।

৫. খাঁটি কালো জিরা তেল বা নির্যাস বেশি বেশি ব্যবহার করতে পারেন।

12/09/2020

ঘাম থেকে কী ধরনের সমস্যা হয়?

ঘাম থেকে যে টক্সিন নির্গত হয় তা আমাদের চুলের জন্য খারাপ। ঘামের মধ্যে যে সল্ট বা লবণ উপাদান থাকে, তা চুলের আর্দ্রতা শুষে নেয়। তাই চুল সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে চুল ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘাম চুলের কালার মলিকিউল বা রঞ্জক পদার্থ নষ্ট করে, তাই চুল সহজেই পেকে যেতে থাকে। আর সব থেকে বড় কথা ঘাম জমে স্কাল্পের (মাথার ত্বকের) ক্ষতি হয়, যা চুলের বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।

মেয়ে

খেলা কিংবা জিমে : মেয়েদের চুল লম্বা বলে ঘামও বেশি হয়। কারণ চুলের গোড়ায় বাতাস খুব একটা চলাচল করতে পারে না। চুলের ভেতরে বিলি কেটে ভেজাভাব দূর করার চেষ্টা করুন, প্রয়োজনে পাতলা কাপড় বা টিস্যু সঙ্গে রাখুন। একটু পরপর চুলের গোড়া মুছে নিন। চুল বাঁধুন ঢিলেঢালা করে। এতে চুলের ভেতরে বাতাস চলাচল করবে, সহজে ঘাম হবে না।

হিজাব পরলে: যাঁরা হিজাব পরেন, তাঁদের চুলের গোড়া বেশি ঘামে, চুলও পড়ে বেশি। সপ্তাহে দুই দিন আমলকীর সঙ্গে টক দই মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগালে চুল পড়া বন্ধ ও গোড়া শক্ত করবে।

রান্না ঘরে: চুলার আগুনের তাপে রান্নাঘরে অতিরিক্ত ঘাম হয়। রান্নাঘরে ফ্যান লাগিয়ে ফেলুন। রান্না শেষে ফ্যানের বাতাসে ঘাম শুকিয়ে নিন।

হাতে সময় কম থাকলে: কর্মজীবী নারী কম সময়ে নিজের যত্ন নিতে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে যাওয়ার আগে ড্রাই শ্যাম্পু ভালো করে মাথায় মেখে চুল আঁচড়ে নিন। বাইরে থেকে এসেও ব্যবহার করতে পারেন ড্রাই শ্যাম্পু। শুধু তোয়ালে দিয়ে হালকা করে অতিরিক্ত ঘাম মুছে নিয়ে মাথায় ব্যবহার করুন এই শ্যাম্পু।

স্কুটি চালালে : হেলমেট পরলে ঘাম হবেই। তাই যথাসম্ভব ঘাম মুছে ফেলার চেষ্টা করুন। বাসায় এসে প্রথমে তোয়ালে দিয়ে চুলের অতিরিক্ত ঘাম শুকিয়ে নিন। তারপর হেয়ার ড্রায়ারের ঠাণ্ডা বাতাসে চুল আরো ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। অর্থাত্ ড্রায়ার যেন ‘কুলিং মোড’-এ থাকে। ‘হট মোড’-এ রাখলে কিন্তু চুলের ক্ষতিই হবে।

ঘুমানোর সময়: ঘুমানোর সময় চুল বেঁধে রাখার চেষ্টা করুন।

ছেলে

খেলাধুলার সময় : খেলাধুলার সময় ছেলেরা বেশি ঘামে, বিশেষ করে একটানা অনেকক্ষণ রোদে থাকলে চুলের গোড়ায় ঘাম জমতে থাকে। পরে ঘামের জন্য বিভিন্ন চর্মরোগ হয়। বাতাস প্রবাহের জন্য ছিদ্রযুক্ত ক্যাপ ব্যবহার করলে ঘাম কম হবে। খেলার সময় সুযোগ পেলে রুমাল দিয়ে ঘাম মুছে ফেলুন। খেলা শেষে চুলের ঘাম শুকিয়ে ভালোমতো শ্যাম্পু করে নিন।

জিমে : আজকাল মার্কেটে সোয়েট ব্যান্ড পাওয়া যায়, বিশেষত জিমে গেলে এটা ব্যবহার করতে পারেন। মাথায় এটা বেঁধে ওয়ার্কআউট করুন। এটা চুল থেকে অতিরিক্ত ঘাম শুষে নেবে আর চুলের ময়েশ্চার ধরে রাখবে।

হেলমেট ব্যবহারে : গরমে বাইকে হেলমেট ব্যবহার করলে ঘাম বেশি হয়। তাই অনেকক্ষণ ধরে বাইক চালানোর পরিকল্পনা থাকলে হেলমেট পরার আগেই শ্যাম্পু করে নিন। এতে আপনার চুলের গোড়া ঠাণ্ডা থাকবে, সহজে ঘাম হবে না।

জেলের পরিবর্তে লিভ ইন কন্ডিশনার ব্যবহার: চুল সেট রাখার জন্য ছেলেরা জেল ব্যবহার করে। তবে বাইরে বেশিক্ষণ থাকতে হলে জেল পরিহার করাই ভালো। পরিবর্তে লিভ ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। বাইরে যাওয়ার আগে এটি লাগিয়ে বেরোবেন। এটা আপনার চুলকে ইউভি রে (অতি বেগুনি রশ্মি) থেকেও রক্ষা করে থাকে। দোকান থেকে যেকোনো ভালো ব্র্যান্ডের লিভ-ইন কন্ডিশনার কিনে নিতে পারেন।

খুশকি থাকলে: তুলনামূলকভাবে ছেলেদের মাথায় খুশকি বেশি দেখা যায়। গরমে, ঘামে খুশকি চিটচিটে আর্দ্রও হয়ে পড়ে। সব সময় অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। খুশকির মাত্রা বেশি হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

12/09/2020
08/09/2020

পানির অভাবে ত্বকের যে বেহাল দশা হয়, তা নিরাময়ে কার্যকরী উপাদান রয়েছে নারিকেল তেলে। আমরা নারিকেল তেলকে কেবল চুলের যত্নের উপকরণ বলেই মনে করি। কিন্তু অনেকেই জানে না, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেল এক অনন্য টোটকা হতে পারে। ত্বকের শুষ্কতা, চুলকানি আর ক্ষত সারাতে এই তেল খুবই উপকারী। বিশ্বের বিখ্যাত বিউটি এক্সপার্টরা তাই চুলের পাশাপাশি অন্যান্য কাজেও নারিকেল তেল বেছে নিতে পরামর্শ দেন। আপনার সৌন্দর্যচর্চার তাই বিশেষ মাধ্যম হতে পারে এটি। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন নারিকেল তেলের কিছু অসাধারণ গুণের কথা।

মেকআপ তোলা
বাড়িতে ফিরে মেকআপ তোলার কাজটা অনায়াসে নারিকেল তেলের ওপর ছেড়ে দিতে পারেন। এমনকি পানি প্রতিরোধী মেকআপ ব্যবহার করলেও এই তেলে ভরসা রাখতে পারেন।

ম্যাসাজিং
দেহে মাখা যায় এই তেল। ম্যাসাজের পাশাপাশি পেশিকে শিথিল করতেও নারিকেল তেল বেশ কাজের। ম্যাসাজের তেল হিসেবে বেছে নেওয়ার কারণ হলো, এতে পানির অভাব পূরণ হয়।

ময়েশ্চার
ত্বকের ময়েশ্চারাইজার বাড়াতে বাজারে যেসব পণ্য মেলে তার সবই পানি ও পেট্রোলিয়াম নির্ভর। অথচ নারিকেল তেল একেবারে প্রাকৃতিক এবং পেট্রোলিয়ামের চেয়ে অনেক ভালো মানের ময়েশ্চারাইজিং উপাদান। ত্বকে ওঠা লালচে র‌্যাশ দূর করা থেকে শুরু করে চুলকানি বা একনি সামলাতেও বেশ কাজের।

চোখের জন্য
চোখের নিচে ও চারপাশে নারিকেল তেল মেখে দেখুন, জাদুকরি ফল পাবেন। এতে বলিরেখা দূর হবে। চোখ ফোলা কমে আসবে। চোখের নিচের কালো ভাবও ধীরে ধীরে মুছে যাবে।

Photos from Hair Regrowth's post 06/09/2020

চুলের যত্নে নারিকেল ও অ্যালোভেরা!

চুলের যত্নে নারিকেল ও অ্যালোভেরার ব্যবহার বহু সময় ধরে চলে আসছে। চুলের জন্য নারিকেল ও অ্যালোভেরা কতখানি উপকারী তা আমরা কম বেশি সবাই শুনে এসেছি।

ক্যারলিনিয়াস সর্বপ্রথম অ্যালোভেরার নামকরন করেন। বহু বছর ধরে মানুষ অ্যালোভেরাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। অ্যালোভেরার পাতার মধ্য যে স্বচ্ছ জেলির মত বস্তু পাওয়া যাই তাকে আমরা জেল বলে জানি। পাতার ঠিক নিচেই থাকে হলুদ রং এর ল্যাটিস এবং তার নিচেই এই জেল পাওয়া যায়।

বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬, বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ব্যবহার হয়ে আসছে। অ্যালোভেরায় রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর উপকারিতা। অ্যালোভেরা আমাদের রুক্ষ ত্বকের যত্নে বেশ কার্যকরী হলেও এটি কিন্তু আমাদের চুলের যত্নেও সমান কার্যকরী। সিল্কি, উজ্জ্বল, মজবুত চুল পেতে আস্থা রাখতে পারেন অ্যালোভেরায়।

যে কোনো হেয়ার মাস্কে অ্যালোভেরা যোগ করতে পারলে তা চুলকে আলাদা ঔজ্জ্বল্য এনে দেয়। শুধু তা-ই নয়, অ্যালোভেরার রস ও শাঁস দুইটিই চুলের জন্য উপযুক্ত। বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন এমন কিছু হেয়ার স্পা যার অন্যতম উপাদান অ্যালোভেরা। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন-

লেবু ও অ্যালোভেরা: লেবুর রস, অ্যালোভেরা ও আমলার রস দিয়ে বানানো এই মিশ্রণ চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলকে গোড়া থেকে মজবুত করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

মধু, নারিকেল তেল ও অ্যালোভেরা: শুষ্ক চুলে আর্দ্রতা ফেরাতে ও চুলের ডিপ কন্ডিশনিং করতে এই প্যাকের জুড়ি নেই। এক চামচ মধু, দুই চামচ নারিকেল তেল ও দুই চামচ অ্যালোভেরা নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের আধ ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে রেখে একটা শাওয়ার ক্যাপে মাথা ঢেকে দিন। আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল।

অ্যালোভেরা ও ডিম: একটি ডিমের কুসুম, দুই চামচ অ্যালোভেরা ও এক চামচ অলিভ অয়েল নিন। এই উপাদানগুলি দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। শাওয়ার ক্যাপে ঢেকে রাখুন চুল। আধ ঘণ্টা পর চুল ভালো করে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন। চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও চুল পড়া আটকাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর।

দই ও অ্যালোভেরা: চুলের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্যকে ধরে রাখতে দুই চামচ টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিন এক চামচ অ্যালোভেরা। এই মিশ্রণ প্রায় দশ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে মাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল। কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না যেন।

06/09/2020

ভেজা চুলে ঘুমিয়ে পড়া | জেনে নিন ৫টি অপকারিতা সম্পর্কে!

ভেজা চুলে ঘুমিয়ে পড়া -

চুল নারীর অহংকার। আদিকাল থেকেই নারী সমাজে চুল বিখ্যাত। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে তাই চেষ্টার কমতি নেই নারীকুলের। সময়ের সাথে সাথে পরিবেশ ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে কালো, ঘন ও লম্বা চুল বিলুপ্তপ্রায়। খুব কম মেয়েদেরই লম্বা ও ঘন চুল আছে বর্তমানে। সুন্দর ও আকর্ষনীয় চুলের স্বপ্ন দেখেন প্রতিটি নারীই। কিন্তু অনেক যত্ন, এই প্যাক সেই প্যাক, নানা রকম তেল মালিশ করেও সুবিধা করতে পারছেন না অনেকেই। তবে কি চেষ্টায়ই রয়েছে ত্রুটি? না। চেষ্টা আপনি ঠিকই করছেন। কিন্তু সেই চেষ্টাটিতেই রয়েছে গলদ। চুলের ব্যপারে আমরা বেশ সচেতন হলেও না জেনেই বেশ কিছু ভুল করে ফেলছি। যার ফলে অচিরেই ঝরে পরছে চুল এবং এর মাঝে সবচেয়ে বড় ভূল হচ্ছে ভেজা চুলে ঘুমিয়ে পড়া এর ফলে চুলের অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

আমরা অনেকেই রাতে গোসল করি। সারাদিনের কাজ ও নানান ঝক্কি ঝামেলার কারণে দিনে ভালোমতো গোসল করার সময় হয় না আমাদের। তাই রাতকেই গোসলের জন্য বেছে নেই আমরা। শুধু গোসল করেই ক্ষান্ত হই না। সেই ভেজা চুলে আবার ঘুমিয়েও পড়ি। অনেকে আবার দিনের বেলাতেও গোসলের পর চুল ভালোমতো না শুকিয়েই ঘুমিয়ে পড়ছি। এখানেই করছি সবচেয়ে বড় ভুল। ভেজা চুলে ঘুমানোর রয়েছে নানান অপকারিতা। তাহলে চলুন জেনে নেই ভেজা চুলে ঘুমিয়ে পড়া এবং এর ফলে চুলের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে।

১) চুলে জট হয় বেশি
২) চুল পড়ার হার বাড়ে
৩) চুলের কোমলতা নষ্ট হয়ে যায়
৪) ভেজা চুলে ঘুমিয়ে পড়া থেকে চুলে ছত্রাক সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে
৫) দূর্গন্ধ হয়

Photos from Hair Regrowth's post 30/08/2020

খাঁটি নারিকেল তেল,।।।।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Sahar Khilgaon?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Sahar Khilgaon