Khan Saheb Vlogs
Creator is one who himself is the creator of Time space-Matter Cause so He cannot be measured by Time space-Matter Cause.
23/07/2025
*শিক্ষকের পারিশ্রমিক সম্পর্কে।*
উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আহলে-সুফ্ফার কিছু লোককে লেখা এবং কুরআন পড়া শিখাতাম। তখন তাদের একজন আমার জন্য একটি ধনুক হাদিয়া হিসাবে প্রেরণ করে। তখন আমি ধারণা করি যে, এ তো কোন মাল নয়, আমি এ দিয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় তীরন্দাযী করবো। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যাদের কুরআন পড়া এবং লেখা শেখাই, তাদের একজন আমাকে হাদিয়া হিসাবে একটি ধনুক প্রদান করেছে, যা কোন মালই নয়। আমি এ দিয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় তীরন্দাযী করব।
তিনি বলেনঃ *তুমি যদি তোমার গলায় জাহান্নামের কোন বেড়ী পরাতে চাও, তবে তুমি তা গ্রহণ কর।*
📘 সূনান আবু দাউদ ৩৩৮১ (ইফাঃ)
হাদিসের মানঃ সহিহ
21/07/2025
বিস্তারিত :-
বরিশালে যে শান্তি পাই, তা আর কোথাও পাই না... | প্রথম আলো https://share.google/cM7BAIfHZrL2M2Sma
একটা ভুল মানুষকে হয়তো অনেক কাঁদায়,
কিন্তু মনে রাখতে হবে জীবনে এমন কিছু ভুল আছে যা ভবিষ্যতে হাজারটা ভুল থেকে বাচায়। — রেদোয়ান মাসুদ
মেয়েরা কখনও পুরুষের ভালো আচরণ বা ব্যবহার দেখে তাদের প্রতি দুর্বল হয় না,
মেয়েরা দুর্বল হয় শুধুমাত্র পুরুষের অভিনয় দেখে। — রেদোয়ান মাসুদ
পৃথিবীতে কঠিন বাস্তবের মধ্যে একটি বাস্তব হলোঃ
মানুষ যখন সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌছায়, আর তখনই তার প্রিয় মানুষটি হারিয়ে যায়। — রেদোয়ান মাসুদ
যে মন খুলে হাসতে পারে না,
সেই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী। — জন লিলি।
বন্ধুর সাথে এমন ব্যাবহার কর যেন বিচারকের শরণাপন্ন হতে না হয়। — প্লেটো
গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খাওয়া জায়েজ তবে তার আগে ওজু করা উত্তম
▬▬▬▬ ◐◯◑ ▬▬▬▬
প্রশ্ন: সহবাস করার পর গোসল না করে সেহরি খেলে রোজা হবে কি?
উত্তর:
জি, এতে রোজার কোন সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় সেহরি (সাহুর) গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে এবং এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, তার আগে তিনি ওজু করে নিতেন।
এ অবস্থায় সেহরি খেলে ফজর সালাতের পূর্বে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নিতে হবে।
যেমন: হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
◉ উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ
“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]
◉ রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]
এটা ঠিক যে, তিনি ভোর রাতে সাহুর খেতেন এবং তার উম্মতকে সাহুর খেেতে উৎসাহিত করেছেন। এখান থেকে বুঝা যায়, তিনি ভোররাতে নাপাক অবস্থায় (গোসলের পূর্বে) রোজার জন্য সাহুর খেতেন। তারপর ফজর উদিত হলে গোসল করে সালাতে যেতেন।
আল্লামা আব্দুল্লাহ বিন বায রহ. বলেন:
الصائم له أن يُصبح جنبًا ثم يغتسل، لا يضرُّه ذلك، فإذا جامع في الليل ثم أصبح واغتسل بعد الفجر فلا حرج عليه
“রোজাদার যদি জুনুবি বা গোসল ফরজ অবস্থায় ভোর করে অত:পর গোসল করে তাহলে তাতে কোন অসুবিধা নেই। যদি রাতে স্ত্রী সহবাস করার পর সকাল হয়ে যায় এবং ফজর উদিত হওয়ার পর গোসল করে তাহলে তাতে কোন সমস্যা নাই।”
তিনি আরও বলেন:
فلا بأس أن يجامع الإنسانُ في آخر الليل، ثم يتسحر، ثم يغتسل بعد أذان الفجر، لا حرج في ذلك.
“সুতরাং এতে অসুবিধা নেই যে, কেউ যদি শেষ রাতে স্ত্রী সহবাস করে, অত:পর সেহরি খায় অত:পর ফজরের আজানের পর গোসল করে। এতে কোন সমস্যা নেই।” (শাইখের ওয়েব সাইট থেকে নেয়া)
■ নাপাক অবস্থায় সেহরি খাওয়ার আগে ওজু করা উত্তম:
হাদিসে এসেছে,
عن عائشة قالت : كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان جنباً فأراد أن يأكل أو ينام توضأ وضوءه للصلاة
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাবাতের (গোসল ফরজ) অবস্থায় পানাহার কিংবা ঘুমানোর ইচ্ছা করলে নামাজের অজুর মত অজু করে নিতেন। ( সহিহ মুসলিম, হায়েজ অধ্যায়, হা/ ৩০৫)
আল্লামা উসাইমিন রাহ. বলেন:
والذي يظهر لي أن الجُنُبَ لا ينامُ إلا بِوُضُوءٍ على سبيل الاستحباب ، وكذا بالنسبة للأكل والشرب ، قال بعض العلماء : لا يكره له الأكل والشرب ، وهو على جنابة بلا وضوء
“আমার কাছে যেটা প্রতিভাত হচ্ছে যে, জুনুবি ব্যক্তি (যার উপর গোসল ফরজ হয়েছে) ওজু ছাড়া ঘুমাবেন না। এটা মুস্তাহাব। অনুরূপভাবে পানাহারের ক্ষেত্রেও।
কতিপয় আলেম বলেন, জুনুবি অবস্থায় ওজু ছাড়া পানাহার করা মাকরূহ (অপছন্দনীয়) নয়।” (শারহুল মুমতি)
মোটকথা, গোসল ফরজ অবস্থায় ঘুমানো, সেহরি বা অন্যান্য খাবার-দাবার গ্রহণ করা জায়েজ হলেও তার আগে ওজু করা উত্তম।
▬▬▬▬ ◐◑ ▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Ashulia
Savar
1227
05/04/2024