Ruhama Care SD

Ruhama Care SD

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruhama Care SD, Health/Beauty, সাভার রেডিও কলোনি খৃষ্টান কলেজ গেইট, Savar.

আস্সালামুয়ালাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ,,,
"RUHAMA QURANIC CARE" এখানে পাবেন বদনজর, হিংসা, জ্বীন ও যাদুর রোগের ইসলামিক চিকিৎসা রুকইয়া ও হিজামা সাপোর্ট । চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে নক করুন এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে:- 01833 -72 97 91

10/03/2026

বিষয়:- রমাদানের শেষ দশকের গুরুত্ব ও ফজিলত এবং করণীয়!

ক) গুরুত্ব :-

1) আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন,

«كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْتَهِدُ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ، مَا لَا يَجْتَهِدُ فِي غَيْرِهِ».

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমযানের শেষ দিকে অধিক পরিমানে এমনভাবে সচেষ্ট থাকতেন যা অন্য সময়ে থাকতেন না।”[মুসলিম]

2) আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ العَشْرُ شَدَّ مِئْزَرَهُ، وَأَحْيَا لَيْلَهُ، وَأَيْقَظَ أَهْلَهُ».

3) সহীহ মুসলিমে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ لَيْلَةً حَتَّى الصَّبَاحِ».

“আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সকাল পর্যন্ত জেগে ইবাদত করতে দেখি নি”।[3]

খ) ফজিলত :-
1) আল্লাহ বলেন,
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ
(সূরা কদর: ৩)

অর্থ: "লাইলাতুল কদর হলো এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।"
1000= 83+ বছর

2) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
"من قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه"
(বুখারী, হাদিস: ২০১৪; মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)

অর্থ: "যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ইমান ও সওয়াবের আশায় নামাজ পড়ে, তার পূর্বের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"

গ) করণীয় :- লাইলাতুল কদরের সন্ধান করা, যেহেতু নবী সঃ বলেছেন:-
"تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ"

বাংলা উচ্চারণ:
"তাহারَّও লাইলাতাল কাদরি ফিল আশরিল আওয়াখিরি মিন রমাদান।"

অর্থ:
"তোমরা লাইলাতুল কদরকে রমাদানের শেষ দশকে তালাশ করো।"
(বুখারী, হাদিস: ২০১৭; মুসলিম, হাদিস: ১১৬৭)

বিশেষ করে 21,23,25,27,29 বিজোর

রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাত আমাদের জন্য রহমতের এক বিশাল সুযোগ। যদি কোনো আমল 'লাইলাতুল কদর'-এর সাথে মিলে যায়, তবে তার সওয়াব হবে দীর্ঘ ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের সমান। ইংশাআল্লাহ।
আমরা লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করার জন্য যেই সকল আমল গুলো করতে পারে তার কিছু উদাহরণ নিচে পেশ করছি,,,,

1) তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া :-

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
"من قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه"
(বুখারী, হাদিস: ২০১৪; মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)

অর্থ: "যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ইমান ও সওয়াবের আশায় নামাজ পড়ে, তার পূর্বের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"

আর এই রাতে ১০০ আয়াত দিয়ে অন্তত ২ রাকাত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করার চেষ্টা করা।
কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَامَ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْقَانِتِينَ
"যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত দিয়ে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, সে ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সুনানে আবু দাউদ)

তাই যদি এই আমলটি কদরের রাতে হয়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর আল্লাহর অনুগত ইবাদতকারী হিসেবে গণ্য হবেন।

2) কুরআন তিলাওয়াত করা

দলীল:
আল্লাহ বলেন,
شَهْرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِیۤ أُنزِلَ فِیهِ ٱلْقُرْءَانُ
(সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)

অর্থ: "রমাদান হলো সেই মাস, যাতে কুরআন নাজিল হয়েছে।"

রাসুলুল্লাহ (সা.) রমাদানে জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে কুরআন খতম করতেন।
(বুখারী, হাদিস: ৪৯৯৮)

রাতে অন্তত ৩ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
যদি কদরের রাতে এটি মিলে যায়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন পূর্ণ কুরআন খতমের সওয়াব পাবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَقْرَأَ فِي لَيْلَةٍ ثُلُثَ الْقُرْآنِ؟... قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ
"তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে অক্ষম? ... সূরা ইখলাস হলো কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ।" (সহীহ মুসলিম)

এবং সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ
কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় দীর্ঘ ৩০,০০০ রাতের ইবাদতের সওয়াব লেখা হতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ
"যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।" (সহীহ বুখারী)

3) গুনাহ থেকে তওবা করা :-

দলীল:
আল্লাহ বলেন,
وَتُوبُوا إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَیُّهَا ٱلْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
(সূরা আন-নূর: ৩১)

অর্থ: "হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফল হও।"
নিজের গুনাহকে স্মরণ করে করে তাওবা করা, আল্লাহর কাছে এটা খুবই প্রিয় আমল।

4) ক্ষমা চাওয়া:-

দলীল:
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বলেন,
"আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম: যদি আমি জানতে পারি কোন রাত লাইলাতুল কদর, তাহলে আমি কী দোয়া করব?"

তিনি বলেন,
قُولِي: "اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي"
(তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩৮৫০)

অর্থ: "বলবে: হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করো।"

5) মুসলিমদের জন্য দোআ করা :-

মুসলিমের অগোচরে দো‘আ করার ফজিলত
হাদীসের বর্ণনা:
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:
مَا مِنْ عَبْدٍ مُسْلِمٍ يَدْعُو لِأَخِيهِ بِظَهْرِ الْغَيْبِ إِلَّا قَالَ الْمَلَكُ: وَلَكَ بِمِثْلٍ

অর্থ:
কোন মুসলিম বান্দা যখন তার ভাইয়ের জন্য তার অগোচরে দো‘আ করে, তখন নিযুক্ত ফেরেশতা বলে— “তোমার জন্যও ঠিক তেমনটি হোক।” — Sahih Muslim

অন্য মুসলিমের জন্য গোপনে দো‘আ করলে ফেরেশতা “আমীন” বলে এবং সেই দো‘আ নিজের জন্যও কবুল হওয়ার আশা থাকে।

আর এই আমলটি যদি কদরের রজনিতে হয় তাহলে অগণিত দো‘আ কবুলের পথ হবে।

এবং সকল মুমিন নর-নারীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা
اللهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ

কদরের রাতে এই দোয়ার মাধ্যমে আপনি প্রায় ৬০ বিলিয়ন (৬ হাজার কোটি) নেকি পেতে পারেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنِ اسْتَغْفَرَ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ مُؤْمِنٍ وَمُؤْمِنَةٍ حَسَنَةً
"যে ব্যক্তি মুমিন নর-নারীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে প্রত্যেক মুমিনের বিনিময়ে একটি করে নেকি দেবেন।" (তাবারানী)

6) দান-সদকা করা

দলীল:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
"أفضلُ الصدقةِ صدقةٌ في رمضانَ"
(তিরমিজি, হাদিস: ৬৬৪)

অর্থ: "সর্বোত্তম দান হলো রমাদানে দান করা।"

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,
হাদিসের আরবি (হরকতসহ) ও শব্দে শব্দে অর্থ:

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه قَالَ:
"كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَجْوَدَ النَّاسِ، وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ"
(সহিহ বুখারী: ৬, সহিহ মুসলিম: ২৩১১)

"আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসুল (সা.) সবচেয়ে দানশীল ছিলেন এবং রমাদানে তিনি সর্বাধিক দান করতেন।"

প্রতিদিন সামান্য কিছু হলেও দান করা

যদি আপনার এই দান কদরের রাতে মিলে যায়, তবে আল্লাহর কাছে তা টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন দান করার সমান মর্যাদা পাবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ تَصَدَّقَ بِعَدْلِ تَمْرَةٍ مِنْ كَسْبٍ طَيِّبٍ... فَيُرَبِّيهَا لِصَاحِبِهِ حَتَّى تَكُونَ مِثْلَ الْجَبَلِ
"যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণও দান করে... আল্লাহ সেটি দাতার জন্য পাহাড়ের মতো বিশাল করে দেন।" (সহীহ বুখারী)

7) প্রতিদিন ১০০ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

লাইলাতুল কদরে এটি পাঠ করলে আপনি কয়েক লক্ষ বার আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভ করবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ صَلَّى عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا
"যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন।" (সহীহ মুসলিম)

8) নিকট আত্মীয়দের খোঁজ নেয়া:-

9) যদি সম্ভব হয় তাহলে ইতিকাফ করা

রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমাদানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।

হাদিস:
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: "كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتَّى تَوَفَّاهُ اللَّهُ، ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ مِنْ بَعْدِهِ"
(বুখারী, হাদিস: ২০২৬; মুসলিম, হাদিস: ১১৭২)

অর্থ: আয়েশা (রা.) বলেন, "নবী (সা.) মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতি বছর রমাদানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। এরপর তার স্ত্রীগণও ইতিকাফ করতেন।"

10) আরো ১০০ বার তওহীদের যিকির করা
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

কদরের রাতে এটি পড়ার উছিলায় আপনি ৩ লক্ষ মানুষ মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব পেতে পারেন।
হাদিস: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি এটি ১০০ বার পড়বে সে ১০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে। (সহীহ বুখারী)

11) আরো ১০০ বার 'সুবহানাল্লাহ' পাঠ করা سُبْحَانَ اللهِ

কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় ৩০ লক্ষ নেকি যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ، كُلَّ يَوْم أَلْفَ حَسَنَةٍ؟... يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ، فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ
"তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে অক্ষম? তোমরা ১০০ বার সুবহানাল্লাহ পড়ো..." (সহীহ মুসলিম)

12) প্রতিদিন ১০০ বার বিশেষ এই তাসবীহটি পাঠ করা
سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

কদরের রাতে এটি পড়লে জান্নাতে আপনার জন্য ৩ লক্ষ খেজুর গাছ রোপণ করা হতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ غُرِسَتْ لَهُ نَخْلَةٌ فِي الْجَنَّةِ
"যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়া বিহামদিহি' বলবে, জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।" (তিরমিযী)

আহ্বান:- যদি চান এই আমলটি আপনার প্রিয়জনরা করুক এবং আপনি তার অংশীদার হন তাহলে এই বার্তাটি প্রিয়জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। আপনার মাধ্যমে কেউ আমল করলে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ دَلَّ عَلَى خَيْرٍ فَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ فَاعِلِهِ
"যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের পথ দেখায়, সে ওই কাজ সম্পাদনকারীর সমান সওয়াব পাবে।" (সহীহ মুসলিম)

আল্লাহ আমাদের এই দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।

10/03/2026
19/02/2026

এই রমাদান মাসে একজন জীন যাদুর রোগী কিভাবে কাজে লাগিয়ে সুস্থতার স্বাদ পেতে পারে, সেই আলোচনাটা আমরা প্রশ্নোত্তরের মধ্যেমে জানবো,,,,ইংশাআল্লাহ
১) প্রথম প্রশ্ন:-সিয়াম শরীরে কী কাজ করে?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের দেহে রক্তের মতো প্রবাহিত হয়; সুতরাং তোমরা ক্ষুধার মাধ্যমে তার পথ সংকুচিত করো।”
(বুখারি, মুসলিম – অর্থগত বর্ণনা)

৮–১৬ ঘণ্টা উপবাসে শরীর গ্লুকোজ থেকে ফ্যাট বার্নিং মোডে যায়।
ইনসুলিন লেভেল কমে, কোষে সংবেদনশীলতা বাড়ে।
Autophagy (কোষীয় পরিষ্কার প্রক্রিয়া) সক্রিয় হয়।
মানসিক স্বচ্ছতা ও ফোকাস বাড়ে।

২) না খেয়ে থাকার উপকারিতা কী?
🔬 বৈজ্ঞানিকভাবে:
প্রদাহ (Inflammation) কমাতে সাহায্য
হজমতন্ত্র বিশ্রাম পায়
ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
মানসিক দৃঢ়তা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়ে।

৩) সিয়াম কিভাবে রক্ত ও শরীরের “টক্সিন” দূর করার মধ্যমে যাদু ও গিঁট ধ্বংস করে??
এই বিষয়টি বুঝতে হলে আগে বুঝতে হবে জীন যাদুর রোগীর শরীরে অসংখ্য গিঁট ও হুসুন তৈরী করে রোগীর শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরী করে, আর এই গিঁট ও হুসুন মুলত শরীরের টক্সিন হিসেবে অবস্থান করে।
বৈজ্ঞানিকভাবে “টক্সিন পরিষ্কার” মূলত করে লিভার, কিডনি, ফুসফুস।
তবে সিয়ামের সময়:
ইনসুলিন কমে → ফ্যাট ভাঙে ফলে Autophagy সক্রিয় হয় যা কোষের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ (গিঁট ও হুসুন) অপসারণ কাজ করে।
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমে
অর্থাৎ সিয়াম সরাসরি “টক্সিন ধ্বংস” না করলেও শরীরের প্রাকৃতিক পরিষ্কার প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে যার ফলে রোগী সুস্থতার দিকে যেতে থাকে।

৪) কুরআন তিলাওয়াত কিভাবে সুস্থতার জন্য কাজ করে?
আল্লাহ বলেন:
“আমি কুরআনে নাজিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।” (১৭:৮২)
🌿 আধ্যাত্মিকভাবে:
কুরআনের আয়াত জিনের উপর প্রভাব ফেলে (রুকইয়াহ দলিলভিত্তিক বিষয়)
তাই রমাদানে বেশী বেশী কুরআন তিলাওয়াত করে জীন শয়তানকে শাস্তি দেয়া যায়, যার ফলে ধীরে ধীরে শয়তানের প্রভাব হ্রাস পেতে থাকে।
🔬 বৈজ্ঞানিকভাবে: গবেষণায় দেখা গেছে:
কুরআন তিলাওয়াত/শোনা → হার্ট রেট ও স্ট্রেস কমে আলফা ব্রেইনওয়েভ বৃদ্ধি পায় → রিল্যাক্সেশন উদ্বেগ কমে, ঘুমের মান উন্নত হয় ।
অর্থাৎ এটি একধরনের সাইকো-স্পিরিচুয়াল থেরাপি হিসেবে কাজ করতে পারে।

৫) ইফতারিতে আজওয়া খেজুর কিভাবে কাজ করে?
রাসূলুল্লাহ ﷺ (Muhammad) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন বিষ বা যাদু তার ক্ষতি করতে পারবে না।” (বুখারি, মুসলিম)

জীন যাদুর রোগীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা থাকে পেটে, আর এই পেটে অসংখ্য যাদুর গিঁট ও হুসুন থাকে।
তাই যদি জীন যাদুর রোগীরা সাহরীতে এই হাদীস ফলো করে আজোয়া খেজুর খেতে পারে তাহলে পেটের যাদু ও গিঁট ধ্বংসের জন্য খুবই ইফেক্টিভ হয়।
🔬 বৈজ্ঞানিকভাবে: আজওয়া খেজুরে রয়েছে: উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
পলিফেনল মিনারেল (পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম) এগুলো: কোষ সুরক্ষা দেয়
প্রদাহ কমায় শক্তি দ্রুত ফিরিয়ে আনে।

সুতরাং আসুন আমরা এই রমাদানকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর রহমতে সুস্থতার স্বাদ গ্রহণ করতে সচেষ্ট হই।
বিঃদ্রঃ জীন যাদু বদনজরের রুকইয়াহ ও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
RUHAMA QURANIC CARE BD
রেডিও কলোনি খৃষ্টান কলেজ, সাভার ঢাকা।
যোগাযোগ করুন শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ
01833-729791
,

02/02/2026

"রমাদান মাস মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য বিশেষ নেয়ামতের মাস, এই মাসে আমাদের উচিৎ ইবাদাতের পাশাপাশী স্ব স্ব অবস্থান থেকে মানুষের জন্য উত্তম কিছু করা। এই বিষয়টি সামনে রেখেই আমরা "RUHAMA QURANIC CARE" দুইটি ক্যাটাগরির রুকইয়াহ ডায়গনোসিসের আয়োজন করতে যাচ্ছি ইংশাআল্লাহ।

📢 কাদের জন্য?
উত্তর:- এমন অনেকেই আছেন যারা জ্বিন, যাদু, ওয়াসা ওয়াসা, বদনজর, হাসাদ সহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু টাকার জন্য রুকইয়াহ করতে পারছেন না তাদের জন্য এই আয়োজন।

📢 ক্যাটাগরির (A)
🔰 ৫০% ছাড়ে রুকইয়া ডায়গনোসিস
শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার ব্যতীত সপ্তাহ জুড়েই এই অফারটি বেলা ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা
পর্যন্ত চলবে।

📢 ক্যাটাগরি :- (B)
🔰 ফ্রী রুকইয়া ডায়গনোসিস
সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার, সকাল ১০ থেকে দুপুর ১২:৩০ মিনিট পর্যন্ত আমাদের রুকইয়া ও হিজামা সেন্টারে এই ডায়গনোসিস রুকইয়াহ সেশন হবে (ইংশাআল্লাহ)।

📢 সেশন সময়:- সেশন শুরু সকাল ১০:৩০ মিনিট থেকে,,

📢 অংশগ্রহণ :- আমাদের এই ফ্রি রুকইয়াহ ডায়গনোসিস সেশনে মাহরাম হলে নারী পুরুষ একত্রে অংশ নিতে পারবে আর গায়রে মাহরাম হলে নারী পুরুষ আলাদাভাবে রুকইয়াহ সেশন নিতে হবে।

🔰 সেন্টারে আসার পূর্বে কিছু লক্ষণীয় বিষয়ঃ

➡️ শিডিউল রি-কর্নফার্ম করে তারপর আসবেন।
➡️ রুকইয়াহ বিষয়ে যাদের একদমই ধারণা নেই তারা না আসাই উত্তম।
➡️ যে সমস্যাগুলোর জন্য রুকইয়াহ করতে চাচ্ছেন তা পয়েন্ট আকারে স্পষ্ট করে লিখে নিয়ে আসবেন।
➡️ মেয়েরা পরিপূর্ণ পর্দা করে সাথে মাহরাম/গার্ডিয়ান নিয়ে আসা আবশ্যক
➡️ নির্ধারিত সময়ের অন্তত ২০ মিনিট পূর্বে'ই সেন্টারে উপস্থিত থাকতে হবে ইনশাআল্লাহ্।
➡️ একই সময়ে একাধিক রোগী হলে গ্রুপ সেশন হবে।
➡️ কেউ চাইলে অনলাইনেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
➡️ সেন্টারের চার্জ বাবদ ১০০/ পে করতে হবে।
➡️ মনে রাখতে হবে, রুকইয়া ডায়গনোসিস হলো চিকিৎসার প্রথম ধাপ।

বিঃদ্রঃ
১) নির্দিষ্ট পরিমাণ সিডিউল কনফার্ম হলে যেকোন সময় সেন্টার কতৃপক্ষ উক্ত ফ্রি ডায়াগ্নোসিস রুকইয়াহ সেশন এর স্হান, তারিখ ও সময় এর পরিবর্তন এবং বাতিল করার ক্ষমতা রাখি।
২) পোস্টে কমেন্ট করার পর ক্যাটাগরি উল্লেখ করে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিবেন প্লীজ।

🏠 সেন্টারের ঠিকানাঃ-
সাভার রেডিও কলোনি খৃষ্টান কলেজ গেইট রাজু ফার্মেসির বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার বাম পাশ।

▶️ পুরুষদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার:-
01833 72 97 91

▶️ মহিলাদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার:-
01838 01 87 83

বিঃদ্রঃ 🔰 এই অফারটি ১লা রমাদান থেকে ২০ রমাদান পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আহ্বান:- সাদকায়ে জারিয়াহ্-র নিয়তে সবাই পোস্টটি শেয়ার করবেন প্লিজ।

14/01/2026

আল্লাহ মানুষের শরীর সুস্থ ও সবল রাখার জন্য দিয়েছেন (Lymphatic System) যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ,,,,
জীন যাদুর বা রুকইয়ার রোগীরা কেনো শারীরিক ভাবে দূর্বল ও অসুস্থ থাকে,?
এর উত্তর হলো জীন শয়তান এই (Lymphatic System) কে ব্যহত করতে শরীরের বিভিন্ন পয়েন্টে গিঁট দিয়ে রোগীর (Lymphatic System) কে কাজ করতে বাধাগ্ৰস্ত করে, যার ফলে রোগী ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে থাকে।
মানব দেহের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম (Lymphatic System) হলো দেহের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনেক সময় অবহেলিত সিস্টেম। এর কাজ শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়—বরং দেহ পরিষ্কার রাখা, তরল ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ইমিউন সাপোর্ট দেওয়া।
নিচে সহজ কিন্তু গভীরভাবে ব্যাখ্যা করছি—
🧠 লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম কী?
লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম হলো—
লিম্ফ নালিকা (Lymph vessels)
লিম্ফ নোড (Lymph nodes)
প্লীহা (Spleen)
টনসিল (Tonsils)
থাইমাস গ্রন্থি (Thymus)
এই সব মিলেই লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম।
🩸 লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের প্রধান কাজ
1️⃣ দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ বের করা
কোষের মাঝে যে অতিরিক্ত তরল জমে → তা লিম্ফ হয়ে যায়
এই লিম্ফে থাকে: টক্সিন, মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান,
এই লিম্ফ নোড এগুলো ফিল্টার করে পরিষ্কার করে
📌 তাই একে বলা হয় দেহের ড্রেনেজ সিস্টেম
2️⃣ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Immune System) শক্তিশালী করা
লিম্ফ নোডে থাকে White Blood Cells (Lymphocytes)
এগুলো:
জীবাণু চিনে
ধ্বংস করে
অ্যান্টিবডি তৈরি করে
📌 সংক্রমণ হলে লিম্ফ নোড ফুলে যায়—এটাই এর প্রমাণ
3️⃣ শরীরের অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণ
রক্তনালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়া অতিরিক্ত তরল
লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম আবার রক্তে ফিরিয়ে দেয়
📌 না হলে শরীর ফুলে যেত (Edema)
4️⃣ চর্বি (Fat) শোষণে সাহায্য
বিশেষ করে অন্ত্রে (Small intestine)
খাদ্যের চর্বি ও ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন (A, D, E, K)
লিম্ফের মাধ্যমে রক্তে পৌঁছায়
5️⃣ ক্যান্সার ও অস্বাভাবিক কোষ শনাক্ত
লিম্ফ নোড ক্যান্সার কোষ চিনতে পারে
তাই ক্যান্সার ছড়ানোর আগে লিম্ফ নোডে ধরা পড়ে
⚠️ লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে কী হয়?
শরীর ফুলে যাওয়া
ঘন ঘন সংক্রমণ
দুর্বল ইমিউনিটি
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি
ত্বকে ব্রণ / ফুসকুড়ি
মাথা ভার লাগা
✅ লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সুস্থ রাখার উপায়
পর্যাপ্ত পানি পান
নিয়মিত হাঁটা ও হালকা ব্যায়াম
গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস
ঘাম হয় এমন কাজ
হিজামা (Cupping) — সঠিক নিয়মে করলে
অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড খাবার কমানো
🌿 সংক্ষেপে
লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম = দেহের ক্লিনার + ডিফেন্স আর্মি + ড্রেনেজ সিস্টেম

23/12/2025

🌿 চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ নসিহাত
১️⃣ রোগ নয়, রোগীকে বুঝে চিকিৎসা করুন
প্রত্যেক মানুষের শরীর আলাদা—ব্যক্তিভেদে চিকিৎসাই বিজ্ঞানসম্মত।
২️⃣ দ্রুত আরাম নয়, নিরাপদ সুস্থতাই লক্ষ্য হওয়া উচিত
তাৎক্ষণিক ফল অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়।
৩️⃣ খাদ্যই হচ্ছে প্রথম ও প্রধান ওষুধ
ভুল খাদ্যই অধিকাংশ রোগের মূল কারণ।
৪️⃣ প্রাকৃতিক ও অর্গানিক খাদ্য শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী
কেমিক্যালমুক্ত খাবারই কোষকে সুস্থ রাখে।
৫️⃣ পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের নীরব চিকিৎসক
ঘুমের সময়ই শরীর নিজেকে রিপেয়ার করে।
৬️⃣ মানসিক চাপ কমানোও চিকিৎসার অংশ
স্ট্রেস থেকেই বহু শারীরিক রোগের উৎপত্তি।
৭️⃣ শরীরের লক্ষণ দমন নয়, কারণ নির্ণয় জরুরি
লক্ষণ হলো সতর্ক সংকেত—এগুলো উপেক্ষা নয়, বিশ্লেষণ চাই।
৮️⃣ কম ওষুধ, সঠিক ওষুধই উত্তম চিকিৎসা
অপ্রয়োজনীয় ওষুধ শরীরের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে।
৯️⃣ নিয়মিত পানি পান শরীরকে বিষমুক্ত রাখে
পানি প্রাকৃতিক ডিটক্স হিসেবে কাজ করে।
🔟 শরীরকে নড়াচড়ায় রাখুন
হালকা ব্যায়াম ও হাঁটা রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে।
১️⃣১️⃣ অন্ত্র সুস্থ থাকলে শরীর সুস্থ থাকে
ইমিউনিটির ৭০% অন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল।
১️⃣2️⃣ ওষুধের চেয়ে লাইফস্টাইল পরিবর্তন বেশি কার্যকর
খাদ্য, ঘুম ও অভ্যাস ঠিক করলেই অনেক রোগ সেরে যায়।
১️⃣3️⃣ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই মূল চিকিৎসা
ইমিউনিটি শক্তিশালী হলে রোগ নিজেই দুর্বল হয়।
১️⃣4️⃣ শরীরে জমে থাকা টক্সিন অনেক রোগের কারণ
প্রাকৃতিক ডিটক্স শরীরকে হালকা ও সচল রাখে।
১️⃣5️⃣ অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড খাবার পরিহার করুন
এগুলো ধীরে ধীরে শরীরকে অসুস্থ করে তোলে।
১️⃣6️⃣ সূর্যালোক প্রাকৃতিক ভিটামিন ডি-এর উৎস
ভিটামিন ডি ঘাটতি অনেক রোগ ডেকে আনে।
১️⃣7️⃣ প্রতিটি রোগের পেছনে অভ্যাসগত কারণ থাকে
অভ্যাস না বদলালে চিকিৎসা স্থায়ী হয় না।
১️⃣8️⃣ ধৈর্য ও নিয়মিততা চিকিৎসার সফলতার চাবিকাঠি
অনিয়মিত চিকিৎসা ফল দেয় না।
১️⃣9️⃣ শরীরের কথা শুনতে শিখুন
ক্লান্তি, ব্যথা ও অস্বস্তি অবহেলা করা বিপজ্জনক।
2️⃣0️⃣ চিকিৎসা একটি দায়িত্ব ও আমানত
বিজ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার সমন্বয়ই প্রকৃত চিকিৎসা।
✨ শেষ কথা:
যে চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত, অর্গানিক, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদে উপকারী—মানুষ আজ সেটার দিকেই সবচেয়ে বেশি আগ্রহী

10/12/2025

জ্বিন জাদুর চিকিৎসায় বরই পাতার গোসল

---------

নজর হাসাদের জ্বিন, সিহরের (যাদু) চিকিৎসা এই গোসলটি খুবই উপকারী। উপকারিতা বিবেচনায় সিহরের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির র‍্যাংকিং করলে হয়তো এটা সবার উপরে থাকবে।

আজ আমরা সংক্ষেপে বরই পাতা বেটে রুকইয়ার গোসলের রিকোমেন্ডেড পদ্ধতি জানব।

এক বালতি গোসলের পানি নিন। এরপর সাতটি বরই পাতা (কুল বলা হয় অনেক এলাকায়) বেটে পানিতে গুলান। (সম্ভব হলে সবুজ পাতা ব্যবহার করুন, এবং পাটায় পিষুন)। এরপর পড়ুন-
ইস্তেগফার ৩ বার
' দুরুদ ইব্রাহিম ৩ বার
* সূরা ফাতিহা - ৭ বার
* আয়াতুল কুরসি - ৭ বার
* সুরা আরাফ ১১৭-১২২ (৩বার)
* সুরা ইউনুস ৮১-৮২ (৩বার)
* সুরা তহা ৬৯ (৩বার)
* সুরা ইখলাস - ৭ বার
* সুরা ফালাক - ৭ বার
* সুরা নাস - ৭ বার

পড়ার মাঝে মাঝে পানিতে ফুঁ দিতে পারেন। এরপর এখান থেকে তিন ঢোক পানি পান করুন, বাকিটা দিয়ে গোসল করুন। যদি গোসলের পানি খাওয়ার অনুপযোগী হয় তবে খাওয়ার পানি আলাদা করে নিবেন। এরপরে বরই পাতা পিষে উভয় পানিতে দিয়ে আয়াতগুলো পড়ে উভয় পানিতে ফুঁ দিবেন। এরপরে খাওয়ারটা খেয়ে নিবেন।

ইনশাআল্লাহ প্রথম গোসলেই যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। প্রয়োজনে একই নিয়মে আরো কিছুদিন গোসল করুন।

# # দ্রষ্টব্য
* এই পানি চুলার আগুনে গরম করবেন না, এর সাথে অন্য পানি মিশাবেন না।
* আর বরই পাতা না পেলে কর্পূর পাতা অথবা অল্প কর্পুর দিয়ে বা ওটাও না পেলে নিম পাতা দিয়েও একই নিয়মে গোসল করুন, তবে বরই পাতাই উত্তম।
* আপনি চাইলে সাথে আরও কিছু আয়াত অথবা রুকইয়ার দোয়া পড়তে পারেন।
* এসব আয়াত গোসলখানার বাহিরে পড়বেন। তবে সেখানে দোয়াকালাম পড়ার পরিবেশ না থাকলে আগে বরই পাতা বেটে দোয়াগুলো পড়ে ফুঁ দিন, এরপর গোসলখানায় নিয়ে পানিতে মিশিয়ে গোসল দিন।

আল্লাহ'র রহমতে জাদু-টোনার চিকিৎসায় এই গোসল খুবই উপকারী। বিভিন্ন যুগের অনেক বিখ্যাত আলেমদের সাজেস্টেড পদ্ধতি এটা। আল্লাহ্‌ চাইলে আপনিও উপকার পাবেন।

16/11/2025

অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না…
আমাদের সুখ, আমাদের হাসি, আমাদের ছোট্ট বাচ্চা,
আমাদের রোজকার শান্তি—
কত মানুষ চোখে চোখে দেখছে।

বদনজর মানে শুধু কেউ “ইচ্ছা করে” খারাপ চাইছে — এমন না।
কখনো কখনো মানুষ শুধু অতিরিক্ত প্রশংসা করে,
কখনো মনের গভীরের ঈর্ষা,
কখনো হতাশা,
আর কখনো নিরীহভাবে তাকানো, কু চিন্তা করা —
এসব থেকেও বদনজর লাগে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Savar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


সাভার রেডিও কলোনি খৃষ্টান কলেজ গেইট
Savar

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00