Dr Hira
MBBS
07/06/2025
Assalamu A’laikum. Takabbalallahu minna wa minkum. Eid Mubarak to everyone 🤲🤲🤲🤲
আপনার সন্তানের চুলকানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার লেখা এই পোস্টটি ভালো ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন।
স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।
স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :
১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।
২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।
৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।
৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।
৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।
স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:
১. চিকিৎসা:
🍀 পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
🍀 অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।
২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।
৩. একসাথে চিকিৎসা:
পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।
৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।
বিশেষ সতর্কতা:
শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।
আশা করি আজকের আলোচনা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, আমার জন্য দোয়া রাখবেন, সবাই সুস্থ থাকবেন, সম্ভব হলে এই পোস্টটি শেয়ার করবেন।
দয়া করে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।
ধন্যবাদ 🙏
বাল্যকালের ভাই ভাতিজার সাথে ২০২৫ এর শেষ ইফতার। শিকড়ের টানে ❤️🥰
29/10/2023
With my ma-moni digital diagnostic centre staff
শুধু ওজন কমাতে নয় দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে মনে রাখুন এই দশটি হেলথ টিপস। সারাজীবন কাজে লাগবে ।
এক
প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করুন। সেটা সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা যখনই হোক না কেন।
দুই
সারাদিন বসে শুয়ে থাকার অভ্যাস যতোটা সম্ভব ত্যাগ করুন।
তিন
দুধ চা, দুধ কফি, কোল্ড ড্রিংক, কার্বোনেটেড ড্রিংক এর পরিবর্তে পানি, গ্রীন টি,আদা চা,লেবু চা, ডাবের পানি, টক দ্ই এর লাচ্ছি এসব পান করুন।
চার
ছোট খাট কাজ বিশেষ করে নিজের কাজগুলো নিজেই করার চেস্টা করুন। এতে মেটাবলিক রেট বাড়ে।
পাঁচ
সময় নিয়ে ভালোমতো চিবিয়ে খাবার খান। খাবার খাওয়ার সময় টিভি, ফোন, কম্পিউটার ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
ছয়
প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘন্টা ঘুমান। তবে দিনে ঘুমানো পরিহার করুন।
সাত
চিনি এবং মিস্টি জাতীয় খাবার যতোটা সম্ভব বাদ দিন।
আট
প্রতি বেলায় খাবারের সঙ্গে কিছু কাঁচা খাবার যেমন লেবু, মরিচ, রসুন, সালাদ ইত্যাদি রাখুন।
নয়
মাছ, মাংস, শাক সবজি খাওয়ার ভিতর ব্যালেন্স রাখুন। যেমন ৩ দিন মাছ, ৩ দিন মুরগী আর একদিন সম্পূর্ন শাক-সবজি রাখার চেস্টা করুন।
দশ
যতোটুকু সম্ভব স্ট্রেসমুক্ত জীবনযাপন করুন। দিনে ১০ মিনিট ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা মেডিটেশন করুন।
পুষ্টিবিদ
জয়তী মুখার্জী
ডায়েট এন্ড নিউট্রিশন কনসালটেন্ট
শিওরসেল মেডিকেল
এক্স নিউট্রিশন কনসালটেন্ট
ভি.এল.সি.সি & ভাইবস হেলথ কেয়ার
এম.এস.সি এন্ড বি.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ) ডি.ইউ
ট্রেইন্ড ইন সি.এন.ডি (বারডেম)
স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য ঈদুল আযহা:
স্ট্রোক এবং হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা অবশ্যই তৈলাক্ত মাংস কমিয়ে খাবেন। সারা বছর তারা যে ধরণের নিয়মকানুন পালন করেন খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে, কোরবানির সময়ও সেই ভাবে চলা উচিত। কোরবানির মাংস একটু আধটু খেলে শরীরের যে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে তা নয়, তবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যাদের ওজন বেশি তাদের অবশ্যই ঈদের সময় অতিরিক্ত খাওয়া পরিহার করতে হবে। গেঁটে বাত বা ইউরিক এসিড বেশি যাদের এবং যারা কিডনির সমস্যায় ভোগেন, তাদেরকে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কম খেতে বলা হয়।
28/06/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet