Nimai shyamsundara page,s

Nimai shyamsundara page,s

Share

একলা ঈশ্বর কৃষ্ণ আর সব ভৃত্য।

Photos from Nimai shyamsundara page,s's post 19/03/2026

Parliament of manipur legislative Assembly.

Photos from Nimai shyamsundara page,s's post 19/03/2026

Mahabali hanuman jew temple, West imphal, manipur.

Photos from Nimai shyamsundara page,s's post 19/03/2026

Gourgovinda jew temple,west imphal,manipur.

10/02/2026
10/02/2026

পঞ্চ পাণ্ডবের মোট কতজন স্ত্রী?👇👇
🔹 মহাভারতে মহারাজ পাণ্ডুর পাঁচ পুত্র পঞ্চ পাণ্ডব হিসেবে পরিচিত। এই পাঁচ পাণ্ডব হলেন যথাক্রমে যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব। পাঁচ পাণ্ডবের প্রত্যেকেই কোন না কোন দেবতার অবতার ছিলেন। তাঁরা সকলেই ছিলেন সুদর্শন এবং বলবান। তাঁরা সকলেই ছিলেন বিশেষ বিশেষ গুণের অধিকারী। পাঁচ পাণ্ডবের মধ্যে প্রচন্ড মিল ছিল। তাঁরা সর্বদা একসঙ্গে থাকতেন। দৈব নির্দেশিত ভাবে পাঁচ পাণ্ডবের সঙ্গেই পাঞ্চাল রাজ্যের রাজকন্যা দ্রৌপদীর বিবাহ হয়। পাঁচ পাণ্ডব যখন মাতা কুন্তীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবেশে ভিক্ষা করে দিনপাত করতেন, তখন একদিন রাজকন্যা দ্রৌপদীর স্বয়ংবরের খবর শোনা যায়। সে সংবাদ শুনে ব্রাহ্মণবেশী পাঁচ ভাই দ্রৌপদীর স্বয়ংবর সভায় গিয়ে উপস্থিত হন। দ্রৌপদীর পিতা রাজা দ্রুপদ কঠিন মৎস্য লক্ষ্য ভেদ করার শর্ত রেখেছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন, যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হবেন তাঁর সাথেই কন্যার বিবাহ দেবেন তিনি। কিন্তু সভায় উপস্থিত বড় বড় রাজা-মহারাজারা কেউই লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হলেন না। শেষে ব্রাহ্মণবেশী অর্জুন সেই কঠিন লক্ষ্য ভেদ করতে সমর্থ হলেন এবং দ্রৌপদীকে জয় করলেন। দ্রৌপদীকে নিয়ে পাঁচ ভাই নিজেদের পর্ণ কুটিরে ফিরে এলেন এবং মাতা কুন্তীকে ডেকে বললেন, দেখো মা আজ কি পেয়েছি। না দেখেই কুন্তী বললেন, যা পেয়েছ পাঁচ ভাই ভাগ করে নাও। মায়ের বাক্য অলঙ্ঘ্যনীয় হওয়ায় পাঁচ পাণ্ডবের সঙ্গেই বিবাহ হলো দ্রৌপদীর। অর্থাৎ দ্রৌপদী ছিলেন একাধারে পাঁচ ভাইয়ের স্ত্রী। দ্রৌপদী ছাড়াও জ্যেষ্ঠ পান্ডব যুধিষ্ঠিরের আর একজন স্ত্রী ছিলেন। তিনি হলেন দেবিকা। অর্থাৎ যুধিষ্ঠিরের মোট দুইজন পত্নী-- দ্রৌপদী এবং দেবিকা।দ্রৌপদী ছাড়াও ভীমের আরও দুজন পত্নী ছিলেন। তাঁরা হলেন যথাক্রমে হিড়িম্ব রাক্ষসের বোন রাক্ষসী হিড়িম্বা এবং কাশি রাজ্যের রাজকন্যা বলন্ধরা বা বলধরা। অর্থাৎ ভীমের মোট তিনজন পত্নী-- হিড়িম্বা, দ্রৌপদী এবং বলন্ধরা।
দ্রৌপদী ছাড়াও অর্জুনের আরো তিনজন স্ত্রী ছিলেন। দ্রৌপদীর সঙ্গে পঞ্চপান্ডবের বৈবাহিক জীবনের শর্ত লঙ্ঘন করায় অর্জুনকে ১২ বছরের বনবাসে যেতে হয়। সেই সময়েই প্রথমে নাগকন্যা উলুপী, তারপর মণিপুরের রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদা এবং শেষে কৃষ্ণের বোন সুভদ্রাকে বিবাহ করেন অর্জুন। অর্থাৎ অর্জুনের মোট চারজন পত্নী। তাঁরা হলেন--দ্রৌপদী, উলুপী, চিত্রাঙ্গদা এবং সুভদ্রা।
দ্রৌপদী ছাড়াও নকুলের আরেকজন স্ত্রী হলেন করেণুমতী। অর্থাৎ নকুলের মোট দুজন স্ত্রী-- দ্রৌপদী এবং করেণুমতী।
দ্রৌপদী ছাড়াও কনিষ্ঠ পান্ডব সহদেবের আরেকজন স্ত্রী হলেন বিজয়া। অর্থাৎ সহদেবের মোট দুজন স্ত্রী হলেন দ্রৌপদী এবং বিজয়া।
অর্থাৎ পঞ্চপাণ্ডবের সর্বমোট নয় জন পত্নী।©টুকরো ভাবনারা
তথ্যসূত্র: মহাভারত (আদি পর্ব)
#মহাভারত

01/01/2026

New year 2026

19/12/2025

সত্য কথামৃত জানা জরুরী।।

01/12/2025

গীতা জয়ন্তী মহোৎসব মহাযজ্ঞ। হবিগঞ্জ মন্দির।। #গীতা_জয়ন্তী_মহোৎসব_২০২৫ #গীতা @

Photos from Nimai shyamsundara page,s's post 01/12/2025

গীতা জয়ন্তী মহোৎসব ১লা ডিসেম্বর। আমি আর আমার কন্যা সৃষ্টিকা।

01/12/2025

#গীতা_জয়ন্তী_মহোৎসব_২০২৫

আজ ১লা ডিসেম্বর,,,, এই মোক্ষদা একাদশী তিথিতেই দ্বাপর যুগের শেষ ভাগে, পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বীর অর্জুনকে ৫১৬৩(৩১৪০ খ্রীঃপূঃ) বছর আগে কুরুক্ষেত্র (বর্তমান দিল্লি থেকে ৬০ কিঃমিঃ দূরে) নামক স্থানে ভগবদ্গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন । তাই এই মহিমা মণ্ডিত তিথিকে গীতা জয়ন্তী তিথি বলা হয় ।

গীতা সর্ম্পকে কিছু বহিরঙ্গা জ্ঞান
১। গীতা হচ্ছে সমস্ত শাস্ত্রের সারতিসার এমনকি গীতায় এমন কিছু আছে যা অন্যান্য কোন শাস্ত্রে পাওয়া যায় না । যেমন – ৫ম পুরুষার্থ

২। মহাভারতের ভীষ্মপর্বের ২৫ থেকে ৪২ নং অধ্যায়ের এই ১৮ টি অধ্যায় হল ভগবদগীতা বা গীতোপনিষদ ।

৩। গীতায় আছে ৭০০ শ্লোক (কেউ বলে ৭৪৫ শ্লোক) আছে । তার মধ্যে ধৃতরাষ্ট্র বলেন ১টি শ্লোক, সঞ্জয় বলেন ৪০টি শ্লোক, অর্জুন বলেন ৮৫টি শ্লোক, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন ৫৭৪টি শ্লোক । আর পুরো গীতায় ৯৫৮০ টি সংস্কৃত শব্দ আছে ।

৪। গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম ৬টি অধ্যায়কে বলে কর্মষটক, মাঝখানের ৬টি অধ্যায়কে বলে ভক্তিষটক, আর বাকি ৬টি অধ্যায়কে বলে জ্ঞানষটক ।

৫। গীতা পড়লে ৫টি জিনিষ সর্ম্পকে জানা যায় – ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল ও কর্ম ।

৬। যদিও গীতার জ্ঞান ৫০০০ বছর আগে বলেছিল কিন্তু ভগবান চতুর্থ অধ্যায় বলেছেন এই জ্ঞান তিনি এর আগেও বলেছেন, মহাভারতের শান্তিপর্বে (৩৪৮/৫২-৫২) গীতার ইতিহাস উল্লেখ আছে । তার মানে গীতা প্রথমে বলা হয় ১২,০৪,০০,০০০ বছর আগে, মানব সমাজে এই জ্ঞান প্রায় ২০,০০,০০০ বছর ধরে বর্তমান, কিন্তু কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে গেলে পুনরায় আবার তা অর্জুনকে দেন ।

৭। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে মাত্র ৪০ মিনিটে এই গীতার জ্ঞান দেন ।

৮। গীতার মাহাত্ম্য অনেকে করে গেছেন তার মধ্যে শ্রীশঙ্করাচার্য, স্কন্দপুরাণ থেকে শ্রীল ব্যাসদেব, শ্রীবৈষ্ণবীয় তন্ত্রসারে গীতা মাহাত্ম্য আর আছে পদ্মপুরাণে দেবাদিদেব শিব কর্তৃক ১৮টি অধ্যায়ের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছেন ।

৯। গীতাতে অর্জুনের ২০টি নাম আর কৃষ্ণের ৩৩টি নামের উল্লেখ করা হয়েছে ।

১০। গীতাতে মাং এবং মামেব কথাটি বেশি আছে, যোগ শব্দটি আছে ৭৮ বার, যোগী আছে ২৮ বার আর যুক্ত আছে ৪৯ বার ।

১১। গীতার ২য় অধ্যায়কে বলা হয় গীতার সারাংশ ।

১২। ভগবান যখন বিশ্বরূপ দেখান তখন কাল থেমে যায় ।

১৩। ভগবান শুধু যুদ্ধের আগেই গীতা বলেনি ১৮ দিন যুদ্ধের মাঝখানেও গীতা বলেছে ।

১৪। গীতায় অর্জুন ১৬টি প্রশ্ন করে আর কৃষ্ণ তার উত্তর দেন, কৃষ্ণ তা ৫৭৪টি শ্লোকের মাধ্যমে উত্তর দেন ।
১৫। পুরো গীতার সারমর্ম মাত্র ৪টি শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, ১০ অধ্যায়ের ৮ থেকে ১১ নং শ্লোক ।

১৬। পুরো গীতায় অর্জুন ৪৫ নামে কৃষ্ণকে সম্বধোন করছেন, আর কৃষ্ণ অর্জুনকে ২১টি নামে সম্বধোন করেছেন ।

১৭। গীতার ৫ম অধ্যায় ১৩ থেকে ১৬ নং শ্লোকে তিনজন কর্তার কথা বলা হয়েছে ।

১৮। গীতায় ৩টি গুণ, ৩টি দুঃখ আর ৪টি আমাদের প্রধান সমস্যার কথা বলেছে ।

১৯। ত্রিশ্লোকী গীতার জ্ঞান ঃ যা বেদ ও বেদান্তের সার, ১৫ অধ্যায়ের ১৬ থেকে ১৮ নং শ্লোক ।

২০। গীতায় ২৬টি গুণের কথা বলা হয়েছে আর ৬টি আসুরিক প্রবৃত্তির কথা বলা হয়েছে ।

২১। নরকের ৩টি দ্বারের কথা বলা হয়েছে (কাম, ক্রোধ ও লোভ)।

২২। গীতার ১৮ অধ্যায় ব্রাক্ষ্মনের ৯টি গুণ, ক্ষত্রিয়ের ৭টি গুণ, বৈশ্যের ৩টি গুণ আর শুদ্রের ১টি গুণ ।

২৩। ৩টি কর্মের প্রেরণা আর ৩টি কর্মের আশ্রয়ের কথা বলা আছে ।

২৪। বেদান্ত শাস্ত্রের সিধান্ত অনুসারে কর্মসমূহের সিদ্ধির উদ্দেশ্যে ৫টি নির্দিষ্ট কারণ কথা বলা হয়েছে ।

২৫। গুণ অনুসারে ৩ প্রকারের ত্যাগের কথা বলা হয়েছে ।

২৬। ৩ প্রকারের আহার, যজ্ঞ, তপস্যা, শ্রদ্ধা, পূজা ও দানের কথা বলা হয়েছে ।

২৭। ২টি স্বভাবের জীবের কথা বলা হয়েছে ।

২৮। ২ প্রকার জীবের কথা বলা হয়েছে ।

২৯। ১৮টি আত্মজ্ঞানের সাধনার গুনের কথা বলা হয়েছে ।
৩০। ব্রক্ষ্ম উপলব্ধির ৫টি স্তরের কথা বলা হয়েছে ।

৩১। ভক্তদের ৩৬ টি গুণের কথা বলা হয়েছে ।

৩২। গীতায় ২৫ জন সৃষ্টের কথা বলা হয়েছে যারা স্থাবর, জঙ্গম ও সমস্ত প্রজাদের সৃষ্টি করেছেন ।

৩৩। গীতায় নারীর ৭টি গুণের কথা বলা হয়েছে ।

৩৪। ৪ প্রকার সুকৃতিবান ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে ।
আর ৪ প্রকার দুষ্কৃতিবানের কথা বলা হয়েছে ।

৩৫। জড়া প্রকৃতির ৮টি উপাদানের কথা বলা হয়েছে।

গীতা জয়ন্তী তিথিতে বেশি করে গীতা অধ্যায়ন, প্রচার, দান করে মনুষ্য জীবন সার্থক করুন।

শুভেচ্ছান্তে
নিমাই শ্যামসুন্দর দাস।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Kamalgonj, Moulvibazar
Sylhet