Jahidur Rahman jahid
আলহামদুলিল্লাহ
06/05/2025
24/04/2025
একজন পিতা তার মেয়েকে আইফোন উপহার দিলো। দ্বিতীয় দিন পিতা কন্যাকে জিজ্ঞাসা করলো আইফোন পাওয়ার পর সর্বপ্রথম তুমি কি করেছো??
মেয়ে : আমি স্ক্রীন গার্ড আর কভার অর্ডার দিয়েছি।
পিতা : এটা করার জন্য তোমাকে কি কেউ বাধ্য করেছে?
মেয়ে : না কেউ করেনি।
পিতা : তোমার এমন লাগে না, যে তুমি আইফোন নির্মাতা কে অপমান করছো?
মেয়ে : না.. আইফোন নির্মাতা থেকে স্বয়ং কভার ও স্ক্রীন গার্ড লাগানোর জন্য উপদেশ দিয়েছে।
পিতা: ও তাহলে আইফোন অনেক খারাপ দেখাবে তবুও তুমি ওর জন্য কভার কিনেছ?
মেয়ে: না বরং খারাপ না হওয়ার জন্য কভার অর্ডার দিয়েছি।
পিতা : কভার লাগানোয় কি ওর সৌন্দর্য কমে যাবে না?
মেয়ে : না.. কভার লাগানোর পর আরো সুন্দর
দেখাবে।
পিতা মেয়ের দিকে স্নেহের নজরে তাকিয়ে বলল, মা আইফোন এর থেকেও দামি তোমার শরীর। এই ঘরের আর আমাদের সম্মান তুমি, তোমার শরীরকে কাপড়ে কভার করলে তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যাবে।
মেয়ের কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর ছিল না, শুধু চোখ থেকে নির্ঝরে অশ্রু বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া। নারীদের দেহ আড়াল করলে সৌন্দর্য কমে না, বরং প্রদর্শন করলে কমে।
23/04/2025
হিজ/-রা-/য়েল পুঁড়ে যাচ্ছে!
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্'র ❤️
22/03/2025
দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!
•
প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে? তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।
এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।
•
আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:
আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।
•
মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:
এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।
•
বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:
যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।
•
বিপদের বন্ধু চেনান:
শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।
•
‘না’ বলতে শেখান:
আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
•
প্রাথমিক চিকিৎসা:
খেলতে গিয়ে কেটে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।
•
অর্থ ব্যবস্থাপনা:
শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।
•
রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:
আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছুরি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।
তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।
•
এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।
_____________________
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট
চীনে ছাত্ররাজনীতি নাই। চীনের ছেলে-মেয়েরা দুনিয়া দখল করে নিচ্ছে। আমেরিকা-জাপান, জার্মানী কিংবা কানাডায়—চীনের ছেলে-মেয়েদের জয়জয়কার।
দুনিয়ার এমন কোন সেরা বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেখানে তারা নাই। সারা পৃথিবীতে তারা এখন টপার। এমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান দুনিয়াতে খুব কম যেখানে চীনের ছেলে-মেয়েদের প্রভাব নাই। ছাত্রদের যেটা কাজ, যেটা দায়িত্ব, ওরা সেটাই করছে। অন্যকিছু করে সময় নষ্ট করলে নিজে যেমন বিশ্বদৌঁড়ে পিছিয়ে যেতো, তেমনি ওদের দেশও পিছিয়ে পড়তো।
ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন দলীয় দাসত্বের ছাত্ররাজনীতি নাই। আমেরিকায় নাই। কানাডায় নাই। জাপানে নাই। দক্ষিণ কোরিয়া নাই। সিঙ্গাপুরে নাই।
ওরা চাঁদে যাচ্ছে। মঙ্গলে যাচ্ছে। ওরা পৃথিবীর সকল মহামারিতে ওষুধ, ভ্যকসিন নিয়ে হাজির হচ্ছে। প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হচ্ছে।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করছে। বুলেট ট্রেইন তৈরি করেছে। কি না করছে!
কিন্তু ছাত্ররাজনীতি লাগবে বাংলাদেশে। দলের দাস হয়ে থাকতে হবে। নেতার পাছার পেছনে স্লোগান দিতে হবে। ক্যাম্পাসে মারামারি হবে। ছাত্র খুন হবে। হল থেকে অস্ত্র পাওয়া যাবে। ছাত্ররা রাজনীতি করবে—নেতা হবে। শিক্ষকরা রাজনীতি করবে—নেতা হবে।
ফলে আমরা ৫৩ বছরে কি চুলটা ছিঁড়েছি? —আমাদের দৌঁড় হলো মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমিক হওয়া পর্যন্ত!
গ্লোবাল ইনোভেটিভ কালচারে আমাদের অবদান শূণ্য! দুনিয়ার তালিকা তো বহু দূর, দক্ষিণ এশিয়ার তালিকাতেই দেশের একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটি শীর্ষে থাকতে পারে না। আর যেসব স্টুডেন্টদের সামর্থ্য থাকবে কিংবা যোগ্যতা থাকবে—তারা দেশ ছাড়বে, আর ফিরবে না।
যে জাতি সময় থাকতে, চোখ খুলে অন্যের কাছ থেকে শিখে না, তাকে শেখানো কঠিন!
অন্যজাতির দাস হওয়া কিংবা মাইর খাওয়া ছাড়া এমনসব জাতির বিকল্প পথ থাকে না।
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Sylhet