Asthma care
Best Asthma care
01/16/2024
এ্যাজ'মা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাসনালী ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হানী'র বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাশির মতো আওয়াজ ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাসনালীতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সাথে সাথে বাড়তে থাকে এই প্রকোপ।
এ্যাজমার উপসর্গ গুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাসনালিতে কোনো ধরনের এ্যালজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাশি বা শ্বাসকষ্ট বুকে বাশির মতো শো শো শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সাথে বংশে কারও যদি এ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
এ্যাজমা বা হাঁপানি যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ বেশি দেখা দেয়। দেখা গেছে কারও কারও বংশগত কারনে বা পরিবেশগত কারনেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগ রেনু থেকে পশু পাখির পালক ছত্রাক,মল্ট, ইস্ট, প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধেয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাপানি বা শ্বাসকষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েল বা কারও কারও কিটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
এ্যাজমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে। তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। বিশ্বাস করেই দেখুন, অবশ্যই রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ।
01836-561828
01/15/2024
★শ্বাস কষ্ট কেন হয়?
💠বিশেষজ্ঞরা বলেন, হাইপা রভেন্টিলেশন সিন্ড্রো*মের কারণ খুব স্পষ্ট নয় ঠিকই তবে এই সমস্যার সঙ্গে উৎকণ্ঠা ও এক প্রকার ভ*য় পাওয়া রোগ অর্থাৎ প্যা*নিক ডিস অর্ডারের যোগ আছে। সে ক্ষেত্রে এই শ্বা সকষ্টটি এক অর্থে মনের রোগ। এ রোগের ক্ষেত্রে শারীরিক প্রয়োজনের থেকে বেশি করে শ্বাস নেওয়া হয়। ফলে র*ক্তের কা র্বন-ডাই-অ ক্সাইড শ্বাসের সঙ্গে বেশি মাত্রায় বেরিয়ে যায়। ফলে র*ক্তে ক্ষারের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। উ ৎকণ্ঠা এবং ভয়ে র সময় প্রায় ২৫% থেকে ৮৩% ক্ষেত্রে এ রকমের শ্বা সকষ্ট হয়। এই শ্বা সকষ্টের কোনো শারীরিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
💠 আবার ১১% ক্ষেত্রে মান সিক সমস্যা ও শারী রিক কারণ ছাড়াই শ্বা;সের এক ধরনের কষ্ট হয়। ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়। দেখা যায় যে, পুরুষদের চেয়ে মহিলারা এ সমস্যায় বেশি আ/ক্রান্ত হয়।
01/15/2024
Allhumdulillah
Our happy customer 😍😍😍
01/08/2024
শ্বাস -কষ্ট বা হাঁপা/নি বা আ্য/জমা হচ্ছে এমন ধরনের রোগ যা আপনার ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে..
প্রতিনিয়ত মে/ডিসিন ইন/হেলার এর সাইড ইফেক্টের মাধ্যমে শরীরের আরো বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে আপনাকে..
তাই আজ থেকে মেডি/সিন ইন/হেলার বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক ভাবেই হয়ে উঠুন সুস্থ!!!
এছাড়াও রয়েছে হেল থ অবজারভেশন টিম, যারা সার্বক্ষণিক আপনাকে পর্যবেক্ষণে রেখেই আপনাকে সুস্থ করে তুলবে..
তাই আজ থেকেই প্রাকৃতিক সেবার মাধ্যমে ২০-২৫ দিনে ইন হেলার মে ডি সিন ছাড়িয়ে শ্বাস কষ্ট নিয়ন্ত্রণে রেখে হয়ে যান সবার মতো সুস্থ!!!
দেশের যে কোনো প্রান্তে হোম ডেলিভারি..আপনার বয়স ও শারিরীক উল্লেখ করে ও আপনার ফোন নম্বর টি উল্লেখ করে send message অপশনে ক্লিক করুন..আমাদের কনসালট্যান্ট সিরিয়াল অনুসারে আপনাকে ফোন দিবেন...
01/07/2024
অ্যাজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালির অসুখ। যদি কোনো কারণে শ্বাসনালি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয়, তখন বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাস নিতে বা ফেলতে কষ্ট হয়।
অ্যাজমা কেন হয় :
* জেনেটিক কারণে যাদের অ্যালার্জি হয়।
* বংশে মা-বাবা, দাদা-দাদি বা অন্য কারো হাঁপানি থাকলে হতে পারে।
কখন বাড়ে :
ঘরবাড়ির ধুলা, ময়লা, মাইটেপোড়া, ফুলের রেণু, পাখির পালক, জীব-জন্তুর পশম, ছত্রাক ইত্যাদি অ্যালার্জিজনিত পদার্থ থেকে হাঁপানি হতে পারে। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থও হতে পারে হাঁপানি।
আপনি কি অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এবং এলার্জি বা চুলকানি জনীত সমস্যা নিয়ে চিন্তিত..?
মাত্র ৪৫ দিনে স্থায়ী সমাধান পেতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন।
আমাদের এই প্রোডাক্ট টি সরাসরি আমেরিকা চিকাগু শহর থেকে আমদানি করে থাকি।তা বাংলাদেশে এনে মেনুফেক্সার করে পুরো বাংলাদেশে সার্ভিস দিয়ে থাকি।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ।
শ্বাসকষ্ট:
এ-ই শীতে অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট রুগী বেশি।
সব শ্বাসকষ্টকে অ্যাজমা বলা যাবে না। বলতে হবে-
১) শুধু কাশি বা শুধু শ্বাস কস্ট বা দুটোই শীতে বাড়ে।
২) সন্ধ্যার পরে বা রাতে বাড়ে।
৩) ধূলাবালি/ কয়েলের ধোঁয়া/ পারফিউমের গন্ধে বাড়ে।
৪) বুকে মুরগীর বাচ্চার মত চ্যাঁও চ্যাঁও শব্দ হয়।
অবশ্যই অ্যাজমা, দ্রুত ডাক্তার দেখান। গ্যাস ( Nebulization বা inhaler) লাগবে। গ্যাস সম্পর্কে বলি-
১)গ্যাস ক্ষতিকর নয়, না জেনে অনেকে নেগেটিভ মন্তব্য করে। এটা আপনার life saving মেডিসিন।
২) ইনহেলার অবশ্যই ডাক্তার হতে শিখে নেবেন। নেওয়ার টেকনিক ঠিক মতো না হলে গ্যাস বের হয়ে যায়, রুগী ভুগতে থাকে।
Assalamu lay k*m
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
UK
Toronto, ON
2345