Something Good

Something Good

Partager

জীবন ব্যবস্থা

02/08/2024

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. দামেস্কের জেলে থাকাকালে একবার জেলার তাঁর কাছে এসে বলল, শাইখ! আমাকে ক্ষমা করবেন। (আমার কিছুই করার নেই) কারণ, আমি হুকুমের গোলাম।
ইবনে তাইমিয়া রহ. বললেন, 'আল্লাহর কসম! তোমার মত?মানুষ না থাকলে তারা কারও উপর জুলুম করতে পারত না।'
হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ.র কাছে এক দর্জি এসে বলল, আমি সুলতানের কাপড় সেলাই করি। আপনি কি মনে করেন, আমি জালিমের সহযোগী বলে গণ্য হব?
উত্তরে হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন, 'তুমি বরং জালিমদেরই একজন। জালিমদের সহযোগী হল তারা যারা তোমার কাছে সুঁই-সুতা বিক্রি করে।'

ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহঃ বাগদাদের জেলে থাকাকালীন সময়ে জেলার তাঁর কাছে এসে বলল, আবু আব্দুল্লাহ! জালিম এবং জালিমের সহযোগীদের ব্যাপারে যে হাদিস এসেছে তা কি সহীহ?
ইমাম আহমদ রহ. বললেন, হ্যাঁ।
জেলার বলল, 'আমি কি জালিমদের সহযোগী বলে গন্য হব?'
আহমদ বিন হাম্বল রহ. বললেন, 'তুমি বরং জালিমদেরই একজন। জালিমের সহযোগী তো সেই ব্যক্তি যে তোমার কাপড় ধুয়ে দেয়। খাবার রান্না করে দেয়। তোমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে দেয়।'

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো জালিমের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে চলে, অথচ সে জানে যে ওই ব্যক্তি জালিম, তখন সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেল’ (মেশকাত : ৪৯০৮)।

হে আল্লাহ!
জুলুম থেকে আমাদের উম্মাহকে বাঁচান।

আমিন।

20/01/2024

বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

সংগৃহিত..

18/09/2023

প্রশ্ন : তাওহীদ কী❓ তাওহীদ কত প্রকার❓❓

📄 তাওহীদ কী?

তাওহীদ শব্দের আভিধানিক অর্থঃ কোনো কিছুকে এক করা, একক ও অদ্বিতীয় সাব্যস্ত করা, একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করা।

শরীয়তের পরিভাষায়ঃ তাওহীদ শব্দের অর্থ হলো আল্লাহ সুবহা’নাহু তাআ’লাকে তাঁর সুমহান জাত (সত্ত্বা), আসমা বা সর্বসুন্দর নাম ও সিফাতে (গুণরাজি ও বৈশিষ্টে), এবং তাঁর অধিকার, কর্ম ও কর্তৃত্বে এক, একক ও অদ্বিতীয় ঘোষণা ও সাব্যস্ত করা, এবং এসব ক্ষেত্রে নিজের কথা, কাজ ও বিশ্বাসের দ্বারা আল্লাহর একত্বকে অক্ষুন্ন রাখা।

📄 তাওহীদ কত প্রকার?

তাওহীদ ৩ প্রকারঃ

১| তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ,
২| তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ,
৩| তাওহীদুল আসমা ওয়াস-সিফাত।

১| তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহঃ রুবুবিয়্যাহ বা প্রভুত্বের ক্ষেত্রে তাওহীদ। আর তা হলো নিজের কথা, কাজ ও বিশ্বাসের দ্বারা আল্লাহ তাআ’লাকে তাঁর যাবতীয় কর্ম ও কর্তৃত্বে এক ও অদ্বিতীয় তথা লা-শরীক (অংশীদারহীন) সাব্যস্ত করা। তাওহীদের এই পর্যায়ের মূলত যে কাজগুলো রব্ব বা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক হিসেবে একমাত্র আল্লাহ তাআ’লাই করে থাকেন, সেই কাজগুলোতে এক আল্লাহকেই বিশ্বাস করাকে বোঝায়। এর উদাহরণ হলো : রিযিকদাতা, সন্তানদাতা, ভাগ্যের ভালো-মন্দের মালিক, বিপদে উদ্ধার করার মালিক, পৃথিবীর নিয়ন্ত্রনকারী, এইরকম যেই কাজগুলো রব্ব হিসেবে একমাত্র আল্লাহ তাআ’লাই করে থাকেন – সেইগুলোতে আল্লাহকে এক ও একক সত্ত্বা হিসেবে বিশ্বাস করা, এবং তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক না করা।

সহজ করে বলা যেতে পারে, “তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ” হচ্ছে আল্লাহর কাজের ক্ষেত্রে (আরবীতে যাকে রুবুবিয়্যাহ বলা হয়) – সেইগুলোতে এক আল্লাহকেই বিশ্বাস করা, এবং এই কাজ অন্য কেউ করে বা তাঁর সাথে অন্য কেউ শরীক (অংশীদার) বা সাহায্যকারী আছে এই ধারণ বা বিশ্বাস অন্তরে না রাখা।

২| তাওহীদুল উলুহিয়্যাহঃ ইবাদতের ক্ষেত্রে তাওহীদ। অর্থাত, বান্দার ইবাদতে আল্লাহ তাআ’লার তাওহীদকে অক্ষুন্ন রাখা। অন্য কথায়, ইবাদতে আল্লাহর একত্ব প্রতিষ্ঠা করা। যেমন : নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত... ইত্যাদি শুধুমাত্র এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করা, পিতামাতা, পীরের বা অন্য যেকারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য না করা অথবা শুধুমাত্র দুনিয়াবি কোনো কিছু পাওয়ার জন্য (যেমন কেউ কুরআন শিক্ষা দিলো শুধু বেতন পাওয়ার লোভে, আল্লাহকে সন্তুষ্টির জন্যে নয়) বা অন্য কাউকে সন্তুষ্ট করতে না চাওয়া। যেমন অনেক বেনামাযি শ্বশুর বাড়িতে গেলে লোক দেখানোর জন‍্য নামায পড়ে, নির্বাচন আসলে মন্ত্রী এমপিরা ভোট পাওয়ার জন্য বা সুনাম কুড়ানোর জন্য হজ্জ উমরা করে, টুপি পাঞ্জাবী বা হেজাব পর্দা করে ধার্মিক সাজার চেষ্টা করে। এই সবগুলো কাজ তাওহীদে উলুহিয়্যাহর দিক থেকে বড় শিরকের পর্যায়ে পড়ে। কারণ সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নয়, বরং অন্য কাউকে সন্তুষ্ট করার জন্য ইবাদত করছে।

সহজ করে বলা যেতে পারে, “তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ” হচ্ছে বান্দার যেই কাজগুলো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত (আরবীতে যাকে ইবাদত বলা হয়, যার জন্য ইবাদত করা হয় তাকে “ইলাহ” বলা হয়) – সেইগুলো এক আল্লাহর জন্যই করা, এর বিনিময়ে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই কামনা করা এবং এই কাজগুলোর উদ্দেশ্যের মাঝে অন্য কারো সন্তুষ্টিকে শরীক (অংশীদার) না করা।

৩| তাওহীদুল আসমা ওয়াস-সিফাত।
অর্থাত, আল্লাহ তাআ’লাকে তাঁর আসমা (সুন্দরতম সমূহ নাম) ও সিফাত (গুণাবলী) এর ক্ষেত্রে এক ও অদ্বিতীয় সাব্যস্ত করা, এই আসমা ও সিফাতগুলোতে কাউকে শরীক না করা।
অন্য কথায়, আল্লাহর সুমহান নাম ও গুণাবলীতে আল্লাহ তাআ’লার একত্ব অক্ষুন্ন রাখা।
“সাব্যস্ত করার’’ অর্থ হলোঃ নিজের আক্বীদাহ-বিশ্বাসে, কথা-বার্তায় ও কাজে-কর্মে আল্লাহর একত্ববাদ প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত করা।
যেমন – আল্লাহ তাআ’আলার একটা সিফাত হচ্ছে তিনি “আ’লেমুল গায়েব” –সুতরাং অন্য কেউ গায়েব জানে, এই আকীদা না রাখা।

03/09/2023

একাকীত্ব মাঝে মাঝে খুবই আনন্দের হয়..

14/08/2023

অত:পর জlলিমের কারlগlর থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি পেয়ে তার রবের সান্নিধ্যে চলে গেলেন......😭
যিনি আগামীকাল পর্যন্ত হাফিজাহুল্লা ছিলেন আজকে তিনি রহিমাহুল্লাহ হয়ে গেলেন😭😭😭
إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ‎‎‎
বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কুরআন, আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী (রহঃ)ইন্তেকাল করেছেন 😭
ইন্নালিল্লাহি ও ইন্না ইলাহি রাজিউন..

23/03/2023

🔥 আগুন 🔥
যখন বিভিন্ন কালার ধারণ করে..

23/03/2023
13/03/2023

রমজান মাসের খাবারের হিসাব নিয়ে কিছু কথা:..

সমাজের কিছু মানুষ তাদের ভোগ বিলাসিতাকে জায়েজ করার জন্য এরকম একটা কথার প্রচলন করেছে। তারা বলে থাকে- সাহরি ও ইফতারে যা খাওয়া হবে এর কোনো হিসাব দিতে হবে না। নাউজুবিল্লাহ!

এই ধারণাটা সাওমের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। সাহরি ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে রামাদানে আমাদের ইবাদত করার সুযোগ নষ্ট হয়। সাহরি খাওয়ার উদ্দেশ্য এই নয় যে সারা দিন খেতে পারব না, তাই সারা দিনের খাবার একসাথে খেয়ে নিই। ইফতারের উদ্দেশ্য এই হওয়া উচিত নয় যে, সারা দিন খাই নি এখন সেটা উসুল করে নিই।

সারা বছর আমরা যে পরিমাণ খাবার খাই, অনেকেই রামাদানে তার চেয়ে বেশি খেয়ে থাকি। এজন্য আমরা ইবাদতে মন দিতে পারি না। রামাদানে আত্মা যে পরিশুদ্ধ হওয়ার কথা ছিল, সেটা থেকে বঞ্চিত হই। রামাদান আমাদের অনেকের জীবনে আসে খাওয়ার মাস হিসাবে। কিন্তু হওয়ার কথা ছিল উল্টা।

তাই সাহরি-ইফতারের খানার কোনো হিসাব নাই, এমন চিন্তা করার অবকাশ ইসলামে নাই।

নবীজি (সা) বলেছেনঃ

মানুষ পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোন পাত্র ভর্তি করে না। (যতটুকু খাদ্য গ্রহণ করলে পেট ভরে পাত্র থেকে ততটুকু খাদ্য উঠানো কোন ব্যক্তির জন্য দূষণীয় নয়)। যতটুকু আহার করলে মেরুদন্ড সোজা রাখা সম্ভব, ততটুকু খাদ্যই কোন ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট। এরপরও যদি কোন ব্যক্তির উপর তার নফস (প্রবৃত্তি) জয়যুক্ত হয়, (অর্থাৎ যদি সে আরও খেতে চায়) তবে সে তার পেটের এক-তৃতীয়াংশ আহারের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং এক তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখবে। (ইবনু মাজাহ ৩৩৪৯, হাদীসের মানঃ সহীহ)

আমরা অনেকেই আমাদের বাসার মা, বোন, স্ত্রীকে দুপুরের পর থেকে রান্নাঘরে পাঠিয়ে দেই। তারা আমাদের জন্য ৮-১০ পদের ইফতার বানিয়ে থাকেন। এভাবে রামাদানে তাদেরকে আমরা ইবাদতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করি। সাহরি-ইফতারে আমাদের এত এত খাবার খেতে হয়, যার বন্দোবস্ত করতে করতেই তাদের রামাদান পার হয়ে যায়।

তাই আসুন, রামাদানকে খাওয়ার মাস না বানাই। নানা পদের বাহারী আইটেমের পেট ভর্তি খাবার না খেয়ে সময়গুলোকে ইবাদতের জন্য কাজে লাগাই। সাহরি-ইফতারে সাধারন ভাত-তরকারি-রুটি জাতীয় খাবার খেয়ে শরীরকে ইবাদতের উপযোগি রাখি। যেন তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, কুরআন তিলাওয়াতের জন্য শরীর উপযোগি থাকে। বেশি খাওয়ার কারণে শরীর ভার না হয়ে যায়। আর রোজা রেখে গরীবদের অনাহারের কষ্টটাও উপলব্ধি করার চেষ্টা করি। এতে আমাদের সাওম ও রোজা আরও অধিক ফলপ্রসু হবে ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদেরকে অতিভোজনের অভিশাপ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

লেখাটি সম্পাদনা করেছেন মাওলানা শিব্বীর আহমদ। উসতাযুল হাদীস, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া ঢাকা।

01/03/2023

নবী (সা:)এর সুন্নাতের মধ্যেই সৌন্দর্য এবং কল্যাণ নিহিত...

ইদানিং একটা বিষয় খুবই ভালো লাগে যে,
এখন অধিকাংশ যুবক ছেলেরা গোড়ালি বা টাখনুর উপর প্যান্ট পড়ে । যদিও কেউ কেউ নবী (সা:)এর সুন্নতের নিয়তে পড়ে না , সৌন্দর্য মনে করে পরে..
প্রকৃতপক্ষে নবী (সা:)এর সুন্নতের মধ্যেই সকল সৌন্দর্য ও কল্যাণ নিহত..

01/03/2023

আমাদের চোখে সেরা মানুষের সংজ্ঞা কী? অনেক পড়াশোনা জানা, অনেক সম্পদের অধিকারী ইত্যাদি। চলুন দেখে নিই আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসূলের (সা) চোখে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের গুণাবলীগুলো। রাসূলের (সা) বিভিন্ন হাদীস থেকে সেরা মানুষের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা জানতে পারি। হাদীসগুলো থেকে কয়েকটি নিচে তুলে ধরা হলো।

১।
তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা সে, যে কুরআন শিখে এবং শেখায়।
(বুখারী, পর্ব: ফাজায়েলুল কুরআন, অধ্যায়: ২১ হাদীস নং: ৫০২৭)

২।
নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।
(বুখারী, পর্ব: শিষ্টাচার, অধ্যায়: উত্তম চরিত্র, হাদীস নং: ৬০৩৫)

৩।
তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।
(বুখারী, পর্ব: উকীল নিযুক্তকরণ, অধ্যায়: ৬, হাদীস নং: ২৩০৫)

৪।
তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে যার কাছ থেকে সবাই কল্যান আশা করে, অনিষ্টের আশংকা করে না।
( তিরমিজী, পর্ব: ফিতান, অধ্যায়: ৭৬, হাদীস নং: ২২৬৩/২৪৩২)

৫।
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তার পরিবারের নিকট ভালো।
(ইবনে হিব্বান, পর্ব: বিবাহ, অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রীর জীবনাচার, হাদীস নং: ৪১৭৭)

৬।
তোমাদের মধ্যে সে সর্বোত্তম, যে খাদ্য দান করে এবং সালামের জবাব দেয়।
(সহীহুল জামে’, হাদীস নং: ৩৩১৮)

৭।
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে ব্যক্তি, যে সালাতে কোমল-স্কন্ধ। (অর্থাৎ কেউ নামাজের কাতারে প্রবেশ করতে চাইলে কাঁধ নরম করে তাকে সুযোগ করে দেয়)।
( আবূ দাঊদ, পর্ব: সালাহ, অধ্যায় ৯৬, হাদীস নং:৬৭২ )

৮।
সেরা মানুষ সে যার বয়স দীর্ঘ এবং কর্ম ভালো হয়।
(জা-মিউল আহাদীস, হাদীস নং: ১২১০১ )

৯।
সেরা মানুষ সে যে মানবতার জন্য অধিক কল্যানকর উপকারী।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৮৯ )

১০।
আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।
(তিরমিজী, পর্ব: সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক, অধ্যায়: ২৮, হাদীস নং: ১৯৪৪)

১১।
শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন এবং মুখ সত্যবাদী। সাহাবীগন প্রশ্ন করলেন-সত্যবাদী মুখ বুঝা গেলো, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরবিশিষ্ট কে?
নবীজি ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ-নির্মল, মুত্তাক্বী, যাতে কোন পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৯১)

আল্লহ তা’আলা আমাদেরকে সর্বোত্তম মানুষের সবগুলো গুণ দান করুন এবং প্রকৃত ঈমানদার মানুষ হওয়ার তাউফীক দান করুন। আমিন।।

01/03/2023

দোয়া ইবাদাতের মূল..
জেনে নিই দুটি উত্তম দোয়া***

দুআ ইবাদতের মূল। দুআ আল্লাহর নিকট অতি পছন্দের একটি ইবাদত। যারা আল্লাহর কাছে দুআ করে না বা কিছু চায় না আল্লাহ তাদের উপর অসন্তুষ্ট হন। আমরা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর নিকট চাইলে তিনি খুশি হন এবং আমাদের দুআর জবাব দিতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!

নিচে একটি দুআ উল্লেখ করা হলো। যেই দুআটি পড়লে অসংখ্য সওয়াবের কথা হাদীস শরীফ থেকে প্রমাণিত। দুআটি হচ্ছেঃ

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، ‏‏‏‏‏‏لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، ‏‏‏‏‏‏يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

অর্থঃ আল্লাহ তা’আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সমস্ত কিছুই তাঁর এবং তিনিই সকল প্রশংসার অধিকারী, তিনিই জীবন দান করেন ও মুত্যু দেন এবং প্রতিটি জিনিসের উপর তিনিই মহা ক্ষমতাশালী।

এই দুআ ও তার ফজিলতের দলীল হিসাবে নিম্নে ২ টি হাদীস তুলে ধরা হলো।

হাদীস ১
-----------------
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

যে লোক একশ’বার এ দু’আ’টি পড়বেঃ

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، ‏‏‏‏‏‏لَا شَرِيكَ لَهُ، ‏‏‏‏‏‏لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ،

অর্থঃ আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহা নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।

তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব তার হবে। তার জন্য একশটি সওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান হতে মাহফুজ থাকবে। কোন লোক তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ঐ দু’আটির ‘আমল বেশি পরিমাণ করবে।
(বুখারী ৩২৯৩)

হাদীস ২
-----------------
উমারাহ্‌ ইবনু শাবীব আস্‌-সাবায়ী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

মাগরিবের নামাযের পর যে লোক দশবার বলে:

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، ‏‏‏‏‏‏لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، ‏‏‏‏‏‏يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

অর্থঃ আল্লাহ তা’আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সমস্ত কিছুই তাঁর এবং তিনিই সকল প্রশংসার অধিকারী, তিনিই জীবন দান করেন ও মুত্যু দেন এবং প্রতিটি জিনিসের উপর তিনিই মহা ক্ষমতাশালী।

আল্লাহ তা’আলা তার নিরাপত্তার জন্য ফেরেশতা পাঠান যারা তাকে শয়তানের ক্ষতি হতে ভোর পর্যন্ত নিরাপত্তা দান করেন, তার জন্য (আল্লাহ তা’আলা অনুগ্রহ) অবশ্যম্ভাবী করার ন্যায় দশটি পূণ্য লিখে দেন, তার দশটি ধ্বংসাত্মক গুনাহ বিলুপ্ত করে দেন এবং তার জন্য দশটি ঈমানদার দাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব রয়েছে।
(হাদীসের মানঃ হাসান সহীহ, তিরমিযি ৩৫৩৪)

আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি এই দুআটি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।

Vous voulez que votre entreprise soit Salon De Beauté la plus cotée à Democratic Republic of the ?
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.

Site Web

Adresse


ঢাকা বাংলাদেশ
Democratic Republic Of The