Chowdhury Creates UK
I love to share Cooking. recipes. shopping malls. famous places in the world. My hobbies Traveling. cooking. shopping. gardening and real life story.
Thank you all to follow my page
ডিটক্স ওয়াটার/রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরের ওজন কমাতে ডিটক্স ওয়াটার পান করার পদ্ধতি ও উপকারিতা
ডিটক্স ওয়াটারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এটি শরীরের চর্বিকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে, তাই এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং ওজন কমায়
এটি খাওয়ার উপযুক্ত সময় সকালের খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর। এরপর থেকে সারাদিনে ১-২ ঘণ্টা পরপর ১ কাপ করে এ পানীয় খেতে পারেন। তবে দিনে ২-৩ বার ডিটক্স ওয়াটার খাওয়াই যথেষ্ট শরীরের জন্য।বানানোর পদ্ধতি
#ডিটক্সওয়াটার
যেকোনো পছন্দের ফল বা সবজির স্লাইস দিয়ে তৈরি করা যায় ডিটক্স ওয়াটার। ...
এক লিটার পানিতে পাঁচ থেকে ছয় টুকরা লেবু, এক টেবিল চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার, এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা কাচের বোতলে ভিজিয়ে রাখলেই তৈরি হবে ডিটক্স ওয়াটার।
সকালের ডিটক্সিফাইং ড্রিংক হিসেবে, এক গ্লাস গরম পানিতে ১/২ চা চামচ হলুদ এবং লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এই ডিটক্স ওয়াটার শরীর পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং বিপাককে সমর্থন করে, যা যেকোনো ওজন কমানোর পরিকল্পনায় এটি একটি দুর্দান্ত সংযোজন। এর প্রভাব সর্বাধিক করার জন্য খালি পেটে এটি পান করুন।
ডিটক্স ওয়াটারের উপকারিতা
ওজন কমানোর জন্য ডিটক্স ওয়াটার ওজন কমানোর জন্য ডিটক্স ওয়াটার পান করা আজকাল বেশিরভাগ মানুষের কাছে পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। ...
বাজে গন্ধ দূর করে ...
হজমশক্তি বাড়ায় ...
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে ...
মেজাজ এবং শক্তি উন্নীত করে ...
কিডনি এবং লিভার থেকে টক্সিন পরিষ্কার করে
শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বা বর্জ্য পদার্থ বার করার প্রক্রিয়াই আসলে ডিটক্সিফিকেশন। পরীক্ষার আগে শরীর ফিট রাখতে, পেট ঠান্ডা রাখতে মায়েরা যে ঝোল-ভাতই খাইয়ে থাকেন, ডিটক্স ডায়েটের বিষয়টাও খানিকটা তেমনই। জল, ফলের রস জাতীয় খাবারই বেশি থাকে এই ডায়েটে। বেশি পরিমাণে জল খেলে এমনিতেই শরীরের বর্জ্য সহজে বেরিয়ে যায়শরীর থেকে টক্সিন বের করার একটি দুর্দান্ত উপায় হচ্ছে ডিটক্স ওয়াটার। দূষণকারী ও দূষিত পদার্থ থেকে মুক্তি দিয়ে শরীরকে হালকা করতে সাহায্য করে ডিটক্স ওয়াটার। এ জন্য এ পানীয়কে মাস্টার ক্লেনজার বলা হয়ে থাকে। ডিটক্স ওয়াটার অনেক ধরনের হয়ে থাকে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি হলো লেবুর রস ও পানি মিশিয়ে দিনে বেশ কয়েকবার পান করে উপবাস করা। এই ডিটক্স ওয়াটার শরীরের অঙ্গ ও অভ্যন্তরীণ সিস্টেমগুলোকে পরিষ্কার করবে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।
আমাদের খাদ্যাভাস ও নানা ধরনের ভুল খাদ্যগ্রহণ, অধিক তেল, অধিক মসলা ও অধিক লবণ-চিনি খাওয়ার কারণে শরীর কষা হয়ে ওঠে, তাই কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটে সৃষ্টি হয় নানা ধরনের সমস্যা। সেই সঙ্গে শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ে; রাতে ঘুমাতে যেমন কষ্ট হয়, তেমনি সকালে ঘুম থেকে উঠতেও কষ্ট হয়। খাওয়ার পর পেট ফুলে যায়, ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। রুচি নষ্ট হয়। সারা দিন ঝিমুনি লাগে। পেট পরিষ্কার হয় না। একাধিক বার টয়েলেটে যেতে হয়। এসব কারণে ওজন বেড়ে যায়, চেহারায় কালো ছাপ পরতে থাকে, ঘুম থেকে উঠলে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এমন সমস্যা যাদের আছে, তারা ডিটক্স করে ফল পাবেন।শরীরে ডিটক্সিফিকেশনের মধ্যে প্রস্রাব, ঘাম ও মল দিয়ে রক্ত আর অঙ্গগুলো থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করার বিষয় জড়িত। দেহের মধ্যে থাকা ক্ষতিকারক পদার্থ টক্সিন, অ্যালকোহল ও মাদকদ্রব্য থেকে গ্রহণ করা টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে। পানিতে নানা রাসায়নিক উপাদান থাকে; আমাদের দেহ সেগুলো আমাদের কোষে শোষণ করে; যা ঘাম, প্রস্রাব ও মলের মাধ্যমে প্রাকৃতিক নির্মূল প্রক্রিয়ায় অপসারিত হয়ে থাকে। ডিটক্স ওয়াটার শরীরকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে; এর কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে। ফলে ডিটক্স ওয়াটার হলো আপনার শরীর পরিষ্কার করার এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ফেরানোর একটি দুর্দান্ত উপায়
টবের গাছে অধিক ফলন পেতে কিভাবে সারা বছরের জন্য মাটি তৈরি করতে হবে//লাউয়ের অধিক ফলনে এই মাটি কার্যকর.
টবের গাছের জন্য মাটি তৈরির সহজ পদ্ধতি /সবজির অধিক ফলন পেতে মাটি এভাবেই তৈরি করতে হবে
#টবেরমাটিতৈরিরসহজপদ্ধতি
#টবেরগাছেরঅধিকফলনপেতেমাটিতৈরি
#মাটিদিয়েজৈবসারতৈরিরসহজপদ্ধতি
#শীতকালীনসবজিচাষের
#ঘরোয়া_উপায়ে_সবজিরচাষ
#টবেলাউচাষপদ্ধতি
#টবেসবজিচাষ
টবে সারা বছর বেগুনের চাষ করার সহজ পদ্ধতি/ডগায় ডগায় স্ত্রীফুল ও বেগুনের ফলন দ্বিগুণ করার সিক্রেট যত্ন/বেগুন চাষ/brinjal cultivation/বেগুন চাষে জৈব সার
#বেগুনের_চাষ_পদ্ধতি
#বেগুনচাষ
#বেগুনচাষেরসিক্রেটযত্ন
#বেগুনচাষেজৈবসারেরব্যবহার
#শখেরবাগানইউকে
#সারাবছরবেগুনচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
বেগুনের ফলন কয়েকগুন করার সহজ টিপস:
বিদেশের বাড়ীতে বাগানে বা বেলকনীতে ;ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে
এভাবেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাটি তৈরী করে যে বীজ বপন করলে ফসল দ্বিগুণ হবে/টবে সীম ও ধনিয়ার সহজ চাষ পদ্ধতি
টবের গাছের জন্য মাটি তৈরির সহজ পদ্ধতি /সবজির অধিক ফলন পেতে মাটি এভাবেই তৈরি করতে হবে
#টবেরমাটিতৈরিরসহজপদ্ধতি
#টবেরগাছেরঅধিকফলনপেতেমাটিতৈরি
#মাটিদিয়েজৈবসারতৈরিরসহজপদ্ধতি
#শীতকালীনসবজিচাষের
#ঘরোয়া_উপায়ে_সবজিরচাষ
#টবেলাউচাষপদ্ধতি
#টবেসবজিচাষ
টবে সারা বছর বেগুনের চাষ করার সহজ পদ্ধতি/ডগায় ডগায় স্ত্রীফুল ও বেগুনের ফলন দ্বিগুণ করার সিক্রেট যত্ন/বেগুন চাষ/brinjal cultivation/বেগুন চাষে জৈব সার
#বেগুনের_চাষ_পদ্ধতি
#বেগুনচাষ
#বেগুনচাষেরসিক্রেটযত্ন
#বেগুনচাষেজৈবসারেরব্যবহার
#শখেরবাগানইউকে
#সারাবছরবেগুনচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
বেগুনের ফলন কয়েকগুন করার সহজ টিপস:
বিদেশের বাড়ীতে বাগানে বা বেলকনীতে ;ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে
টবে চাষ পদ্ধতি/কিভাবে কম সময়ে অধিক ফসল পাওয়া যায়/কোন জৈবসার ও কোন ধরনের শাকসবজির ফলন হবে এই আবহওয়াতে
হলুদের প্রয়োগঃ হলুদের ব্যবহার এবং ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে সবাই জ্ঞাত। হলুদ ব্যবহার করে বিভিন্ন শস্য অনিষ্টকারী পোকা যেমন বিছা পোকা, ডাল ছিদ্রকারী পোকা, মাইট, রাইছ উইভিল ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রয়োগ বিধিঃ
ক) হলুদ আর এবং গৌ মুত্র এক সঙ্গে পিষে জলের সঙ্গে ১:২ অনুপাতে মিশিয়ে বিছা পোকা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োগ করুন ।
খ) হলুদের রসে একটা লম্বা মরাপাটের ডরি ভাল করে ডুবিয়ে পাথারে করে ডরির দুই মাথায় ধরে খেতের ওপরে টেনে নিয়ে গেলে অনিষ্টকারী পোকা দূর হয়ে যায়।রসুনের ঘোলঃ কীটনাশক, ব্যাকটেরিয়া নাশক, কীট বিকর্ষক,শস্য ক্রিমি নাশক রূপে রসুন ব্যবহার করিয়া সুফল পাওয়া যায়। ফল গাছের বিছা পোকা নিবারণের জন্য রসুনের ঘোল অতি ফলদায়ক। প্রয়োগ বিধিঃ
ক) দুটো গোটা রসুন ,দুই চা চামচ লঙ্কার গুড়া এবং ৫০ গ্রাম সাবান চার লিটার জলে মিশিয়ে গাছে প্রয়োগ করলে বিছা পোকা নিবারণ করতে পারা যায়।
খ) তিনটি গোটা রসুন ভালভাবে পিষে ২ দিন পর্য্যন্ত রাখার পরে বড় পাত্রে ১০০ গ্রাম সাবান ১০ লিটার জলে মিশিয়ে শস্যে প্রয়োগ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
গ) ১০০ গ্রাম রসুনের রোয়া ভালভবে পিষে ২৪ ঘণ্টা পর্য্যন্ত রেখে দিন। তারপর আধা লিটার জলে ১০ গ্রাম সাবান, ২ চা চামচ কেরাসিন মিশিয়ে তার সঙ্গে পূর্বে তৈয়ার করা রসুনের মণ্ডটি মিশিয়ে মিশ্রণটি ভালভাবে ছেকে নিয়ে প্রয়োগ করুণ।ছাইঃ ক) আধা কাপ ছাই, আধা কাপ চুন ৮ লিটার জলে ভালভাবে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রাখার পরে ছেকে লাউজাতীয় ফসলে প্রয়োগ করুণ।
খ) চুষে খাওয়া পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ৬ চা চামচ কেরাসিন, ১ কেজি ছাইর সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে ২ বার সকালে শাক সব্জিতে ছিটিয়ে প্রয়োগ করার দরকার।
গ) পাতা খাওয়া পোকা দমনের জন্য শুকনো ছাই শাক সব্জির খেতে প্রয়োগ করুণ।
ঘ) ১ লিটার জলে, ১চা চামচ কাঠের ছাই মিশিয়ে এক রাত্রি রাখার দরকার। তারপরে এই মিশ্রণটি ১ কাপ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ছেকে নিয়ে আবার ৩ গুন জলের সঙ্গে মিশিয়ে পাউদারিমিল্ডউ এবং জলসা(ব্লাষ্ট) রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োগ করুণসাধা পাতা (তামাক পাতা) সাধা পাতের মিশ্রণ কোমল-শরীরের পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। বিভিন্ন শস্য,যেমন– লেবু, সরিসা, আলু, লঙ্কা, লাইশাক, বান্ধাকবি ইত্যাদিতে আক্রমণ করা মোয়া পোকা, গম এবং বরবটির রাষ্ট, ছএাক জনিত রোগ, লিফকার্ল ভাইরাস এবং টমেটো, বেগুন গাছের আগা আর ফল খাওয়া পোকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে সাধা পাতার মিশ্রণ প্রয়োগ করে বিশেষ সুফল পাওয়া যায়।ছাইঃ ক) আধা কাপ ছাই, আধা কাপ চুন ৮ লিটার জলে ভালভাবে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রাখার পরে ছেকে লাউজাতীয় ফসলে প্রয়োগ করুণ।
খ) চুষে খাওয়া পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ৬ চা চামচ কেরাসিন, ১ কেজি ছাইর সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে ২ বার সকালে শাক সব্জিতে ছিটিয়ে প্রয়োগ করার দরকার।
গ) পাতা খাওয়া পোকা দমনের জন্য শুকনো ছাই শাক সব্জির খেতে প্রয়োগ করুণ।
ঘ) ১ লিটার জলে, ১চা চামচ কাঠের ছাই মিশিয়ে এক রাত্রি রাখার দরকার। তারপরে এই মিশ্রণটি ১ কাপ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ছেকে নিয়ে আবার ৩ গুন জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।
তুলসী পাতার মিশ্রনঃ তাজা তুলসী পাতা ৩৭৫ গ্রাম নিয়ে সমপরিমানের জলের সঙ্গে ২০ মিনিট সময় পর্যন্ত ফুটান। এই মিশ্রণটি ছেকে নিয়ে ১৫ লিটার জলের সঙ্গে মিশিয়ে সকালে স্প্রে করুন।ধান গাছের ব্লাষ্ট রোগের জন্য উপকারী।
ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক মরিচ ধরানোর সিক্রেট যত্ন/মরিচের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন
#মরিচ_চাষ_পদ্ধতি
#লাউ_গাছের_পরিচর্যা
#মরিচেরফলনদ্বিগুনকরারপদ্ধতি
#মরিচ_চাষ
#মরিচেরজন্যজৈবসার
#শখেরবাগানইউকে
🔹টিপস🔹
বিদেশে বাড়ীর বাগানে / এলটমেন্টে/ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিতে পারেন।
টবের গাছে সারাবছর দ্বিগুণ ফলন পেতে এই পদ্ধতিতে পুষ্টি দিয়ে ফলন বাড়ান/পালংশাক পেঁয়াজ রসুন ব্রুকলি চাষ
#ব্রকলিচাষ
#পেঁয়াজেরচাষ
#রসুনেরচাষ
#টবেরগাছেরফলন
#টবেসবজিচাষ
ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।
শীতে টবের গাছে লাউ বেগুন ও মরিচসহ শীতকালীন সবজির দ্বিগুণ ফলন পেতে এই সিক্রেট সার ব্যবহার করতে হবে
শীতকালীন সবজির দ্বিগুন ফলন পেতে এই সার দিতে হবে/ লাউয়ের মরিচের ফলন বাড়ানোর সহজ উপায়/
শীতে সবজির দ্বিগুন ফলন পেতে কোন সিক্রেট সার ও যত্ন নিতে হবে/টবে লাউ শীতকালীন সবজির দ্বিগুণ ফলন হবেই
#লাউয়েরফলনবাড়াতেসিক্রেটটিপস
#টবেপেঁয়াজরসুনেরচাষপদ্ধতি
#টবেসীমচাষ
#টবেকচুশাকপালংশাকপুঁইশাকচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
#টমেটো_গাছের_পরিচর্যা
#পালংশাকচাষ
#পেয়াজেরচাষ
ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।শীতে সবজির দ্বিগুন ফলন পেতে কোন সিক্রেট সার ও যত্ন নিতে হবে/টবে লাউ শীতকালীন সবজির দ্বিগুণ ফলন হবেই
ডগায় ডগায় লাউ মরিচ ও বেগুনের দ্বিগুন ফলন পেতে এই সিক্রেট সার দিতে হবে/রসুন ও হলুদের ফলন হবে দ্বিগুণ।শীতে সবজির দ্বিগুন ফলন পেতে কোন সিক্রেট সার ও যত্ন নিতে হবে/টবে লাউ শীতকালীন সবজির দ্বিগুণ ফলন হবেই
#লাউয়েরফলনবাড়াতেসিক্রেটটিপস
#টবেপেঁয়াজরসুনেরচাষপদ্ধতি
#টবেসীমচাষ
#টবেকচুশাকপালংশাকপুঁইশাকচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
#টমেটো_গাছের_পরিচর্যা
#পালংশাকচাষ
#পেয়াজেরচাষ
ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।
শীতকালীন যেকোন ধরণের সবজির দ্বিগুণ ফলন পেতে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরী এ জৈব লিকুইড রেগুলার স্প্রে করতে হবেটবে সারা বছর বেগুনের চাষ করার সহজ পদ্ধতি/ডগায় ডগায় স্ত্রীফুল ও বেগুনের ফলন দ্বিগুণ করার সিক্রেট যত্ন/বেগুন চাষ/brinjal cultivation/বেগুন চাষে জৈব সার
#বেগুনের_চাষ_পদ্ধতি
#বেগুনচাষ
#বেগুনচাষেরসিক্রেটযত্ন
#বেগুনচাষেজৈবসারেরব্যবহার
#শখেরবাগানইউকে
#সারাবছরবেগুনচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
বেগুনের ফলন কয়েকগুন করার সহজ টিপস:
বিদেশের বাড়ীতে বাগানে বা বেলকনীতে ;ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।
Skin Glowing Haldi Facial/শীতে ত্বকের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বল ফর্সা কোমল ত্বকের জন্য ক্লে ফেসিয়াল
&_Haldi_Face_pack_for_Instant_Glowing_Skin
#ফর্সা_ত্বকের_জন্য_ভাইরাল_কফি_ও_হলুদের_ফেস_মাক্স
#ছেলেদের_জন্য_ফেসপ্যাক
#মেয়েদের_জন্য_ফেসপ্যাক
Ingredients
Calcium Clay 2tbsp
Baking soda 1 tsp
Tea liquor as required / 3tbsp
turmaric powder 1 tbs
Coconut oil 6 drops
ফর্সা উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কার্যকরী ফেস মাক্স
Instant skin glowing face mask
Thank you for watching.
শীতে কোন সার ব্যবহারে বেগুনের অধিক ফলন হবে
টবে সারা বছর বেগুনের চাষ করার সহজ পদ্ধতি/ডগায় ডগায় স্ত্রীফুল ও বেগুনের ফলন দ্বিগুণ করার সিক্রেট যত্ন/বেগুন চাষ/brinjal cultivation/বেগুন চাষে জৈব সার
#বেগুনের_চাষ_পদ্ধতি
#বেগুনচাষ
#বেগুনচাষেরসিক্রেটযত্ন
#বেগুনচাষেজৈবসারেরব্যবহার
#শখেরবাগানইউকে
#সারাবছরবেগুনচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
বেগুনের ফলন কয়েকগুন করার সহজ টিপস:
বিদেশের বাড়ীতে বাগানে বা বেলকনীতে ;ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।
টবের গাছে বৃষ্টির পর পানির সাথে কি মসলা ব্যবহারে বেগুন গাছের দশা/গাছে কোন সার দিলে সারাবছর প্রচুর বেগুন ধরবে
টবে সারা বছর বেগুনের চাষ করার সহজ পদ্ধতি/ডগায় ডগায় স্ত্রীফুল ও বেগুনের ফলন দ্বিগুণ করার সিক্রেট যত্ন/বেগুন চাষ/brinjal cultivation/বেগুন চাষে জৈব সার
#বেগুনের_চাষ_পদ্ধতি
#বেগুনচাষ
#বেগুনচাষেরসিক্রেটযত্ন
#বেগুনচাষেজৈবসারেরব্যবহার
#শখেরবাগানইউকে
#সারাবছরবেগুনচাষপদ্ধতি
#বেগুনেরফলনদ্বিগুনকরারসহজপদ্ধতি
বেগুনের ফলন কয়েকগুন করার সহজ টিপস:
বিদেশের বাড়ীতে বাগানে বা বেলকনীতে ;ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।
🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।
🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।
🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।
🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।
⭕🟡🟢 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।
#বেগুন_গাছের_পরিচর্চা
#বেগুনচাষ
#দেশীবেগুনেরচাষ
#বেগুনচাষেরজন্যজৈবসারতৈরী
#বেগুনেরফলনবাড়ানোরসহজপদ্ধতি
#বেগুনেরচারাতৈরী
বেগুন গাছে ফুল আসা বন্ধ হলে সাথে সাথেই এই সিক্রেট সার ব্যবহার করুন/ডগায় ডগায় স্ত্রী ফুল ও অধিক বেগুন ধরানোর সিক্রেট যত্ন/বেগুনের ফলন বাড়াতে ঘরে তৈরী জৈব এ লিকুইড গাছে দিন/ঘরোয়া পদ্ধতিতে বেগুনের ফলন কয়েকগুণ বাড়বে।
গাছে ফুল এলে মাটি থেকে তার অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষন করতে হয়। এ সময় যদি সে মাটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পায় ফলে ফুল টিকিয়ে রাখতে পারে না। আপনি যদি জৈব সার ব্যবহার করতে চান তাহলে কেঁচো সার ব্যবহার করতে পারেন। এইটা ভালো কাজ করে।বোরন সারের অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং গাছে ফুল সংখ্যায় কম আসে। বোরনের অভাবে সবজি বা ফল গাছের ফুল ঝরা বেড়ে যায়। ফল আকারে ছোট হয় এবং ফেটে যায়।সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।
Coffee & Haldi Facial Night Cream For Instant Glowing Skin/উজ্জ্বল ফর্সা ত্বকের জন্য এভোকাডো ক্রীমCoffee & Haldi Facial Night Cream For Instant Glowing Skin/উজ্জ্বল ফর্সা ত্বকের জন্য এভোকাডো ক্রীম/Glowing skin care/haldi facial/Coffee facial/night cream/Day cream/pigmantation cream/avocado facial/glowing facial/Haldi cream
haldi_cream
#ত্বকের_যত্নে_ঘরোয়া_পদ্ধতি
&_Haldi_Face_pack_for_Instant_Glowing_Skin
#ফর্সা_ত্বকের_জন্য_ভাইরাল_কফি_ও_হলুদের_ফেস_মাক্স
#ছেলেদের_জন্য_ফেসপ্যাক
#মেয়েদের_জন্য_ফেসপ্যাক
Ingredients :
Coffee 1 tsp
Coconut oil 1tbsp
turmaric powder 1 tsp
Avocado 1 tbsp
gram flour 2 tbsp
ফর্সা উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কার্যকরী ফেস মাক্স
Instant skin glowing face mask
Thank you for watching.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
London