Dr Ishani Shil
অর্শ,পেটের সমস্যা,এলার্জি,ডায়বেটিস, ইউরিক অ্যাসিড,স্ত্রী রোগ,চুলপড়ার সমস্যা,মানসিক ব্যাধি,ওজনের সমস্য
25/09/2026
বর্তমানে সামাজিক মাধ্যম খুললেই চোখে পড়ে "ডাক্তারের গাফিলতিতে মৃত্যু", "হাসপাতালের চেয়ারে ডাক্তার নেই", "এখনও খুলেনি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দরজা"। সবটা যেমন মিথ্যে নয় আবার সবটা সত্যিও নয়, চলুন একটু জানার বোঝার চেষ্টা করি, জ্ঞানে সমৃদ্ধ হই।
একদম নিচু তলা থেকে শুরু করি, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র/ডিসপেনসারি সেখানে ধরুন একজন স্টাফ নেই কিংবা অফিস টাইমের পরেও বন্ধ, কারণ কী থাকতে পারে?
১) অফিসের বাইরেই বেশির ভাগ কাজ, মাসে চারদিন গ্রামীণ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি দিবস, ১ দিন আরোগ্য শিবির, ১ দিন জন আরোগ্য সমিতি মিটিং, ১ দিন স্যানিটেশন মিটিং, ১ দিন nikshay দিবস, ১-২ দিন শয্যাশায়ী রোগীর সংখ্যা অনুযায়ী বাড়িতে পরিদর্শনে যেতে হয়, ১ দিন রিপোর্টিং অফিসে monthly meeting এসব দিনে স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ পাওয়ারই কথা।
২)এছাড়াও বিভিন্ন সময় ট্রেইনিং থাকে ডিস্ট্রিক্ট বা স্টেট লেভেল প্রায় প্রতি মাসেই ২-৫ দিন তখনও হয়তো আপনি একজনকে পাবেন অপর জনকে পাবেন না।
৩) যদি স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি আয়ুশ (ডাক্তার আছে এমন) হয় তাহলে আরও মুশকিল কারণ তখন ফিল্ড এ আরো অতিরিক্ত কাজ থাকে যেমন মাসে চারটা স্কুল ভিজিট, ৩টা আয়ুশ হেলথ ক্যাম্প প্রান্তিক গ্রামে।
৪) এসব গেল প্রোগ্রামের কথা এছাড়াও কখনও ওষুধ আনতে বড় হাসপাতালে যেতে হয়, বিল অন্য কাগজ, রিপোর্ট জমা দিতে বড় হাসপাতালে যেতে হয়, ছবি প্রিন্ট করতে যেতে হয়, জেরক্স বা ফরম্যাট প্রিন্ট করতে যেতে হয়, টিবি রোগীর খাবার কিনতে বা আনতে যেতে হয় আবার কখনও কখনও তাদের বাড়িও যেতে হয় সব নিয়ম মানছে কিনা দেখার জন্য, কোনো গর্ভবতী মা বা প্রসব পরবর্তী মা কিংবা কোনো সদ্যজাতকে নিয়ে কোনো অসুবিধা থাকলে তাও দেখতে যেতে হয়।
এবার প্রত্যেক মাসে কর্মময় দিন থাকে ২০-২২ সেখানে সব প্রোগ্রাম গুণে কি বুঝলেন সাধারণ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র হলে সেটি মাসে আপনি ১০ দিন ন্যূনতম দেখবেন বন্ধ বা সঠিক সময়ে খোলা হলো না আবার সেটি আয়ুষের হলে সংখ্যাটা প্রায় ১৭ দিন দেখবেন বন্ধ বা সঠিক সময় মানা হলো না। কিন্তু সত্যি কোনটা? যা আপনার খবরের চ্যানেল(অতি উৎসাহী অল্প শিক্ষিত নিজেকে সাংবাদিক ডিগ্রি ছাড়াই সাংবাদিক ঘোষিত লোকজন) দেখালো? উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলা হলো না/ ডিসপেনসারি তে ডাক্তার নেই সেটা? নাকি চোখ খুলে সত্যিটা জানতে চাইবেন! কোনটা?
এবার উপায় কি? তাহলে কি পরিষেবা পাবেন না? অবশ্যই পাবেন, নিশ্চই পাবেন, নিজের গ্রামের আশাকে ফোন করুন, জিজ্ঞাসা করুন আজকে স্বাস্থ্য কেন্দ্র খোলা পাবেন কিনা, কয়টায় গেলে খোলা পাবেন, ডাক্তার আজকে থাকবেন কিনা নাকি কোনো প্রোগ্রাম বা মিটিং এ চলে যাবেন।
আর যারা বিচার করতে বসেছেন তাদের জন্য, অফিসে ছায়ায়(ফ্যানের হওয়া, ac এর হওয়া বলা উচিৎ হবে না কারণ অনেক উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এখনও কারেন্ট কানেকশন হয়নি বা হলেও কারেন্ট থাকেনা এতটাই প্রত্যন্ত এলাকা) বসে কাজ করা অনেক শান্তির এমন পাহাড়ে, বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়ানোর চেয়ে কারণ এসব গরমের তপ্ত রোদে, প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি কাদা মেখে এসেও আবার অফিসে বসে কাজ করতে হয় কারণ আমাদের কাজ শুধু পরিষেবা দেওয়া নয় সেটাকে কাগজে কলমে লিখে রাখা ১০-১২ টা পোর্টালের মাধ্যমে তা সময়ের মধ্যে বা লাইভ আপডেট করা। যারা পরিষেবা নেন, তারা সবটাই বোঝেন জানেন আর যারা নেন না, কিছু হলেই আগরতলা, ILS, kolkata, AIIMS এ ছোটেন তারা বসে এসব করবে বৈকি।
বাকি পর্ব পরের পোস্টে।PHC CHC District হাসপাতাল নিয়ে
17/09/2026
স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তার এখন হাত বাড়ালেই তাও মানুষের এক অন্ধ মোহ অশিক্ষিত "influencer" এর প্রতি, ওরা যদি বলে এই ওষুধ খেলে লম্বা হওয়া যায় তাই সই, ওরা যদি বলে হাইপ্রেসার হাই ব্লাড সুগার এটা ওটা খেলে লাগালে ঠিক হয়ে যায় মানুষ ওটাই বিশ্বাস করতে শুরু করে মানতে শুরু করে।
কিন্তু কেন এই অন্ধকারের দিকে মানুষের ধেয়ে যাওয়া? কিসের টান কিসের মোহ!
কারণ influencer রা আপনাদের তাই বলেন যা আপনারা শুনতে চান আর ডাক্তার বলে সত্যি, আর সত্যি অনেকটা নিম পাতার মতন, ভালো ঠিকই তবে তেতো।
শুনুন,
💫যদি আপনার গায়ের রং কালো হয় তবে সেটাই স্বাভাবিক, আপনি খুব বেশি হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন এতে ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল হতে পারে সেই সাথে ত্বকের বিভিন্ন ক্ষতি বা ট্যান আটকাতে পারে, ময়েশ্চারাইজার বা serum ব্যবহার করতে পারেন এতে ত্বক কিছুটা মসৃণ হতে পারে। ফল, জল, vit C,E যুক্ত খাবার বেশি খান, নিয়ম করে ভালো ফেট যেমন ঘী মাখন খেতে পারেন এতেও ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল হবে। তবে বিভিন্ন ad দেখে বা ওষুধ এর দোকান থেকে ক্রিম কিনে লাগিয়ে ফর্সা হয়ে যাবেন এসব ভাবনা চিন্তা থেকে বের হোন ❌❌
🤸আপনার উচ্চতা বা ওজন অনেকটা নির্ভর করে আপনার মা বাবা বা তাদের বংশের উপর, জোর করে কিংবা ১৬-১৮ বছর বয়সের পর লম্বা হওয়ার চান্স একেবারে নেই।ওষুধ খেয়েও না কমপ্লেইন হরলিক্স খেয়েও নাহ্। তাই শুধু শুধু টাকা খরচ করবেন না, শরীরের বারোটা বাজাবেন না❌❌
🥰আপনার শরীর ৯০% ক্ষেত্রে নিজের ব্যবস্থা নিজেই করে নেয় তাই ইন্টিমিট হাইজিন এর নামে নিজের va**na তে এক্সট্রা ক্লিয়ার রাখার চেষ্টা না করা ভালো, জল দিয়ে পরিষ্কার রাখুন যথেষ্ট। নোংরা হাতে যৌনি তে ধরবেন না, হাত পরিষ্কার করে ধরুন। চুলকানি বা জালা করলে ভালো করে ধুয়ে শুকনো রাখার চেষ্টা করুন, ডাক্তার দেখান, জল বেশি করে খান, কোনো রকমের দানা বা ফুসকুনি দেখলে অবশ্যই সকল প্রকার টেস্ট করান। রোগ নিয়ে বাড়ি বসে থাকবেন না,❌ লজ্জা পাবেন না, ❌আসল ডাক্তার থেকে চিকিৎসা করান।✅
❣️নিজের শরীর, নিজের মন, নিজের মান সম্মান অধিকারের জন্য নিজেকেই লড়তে হয়। নিজে নিজের পাশে দাঁড়ালে তবেই অন্য মানুষ দাঁড়ায়। তাই নিজের পাশে আগে নিজে দাঁড়ান। 💕
,
,
,
,
゚viralシ
29/08/2026
My life and surroundings:
•people find me out as their competition but they have the same age daughter in their home.
•how much unlucky 🐈⬛ someone could be? Didn't get the hometown posting, got the 1st posting at one of the worse areas of the district, staff shortage, incompetent staff, language barriers.
•Taking your own leave will cost your mental harassment, even in medical leave you need to go to do the work done atleast for an hour and two.
•in every step of this work you will be humiliated by anyone as "salary will be hold", "you might lose your job at any moment", "you are not doing enough, actually doing very bad, worse then before".
And data will say the exact opposite.
This is my current job situation, current employer, current co-workers behaviour.
27/08/2026
I think living in this world without any political backing, power backing or atleast financial backing is a curse. I work hard bcz for me giving my 100 💯 is the best thing I can do and the data will definitely scream out loud to prove I am not just bluffing around.
But at the end of the day there are no stones unturned to make me feel belittle, make me feel I am just useless, or a non performing employee.
I think that's what they say "Job can give you financial freedom but not mental peace".
I might leave the job one day, honestly I can't take disrespect, professional dirty politics, apathic work culture anymore. But at the end of the day I know I did whatever I could, I know I love common people so I did beyond my capacity beyond my social -language barrier, yes I did. I know it, my closest people (family friends) know it, my patients know it, some of my staff will agree, rest should REST IN peace ✌️
26/08/2026
কিছু অজানা সত্যি
• আপনারা কি জানেন আপনাদের রোগের বীজ বপন হয়ে যায় আপনি জন্ম নেওয়ার আগেই? যখন আপনি মায়ের পেটের ভেতর ছিলেন।
•আপনি কি জানেন আপনার রাগ, দুঃখ, মান অভিমান, শোকের ছায়া আপনার শরীর প্রতিফলন করে? জ্বর, পেটের অসুখ, মাসিকের সমস্যা, প্রেসার সুগারের মতন কঠিন অসুখের সাথেও আপনার মনের গোপন কথা জড়িয়ে!
•আপনি কি জানেন অনেকক্ষণ ফোন বা স্ক্রিন ব্যবহারের পর আপনার ব্রেইন বিরক্ত বোধ করে?
•আপনার খাদ্যাভাস এ লুকিয়ে আছে আপনার রোজ রোজের ভোগান্তির রোগের কারণ।
•আপনি কি জানেন মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মহিলাদের হাড় নরম হতে থাকে?
•আপনি কি জানেন মেয়েদের আয়রন এর বেশি প্রয়োজন ছেলেদের চেয়ে?
•আপনি কি জানতেন শখের ফল avocado 🥑 তে fat আছে?
•আপনি কি জানেন ঘী, তেল অতটাও খারাপ না? কারণ ঘী তে গুড fat আছে, fat না খেলে vit A, D, E, K এর মতন ভিটামিন গুলো শরীর গ্রহণ করতে পারেনা।
এরম আরো মজার জিনিষ জানতে হলে ফলো করে রাখতে হবে যে আমায়!
©®ঈশানী শীল
Please watch till the end if you want to know the reality check ✅
゚viralシ
22/08/2026
Patient: বলছিলাম, হোমিওপ্যাথি ওষুধে তো কোনো সাইড ইফেক্ট নেই তাইনা?
আমি: যে ওষুধ আপনার রোগ ঠিক করতে পারে সেই ওষুধ আপনার শরীরে ক্ষতি করতে পারবে না তাই মনে হয়?
রোগী: তাহলে কি সবাই ভুল বলে? যে সাইড ইফেক্ট নেই?
আমি: তাহলে তো একটু সময় লাগবে বুঝিয়ে বলতে, সময় আছে?
রোগী: সময় নিয়ে এসেছি আজ, বলুন তবে, শুনেই যাবো।
আমি: ওষুধের সাইড ইফেক্ট এর ইফেক্ট এই দুটো কথায় তফাৎ আছে, মানে আপনি জ্বরের ওষুধ খেলে লিভার খারাপ হবে না, ব্যথার ওষুধ খেলে কিডনি খারাপ হবে না কিন্তু তার মানে ওষুধ এর কোনো এফেক্ট নেই এমন নয়, সাইড ইফেক্ট নেই কথাটার মানে এক রোগের জন্য খেলে অন্য রোগ তৈরি করে দেবেনা হোমিওপ্যাথি ওষুধ।
কিন্তু এই "সাইড ইফেক্ট" নেই কথাটি তখনই প্রযোজ্য যখন ডাক্তার আপনাকে ওষুধটি লিখছে, খেতে বলছে কারণ হোমিওপ্যাথি "জ্বর মানেই প্যারাসিটামল" নয়, বরং জ্বর মানে ব্রায়োনিয়া, rhustox, আর্সেনিক, aconite, belladona অনেক কিছুই হতে পারে তাই কোনটি আপনার জ্বরের ওষুধ সেটি এক মাত্র একজন হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি সম্পন্ন ডাক্তারই বলতে পারবেন। তাছাড়াও একজন ডিগ্রি সম্পন্ন ডাক্তারই বলতে পারেন একটা ওষুধ ঠিক কত দিন আর কত পাওয়ার এর খাওয়া নিরাপদ।
ভিডিও, পোস্ট কিংবা chatgpt দেখে যারা হোমিওপ্যাথি ওষুধ ব্যবহার করেন তাদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া শরীরে দেখা যাবেই যাবে আর তখন তারা "হোমিওপ্যাথি কাজ করেনা, ভালো না" এসব বলে বেড়াবেন।
রোগী: আমি তো আপনাকে দেখিয়ে সারা বছর ধরে হোমিওপ্যাথি খেয়ে যাচ্ছি, আমারও কি তবে সাইড ইফেক্ট হতে পারে?
আমি: মোটেই না, কারণ আমি ডাক্তার, আমি জানি ঠিক কদিন ওষুধ খেয়ে সেটি বন্ধ করে দিতে হবে বা ঠিক কত পাওয়ার ওষুধ দিলে আপনার মধ্যে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে না আর যখন প্রতিক্রিয়া হতে পারে আমার মনে হবে সেটাও আমি বলে দিতে পারবো যে এই ওষুধ খেলে একটু কষ্ট হতে পারে।
আপনারাও আমার রোগীটির মত জানুন, জানান, জানার চেষ্টা করুন।
©®ঈশানী শীল
゚viralシ
17/08/2026
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে একটু ফোন ঘাটলেই কত বিজ্ঞাপন, রোগীকে ঠিক করার। তবে সবই যে নকল তেমন নয়, তবে নকলের ভিড়ে আসল খোঁজা দায় বটে।
প্রথমত কোনো ডাক্তার ছাড়া কোনো প্রকার ওষুধ খাবেন না, এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক কিছুই না কারণ যারা ওষুধের দোকানি তাদের মধ্যে 90% মানুষের শরীরের গঠন নিয়েই ধারণা রাখেন না। তাই আপনার শরীর নিয়ে আগে আপনি সচেতন হোন, আপনি মানুষটা দামী।
দ্বিতীয়ত যখন ডাক্তার দেখাবেন তখন সেই ডাক্তারের ডিগ্রির যথাযথ নিরক্ষণ করে নেবেন যেন সে নকল ডাক্তার না হয় কারণ আসল ডাক্তার আর যাইহোক আপনার ক্ষতি করে দেবে না।
তৃতীয়ত অনলাইনে ও আপনি অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই ভিডিও কনসালটেশন করা হয়, প্রেসক্রিপশন ও দেওয়া হয় কোনো টেস্ট লাগলে সেটিও লিখে দেওয়া হয়।
শেষ কথা হলো আপনারা অন্যের ভিডিও বা পোস্ট দেখে যে ওষুধগুলো খান কোনো রোগ ঠিক করতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওষুধের সাথে কিছু লাইফস্টাইল চেঞ্জ করতে হয় সেটা কিন্তু ফটো বা ভিডিওতে বলা হয়না, এমনকি dose ও চেঞ্জ হয়ে যায় বয়স, ওজনের সাথে সেসব কিন্তু বলবে না কেউ।
゚viralシ
16/08/2026
চলুন আজকে হোমিওপ্যাথি নিয়ে কিছু ভুল ভাবনা থেকে বের হই।
•হোমিওপ্যাথি ওষুধে হাড় ভেঙে গেলে জোড়া লাগেনা।
•দাঁত পোকা খেয়ে নিলে(নষ্ট হয়ে গেলে) হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়ে আবার ঝকঝকে সাদা দাঁত হয়ে যায়না।
•একটা বয়সের পর হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খেলেও আপনার উচ্চতা আর বাড়বেনা।
•হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সাইড ইফেক্ট নেই কথাটি যেমন সত্যি তেমনি এটাও সত্যি আপনি নিজে নিজে ভিডিও দেখে, পোস্ট দেখে, কমেন্ট দেখে কোনো ওষুধ খেয়ে নিলে ভীষণ সাইড এফেক্ট হতে পারে।
•হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ধীরে কাজ করেনা, আসলে আমরাই ঠিকঠাক ওষুধ বা dose টা দিতে পারছিনা।
•কোনো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার আপনার রোগ ঠিক না করতে পারলে সেক্ষেত্রে ডাক্তার খারাপ বলবেন কেমন, হোমিওপ্যাথি খারাপ বলবেন না।
•হোমিওপ্যাথি ডাক্তার(যারা কলেজ থেকে পড়েছে) মানে যাদের BHMS ডিগ্রি আছে তারা কিন্তু আপনার MBBS ডাক্তারের মতই জ্ঞান রাখে, কারণ তারাও এনাটমি, ফিজিওলজি, প্যাথলজি সব কিছু পড়েই এসেছে শুধু ওষুধটুকু আলাদা।
•যারা সরকারি কলেজে পড়েছে তারা কিন্তু neet দিয়েছিল, কেউ দয়া করে কাউকে ডাক্তার বানায়নি, চাকরি দেয়নি।
•"হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে অনেক কিছু খাওয়া বারণ থাকে", সবসময় থাকেনা, ডাক্তার বলে দেবেন বারণ থাকলে, মূলত কাঁচা পেঁয়াজ রসুন বারণ থাকে।
•যারা হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বলেন ভিডিওতে বা পোস্টে তারা আদতে ডাক্তার নয়, কারণ হোমিওপ্যাথিতে জ্বর হলেই প্যারাসিটামল নয় বরং ব্রিয়োনিয়া, rhustox, আর্সেনিক, aconite এমন অনেক ওষুধ আছে যা শুধু জ্বর এর জন্যই তাই আগে আমাকে আপনার সব টুকু শুনতে হবে তারপর ওষুধ বলা সম্ভব। এভাবে ভিডিওতে তো অসম্ভব।
আর কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন 💕
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, বৃষ্টিতে ভিজবেন না, মশারী লাগিয়ে ঘুমান, ঘরে ভেজা কাপড় শুকাবেন না, বাচ্চাদের বিশেষ যত্ন নিন।
©®ঈশানী শীল
゚viralシ
Category
Contact the business
Website
Address
Kadamtali
Agartala
799001