Warsi Herbal Care
Ayurvedic Medicine and Ayurvedic treatment available here. Ayurvedic Medicine and Ayurvedic treatment available here without any side effects.
23/08/2020
Fenugreek Seeds Benefits: খালি পেটে মেথি, জানেন এর গুনাগুন? লকডাউনে আপনিও হতে পারেন লাভবান
Fenugreek Seeds Health Benefits: প্রায় সব রান্নাঘরেই মেথি দেখতে পাওয়া যায়, এর গুণও অনেক। ফোড়নের সময় সামান্য মেথি, খাবারের স্বাদ-গন্ধ বদলে দেয়।তবে যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই মেথি রামবানের কাজ করে। কিন্তু কখন এই মেথির দানা আপনার শরীরের জন্য সর্বাধিক উপযোগী তা জানাটা খুবই জরুরি।
ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হল , এই রোগ শরীরের অন্যান্য অঙ্গকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ব্লাড সুগার (Methi For Blood Sugar) নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মেথি রামবানের কাজ করে, সেই সঙ্গে তা শরীরে ইনসুলিন (Insulin) তৈরিতে সাহায্য করে।আপনার মাথা ভর্তি খুশকি, মেথির (Health Benefits Of Fenugreek Seeds) সাহায্যে তার হাত থেকে সহজেই রেহাই পেতে পারেন।ব্রণর সমস্যা বা ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথা, মেথির সাহায্যে সহজেই হতে পারেন লাভবান।
কীভাবে মেথি খাবেন? | What Is The Best Way To Consume Fenugreek Seeds?
এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ গোটা মেথি ভিজিয়ে দিন। এইভাবে ১০ মিনিট রাখুন।স্বাদ বৃদ্ধির জন্য তাতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন ও উপভোগ করুন।
মেথির এত গুন, জানলে অবাক হবেন আপনিও | These Are Excellent Benefits Of Fenugreek Seeds
- মেথির মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে মেথির দানা খান ও নিজের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন।
- মেথির দানা ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপও কমাতে সাহায্য করে। অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকেও রেহাই দেয়।
- নিয়মিত মেথি খেলে আপনার শরীর থেকে বিভিন্ন কালো দাগ ছোপ উবে যাবে।
- একটা কাপড়ের মধ্যে মেথির দানা বেঁধে ফোঁড়া বা মাংসপেশিতে বেদনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করলে শরীরের ফোলা ভাব কমবে এবং বেদনার হাত থেকেও রেহাই পাবেন।
- নিয়মিত মেথি খেলে আপনার শরীরের ওজন কমবে। পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বির হাত থেকেও রেহাই পাবনা।
- মেথি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে এবং আপনাকে মধুময়ের হাত থেকে রক্ষা করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘরোয়া টোটকা হিসাবে মেথির ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য মেথি ব্যবহার করতে পারেন।এতে করে আপনার চুল ঝরার প্রবণতাও কমবে।
14/08/2020
Ayush Kwath (আয়ুষ ক্বাথ ) আয়ুষ ক্বাথ কেন পান করবেন ? -----
বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মহামারী রূপ নেওয়ার পরিস্থিতিতে টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এই ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো প্রকৃতির ভেষজ দ্বারা শরীরের রোগ বিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি।
ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে উপরোক্ত চারটি ভেষজের বিশেষ অবদান :-
১। তুলসী - ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ।
২। দারচিনি - ফুসফুসের ক্ষতি থেকে প্রতিরোধ করে । ৩। আদা - শ্বাসনালীতে শ্বাস চলাচলের উন্নতি করে ।
৪। গোলমরিচ /কালো মরিচ - ব্যাকটেরিয়ার কোষ পর্দা ধ্বংস সাধন করে । আয়ুষ ক্বাথ করোনা ভাইরাস ছাড়া অন্যান্য ভাইরাসের ইনফেকশন ও রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা তৈরি করে।
আয়ুষ ক্বাথ পানের নিয়ম - -------- ১৫০ মিলি বা এক কাপ গরম জলে ৩ গ্রাম বা অর্ধেক চামচ আয়ুষ ক্বাথ ৩ থেকে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নির্যাস দিনে ১ দুবার ২ বার নিয়ম ।
20/12/2018
চুল পড়া থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়--------
অস্বাভাবিকভাবে মাথার চুল পড়ে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা।আপনার চেহারা ভালো কিন্তু চুল যদি না থাকে, তবে ঐ সুন্দর্য মাটি হয়ে যাবে।তাই আপনাদের জন্য নিয়ে বেশ কিছু , best hair tips যা চুল পড়া রোধ করতে কাজ করবে।
১।১ চামচ নারিকেল তেল ও ১ চামচ কেস্টার অয়েল ভালো করে মিশান।রাতের বেলা মাথায় লাগান।সকালে উঠে ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।কয়েকদিন এই নিয়ম মেনে চললে চুল পড়া অনেক কমে যাবে।
২। যদি আপনার মাথার চুল খুব বেশি পরিমাণে পড়ে, তবে নিম পাতা এবয় মেথি একসাথে সিদ্ধ করুন।তারপর তার থেকে যে রস বের হবে সেই রস চুলে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর চুলে শ্যাম্পু দিয়ে স্নান করুন। আশা করা যায় এই পদ্ধতিতে আপনার চুল পড়া অনেকাংশে কমে যাবে।
৩।নারিকেল তেল হালকা গরম করে তার সাথে কায়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশান।এরপর চুলের বিশেষ করে চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগান।২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন।তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।নারিকেল তেলের পরিবর্তে অলিভ অয়েল ও মিশাতে পারেন।
৪।মানুষের বড় বড় রোগের কারণ হচ্ছে মানসিক দুশ্চিন্তা।দুশ্চিন্তা কমাতে হবে।চুল মাথার ত্বকের বিভিন্ন রোগের কারণে ও হতে পারে।অনেকের বংশগত কারণে চুল পড়ে।চুলের অপুষ্টিভাব কমাতে হবে।পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে তেল ও মসল্লাযুক্ত খাবার পরিহার,নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করা এবং চুলে শ্যাম্পু করার সময়ে খেয়াল রাখতে হবে যেন ত্বকে নখের আঁচড় না লাগে।
৫। এছাড়াও প্রয়োজনে আপনার কাছাকাছি কোন আয়ুর্বেদিক ডাক্তার(BAMS) এর কাছে চিকিৎসার পরামর্শ নিন।।
19/12/2018
ঘৃতকুমারীর গুণাবলী---------
সৌন্দর্য বর্ধনে ভেষজ উদ্ভিদের ব্যবহার হয়ে আসছে সেই সুপ্রাচীন কাল থেকেই। আয়ুর্বেদ বলুন আর ইউনানি - ভেষজ উদ্ভিদের জয়জয়কার সর্বত্র! আমাদের খুব পরিচিত ঘৃতকুমারী এমনই একটি গুণী উদ্ভিদ। রাস্তার পাশে প্রায়ই কিছু লোককে দেখা যায় ঘৃতকুমারীর পাতা বিক্রি করতে। ঘৃতকুমারীর শরবতও বেশ বিক্রি হয় গরমের সময়। কর্মজীবী মানুষদের দেখা যায় এই শরবত পান করে শরীর জুড়াতে। ঘৃতকুমারী একটি বহুজীবি ভেষজ চিকিত্সার উদ্ভিদ। দেখতে ফণিমনসা ক্যাকটাসের মতো হলেও এটা ক্যাকটাস নয়। আরো ভালো করে বললে ঘৃতকুমারী দেখতে ঠিক আনারসের গাছের মতো। পাতাগুলো চওড়া, পুরু ও গাঢ় সবুজ। পাতার দুপাশে করাতের মতো কাঁটা রয়েছে। পাতার ভেতরে লালার মতো পিচ্ছিল শাঁস থাকে। ঘৃতকুমারী লিলিজাতীয় গাছ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Aloe Vera। এটি Asphdelaceae (Aloe family) পরিবারের উদ্ভিদ। সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৫০ ধরনের ঘৃতকুমারীর গাছ পাওয়া যায়। ঘৃতকুমারীর অ্যালোভেরা নামটি এসেছে সৌন্দর্য বর্ধনের দেবীর লাতিন নাম অ্যালোভেরা থেকে। সুদূর অতীতেও ঘৃতকুমারীর ব্যবহারের বেশ প্রমাণ পাওয়া যায়। রানি ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের মূল রহস্য নাকি ছিল এই অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ।
ঘৃতকুমারীর রয়েছে নানা ধরনের গুণাবলী যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যেমন:-
১। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পান করলে, পরিপাকতন্ত্রের কার্যাবলি ভালো থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঘৃতকুমারীর রস পানে ডায়রিয়াও সেরে যায়।
২। পরিশ্রম বা কাজ করার ফলে যেসব এনজাইম শরীরকে ক্লান্ত ও শ্রান্ত করে তোলে, ঘৃতকুমারীর রস তাদের ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের ক্লান্তি ও শ্রান্তি দূর করে।
৩। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পান করলে ইহা শরীরে শক্তি যোগায় ও ওজন ঠিক রাখে, কারণ এতে চর্বি কমানোর উপাদান রয়েছে।
৪। ঘৃতকুমারী শরীরে সাদা রক্তকণিকা গঠনে সহায়তা করে ও বিভিন্ন ভাইরাসের সাথে লড়াই করে।
৫। ঘৃতকুমারীর রস পানে হাড়ের সন্ধি সহজ হয় ও নতুন কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
৬। ঘৃতকুমারীর রস নিয়মিত পান করতে চাইলে দিনে দুইবার করবেন এবং প্রতিবারে গ্রহণ করবেন ১০ মিলিলিটার। পাতার উপরের অংশ ভালো ভাবে পরিষ্কার করে শুধু ভেতরের অর্ধস্বচ্ছ অংশের রস করে খাবেন। চাইলে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন তবে চিনি মেশাবেন না।
বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন-
https://cookandservetaste.blogspot.com/2019/05/Aloe-vera.html?m=1
19/12/2018
নিম পাতার ৫টি জাদুকরী উপকারিতা----
নিম একটি ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ঔষধি গাছ হিসেবে নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে গত ৫ হাজার বছর ধরে। প্রকৃতি কী করে একই সঙ্গে সমস্যা এবং সমাধান ধারণ করে রেখেছে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ নিম। নিমের আছে ১৩০টি ঔষধি গুণ। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের বিস্ময়কর উপকারিতাগুলো।
১. ক্ষত সারায় নিম পাতা বেটে পেস্ট বানিয়ে আঘাতজনিত ক্ষত বা কীটপতঙ্গের কামড়ে সৃষ্ট ক্ষততে প্রতিদিন কয়েকবার করে লাগালে তা দ্রুত সেরে যায়।
২. খুশকি তাড়ায় পরিমাণ মতো পানি ও নিম পাতা নিয়ে সেদ্ধ করুন। যতক্ষণ না পানিটা নীল হচ্ছে। এরপর তা ঠাণ্ডা করে রাখুন। গোসলের সময় চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার পর এই পানি দিয়ে মাথা পরিষ্কার করুন।
৩. চোখের সমস্যা দূর করে কিছু নিম পাতা সেদ্ধ করার পর পানিটুকু ছেঁকে পুরোপুরি ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর সেই পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। এতে চোখের যেকোনো ধরনের প্রদাহ, ক্লান্তি বা লালচে ভাব দূর হবে।
৪. ব্রণ তাড়ায় কিছু নিম পাতা গুঁড়ো করে পেস্ট বানিয়ে ব্রণে লাগিয়ে দিন। যতদিন ব্রণ না শুকোচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এভাবে লাগিয়ে যান। মুখের যেকোনো ধরনের ফুসকুড়ি, ডার্ক স্পট এবং দীর্ঘমেয়াদি ঘা দূর করে নিম।
৫. কানফোঁড়া সারায় কিছুসংখ্যক নিমপাতা গুঁড়ো করে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। যেকোনো ধরনের কানফোঁড়া সারাতে এই মিশ্রণের কয়েকফোঁটাই যথেষ্ট।
16/12/2018
লেবুর ৫ টি অবিশ্বাস্য গুনাগুন----------
প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত খাদ্য উপাদান আমাদের শরীর জন্য কত খানি প্রয়োজন তা আর বলার অপেক্ষায় থাকে না। তেমন ই একটি খাবার লেবু (Lemon) । তাঁর এতই গুন যে এজন্য তাকে সুপার ফুড (Super Food) বলা হয়। আমার মনে হয় প্রতিটি বাসায় একটি লেবুর গাছ থাকা উচিত । চলুন দেখে নেই লেবুর ১৫ টি অবিশ্বাস্য গুনাগুন –
১. লেবুতে অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ভাইরাল থাকায় অতিরিক্ত ওজন কমাতে , হজম শক্তি বাড়াতে , এবং লিভারের ময়লা পরিষ্কারে সাহায্য করে।
২.লেবুতে প্রচুর পরিমানে সাইট্রিক এসিড ,ক্যালসিয়াম ও লিমলিন থাকে যা এন্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩.ভিটামিন সি এর বড় উৎস বলে পাকস্থলী ও হৃদপিণ্ডএর বিভিন্ন রোগ সহ সর্দি কাশি, জ্বর , ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ ও হাইপারটেঁশনে লেবু খুব ভাল উপকার দেয়।
৪.সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা যে , লেবু সব ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫.সকাল বেলা লেবু রস খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Purba Bardhaman B. K Road Bhatar
Burdwan
713125
Opening Hours
| Monday | 8:30am - 5pm |
| Tuesday | 8:30am - 5pm |
| Wednesday | 8:30am - 5pm |
| Thursday | 8:30am - 5pm |
| Friday | 8:30am - 5pm |
| Saturday | 8:45am - 5pm |
| Sunday | 9:30am - 5pm |
17/12/2018