Gaze World ツ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gaze World ツ, Health/Beauty, Howrah.
20/03/2022
এটি এক প্রকার অণু, যা ক্যান্সার এবং অকাল বার্ধক্যের মতো রোগের কারণ হতে পারে। ৩) ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমায় ড্রাগন ফল। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায়, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এই ফলের নিয়মিত সেবন, রক্তে শর্করার ভারসাম্যতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
ড্রাগন ফলের দাম বেশি হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা কিন্তু চমকে ওঠার মতো। বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে বিদেশি এই ফল চাষ করা হচ্ছে।
একটি ড্রাগন ফলে ৬০ ক্যালরি এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ থাকে। এই ফলে বিটা ক্যারোটিন ও লাইকোপিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে ত্বক, চোখ ও ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি করে। এখানে ড্রাগন ফলের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা উল্লেখ করা হলো।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে: একটি ড্রাগন ফলে প্রায় ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা দৈনিক সুপারিশকৃত পরিমাণের চারভাগের প্রায় একভাগ। এটা অন্ত্রের বর্জ্য দূরীকরণে সহায়তা করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে তারা এই ফল খেলে উপকার পেতে পারেন। সালসা তৈরি করে অথবা ফ্রুট সালাদ বা স্মুদিতে যোগ করে ড্রাগন ফল খেতে পারেন। এই ফলের স্বাদ হালকা।
হার্টের উপকার করে: ড্রাগন ফলের বীজে হার্টের জন্য উপকারী ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। নিউ ইয়র্কের পুষ্টিবিদ ও দ্য স্মল চেঞ্জ ডায়েটের লেখক কেরি গানস বলেন, ‘ড্রাগন ফলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। একারণে এই ফল খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি ও জয়েন্টের ব্যথা কমে যায়। ড্রাগন ফল খেলে বিষণ্নতাও কমতে পারে।’
হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে: অধিকাংশ ফলের চেয়ে ড্রাগন ফলে ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। এটা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে। অস্টিওপোরোসিসে হাড় এতই দুর্বল হয়ে যায় যে সহজেই ভেঙে পড়তে পারে। এক বাটি ড্রাগন ফলে দৈনিক সুপারিশকৃত ম্যাগনেসিয়ামের প্রায় ১৮ শতাংশ পাওয়া যায়। জার্নাল অব ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল রিসার্চে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, মাসিক চক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এমন নারীদের হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ড্রাগন ফল বিশেষ সহায়ক হতে পারে।
রক্ত চলাচল বজায় রাখে: বিশ্বের একটি অতি পরিচিত পুষ্টি ঘাটতি হলো আয়রনের ঘাটতি। নারীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মাংস, মাছ, বাদাম ও ডাল জাতীয় খাবার থেকে আমরা অধিকাংশ আয়রন গ্রহণ করে থাকি। মাত্র কিছু ফলে উচ্চ পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায়। এসব ফলের একটি হলো ড্রাগন ফল। ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ১.৯ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে, যা দৈনিক সুপারিশকৃত মাত্রার ১০ শতাংশেরও বেশি। হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের জন্য আয়রন প্রয়োজন, যা শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছাতে লোহিত রক্তকণিকাকে সাহায্য করে।
চুলপড়া প্রতিরোধ করে: আয়রন ঘাটতির কারণে চুলপড়া সমস্যাও হতে পারে। নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে চুলপড়া কমতে পারে। এছাড়া নিউ ইয়র্ক সিটির আইকান স্কুল অব মেডিসিনের ডার্মাটোলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল প্রফেসর গ্যারি গোল্ডেনবার্গের মতে, এই ফল আয়রন ঘাটতি জনিত রক্তস্বল্পতার অন্যান্য উপসর্গও প্রশমিত করতে পারে, যেমন- অত্যধিক ক্লান্তি, ত্বকের বিবর্ণতা, মনোনিবেশে সমস্যা, মাথাব্যথা ও হাত-পায়ে ঠান্ডা অনুভূতি।
ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে: ভাইরাস সংক্রমণে আমরা সাধারণত কমলার মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলের দিকে ঝুঁকে পড়ি, কারণ ভিটামিন সি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে। কিন্তু ইমিউন সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ডায়েটে ড্রাগন ফলকে রাখার কথাও বিবেচনা করতে পারেন। এতেও প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। বেথ ওয়ারেন নিউট্রিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পুষ্টিবিদ বেথ ওয়ারেন বলেন, ‘অক্সিডেটিভ স্ট্রেস জনিত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রয়োজন তা ফল ও শাকসবজিতে রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের একটি প্রাচুর্যপূর্ণ উৎস হলো ড্রাগন ফল।
12/03/2022
কোয়েল পাখির ডিম খেলে কি হয়..? এ ডিমের উপকারিত কি জানেন কি।
পৃথিবীতে যত ধরণের ডিম খাদ্য উপোযোগী রয়েছে তার মধ্যে গুণে মানে পুষ্টিতে ভরপুর হলো কোয়েল পাখির ডিম। সাধারণত বয়স ৪০ পার হলেই ডিম পরিহার করতে বলা হয় । কেননা ব্রয়লারের ডিমগুলো খেলে কোলেস্টেরল এর মাত্রা বেড়ে যায় কিন্তু তার পরিবর্তে কোয়েল পাখির ডিম যেকোনো বয়সের মানুষেরা সহজেই নিঃসংকোচে খেতে পারবেন।
আমাদের দেশে ইদানিং খাবার হিসেবে কোয়েল পাখির ডিমের বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যাচ্ছে। গড়ে উঠছে অনেক কোয়েল পাখির খামার। তাই এ ডিমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারের কথা জানতে চান অনেকে।
প্রথমেই মাথায় রাখা দরকার কোয়েলের ডিম খুবই ছোট। একটি কোয়েল পাখির ডিম বড়জোর ৯ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে। যেখানে একটি মুরগির ডিম ৫০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। তাই পরিমাণের দিক দিয়ে ৫টি কোয়েলের ডিম একটি মুরগির ডিমের সমপর্যায়ের হয়ে থাকে। আসুন জেনে নিই কোয়েলের ডিম কতটা পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
কতটা পুষ্টিকর?
প্রোটিনের শক্তিশালী উৎস। উপকারী কোলেস্টেরল, ভিটামিন ‘বি১’, ভিটামিন ‘বি২’ ও ভিটামিন ‘এ’ আছে। মুরগির ডিমের চেয়ে কোয়েলের ডিমে ভিটামিন ‘বি১’ ছয় গুণ এবং ভিটামিন ‘বি২’ ১৫ গুণ বেশি থাকে। এই প্রোটিন অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কোয়েল পাখির ডিমে রয়েছে।
ক্যালরিঃ ১৪ ফ্যাটঃ ১ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডঃ ৪ মিলিগ্রাম ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডঃ ৮৪ মিলিগ্রাম প্রোটিনঃ ১.২ গ্রাম কোলেস্টেরলঃ ৭৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন ও মিনারেল ভিটামিন এঃ ১% রিবোফ্লাভিনঃ ৪% ভিটামিন বি১২ঃ ২% প্যানথোনিক এসিডঃ ২% আয়রনঃ ২% সেলেনিয়ামঃ ৪% ফসসরাসঃ ২%
১. দেহের শক্তি বাড়ায়
কোয়েলের ডিম আমাদের শরীরের জন্য বেশ ভালো একটি শক্তির উৎস হতে পারে। কোয়েলের ডিম প্রোটিন ও আয়রনে সমৃদ্ধ, যা শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়িয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সব ধরণের প্রোটিনই বহু অ্যামিনো অ্যাসিড অণুর দ্বারা তৈরি চেইন দিয়ে গঠিত হয়। কোয়েলের ডিমের অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোফাইল তৈরি করে দেখা যায়, এতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। শরীরের ব্লাড শুগার নিয়ন্ত্রণে এদের মধ্যে কয়েকটি অ্যামিনো অ্যাসিড বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। অন্য কয়েকটি অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে যারা টিস্যুর ক্ষয়রোধ ও নতুন টিস্যু গঠন করে। এছাড়াও কোয়েল পাখির ডিমে পাওয়া যায় লাইসিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিড, যা শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে এবং হরমোন, কোলাজেন ও এনজাইম উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। নতুন রক্ত তৈরিতে আয়রনের ভূমিকা বেশ তাৎপর্যবহ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে অ্যানেমিয়া বা রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়, যার ফলে ঘন ঘন ক্লান্তি ও শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা দেখা যায়।
২. মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করে
আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন বি১২, থাইমিন (ভিটামিন বি১) ও ভিটামিন বি২ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন বি১২ আমাদের স্মৃতিশক্তির ক্ষয় রোধ করতে সহায়ক। কোয়েলের ডিম ভিটামিন বি১২ এবং রিবোফ্লাভিন (ভিটামিন বি১২) এর একটি ভালো উৎস। কিছু পরিমাণ থাইমিনও (ভিটামিন বি১) এতে বিদ্যমান।
৩. যকৃত, ত্বক, চুল ও চোখের সুরক্ষা দেয়
রিবোফ্লাভিন, যা মূলত ভিটামিন বি ২ নামে পরিচিত, দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তিক প্রক্রিয়ার জন্য খুবই দরকারী। সাধারণত ভিটামিন বি ২ সহ অন্যান্য বি শ্রেণীর ভিটামিন আমাদের লিভার, ত্বক, চুল ও চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করে। শরীরে লোহিত রক্ত কণিলা উৎপাদনেও রিবোফ্লাভিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোয়েলের ডিমে আকারের অনুপাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্লাভিন, একের অধিক কোয়েলের ডিম নিয়মিত খেলে তা আমাদের লিভার, ত্বক, চুল, চোখের সুস্থতার জন্য যথেষ্ট!
৪. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
কোয়েলের ডিমে প্রাপ্ত খণিজ উপাদানগুলোর একটি হলো সেলেনিয়াম। এই খণিজ দ্রব্যটি প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সেলেনিয়ামে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকোষকে ক্ষয় হয়ে যাওয়া ও জারণ থেকে রক্ষা করে। এইচ আই ভি ও ক্রন’স ডিজিজ আক্রান্ত মানুষের দেহে সেলেনিয়ামের অভাব লক্ষ্য করা যায়। স্বাভাবিক মানুষের শরীরে সেলেনিয়ামের তেমন ঘাটতি পরিলক্ষিত না হলেও প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সেলেনিয়ামযুক্ত খাদ্য রাখাটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। সেক্ষেত্রে কোয়েলের ডিম অনেক সহায়তা করতে পারে।
৫. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’-এর উৎস কোয়েলের ডিম। কাজেই দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের পেশির দেখভাল করে। চোখে সহসা ছানি পড়তে দেয় না। চোখের বেশ কিছু সাধারণ সমস্যা দূর হয়।
৬. কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করে
উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে এই পাখির ডিমে। এলডিএল বা বাজে কোলেস্টেরলের কার্যকারিতা রুখতে দরকার হয় এইচডিএল বা উপকারী কোলেস্টেরল। কোয়েলের ডিমের ফ্যাটের ৬০ শতাংশই এইচডিএল রক্ষায় ব্যয় হয়। ফলে দেহে ভালো কোলেস্টেরল ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকে।
30/06/2021
আজ এই অতিমারী তে সবাই আতঙ্কিত কারণ আমরা নিজেদের শারীরিক ক্ষমতা হারাচ্ছি আর সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে একটু বেশি জেনে ফেলছি আর তাতে ভয় পেয়ে দিক - বিদিক লম্ফ- ঝম্ফ দিচ্ছি ।।
এখন এই করোনা কালে সবাই বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত, সেটা স্বাভাবিক কিন্তু নিজেদের বাচ্চাকে সুস্থ রাখা নিজেদের কাছে ।। করোনা থেকে বাঁচাতে গিয়ে যেনো অন্য রোগ না পেয়ে বসে আবার সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি নাহলে ভয়াবহ রূপ নেবে ।। তাই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন যেনো সে সুস্থ ভাবে জীবন কাটাতে পারে কারণ আবার কোন মহামারী দেখা দেবে সেটা কেউ জানে না ।।
শরীর যেনো সবসময় লড়াই করতে প্রস্তুত থাকে ।।
ক)***** বাচ্চাদের ঘরবন্দি না করে খোলা জায়গায় খেলাধুলা করতে দিন ,,প্রকৃতির সাথে মিশে থাকতে সাহায্য করুন ।। ঝড় -বৃষ্টি ,,রোদ,, ঠান্ডা তাকে সইতে হবে তবেই শরীরে প্রাকৃতিক antibody তৈরি হবে যা তাকে আগামী দিনে যে কোনো virus এর সাথে লড়াই করতে সাহায্য করবে ।।
খ)***** junk-food থেকে দূরে রাখুন ।। বাজারের কেনা পানীয় মোটেই দেওয়া যাবে না।। এগুলো আমাদের শরীরের wbc কে কমজোর করে ।। ভবিষ্যতে এর side affect দেখা যাবে যেমন - পাচন ক্রিয়া দুর্বল ,কিডনি দুর্বল করবে ।। তো সেটা যেনো না হয় ।।যার লিভার যত মজবুত সে সুস্থ শরীরের অধিকারী ।। আর লিভার মজবুত মানেই brain function ভালো ।।
গ)***** রোজ সকালে থানকুনি পাতার রস খেতে দিন ।। আদা,তুলসী,দারুচিনি, এলাচ,লবঙ্গ ,তেজপাতা অল্প চায়ের মধ্য দিয়ে খাওয়ান ।। পিজ্জা,মোমো এগুলোর চেয়ে তো খরচ কম ,,শুধু একটু খাটুনি ।।নিজেদের সুস্থ রাখতে এই খাটুনি করতেই হবে মায়েদের ।। জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।।
মনে রাখবেন শরীরে জলের ঘাটতি সব রোগের কারণ ।।
আপনারা সবাই হাটে-বাজারে দেখেন ওদের বাচ্চারা নোংরার মধ্যে খেলা-ধুলা করছে।। কই তাদের তো কোনো virus attack করে না ।। কারণ ওরা প্রকৃতির সাথে মিশে আছে তাই আজ এই দিনটার জন্য
স্বামীজী বলেছিলেন---"পড়াশুনার দরকার যতটা নেই তার চেয়ে ফুটবল খেলা বেশি জরুরি"।।
আজ বাচ্চারা ঘরে ঘরে online পড়ছে তাতে যে ভবিষ্যতে আরো কতো বড়ো ক্ষতি হতে চলেছে তা আমাদের ধারণার বাইরে কিন্তু সেগুলো এড়ানো আমাদের হাতে ।।
পড়াশুনার পাশাপাশি তাদের শারীরচর্যা করতে হবে যাতে চোখ,লিভার,ব্রেইন ঠিক থাকে ।।প্রচুর সবুজ সব্জি খেতে হবে ।। ভিটামিন A থাকা ফল-সব্জি খেতে হবে আর সাথে 2 ঘন্টা খেলাধুলা,, ব্যায়াম এগুলো করতে হবে।।
আমরা দায়ী আগামী প্রজন্মকে সুস্থ রাখবো না তাদের জন্য অসুস্থ পরিবেশ রাখবো ।।
বেশি নিউজ চ্যানেল ,টিভি দেখা ,মোবাইল এ গেম খেলা এগুলো থেকে বাচ্চাদের দূরে রাখুন আর নিজেরাও সোশ্যাল মিডিয়ার খপ্পর থেকে বাঁচুন কারণ সোশ্যাল মিডিয়া নিজেদের trp বাড়ানোতে ব্যস্ত ,,আপনার আমার মতো মানুষের খেয়াল রাখতে নয় ।।
নিজেকে ফুর্তি-আমোদের মধ্যে রাখুন তাতে গ্যাস,এসিড হবে না ,যা খাবেন তাই হজম হবে আর তাতেই আপনি সুস্থ জীবন পাবেন ।।
09/06/2021
সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিসন্স সুপার ফুড।
এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন A -এর এক বিশাল উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি আছে। এতসব পুষ্টিগুণ একসাথে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়।
🔷️প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-
🔹️একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন C রয়েছে।
🔹️ দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।
🔹️ গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
🔷️এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
🔷️ সজনে শরীরে কোলেস্টোরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।
🔷️ মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।
🔷️ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।
🔷️ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
🔷️এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
🔷️ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।
🔷️ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।
🔷️ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।
🔷️ সজিনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।
🔷️ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
তাছাড়া সজিনাতে প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্যপোযোগী পুষ্টি উপাদান সমুহঃ-
জ্বলীয় অংশ = ৮৩.৩ গ্রাম
খনিজ = ১.৯ গ্রাম
আঁশ = ৪.৮ গ্রাম
খাদ্যশক্তি = ৬০ কিলোক্যালোরি
প্রোটিন = ৩.২ গ্রাম
চর্বি = ০.১ গ্রাম
শর্করা = ১১.৪ গ্রাম
ক্যলশিয়াম = ২১.০ মিলিগ্রাম
লোহা = ৫.৩ মিলিগ্রাম
ক্যারোটিন = ৭৫০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন=বি=১ = ০.০৪ মিলিগ্রাম
ভিটামিন=বি=১ = ০.০২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন=সি = ৪৫.০ মিলিগ্রাম
04/05/2021
#আজ করোনার vaccine বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক জেনে নেই ।। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন যে vaccine নিয়ে আবার করোনা হয়ে যাবে না তো ??
সবার শরীরে রোগ -প্রতিরোধ ক্ষমতা সমান না মানে white blood cell সংক্ষেপে (wbc) শক্তিশালী না তাই আমরা virus জনিত আক্রমন হই কারণ আমাদের খাদ্য-পথ্য দিয়ে আমরা নিজেরাই আমাদের কোষ দের মেরে ফেলি যেমন junk food ,,packeting food ,,cold drinks ,,alchohol etc etc....
আমাদের শরীরেও একটা যুদ্ধক্ষেত্র আছে ।। যতক্ষন wbc রোগ জীবাণু কে চিনতে পারেনা বা রোগ জীবনুসমন্ধে অবগত না হয় ততক্ষন wbc লড়াই করতে পারে না আর করোনা রূপী শত্রু কে চিনতে চিনতে করোনা তার কাজ করে নেয় আর সেটার বহিঃপ্রকাশ হলো জ্বর আর যেহেতু করোনা ফুসফুস কে ওর থাকার স্থান বেছে নিয়েছে তাই শ্বাসকষ্ট ।। আর যাদের শরীরে wbc শক্তিশালী তাদের শরীরে করোনা প্রবেশ করতে পারছে না বা প্রবেশ করলেও ক্ষতি করতে পারছে না ।।।
Vaccine হলো আমাদের wbc কে চিনিয়ে দেওয়া যে মানে ওর শত্রু সমন্ধে অবগত করানো যে করোনা নামের একটি শত্রু রাজ্য আক্রমন করতে পারে ,,তুমি তৈরি থাকো লড়াই করার জন্য ।। এই শত্রু কোথায় ,,কিভাবে আক্রমন করতে পারে ।। wbc নামের সেনাপতি তারপর থেকে সতর্ক হয়ে পাহারা দিতে শুরু করলো ।। গল্প টা আরও মজার তাও অল্পই বললাম ।।
Vaccine নেওয়ার আগে থেকে প্রচুর পরিমানে জল খান ,,ফল, সব্জি খান ।। vaccine নিয়ে কখনো অন্তত এক মাস junk food ,alchohol,, colddrinks ,,মাংস বর্জন করুন তাহলে আপনি ভবিষ্যতেও যেকোনো virus থেকেও বেঁচে যাবেন ।।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
25/03/2021
#সুস্থ থাকতে ডুমুরের রস খান !!
আগে অনেক ভেষজ উদ্ভিদে পরিপুর্ন ছিল। আর সেগুলোর ছিল নানা রকমেরঔষুধিগুণ। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গাছগাছালি কাটার ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সেই সব উপকারী ভেষজ উদ্ভিদ ও এদের ঔষুধি ফুল ও ফল।
এই হারিয়ে যাওয়া ঔষুধি ফলের মধ্যে অন্যতম হল ডুমুর ফল।মোরাসিয়ে গোত্রভূক্ত ৮৫০টিরও অধিক কাঠজাতীয় গাছের প্রজাতি বিশেষ হল ডুমুর। এ প্রজাতির গাছ, গুল্ম, লতা ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে ডুমুর গাছ বা ডুমুর নামে পরিচিত।
ডুমুর ফল নরম ও মিষ্টি জাতীয় ফল। ফলের আবরণ ভাগ খুবই পাতলা এবং এর অভ্যন্তরে অনেক ছোট ছোট বীজ রয়েছে। এর ফল শুকনো ও পাকা অবস্থায় ভক্ষণ করা যায়। উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে এ প্রজাতির গাছ জন্মে। কখনো কখনো জ্যাম হিসেবে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।
এছাড়াও, স্ন্যাক জাতীয় খাবারেও ডুমুরের প্রয়োগ হয়ে থাকে। শহর-নগর সর্বত্র ডুমুর পাওয়া যায় না। গ্রামগঞ্জে যেখানে-সেখানে ডুমুর গাছ দেখতে পাওয়া যায়। ডুমুরগাছ কেউ লাগায় না, আপনা আপনি হয়। তবে ডুমুর খুবই উপকারী। দুই ধরনের ডুমুর দেখা যায়- গোল ডুমুর ও যজ্ঞ ডুমুর।
ডুমুরের পাতা খসখসে হয়। গোল ডুমুরের পাতা লম্বা এবং যজ্ঞ ডুমুরের পাতা গোল। ডুমুর হাটবাজারে কিনতে পাওয়া যায় না। গোল ডুমুর ডালনা ছেঁচকি খাওয়া যায়। তবে
ডুমুর ফুটতে সময় লাগে। কারণ ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে নিয়ে রান্না করা হয়।
ডুমুর কয়েক প্রজাতির হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে সচরাচর যে ডুমুর পাওয়া যায় (Ficus hispida) তার ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এর আরেক নাম ‘কাকডুমুর’।
এই গাছ অযত্নে-অবহেলায় এখানে সেখানে ব্যাপক সংখ্যায় গজিয়ে ওঠে। গাছ তুলনা মূলক ভাবে ছোট। এটি এশিয়ার অনেক অঞ্চলে এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়।
পাখিরাই প্রধানত এই ডুমুর খেয়ে থাকে এবং পাখির বিষ্ঠার মাধ্যমে বীজের বিস্তার হয়েপাতা শিরিশ কাগজের মত খসখসে। এর ফল কান্ডের গায়ে থোকায় থোকায় জন্মে।
বিভিন্ন দেশে একে তীন,আঞ্জির ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর পাওয়া যায়, তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বানিজ্যিকভাবে এর চাষ
হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত। এর আরবি নাম ‘তীন; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে ‘আঞ্জির’ বলা হয়। এই গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য।
জগ ডুমুর বা যজ্ঞ ডুমুর নামে আরেক প্রজাতির ডুমুর রয়েছে, যার বৈজ্ঞনিক নাম Ficus racemosa। এছাড়া অশ্বত্থ বা পিপল নামে আরেকটি ডুমুর জাতীয় গাছ আছে, যার
বৈজ্ঞানিক নাম Ficus religiosa। এটি বট গোত্রীয় বৃক্ষ, এর পাতার অগ্রভাগ সূচাল। উপরিউক্ত প্রজাতি ছাড়াও ডুমুরের আরো অনেক প্রজাতি রয়েছে।
ডুমুর অত্যন্ত উপকারী ফল। তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানে না। আর এ জন্যই অবহেলিত হয়ে আসছে এই উপকারী ফলটি।ডুমুর ফলের উপকারিতা অর্থাত্ এর বিভিন্ন ঔষুধিগুণ আলোকপাত করা হলঃ-
ক) ***** ডুমুর পিত্ত ও আমাশয় রোগে উপকারী -এতে লোহা বেশি আছে বলে বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।-ডুমুর রক্তপিত্তা, রক্তপ্রদর, রক্তপড়া অর্থাত্ রক্তহীনতা রোগে উপকারী।-জ্বরের পর ডুমুর রান্না করে খেলে টনিকের কাজ করে।
খ) ***** মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্তস্রাব হলে কচি ডুমুরের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।
-দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খেলেও অধিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়।
গ) ***** আমাশয় হলে কচি ডুমুরের পাতা আতপ চালের সঙ্গে চিবিয়ে খেলে ভালো হয়। তিন দিন খেতে হয়।-সাদা ও রক্ত আমাশয় হলে, ডুমুরগাছের ছাল রস ২ বেলা ২ চামচ রসের সঙ্গে মধু
মিশিয়ে খেলে ভালো হয়।-মাথাঘোরা রোগে, ডুমুর ভাজা করে খেলে ভালো হয়। তবে সর্বদা মনে রাখতে হবেডুমুরের ভেতরের অংশ অখাদ্য। খেলে ক্ষতি হবে। সবসময় ডুমুরের বাইরের অংশ রান্না করে খাওয়া যায়।
ঘ) ***** হেঁচকি উঠা রোগে ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে এক ঘন্টা,তারপর ছেঁকে নিয়ে ঐ জল এক চামচ করে আধ ঘন্টা অন্তর খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
22/03/2021
#শ’রীরকে রো’গ মুক্ত রাখতে প্রতিদিন পান করুন লবঙ্গ চা।
প্রাকৃতিক শক্তিতে ভরপুর এই বিশেষ চা-টি শুধু আপনার রসনা তৃ’প্তি করবে না, সেই সঙ্গে শরীরকে রো’গ মুক্ত রাখতেও নানাদিক থেকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করে যাবে।
তাই তো বলি আর অপেক্ষা নয়, আজই বাজার থেকে লবঙ্গ কিনে এনে বানিয়ে ফেলুন এই হার্বাল চাটি। আর চেখে দেখুন কেমন লাগে! আসলে লবঙ্গের শরীরে উপস্থিত ম্যা’ঙ্গানিজ, ভি’টামিন কে, ফাইবার, আ’য়রন, ম্যাগনে’সিয়াম এবং ক্যাল’সিয়াম নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। যেমন ধরুন…
১. সারা শরীরে র’ক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গ চা খাওয়া মাত্র শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে দেহের প্রতিটি কোনায় অক্সি’জেন সমৃদ্ধ র’ক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অ’ঙ্গগুলির কর্মক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে শরীরের সচলতাও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।
২. র’ক্তে শর্করার মাত্রা নিয়’ন্ত্রণে থাকে: গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ডায়া’বেটিসের মতো মারণ রো’গের প্রকোপ যে হারে বেড়েছে তাতে সবারই প্রতিদিন লবঙ্গ চা খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির মধ্যে থাকা নাইজেরিসিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নি’য়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও আশ’ঙ্কাই থাকে না।
৩. আর্থ্রা’ইটিসের য’ন্ত্রণা কমে: লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইন’ফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।
তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্য’থা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্র’ণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. দাঁতের ব্যা’থা কমায়: লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লে’মেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্র’ণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে এক কাপ গরম গরম লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।
৫. ক্যা’ন্সার রোগ দূরে থাকে: একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে নিয়মিত এক কাপ করে লবঙ্গ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরে অ্যা’ন্টি-ক্যা’ন্সার প্রপাটিজের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশ’ঙ্কা কমে।
শুধু তাই নয়, শরীরের কোনও জায়গায় টি’উমার হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, লবঙ্গে উপস্থিত অ্যা’ন্টিঅক্সি’ডেন্টও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. সাইনাসের প্রকো’প কমায়:- মাঝে মধ্যে কি সাইনাসের আক্র’মণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল?
আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের ক’ষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধরনের অসুখের চি’কিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।
৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসি’ডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে র’ক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না।
তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।
৮. ত্বকের সংক্র’মণ সারাতে কাজে আসে: এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্র’মণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গ চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন ক’ষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না।
আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জী’বাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রম’ণজনিত ক’ষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।
৯. নিমেষে জ্ব’রের প্রকোপ কমায়: লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাই’রাসেরা সব মা’রা পরে।
ফলে ভাই’রাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতি’রোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্র’মণে আ’ক্রান্ত হওয়ার আশ’ঙ্কাও কমে যায়।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
21/03/2021
কুঁচকে যাওয়া ত্বক টানটান করে তোলার ৩টি জাদুকরী উপায় জেনে নিন !!
বয়সের ছাপ সবার আগে আমাদের ত্বকেই পড়ে। মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট ইত্যাদি শরীরের সকল স্পর্শ কাতর অঙ্গে আগে দেখা যায় বয়সের ছাপ। ভাবছেন বয়স্কে রুখে দেয়ার কোন উপায় নেই? আছে বৈকি! বয়স(Age) হয়েছে বলেই চেহারায় ও শরীরে সেই ছাপ বহন করতে হবে এমন কোন কথা নেই।
আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজ কিছু উপায়েই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বক কে করে ফেলতে পারেন অনেকটাই টান টান ও যৌবন দীপ্ত। কীভাবে? চলুন, জেনে নিই তিনটি জাদুকরী কৌশল।
অ্যালোভেরা
(ক) ***** অ্যালোভেরা আমাদের অসংখ্য ত্বক এর সমস্যার জন্য একটি চমৎকার উপাদান। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বক এর বলিরেখা দূর করে একে করে তোলে টান টান।
আপনি মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট বা শরীরের যে কোন স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন এই অ্যালোভেরা জেল(Aloe vera jail)। তাজা অ্যালোভেরা জেল মাখুন শরীরের সমস্যা আক্রান্ত এলাকায়। আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন।
আপনি চাইলে সম্পূর্ণ শরীরই এই জেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ম্যাসাজ করা হলে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বাজারের প্যাকেটজাত অ্যালোভেরাজেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সদ্য গাছ থেকে সংগ্রহ করা জেল হলে ফল পাবেন খুবই দ্রুত। আর হ্যাঁ, রোজ ব্যবহার করবেন।
গোলাপ জল
(খ) ***** অসাধারণ এই উপাদানটি আপনার সৌন্দর্যের বন্ধু। গোলাপ জল(rose water) আপনার ত্বককে টানটান করে ও বলিরেখা ও রোমকূপকে অদৃশ্য রেখে আপনাকে করে তোলে লাবণ্যময়। রাতের বেলা শরীরের প্রয়োজনীয় স্থানে তুলো দিয়ে গোলাপ জল লাগান।
চাইলে গোলাপ জল দিয়ে স্থানটি ধুয়েও নিতে পারেন। তারপর শুকিয়ে গেলে এভাবেই রাখুন সারা রাত। সকালে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ গোলাপ জল হতে হবে। চিন্তা নেই, সাধারণ এই জিনিসটি আপনি তৈরি করতে পারবেন বাড়িতেই!
ডিমের সাদা অংশ
(গ) ***** দুটি ডিমের সাদা অংশ নিন, একে ভালো করে বিট করে ফোম করে নিন। তারপর মুখ সহ অন্যান্য স্থানে মাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩/৪ বার নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে টান টান।
কীভাবে কাজ করে?
এখানে যেসব উপাদান আমরা ব্যবহার করবো, সেগুলো সবই প্রাকৃতিক গুনাবলীতে পরিপূর্ণ। এই উপাদানগুলো আপনার ত্বকের(Skin) ইলাসটিন ও কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে,
ফলে প্রাকৃতিকভাবেই ত্বক হয়ে ওঠে টান টান। এই তিনটি উপায় থেকে যে কোন দুটি বা তিনটিই নিয়মিত ব্যবহার করুন। আর ফিরে পান নিজের হারানো যৌবন!
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
04/03/2021
সময়মতো লাঞ্চ না খেলে কী হয় জেনে নিন।
অনেকেই দুপুরের খাবারের বিষয়ে কোন চিন্তা করে না। তাদের ধারণা দুপুরে একটা কিছু খেয়ে নিলেই হল। এভাবে তারা দিনদিন বিভিন্ন বিপদজনক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অনেকের অফিস ডেস্কে বসে খাবার অভ্যাস রয়েছে। এই অভ্যাস অবশ্যই পরিত্যাগ করুন। কাজের মাঝে লাঞ্চ ব্রেকে অবশ্যই যাবেন। সব কিছুর পূর্বে নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে।
নানা কারণে অনেকেই ঠিক সময়ে খেতে পারেন না। কেউ কেউ আবার এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে এক এক সময় খাবার খাওয়ারই সময় পান না। এমন অভ্যাস ভালো নয়। বিশেষত ব্রেকফাস্ট না খাওয়া তো একেবারেই উচিত নয়। চলুন জেনে নিই, সকালের, দুপুরের এবং রাতের খাবার খাওয়ার সঠিক সময়।
আমরা যে ভুলগুলো করে থাকি চলুন সেগুলো নিয়ে আজ কিছু আলোচনা করা যাক।
১) দুপুরের খাবার:------
চেষ্টা করবেন প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে ২ টার মধ্যে দুপুরের খাবার অর্থাৎ লাঞ্চ সেরে ফেলতে। যদি কোনোদিন দেরি হয়ে যায়, তাহলে চেষ্টা করবেন বিকাল ৪ টার আগে যেন সেরে ফেলতে পারেন। আপনি যদি ঠিক সময়ে দুপুরের খাবার না খান তাহলে আপনার পেটে হয়তো গুরগুর শুরু হয়ে যাবে। আর এ ধরনের অনুভূতি একেবারেই সুখকর নয়।
২) রাতের খাবার:------
ডায়েট মেনে চললে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার মধ্যে রাতের খাবার অর্থাৎ ডিনার সেরে ফেলা উচিত। আর যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে চেষ্টা করবেন ৯ টার মধ্যে যেন খাওয়া হয়ে যায়। মনে রাখবেন একটু দেরি হয়ে গেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু ডিনার সারতে হবে রাত ১০ টার মধ্যে। আর রাতে ভাজাভুজি বেশি খাবেন না। এমনটা করলে দেখবেন ওজন বেড়ে যাচ্ছে।
ক)***** দ্রুত খাওয়া ঠিক নয়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া উচিৎ। আমরা যখন খাবার গ্রহণ করবো, তখন আমাদের সোজা হয়ে বসে খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ। এতে আমাদের হজম শক্তি ভাল থাকে। যা আমাদের সমস্ত শরীরের ক্রিয়ার জন্য ভাল।
খ)***** খাবার ভালভাবে চিবিয়ে খাবেন:
আস্তে আস্তে ও বেশী করে খাবার চিবানোর ফলে বেশী পুষ্টি পাওয়া যায়। আমাদের স্বাস্থ্য ভাল হয়। অন্যদিকে, কম চিবিয়ে খাবার ফলে আমাদের বিপাক ক্রিয়ায় সমস্যা হয় ও স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে। অফিসে কাজের চাপে অনেকেই খুব দ্রুত খাবার খাওয়ার অভ্যাস করে। যা মোটেই ভাল কাজ নয়। খাবার সবসময় বাড়ী থেকে আনার চেষ্টা করবেন ও সময়ানুযায়ী খাবার গ্রহণ করবেন।
গ)***** তাড়াতাড়ি করতে যাবেন না:
আমরা দ্রুত কোন কাজ সম্পন্ন করতে গেলে বেশীরভাগ সময় বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হই। অনেকে দ্রুত খাবার খাওয়ার জন্য ফাস্ট ফুডের খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করে আমাদের শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি হতে পারে। দ্রুত খাবারের চেষ্টায় শর্করাবৎ খাবার বেশী গ্রহণ করা হয়। এর ফলে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘ)***** লাঞ্চ ব্রেক নেয়া গুরুত্বপূর্ণ:
সময় নিয়ে খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীর থেকে কোলেসাইস্টোকিনিন নামক এক প্রকার হরমোন নির্গত হয়। এই হরমোন আমাদের মস্তিস্কে সিগন্যাল প্রদান করে যে, আমাদের ক্ষুধা নিবারণ হয়ে গেছে। আমরা দ্রুত খাবার খাওয়ার কারণে অনেক সময় বুঝতে পারি না, চাহিদামত খাবার খাওয়া হয়ে গেছে। অনেক সময় এ কারণে আমরা বেশী খাবার গ্রহণ করি।
ঙ)***** ওজন নিয়ন্ত্রণ টিপস :---
ওজন বাড়াতে যদি না চান তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে ডিনার সেরে নেবেন। যদি আপনি রাত ১০ টায় ঘুমাত যান তাহলে ডিনার সেরে নেবেন ৭ টার মধ্যে।
নির্দিষ্ট সময় বিরতি দিয়ে খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ''বিশ্রাম দিয়ে খাওয়া'' বা ''টাইম রেস্টেড ইটিং'' বলা হয়।''
তাহলে সুস্থ থাকতে আজ থেকেই বদলে ফেলুন খাদ্যাভ্যাস।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
21/02/2021
আমরা সবাই জানি ব্রেইন দ্বারাই আমরা পরিচালিত হই তাই ব্রেইন যখন তার ভার-সাম্যতা হারায় তখন শরীরের অন্যান্য অঙ্গ ধীরে ধীরে ক্ষমতা হারায় ।।
সবার ব্রেইন সমান ভাবে গঠিত না ।। ভ্রূণ অবস্থাতেই ব্রেইন তৈরি হয় ,জন্মের ৫ বছর পর্যন্ত ব্রেইন এর বিকাশ করানো সম্ভব খাওয়া-খাদ্য দ্বারা কিন্তু তাই বলে গাধা থেকে ঘোড়া বানানো যাবে না।।
কিভাবে ব্রেইন কে সুস্থ রাখা যায়----
ক) ***** শাক-সবজি প্রচুর খাওয়া দরকার ,,মাছ হলো ব্রেইনের প্রধান খাদ্য আর সাথে মাংস তাতে vitamin k আছে যা DHA বৃদ্ধি করতে সহায়ক ।।
খ) ***** প্রতি তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর খাওয়া দরকার কারণ পরিশ্রম ব্রেইন করে আর 20% ব্রেইন খায় ।।
গ) ***** ব্রেইন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাজ করে তাই রোজ শবাসন এবং ধ্যান করা অন্তত 10 মিনিট খুব জরুরি যাতে ব্রেইন কে তার কাজ করতে সহায়তা করতে পারি ।।
ঘ) ***** সব সময় নাকে শস্য তেল নেওয়া দরকার কারণ যেমন আমরা machinery জিনিষে তেল দিয়ে রাখি যাতে সেটা চলন্ত বা গতিশীল থাকে ,শুকিয়ে গেলে ভাঙার ভয় থাকে বা অচল হয়ে যাবে ঠিক তেমনি ব্রেইন টাও যেনো সতেজতা ধরে রাখতে পারে তাতে মাথা ব্যথা বা সর্দি হয় না কারণ ব্রেইনের মরা কোষ গুলোই সর্দি হয়ে ঝরে তাতে স্মৃতি শক্তি লোপ পায় ,কিন্তু বছরে দুবার সর্দি হওয়া ভালো তো তেল দিলে দুটোই উপকার হবে।।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
14/02/2021
আমরা সবাই জানি লিভার আমাদের শরীরের অত্যন্ত জরুরি অংশ যার দ্বারা আমাদের শরীর বেঁচে থাকে ।।
সবাই জানেন তাও কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক কিভাবে লিভার ভালো রাখা যায় ।।
ক) ***** জীবনীশক্তি বাড়ানোর জন্য যে আমাদের আমন্ড,,ছোলা, খেঁজুর আরো অনেক কিছুই আছে যা আমরা খেয়ে থাকি কিন্তু তা যদি হজম না হয় মানে আমাদের লিভার নিতে না পারে তাহলে এগুলো একদমই খাওয়া উচিৎ নয় তাতে লিভার আরো কমজোর হবে ,,অন্য সমস্যা দেখা দেবে ।।
খ) ***** ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হয় এটা ছোটবেলা বই এ পড়েছি কিন্তু কেনো --- যাতে লিভারের কষ্ট না হয় সেগুলো থেকে প্রোটিন,ক্যালসিয়াম,ভিটামিন, আয়রন নিতে সেজন্যই নবজাত শিশুকে বা ছোট বাচ্চাদের শক্ত খাবার খেতে দেওয়া হয় না ।।
গ) ***** যা হজম হবে তাতেই আপনি সুস্থ সবল থাকবেন ,,সবার হজম শক্তি একই হয় না তাই নিজেরাই বুঝবেন কি খেলে আপনার পেটে গ্যাস বা এসিড হচ্ছে না ।। পেঁপে রোজ খাওয়া দরকার ,,তার সাথে জল আর কোনো খাবারই তপ্ত গরম খাওয়া উচিৎ না ।।
ঘ) ***** যাদের কোষ্ট কাঠিন্যর সমস্যা তারা তৈলাক্ত খাবার বর্জন করুন ।। লিভার ছোট বড়ো হয়না যা অনেক সময় ডাক্তার রা বলে থাকেন বা usg report করলে আসে ,,সেটা হলো হজম না হয়ে বাজে জিনিষ যখন বের হতে পারে না তখন সেটা লিভারের চারপাশে জমতে শুরু করে ,,পরবর্তী কালে এটার দরুন সমস্যা শুরু হয় ।।তাই কোষ্ঠকাঠিন্য যেনো না হয় সেভাবে খাওয়া -দাওয়া উচিৎ।।
লিভারের সমস্যা হলেই কিডনি, চোখ,হার্ট বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেবে তাই লিভার এর যত্ন নিন আর সুস্থ থাকুন ।।
যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে বা উপকৃত মনে হয়।
অবশ্যই আপনার প্রিয় জনের সাথে শেয়ার করবেন।
আরও এরকম আর্টিকেল পড়তে আমাদের 𝓖𝓪𝔃𝓮 𝓦𝓸𝓻𝓵𝓭 𝓘𝓶𝓹𝓮𝓻𝓲𝓪𝓵𝓲𝓼𝓶 সাথে থাকুন।
12/02/2021
For any functions ' The Makeover " is there by the grand look ...
"Always given the best" is in the work.....
𝓢𝓽𝓪𝔂 𝔀𝓲𝓽𝓱 𝓾𝓼 💞💞💞
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Howrah
711205