Jayati Chatterjee
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jayati Chatterjee, Kolkata, KOLKATA.
বন্ধুরা মনের জট খুলে ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করুন! আমি NLP কৌশল, থেরাপি ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে আপনাকে আপনার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবো। মানসিক শান্তি, সাফল্য এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে আমার সঙ্গী হতে পেজটি ফলো করুন। আপনার পরিবর্তন শুরু হোক আজ থেকেই।
লক্ষ্য যখন দূরের তখন সব কথাদের মাখতে নেই
দূরপাল্লার ট্রেনের নিয়ম সব স্টেশনে থামতে নেই।
বহুদিন আগে এই সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই দেখেছিলাম কোটেশন টা, এতো ভালো লেগেছে আজও কথা গুলো মনে আছে।
আসলে যে যেখানে পৌঁছাতে চাইছেন সেটা জীবনের গন্তব্যই হোক বা সাধারণ ভাবে যেকোনো ঠিকানাই হোক, সেই লক্ষ্যটা জানা বড্ড জরুরী।সঠিক লক্ষ্য স্থির করার পর সেই পথে সুষ্ঠু ভাবে এগিয়ে যাওয়ার পদ্ধতিই হলো অভ্যাস। তাই অভ্যাস সুন্দর হলে সাফল্য আসবে না হলে আসবে কি..?তাই অভ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম বন্ধুরা। 😊
যদি কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চেয়েও না পেরে থাকেন অবশ্যই প্রফেশনাল সাহায্য নিতে যোগাযোগ করুন 099036 80146 এই নম্বরে। 🙏❤️
আপনার সাব-কনশাস মাইন্ড আপনার যে পরিচয়টির সঙ্গে পরিচিত। সেই একই পরিচিতি ধরে রাখলে নতুন পজিটিভ অভ্যাস তৈরী করাটা সহজ হবে না।তাই নিজের যে অভ্যাস বদলে নতুন অভ্যাস আপন করতে চাইছেন,আপনি যে সেটাতেই স্বচ্ছন্দ সেই খবর টা তাকে জানাতে হবে।তবেই সহজ হবে কাজটা বন্ধুরা। 😊
যদি কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চেয়েও না পেরে থাকেন অবশ্যই প্রফেশনাল সাহায্য নিতে যোগাযোগ করুন 099036 80146 এই নম্বরে। 🙏❤️
26/05/2026
আজ একটা গল্প শেয়ার করলাম আপনাদের জন্য বন্ধুরা।
একবার রাজগৃহে অধিষ্ঠান করছিলেন ভগবান বুদ্ধ। একদিন এক আগন্তুক পৌঁছলেন বুদ্ধের কাছে। প্রনাম সেরে প্রশ্ন করলেন, হে প্রভু! একটি জিজ্ঞাস্য আছে। যদি অনুমতি করেন তো প্রকাশ করি! বুদ্ধ স্মিত হেসে বললেন, বলো, তোমার যা জিজ্ঞাস্য আছে। আগন্তুক বললেন, প্রভু! আপনি কখনোই উগ্র হয়ে যান না, ক্ষিপ্ত হয়ে কাউকে কোনোদিন কটু বাক্য অব্দি বলেন না। এমনকি যেখানে কেউ আপনাকে উত্তক্ত করার মারাত্মক ভুল করে, তাকেও আপনি উদারভাবে ক্ষমা করে দেন। এই নম্র, শান্ত স্বভাব কিভাবে আপনি রপ্ত করেছেন প্রভু! যদি অনুগ্রহ করে বলেন।
বুদ্ধ সবটা মন দিয়ে শুনলেন। এবং সব শেষে আগন্তুককে কাছে ডেকে বললেন, আমি দেখতে পাচ্ছি আগামী সাত দিন পরে তুমি মারা যাবে। তাই এইসব জিজ্ঞাস্য ছেড়ে শেষ কটা দিন, নিজের পরিবার, পরিজনের সঙ্গে কাটাও। বুদ্ধের মুখে এই কথা শুনে আগন্তুক স্তম্ভিত হয়ে গেল। বিষণ্ন মনে বুদ্ধকে প্রনাম করে সে সেখান থেকে বিদায় নিল। পরের সাত দিন সে ভীষণ নিচু স্বরে, নম্রভাবে, সবার সঙ্গে শেষ দেখা সারলো। এবং নিজের জেনে নাজেনে বিভিন্ন ভুলের জন্য সবার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিল।
শেষ দিনে আগন্তুক আবার রাজগৃহে এসে ভগবান বুদ্ধের পায়ে প্রনাম করে বললেন, হে প্রভু! আজ আমার এই জীবনের শেষ দিন। আপনার দর্শন এবং আশীর্বাদ নিয়েই জীবন শেষ হবে আমার এই আশা নিয়েই আপনার কাছে এলাম। বুদ্ধ হাসলেন। আর বললেন, গত সাত দিনে তুমি সবার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছো ? আগন্তুক বললেন, ভীষণ শান্ত এবং নম্রভাবে। প্রতি মুহূর্তে অনুভব করেছি আমি একটু একটু করে শেষ হচ্ছি। তাই এই রাগ, ক্ষোভ, ক্রোধ, অভিমান করে এই অবশিষ্ট সামান্য সময়টুকু অপচয় করতে চাইনি। যার সঙ্গেই মিশেছি, নম্রভাবে, শান্তভাবে কথা বলেছি আমি।
বুদ্ধ বললেন, তুমি বোধহয় সাতদিন আগে তোমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছো। আমি চাইলে তোমায় এর উত্তর সরাসরি দিতে পারতাম। কিন্তু তাহলে তুমি শুধু তা শুনতে মাত্র, উপলব্ধি করতে পারতে না। এই জগতে আমরা সবাই ক্রমশ ফুরিয়ে আসছি। কেউ বলতে পারেনা কবে সে চিরদিনের মতো থেমে যাবে। তাই যতটুকু বেঁচে আছি, ভালোবেসে, শান্তিতে, আর ক্রোধহীনভাবে যাপন করাই বাঞ্ছনীয়। আর হ্যাঁ। তুমি যাতে নিজে তা উপলব্ধি করো সেই কারণে তোমায় বলেছিলাম তুমি সাত দিন পরেই মারা যাবে। তুমি মারা যাচ্ছো না। নিশ্চিন্ত থাকো। ছলছল চোখে আগন্তুক বললেন, ধন্য তুমি প্রভু! আমার চোখ খুলে দিলে তুমি।
পুরোনো অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে গেলে মনের জোর খুব একটা কার্যকরী হয় না। খুব ধীরে ধীরে অত্যন্ত সুক্ষ্ম ভাবে সেটা বদলে ফেলতে হয়।
আজ রইলো অভ্যাস বদলানোর উপায় সম্পর্কে আরও একটা ছোট্ট টিপস।😊
যদি কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চেয়েও না পেরে থাকেন অবশ্যই প্রফেশনাল সাহায্য নিতে যোগাযোগ করুন 099036 80146 এই নম্বরে। 🙏❤️
পুরনো অভ্যাস বদলে নতুন অভ্যাস আপন করতে গেলে খেয়াল রাখতে হবে আপনার পারিপার্শ্বিকতা কতটা আপনার নতুন অভ্যাসের উপযোগী। বুঝলেন কি না বন্ধুরা 😊
বন্ধুরা
আজ জেনে নিন পুরনো ক্ষতিকর অভ্যাসের কবল থেকে সহজেই বেড়িয়ে আসার উপায়। 😊
আসুন বন্ধুরা আজ আপনাদের জানিয়ে দি ক্ষতিকারক অভ্যাস বদলে ফেলার একটি অত্যন্ত সহজ এবং সুক্ষ্ম উপায়।
জীবনে পরিবর্তন আনতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।😊
18/05/2026
আমি একজন ডেলিভারি বয়।
বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।
সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই।
রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেটটা নেওয়ার সময় খেয়াল করলাম—অর্ডারটা খুবই ছোট।
সাধারণ খিচুড়ি, একটু দই, আর দুটো কলা।
ঠিকানাটা ছিল শহরের পুরনো অংশে।
একটা জরাজীর্ণ পুরনো বাড়ি।
তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হলো।
আমি দরজার বেল টিপলাম।
একজন বৃদ্ধা দরজা খুললেন।
সাদা চুল, কাঁপা কাঁপা হাত, চোখে মোটা চশমা।
মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল, কিন্তু কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত এক মমতা।
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“বাবা, খাবারটা ভেতরে টেবিলের ওপর রেখে দাও তো…
হাত দুটো খুব কাঁপে।”
আমি খাবারটা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম,
ঠিক তখনই তিনি আবার বললেন—
“দু’মিনিট বসবে বাবা?
একা একা খেতে আর ভালো লাগে না…”
আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম।
আমার শিফট শেষ হয়ে গিয়েছিল।
শরীরও বেশ ক্লান্ত ছিল।
তবু কেন জানি না, আমি বসে পড়লাম।
ঘরটা একদম নিস্তব্ধ ছিল।
দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ ভেসে আসছিল।
এক কোণে ছোট্ট করে ঈশ্বরের ছবি।
আর সামনের দেয়ালজুড়ে অসংখ্য পুরনো ফ্রেমবন্দী ছবি।
বৃদ্ধা ধীরে ধীরে খাবারের প্লেট খুললেন।
খুব আস্তে আস্তে খিচুড়ি খেতে শুরু করলেন।
প্রতি দু’কামড় পরপর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসছিলেন।
হঠাৎ তিনি বললেন—
“জানো বাবা, আমি রোজ বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি না।
আজ শুধু মনে হলো…
একটা মানুষের গলার শব্দ শুনতে ইচ্ছে করছে।”
আমি চুপ করে রইলাম।
তিনি দেয়ালের একটা ছবির দিকে আঙুল তুলে বললেন—
“এই যে, উনি আমার স্বামী।
রেলে চাকরি করতেন।
পাঁচ বছর আগে চলে গেছেন।”
তারপর আরেকটা ছবির দিকে তাকালেন।
“এটা আমার ছেলে।
কানাডায় থাকে।
খুব ভালো আছে…
প্রতি মাসে টাকা পাঠায়।”
এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখ ভিজে উঠেছিল।
তিনি ধীরে বললেন—
“শুধু…
কথা পাঠানোর সময়টা আর হয় না।”
হঠাৎ যেন ঘরের ঘড়ির টিকটিক শব্দটা আরও জোরে শোনা যেতে লাগল।
তিনি আবার একটু খিচুড়ি খেলেন।
“এটা আমার মেয়ে।
বেঙ্গালুরুতে থাকে।
নিজের সংসারে খুব সুখে আছে।
থাকুক…
সন্তানরা যদি উড়তেই না শেখে, তাহলে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম কেন?”
কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর গলা কেঁপে উঠছিল।
তবু মুখে কোনো অভিযোগ ছিল না।
ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।
হঠাৎ তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার মা আছেন বাবা?”
আমি বললাম—
“হ্যাঁ, আছেন।”
তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—
“প্রতিদিন ফোন করো?”
আমি চুপ করে গেলাম।
সত্যি বলতে, আমিও অনেকদিন বাড়িতে ফোন করতাম না।
কাজের চাপ, ক্লান্তি, ব্যস্ততা—
প্রতিবার ভাবতাম, ‘কাল ফোন করব।’
বৃদ্ধা আমার নীরবতা বুঝে ফেলেছিলেন।
খুব শান্ত গলায় বললেন—
“মা-বাবারা টাকা গোনেন না বাবা…
ওরা অপেক্ষা করে সন্তানের কণ্ঠস্বরের জন্য।”
কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন ভেঙে গেল।
খাওয়া শেষ হলো।
তিনি একটু জল খেলেন।
তারপর পার্স থেকে ৫০০ টাকার একটা নোট বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
বললেন—
“এটা টিপস নয় বাবা।
এই আধঘণ্টা তুমি আমাকে একা খেতে দাওনি—
এটা তার দাম।”
আমি তাড়াতাড়ি বললাম—
“না না, মা, এটা আমি নিতে পারব না।”
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“নাও বাবা।
আজ তুমি শুধু খাবার পৌঁছে দাওনি…
তুমি সঙ্গ পৌঁছে দিয়েছ।”
শেষ পর্যন্ত আমি টাকাটা নিলাম।
কিন্তু পকেটে রাখতে পারলাম না।
হাতেই ধরে রইলাম।
আমি বেরিয়ে আসছিলাম, তখন তিনি আবার ডাকলেন—
“আর শোনো—
আজ বাড়ি গিয়ে মাকে অবশ্যই ফোন করবে।”
সেদিন রাতে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আমি বাইক স্টার্ট দিইনি।
প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলাম।
ওপাশ থেকে মায়ের কণ্ঠ ভেসে এলো—
“হঠাৎ আজ ফোন করলি?
সব ঠিক আছে তো বাবা?”
শুধু সেই গলাটা শুনেই আমার গলা ধরে এলো।
আমি ধীরে বললাম—
“হ্যাঁ মা…
শুধু তোমার গলাটা শুনতে ইচ্ছে করছিল।”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর মা বললেন—
“খেয়েছিস তো?”
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।
সেই রাতের পর থেকে আমি প্রতিদিন মাকে ফোন করতে শুরু করি।
আর শুধু মাকেই নয়—
প্রতিটা ডেলিভারিও আমার কাছে আর শুধুমাত্র একটা অর্ডার রইল না।
কোনো বাড়িতে ওষুধের দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে একাকীত্বের একটু উপশম দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে কারও ফেরার অপেক্ষা শেষ হওয়ার প্রয়োজন হয়।
আবার কোনো বাড়িতে শুধু দরকার হয়—
একটা মানুষের কণ্ঠস্বর।
এখন দরজা খুললেই আমি আর তাড়াহুড়ো করি না।
আমি মুখের দিকে তাকাই।
কথার ভেতরের ক্লান্তি শুনতে চেষ্টা করি।
মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি—
“সব ঠিক আছে তো?”
বেশিরভাগ মানুষ শুধু বলে—“হ্যাঁ।”
কেউ একটু হাসে।
আবার কিছু মুখ বলে দেয়—
সারাদিন তারা কারও সঙ্গে কথা বলেনি।
দু’মাস পরে আবার সেই একই ঠিকানা থেকে একটা অর্ডার এলো।
আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গেলাম।
কিন্তু দরজা খুললেন অন্য একজন।
পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি।
তিনি ধীরে বললেন—
“মা গত সপ্তাহে মারা গেছেন।”
আমি কয়েক মুহূর্ত দরজার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।
হাত খালি ছিল,
তবু মনে হচ্ছিল ভেতরে যেন খুব ভারী কিছু ভেঙে পড়েছে।
আন্টি ভেতর থেকে একটা ছোট খাম এনে আমার হাতে দিলেন।
বললেন—
“এটা তোমার জন্য রেখে গিয়েছেন।”
কাঁপা হাতে খামটা খুললাম।
ভেতরে ছিল সেই ৫০০ টাকার নোট।
আর একটা ছোট্ট চিরকুট।
তাতে লেখা ছিল—
“বাবা,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তবে আমি আর নেই।
সেদিন আমার সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি আমাকে শুধু খাবার দাওনি—
সম্মান দিয়েছিলে।
আর হ্যাঁ…
মাকে নিয়মিত ফোন করবে।
— মা”
আজও সেই ৫০০ টাকা আমার ব্যাগের ভেতরের পকেটে রাখা আছে।
আমি কখনও খরচ করিনি।
কারণ সেদিন আমি প্রথমবার বুঝেছিলাম—
প্রতিটা দরজার ওপাশে শুধু একজন কাস্টমার থাকে না।
কখনও সেখানে একজন মা অপেক্ষা করেন।
কখনও অপেক্ষা করে থাকে নিঃসঙ্গতা।
কখনও সেটা হয় জীবনের শেষ কথোপকথন।
আমরা সবাই কোনো না কোনো ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে আছি।
কারও দরকার খাবার,
কারও দরকার ওষুধ,
আর কারও দরকার শুধু দু’মিনিটের সঙ্গ।
মানুষ সবসময় টাকার ডেলিভারি চায় না—
কখনও কখনও তারা শুধু চায়
একটু উপস্থিতি,
একটু মানবিকতা,
একটু সময়।
গল্পটা এখানেই শেষ।
কিন্তু সত্যি বলতে—
গল্প শেষ হয়ে গেলেও বুকের ভেতরের ভার অনেকদিন থেকে গিয়েছিল।
একাকীত্ব আর বার্ধক্য—
এই দুটো একসাথে যখন জীবনে আসে, তখন তা সত্যিই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
আর যদি তার সঙ্গে অভাব-অনটনও যোগ হয়,
তবে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে নির্মম ট্র্যাজেডি।
Collected.
জেনে নিন
কখন কোনো ব্যক্তি ক্ষতি হবে জেনেশুনেও কেন নিয়মিত ভালোবেসে বি*ষ থুড়ি ধূমপান করে থাকেন। 😊
জেনে নিন
Habits কা চক্কর কেয়া হ্যায়..?😊
আহা স্মার্ট ফোনের স্মার্টনেস দেখে আমার তো দারুণ লাগলো। 😊
আপনাদের কেমন লাগলো জানাবেন কিন্তু।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Kolkata
Kolkata
700008
Opening Hours
| Monday | 9am - 5pm |
| Tuesday | 9am - 5pm |
| Wednesday | 9am - 5pm |
| Thursday | 9am - 5pm |
| Friday | 9am - 5pm |
| Saturday | 9am - 5pm |