Saudi Arab pravasi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Saudi Arab pravasi, Beauty, cosmetic & personal care, جدة, السعودية, Jeddah.
13/09/2026
ভাসানীর খাদ্যাভ্যাস
বেগম আবদুল মতিন চৌধুরীর ভাষায়, সেকালে শিলং-এ বড় রুই মাছ কেটে বিক্রি করা হতো। মাছের তেলটা আলাদা বিক্রি করা হতো। কোনো কোনোদিন মওলানা ভাসানী শুধু তেলটা কিনে আনতেন। বলতেন, শর্ষের শাক দিয়ে পাক করবেন। রুই মাছের তেল দিয়ে শর্ষে শাক তিনি খুব পছন্দ করতেন।
বেগম চৌধুরীর জানান, যা কিছু খেতে দেয়া হতো খুব তৃপ্তির সঙ্গে খেতেন মওলানা। তবে সাতকরার আচার পছন্দ করতেন। তাঁকে খেতে দিলে সাতকরার আচার সামনে রাখতাম। আচার দেখে খুব খুশি হতেন। শুধু সাতকরার নয়, অন্য আচারও পছন্দ করতেন। আমের কাশ্মিরী আচারও ভালোবাসতেন তিনি।
বেগম চৌধুরী বলেন, সিলেটের মানুষ সাতকরা দিয়ে রান্না করা মাংস খেতে পছন্দ করে। আমাদের বাড়িতে এসেও তিনি বাজার থেকে মাংস ও সাতকরা আনাতেন।
তিনি বলেন, মওলানা ভালো খেতে পছন্দ করতেন। আবার মাঝে মাঝেই রোজা রাখতেন। অল্প পরিমাণে ইফতার করতেন। তাঁর প্রিয় খাদ্য ছিল ঠিকই। কিন্তু যে কোন খাবারই তিনি খুব তৃপ্তির সঙ্গে ধীরেসুস্থে খেতেন। ঝাল পছন্দ করতেন। সেজন্য তাঁর তরকারীতে বিশেষভাবে ঝাল দেয়া হতো। ঝাল কম হলেই কাঁচামরিচ চাইতেন। আলু-বেগুনের খুব ভালো ভর্তা করতে পারতেন তিনি। শুকনা মরিচ পুড়িয়ে খাঁটি শর্ষের তেল বা ঘি দিয়ে খুব চমৎকার ভর্তা বানাতেন।
[ভাসানী কাহিনী, সৈয়দ আবুল মকসুদ]।💝
ধন্যবাদ জানাই সাংবাদিক ইলিয়াসকে পিলখানা হত্যাকারীদের সকল তথ্য প্রকাশ করার জন্য।
সৌ-দি আর-বের তিনশত বছর আগের পুরাতন হাল চাশ করার বৃহৎ আকারের নাঙ্গল।
10/09/2026
উনার কথা হান্ড্রেড পার্সেন্ট সঠিক।
বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস স্বৈরাচারে গোপন করে রেখেছিল। প্রকৃত ইতিহাস দেখেনিন।
সৌ-দি আ-রব জে-দ্দা (মিউ-জিয়ামে) পুরা-তন ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখে আসলাম।
সৌদি আরবের খেজুর গাছে অনেক খেজুর কিন্তু খাওয়ার মানুষ নাই। তাই নিজের মনে করে খাইতেছি কারন গাছের ফল কোন ভেজাল নাই।😁😃😛
29/08/2026
১৯৯১ সালের অক্টোবরে ভারতের কোচিনে সকল ধর্মের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের এবং শান্তিবাদী আন্দোলনের জানবাজ কর্মীদের এক বিশ্ব-সম্মেলন (৪৭০ জনের উপস্থিতি) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৯ দিনের কর্মসূচীতে সেখানে অংশ গ্রহণের সুযোগ আমি পেয়েছিলাম। ১৯৭৮ সন হতে পরিচিত নিউইয়র্কের বাসিন্দা সে সময়ে (১৯৯১) দক্ষিণ আমেরিকার কোন একটা দেশে মিশনারি (ধর্মান্তকরণ নয়) কাজে নিয়োজিত বন্ধুবর জন মার্টিনকে সে সম্মেলনে পেলাম। অন্তরঙ্গ আলোচনায় জিজ্ঞেস করলাম, ইসলামকে নিয়ে পাশ্চাত্য এত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কেন? (লক্ষণীয়, এর ১০ বছর পর টুইন টাওয়ার ধ্বংসের ঘটনা ঘটে।) ভাইটি বললেন, তোমাদের প্রফেটের যুদ্ধ-বিগ্রহ বিকৃত ভাবে পাশ্চাত্যে তুলে ধরা হয়েছে। অথচ প্রত্যেক প্রফেট মূলতঃ প্রেমিক। তোমাদের প্রফেটের ‘প্রেম’ প্রবল ভাবে তুলে ধরা হয়নি। যেমন ধর, একটি বিড়ালের ঘুমকেও তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
আমি কৌতূহল ভরে মার্টিনের দিকে তাকালাম। বয়সে সে আমার বড় হবে না। নবীজী সম্পর্কে আমারচে’ তার কম জানারই কথা। বুঝলাম, তার ইঙ্গিতের কথায় অনেক কথা লুকিয়ে আছে। কিন্তু মূল ঘটনাই জানিনা বলে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম।
ভাই মার্টিন বলে চলল, কোন্ নামাজ আমার মনে নেই। তবে ঘটনাটি হল, নামাজের সময় বয়ে যাচ্ছে। প্রফেটের গায়ে জড়ানো চাদরে, মেঝেতে ছড়ানো কোণায়, এক বিড়াল ঘুমিয়ে আছে। এখন কি করা যায়। প্রফেট চাদরের কোণাটিই কেটে নিজেকে অবমুক্তি করলেন। ভেবে দেখ, বিড়াল সেই চাদরের টুকরায় ঘুম যায়, যে চাদরের এক খন্ড পেতে সূফী-সাহাবীরা চাতক পাখির ন্যায় জীবন কাটায়।
মার্টিনের সুন্দর কথায় আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই। গম্ভীর হয়ে যাই। গভীরে চলে যাই। ফ্ল্যাশিং-এর মত আমার দেহ-মন-আত্মায় এক ঝিলিক খেলে যায়। কোচিনের পৃথিবী-খ্যাত সেমিনারির লনে সাঁঝের বেলায় আমি মুহূর্তে চলা যাই পনের বছর আগের এক ঘটনায়। একটি দৃশ্যে আমার স্মৃতি আটকে যায়। থমকে দাঁড়ায়।
আমি বলি, মার্টিন, মওলানা ভাসানীর জীবনের এমনি একটি ঘটনার আমি চাক্ষুস সাক্ষী। কোন দিন লিখিনি, কারণ এ নিয়ে হতে পারে ভুল বুঝাবুঝি।
বলে রাখি, জন মার্টিন ১৯৭৮ হতে কয়েক বছর বাংলাদেশে কাটিয়েছে। বাংলা বুঝতো, বলতেও পারতো। মওলানা ভাসানীকে মহাসংগ্রামী হিসেবে জেনে ছিল। তাই আগ্রহ ভরে বললো, সেটা কি?
১৯৭৬ সনের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ। সন্তোষে জীবনের শেষ যে দু’চালা ছনের ঘরটিতে হুজুর কাটিয়েছেন (স্মৃতি হিসাবে মাজার-ইমারতের অভ্যন্তরে সংরক্ষিত আছে), কাঁচা মাটির মেঝে-তাতেই তিনি মাদুর পেতে বসে আছেন। মাগরিবের আজান হল। একে একে সবাই ওজু করতে নামাজ পড়তে চলে গেল। আমি বরাবর যা করি তা-ই করলাম। হুজুরের পিছু পিছু যাব বলে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রইলাম। মেঝেতে বসেই আছেন দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, হুজুর, ওজু করবেন? বললেন, না। তখন দেখলাম, মুখটা গম্ভীর। বুঝলাম ব্যাপার কিছু আছে। দেখতে পেলাম, পেছনে ছড়ানো দু’টি হাতে ভর করে কিছুটা হেলান দেয়া ভঙ্গিতে হুজুর বসে আছেন। মসজিদ এত কাছে যে, মাগরিবের নামাজ শুরুর আকামত শোনা যাচ্ছে। কিন্তু হুজুরের নড়াচড়া নাই। কোন চাঞ্চল্যও নাই; তাহলে হল কি? আমি ধীর পদক্ষেপে ঘরে ঢুকলাম। হুজুর বসেই আছেন। কিছু বলছেন না। আমিও বলছিনা। শুধু দেখছি। হঠাৎ একটি দৃশ্যে আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হল। মনে মনে বললাম, হাঁ, এ জন্যেই। কাঁচা ভিটার ১১ হাত দৈর্ঘের (প্রস্থে ৭ হাত) ঘরের পূর্ব প্রান্ত হতে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত কালো বড় পিঁপড়ার সারি। হুজুরের হাতের ছড়ানো দু’পাতার উপর দিয়ে তারা লাইন সৃষ্টি করেছে। সে লাইন ভাঙ্গা যাবেনা। শৃঙ্খলা নষ্ট করা যাবেনা। রবুবিয়াতের হক হল, সৃষ্টির লালন পালনে স্রষ্টার গুণে গুণান্বিত হতে হবে।
ওখানে দাঁড়িয়েই আমার মনে পড়ল, ভক্তদের উদ্দেশে হুজুর একদিন বলেছিলেন, ভারতের এক বুজুর্গ গোশতের হাড়হাড্ডি চিবিয়ে গুড়াগুড়া করে পিপড়ার নিবাস খুঁজে বের করে রেখে আসতেন। আর মওলানা ভাসানী যা করছেন তা গোপন রেখে চলেছেন।
[আমার ভালোবাসা মওলানা ভাসানী; সৈয়দ ইরফানুল বারী]
প্রবাসে ভালো কিছু খাইতে হলে কষ্ট করতে হবে এটাই স্বাভাবিক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
جدة, السعودية
Jeddah
22233